মেঘনা নদীতে ফেরিতে আগুন

মেঘনা নদীতে ফেরিতে আগুন লেগে পুড়ে গেছে ১৩টি ট্রাক ও পিকআপভ্যান। ছবি: নিউজবাংলা

মাঝনদীতে ফেরিতে আগুন, পুড়ল ৯ যান

ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি ইনচার্জ পারভেজ খান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ভোলা থেকে আরেকটি ফেরিতে ফায়ার সার্ভিসের টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। ওই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস না নিতে পারলে হয়তোবা ফেরিতে থাকা অন্য যানবাহনগুলোসহ ফেরিরও ক্ষতি হয়ে যেত। এমনকি প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারত।’

ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে মেঘনা নদীতে কলমীলতা নামের একটি ফেরিতে আগুন লেগে নয়টি কাভার্ডভ্যান ও পিকআপভ্যান পুড়ে গেছে।

ভোলা সদর উপজেলার ভোলার চর ও লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলার ম‌তিরহাট সীমানার মাঝামা‌ঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

ভোলার ই‌লিশা নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন পাল নিউজবাংলাকে জানান, লক্ষ্মীপুরের মজু‌চৌধুরী ঘাট থে‌কে ১৬টি মালবাহী ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান নি‌য়ে ফেরিটি ইলিশা ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। এক ঘণ্টা চলার পর ফেরিতে আগুন ধরে যায়। এর এক ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট সেখানে পৌঁছায়।

এ বিষয়ে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ফেরি ইনচার্জ পারভেজ খান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ভোলা থেকে আরেকটি ফেরিতে ফায়ার সার্ভিসের টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। সেখানে আগুনের ভয়াবহতা দেখে আমরা অবাক হয়ে যাই। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও নয়টি যানবাহন পুড়ে গেছে।

‘তবে ওই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস না নিতে পারলে হয়তোবা ফেরিতে থাকা অন্য যানবাহনগুলোসহ ফেরিরও ক্ষতি হয়ে যেত। এমনকি প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারত।’

ফেরির এক যাত্রী তানজিল হোসেন জানান, আগুন লাগার পর স্টাফসহ যাত্রীরা ফেরির পেছন দিকে নিরাপদে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে মাছ ধরার একটি ট্রলার এগিয়ে এলে তারা ওই ট্রলারের সাহায্যে নিরাপদে ভোলার ইলিশা ঘাটে যান।

আরেক যাত্রী নাছির বলেন, ‘আমার গাড়িতে বেঙ্গল প্লাস্টিকের মালামাল ছিল। আগুন লাগার সাথে সাথে আমার গাড়িতে আগুন লাগে। আমি ট্রলারে করে ঘাটে নামি।’

বর্তমানে ফেরিটি মেঘনা নদীর ভোলার চর এলাকায় নোঙ্গর করা আছে।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চিকিৎসককে নগ্ন ছবি পাঠিয়ে যুবক কারাগারে

চিকিৎসককে নগ্ন ছবি পাঠিয়ে যুবক কারাগারে

রাশেদ ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ওই চিকিৎসককে বিরক্ত করতেন। তাকে নগ্ন ছবি ও অশালীন বার্তা পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। তিনি পরিচয় লুকাতে একটি ফেক (ভুয়া) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করতেন: পুলিশ।

বগুড়ায় এক নারী চিকিৎসকের ম্যাসেঞ্জারে নগ্ন ছবি পাঠানোর অভিযোগে যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন ওই চিকিৎসক।

জেলার বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে ওই চিকিৎসক শেরপুর থানায় মামলা করেন। এরপর উপজেলার মির্জাপুর গ্রাম থেকে আসামি রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাশেদ ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।

মামলায় বলা হয়, রাশেদ ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ওই চিকিৎসককে বিরক্ত করতেন। তাকে নগ্ন ছবি ও অশালীন বার্তা পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন।

রাশেদ তার পরিচয় লুকাতে একটি ফেক (ভুয়া) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিভিন্ন কৌশলে তাকে চিহ্নিত করে শেরপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী চিকিৎসক।

শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাশেদকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন

