বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা

বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়ক থেকে মৃত হাতিটি উদ্ধার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

ভোমরিয়া ঘোনা বিট কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, হাতিটির মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে পাহাড় থেকে পড়ে হাতিটির মৃত্যু হয়েছে।

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়ক থেকে একটি মৃত বন্যহাতি উদ্ধার করা হয়েছে।

ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের পানেরছড়া ঢালায় সড়কের পাশে মঙ্গলবার সকালে মৃত হাতিটি দেখতে পান স্থানীয়রা। হাতিটি দুপুর পর্যন্ত সেখানেই পড়েছিল।

পরে পথচারীরা ভোমরিয়া ঘোনা বিট অফিসে খবর দিলে বনবিভাগের লোকজন এসে মৃত হাতিটি উদ্ধার করে।

ভোমরিয়া ঘোনা বিট কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, হাতিটির মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে পাহাড় থেকে পড়ে হাতিটির মৃত্যু হয়েছে।

তবে ময়নাতদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। এরইমধ্যে বিশেষজ্ঞ দল আলামত সংগ্রহ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা কফিল উদ্দিন জানান, ধানক্ষেত রক্ষায় অনেকে বিপজ্জনক বিদ্যুতের তারের ফাঁদ বসিয়েছেন। বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে হাতির মৃত্যু হতে পারে।

কক্সবাজারর উত্তর বন বিভাগের ঈদগাঁও রেঞ্জের পুর্ণগ্রাম বিটের বনাঞ্চলে এর আগেও একটি বন্যহাতি মারা যায়। গত তিন বছরে কক্সবাজারে ২০টি বন্যহাতি মারা গেছে।

একের পর এক বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। এর পেছনে কারা দায়ী তা খুঁজে বের করতে পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর স্থানীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, আবাসস্থল ধ্বংস ও খাদ্য সংকটের কারণে প্রায় লোকালয়ে চলে আসছে বন্যহাতি। আর মানুষ জানমালের ক্ষতির আশঙ্কায় প্রতিনিয়ত হাতিগুলোকে হত্যা করছে।

আরও পড়ুন:
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস
হাতির আক্রমণে বৃদ্ধার মৃত্যু 
পাহাড়ে হাতি তাড়াতে সৌরবিদ্যুতের তারের বেড়া
হাতির সঙ্গে সেলফি তোলাই মৃত্যুর কারণ হলো অভিষেকের
কেঁদেই চলেছে বাচ্চা হাতিটি, খোঁজ চলছে মায়ের 

শেয়ার করুন

মন্তব্য