কীভাবে মারা গেল সেই তিমিগুলো

কীভাবে মারা গেল সেই তিমিগুলো

শুক্রবার ভেসে আসা মৃত তিমি। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমরা দুইটি বিষয় সামনে রেখে তিমির নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখেছি। সেগুলো হচ্ছে- বিষাক্ত কোনো কিছু খেয়ে তিমিটি মারা গেছে নাকি প্লাস্টিক জাতীয় কোনো বস্তু খেয়ে মারা গেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই ‍দুইটি কারণ আমরা খুঁজে পাইনি। আঘাতের কারণে মারা গেছে কি না সেটি ময়নাতদন্ত রিপোর্টে জানা যাবে। তিমির মূলত ময়নাতদন্ত করবে বনবিভাগের অধীনে ভেটেরিনারি সার্জনরা। এই রিপোর্ট পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।’

কক্সবাজার সাগরে ভেসে আসা মৃত দুইটি তিমিকে হত্যা করা হয়েছে নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশবাদীরা দাবি করেছেন, তিমিগুলোকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৎস্য অফিস বলছে, ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা যাবে না তিমিগুলোর মৃত্যুর কারণ।

মৃত দুইটি তিমির নমুনা সংগ্রহ করেছেন মৎস্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আশরাফুল হক। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার তীরে আসা তিমির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছি। সেটির বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। তিমিটি ব্রাইডস হোয়েল প্রজাতির।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দুইটি বিষয় সামনে রেখে তিমির নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখেছি। সেগুলো হচ্ছে- বিষাক্ত কোনো কিছু খেয়ে তিমিটি মারা গেছে নাকি প্লাস্টিক জাতীয় কোনো বস্তু খেয়ে মারা গেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই ‍দুইটি কারণ আমরা খুঁজে পাইনি। আঘাতের কারণে মারা গেছে কি না সেটি ময়নাতদন্ত রিপোর্টে জানা যাবে। তিমির মূলত ময়নাতদন্ত করবে বনবিভাগের অধীনে ভেটেরিনারি সার্জনরা। এই রিপোর্ট পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।’

তিমি, ডলফিন জাতীয় প্রাণী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার যে ধরনের যন্ত্র দরকার সেই ধরনের জিনিসপত্র দেশে নেই বা থাকলে সেটি খুবই কম। তিমিগুলোর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে এটি বড় সমস্যা বলেও জানান এই মৎস্য বিশেষজ্ঞ।

পরিবেশবাদী সংগঠন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শার্মা বলেন, তিমিগুলোর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। তিনি বলেন, ‘এসব তিমির গায়ে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাই তিমিগুলো মেরে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করছি।’

তিমি বেশ বুদ্ধিমান প্রাণী হিসেবেই পরিচিত। পানিতে থাকলেও বাতাস থেকে অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকে তারা। এ কারণে মাছের মতো বেশিক্ষণ পানির নিচে ডুব দিয়ে থাকতে পারে না। পানির উপরিভাগেও বিচরণ আছে তাদের। স্বচ্ছ ও পরিষ্কার পানি পছন্দ করে প্রাণীটি।

মৃত তিমি
শনিবার হিমছড়ি পয়েন্টে ভেসে আসা আরেকটি মৃত তিমি

তীরে ভেসে আসা তিমিগুলো বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রের গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে বসবাস করে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের অধ্যাপক সাইদুর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘চতুর শিকারী না হলে তিমি মারা সহজ নয়। কারণ, বিশালদেহী তিমি শিকারীকে ঘায়েল করতে পারে। সাধারণত তিমিকে হত্যার জন্য প্রাণীটির ঘাড়ের কাছে আঘাত করা হয়। এতে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে মারা যায়।’

নিষিদ্ধ হলেও তিমি কেন হত্যা করা হয়, তার কারণ জানিয়ে এই অধ্যাপক বলেন, ‘এদের চর্বি অনেক মূল্যবান। এ ছাড়া খাদ্য হিসেবেও মাংস ব্যবহৃত হয়। খাদ্য ও চর্বিসহ অন্যান্য উপাদান সংগ্রহ করাই এই তিমি মেরে ফেলার অন্যতম কারণ।‘

হত্যার উদ্দেশ্য ছাড়াও অন্য আঘাতেও তিমি মারা যেতে পারে বলে জানান এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে অনেক জেলে মাছ ধরে। জেলেদের জালে তিমি আটকে যাওয়ার খবর আমরা মাঝেমাঝে পাই। জেলেদের জালে আটকে অনেক তিমি আহত হয়। পরে ধীরে ধীরে সেটি মারা যায়। এরপর তিমির দেহ ভেসে তীরে চলে আসতে পারে।’

গবেষণার কাজে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ঘুরে দেখেছেন প্রকৃতি বিষয়ক সাংবাদিক ও অ্যাক্টভিস্ট হোসেন সোহেল। তিনি বলেন, ‘ব্রাইডস হোয়েল প্রজাতির তিমি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে দেখা যায়।

‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ছোট একটি জায়গা যার পরিধি ১৪ কিলোমিটার কিন্তু সেখানে ভিড় করে শত শত বাণিজ্যিক ও উডেন বোট। কাঠের বোটের ৬০ ফুট লম্বা আর বাণিজ্যিক ফিশিং বোটে প্রায় ২০০ ফুট লম্বা নানান আকৃতির জাল ফেলা হয় সাগরগর্ভে।

‘যুগ যুগ ধরে অন্যদেশের জেলেরা সোয়াচে মাছ ধরে চলেছে। সেখানে দিনরাত ফিশিং চলে। সেই সোয়াচে জায়গা জুড়ে রয়েছে তিমির ঝাঁক। আমি নিজের চোখে সোয়াচে দেখেছি বাচ্চাসহ একটি বড় তিমি। দিনরাত যদি ফিশিং হয় তাহলে সেখানে বাস করা তিমি কীভাবে থাকবে?’

তিমিগুলোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে গুরুত্ব দিয়ে হোসেন সোহেল বলেন, ‘এইসব মৃত তিমি কোথায় থেকে আসছে নাকি সোয়াচ থেকে মরে ভেসে আসছে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। মনগড়া পোস্টমর্টেম ও তদন্ত প্রতিবেদন দিলে হবে না। এইসব প্রাণী হত্যার ক্ষেত্রে প্রায় দেখা যায় বা তদন্তে লেখা থাকে হার্ট অ্যাটাক, হিট স্ট্রোক, বয়স্ক, বার্ধক্যজনিত রোগসহ আরও কিছু। জেলেদের জালে অথবা কীভাবে একের পর এক প্রাণীগুলো মারা যায় তা খুঁজে বের করতে হবে।’

২০১৮ সালে মে মাসে কুয়াকাটা সৈকতে মৃত অবস্থায় ভেসে আসে বড় আকারের একটি ব্রাইডস হোয়েল। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে সেন্ট মার্টিন উপকূল ঘেঁষে সাগরে ভাসতে দেখা যায় আরও একটি মৃত ব্রাইডস হোয়েল। একই বছর জুনে টেকনাফে আরও একটি ব্রাইডস হোয়েল ভেসে আসে।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

মা জেব্রা ও শাবক উভয়েই সুস্থ রয়েছে। মাসহ শাবকটি অন্যান্য জেব্রার সঙ্গে বেষ্টনীর বিভিন্ন অংশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মা জেব্রার পুষ্টিমানের কথা বিবেচনায় খাদ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের জেব্রা পরিবারে নতুন শাবকের জন্ম হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শাবকের জন্ম হলেও পার্ক কর্তৃপক্ষ শনিবার গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশ করে।

নতুন অতিথিসহ পার্কের জেব্রা পরিবারের সংখ্যা ২৫টিতে দাঁড়াল।

জন্মের কিছু সময় পর থেকেই মা জেব্রা ও সদ্য জন্ম নেয়া শাবকটিকে বেষ্টনীতে বিচরণ করতে দেখা গেছে। নতুন শাবকের আগমনে জেব্রা পরিবার ছাড়াও পার্ক কর্তৃপক্ষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আনন্দের আবহ।

পার্কের বন্য প্রাণী পরিদর্শক সারোয়ার হোসেন জানান, মা জেব্রা ও শাবক উভয়েই সুস্থ রয়েছে। মাসহ শাবকটি অন্যান্য জেব্রার সঙ্গে বেষ্টনীর বিভিন্ন অংশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মা জেব্রার পুষ্টিমানের কথা বিবেচনায় খাদ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

জেব্রার প্রধান খাবার ঘাস। বর্তমানে ঘাসের পাশাপাশি মা জেব্রাকে ছোলা, গাজর ও ভূষি দেয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় শাবকটি পুরুষ না মাদি তা এখনও জানা যায়নি।

পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের নিবিড় পরিচর্যায় বর্তমানে সাফারি পার্কে দেশীয় পরিবেশে নানা ধরনের বিদেশি প্রাণী থেকে নিয়মিত বাচ্চা পাওয়া যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় জেব্রা হতে বাচ্চা পাওয়া গেছে।’

আরও প্রাণীর জন্মের মধ্য দিয়ে পার্কটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে বিদেশ থেকে আমদানির উপর নির্ভরতা কমে আসবে বলেও আশা করছেন এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন

ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আইজিপির কাছে বিসিক চেয়ারম্যানের চিঠি

ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আইজিপির কাছে বিসিক চেয়ারম্যানের চিঠি

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ বিন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ বিন আহমেদ সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্ক প্রকল্পের কাজে সাব কন্ট্রাক্ট নিয়েছেন। আবার তার বিরুদ্ধেই উঠেছে চাঁদাবাজির অভিযোগ। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও বিসিক চেয়ারম্যান দাখিল করেছেন অভিযোগ।

সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্পপার্ক প্রকল্পে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ বিন আহমেদসহ তিন জনের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিসিক চেয়ারম্যান।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান এক লিখিত অভিযোগে জানান, সিরাজগঞ্জ শিল্পপার্ক স্থাপনের কাজ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। চার শ একর জমির ওপর নির্মিত শিল্প পার্কটির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দেশী-বিদেশি আধুনিক শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে কমপক্ষে একলাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

এ প্রকল্পের বাউন্ডারি ওয়াল, রাস্তা, অফিস ভবন, ড্রেন-কালভার্টসহ বিভিন্ন কাজের মালামাল প্রবেশে স্থানীয়ভাবে বাধা দেয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজি, অযাচিত উৎপাতের কারণে প্রকল্পের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এসব কাজে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ বিন আহমেদ, ছোবহান আলী ও রফিক গং বাহিনী জড়িত বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।

ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে করা এসব লিখিত অভিযোগের কপি পাঠানো হয়েছে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য বরাবর। প্রকল্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

বিসিক চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান ২৩ মার্চ এ অভিযোগে স্বাক্ষর করলেও আলোচনায় এসেছে গতকাল শনিবার।


অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে শনিবার সন্ধ্যায় বিসিক শিল্পপার্ক সিরাজগঞ্জের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সাজিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিসিক শিল্পপার্কের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সরাসরি ঢাকা অফিসে অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমি শুনেছি। ঢাকা অফিস প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

অভিযুক্ত সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ বিন আহমেদ বলেন, ‘প্রকল্পের বাউন্ডারি ওয়াল, রাস্তা, অফিস ভবন, ড্রেন-কালভার্ট কাজের সাব ঠিকাদার আমি নিজেই। এখানে চাঁদা বা হুমকির প্রশ্নই ওঠেনা। প্রকল্পের মূল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মাজেদ অ্যান্ড সন্স আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিতে পারে।’

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন

বিজু উৎসব হবে অনেক প্রথা বাদ দিয়ে

বিজু উৎসব হবে অনেক প্রথা বাদ দিয়ে

সবাইকে নিজ নিজ বাড়িতে থেকে উৎসব পালন করতে বলা হয়েছে। ফুলবিজুতে কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানো হলেও কোনো জনসমাগম হবে না।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবারে পাহাড়ে উদযাপিত হবে বিজু উৎসব। প্রতি বছর এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয় পাহাড়িদের অন্যতম প্রধান সামাজিক উৎসব বিজুর নানা আয়োজন।

করোনা মহামারি মধ্যে গত বছর পাহাড়ে এ উৎসব হয়নি। এবারও ঐতিহ্যবাহী নানা প্রথা বাদ দিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে বিজু উৎসব করতে আহ্বান জানিয়েছেন রাঙ্গামাটির স্বেচ্ছাসেবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন হিলর প্রোডাকশনের সহসভাপতি পারমিতা চাকমা।

তিনি বলেন, সোমবার সকালে কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসিয়ে শুরু হবে বিজু উৎসব। তবে সবকিছু হবে জনসমাগম ছাড়া। এ ছাড়া বিজু উৎসবের প্রধান আর্কষণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার আয়োজন করা হবে না। সরকারের নির্দেশনা মেনে অনলাইনের মাধ্যেমে এবছরের হিলর প্রোডাকশনের একটা স্বল্পদৈর্ঘ্য মুক্তি দেয়া হচ্ছে। স্বৈল্পদৈর্ঘ্য ফিল্মের নাম ‘চাগুরী’, যার বাংলা অর্থ চাকরি।

এদিকে জনসমাগম ছাড়া নিজ নিজ বাড়িতে স্বজনদের সঙ্গে বিজু উৎসব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। একজনের বাড়িতে অন্য পরিবারের লোকজন যাতে না আসে, সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আয়োজন, উৎসব থাকলে তা অনলাইনে করতে হবে।

বিজু, সাংগ্রাই, সাংক্রান, সাংক্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু ২০২১ উদযাপন কমিটির সদস্য ও পার্বত্য অঞ্চলের বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ইন্টুমনি তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, করোনার কারণে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি স্থগিত করা হয়েছে। তবে বিজু উৎসবের প্রকাশনা বের হবে।

সোমবার পালিত হবে বিজু উৎসবের ফুলবিজু। সকালে কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া পানিতে ফুল ভাসিয়ে নিবেদন করা হবে পুষ্পাঞ্জলি। মঙ্গলবার পালিত হবে উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ মূলবিজু। এরপর বুধবার গোজ্জেপোজ্জে দিন পালিত হবে।

ফুলবিজুর দিনে সকাল ও সন্ধ্যায় পাহাড়িদের ঘরে ঘরে জ্বালানো হবে মঙ্গলপ্রদীপ।


উৎসবটিকে চাকমারা বিজু হিসেবে পালন করলেও মারমারা সাংগ্রাই, ত্রিপুরারা বৈসুক নামে পালন করে। এর প্রথম দিন চাকমারা ফুলবিজু, মারমারা পাইংছোয়াই, ত্রিপুরারা হারি বৈসুক, দ্বিতীয় দিন চাকমারা মুলবিজু, মারমারা সাংগ্রাইং আক্যা, ত্রিপুরারা বৈসুকমা এবং তৃতীয় দিন চাকমারা গোজ্যেপোজ্যে দিন, মারমারা সাংগ্রাই আপ্যাইং ও ত্রিপুরারা বিসিকাতাল নামে পালন করে থাকে ঘরে ঘরে। এটি পাহাড়ি জনগণের প্রাণের উৎসব।

প্রত্যেক বছর উৎসবে প্রাণে প্রাণে তৈরি হয় উচ্ছ্বাসের বন্যা। সম্মিলন ঘটে পাহাড়ে বসবাসকারী সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের। এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীগুলোর তিন দিনব্যাপী প্রধান সামাজিক উৎসব।

প্রত্যেক বছর এ উৎসবকে ঘিরে রাঙ্গামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে। এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্যে থাকে পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী খেলাধূলা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, গ্রামীণ পালাগান, পাজন ও পিঠা উৎসব, নিজস্ব সংস্কৃতির প্রদর্শনী, নাট্যমঞ্চ, চলচ্চিত্র ও সাময়িকী প্রকাশনা। জানুয়ারি থেকেই এসব কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু হয়। এবারও আগে থেকে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেও বৈশ্বিক প্রাণঘাতী মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে তা বাতিল করতে হয়েছে বহু সংগঠনকে।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন

ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু 

ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু 

পারিবারিক কলহে স্ত্রী হাসিনাকে মারপিট করেন সারোয়ার। ঘুম থেকে উঠে ছেলে নয়ন মারপিট করেন বাবাকে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সারোয়ার।

পারিবারিক কলহের জেরে যশোরে ছেলের লাঠির আঘাতে সারোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছেলে নয়ন হোসেনকে আটক করা হয়েছে।

স্বজনরা জানান, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া কালীবটতলা এলাকায় নিজ বাড়িতে মারপিটের শিকার হন সারোয়ার হোসেন। আহত অবস্থায় তাকে রাতেই যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে শনিবার সকাল ১১টায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে নেয়ার পথে মারা যান সারোয়ার।

নিহতের ভগ্নিপতি এসকেন্দার ব্যাপারী জানান, শুক্রবার রাতে সারোয়ার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরলে স্ত্রী হাসিনা বেগমের সঙ্গে তর্ক হয়। পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে হাসিনাকে মারপিট করেন সারোয়ার।

এ সময় ঘুমিয়ে থাকা ছেলে নয়নকে ডেকে হাসিনা ঘটনা জানান। ঘুম থেকে উঠে নয়ন ঘরের দরজার ডাসা দিয়ে বাবাকে আঘাত করেন। হাসপাতালে নেয়া হলে শনিবার তার মৃত্যু হয়।

যশোর কোতয়ালী থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। ছেলে লাঠি দিয়ে আঘাত করায় বাবা মারা গেছেন। অভিযুক্ত নয়নকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন

লাইট বন্ধ নিয়ে তর্কাতর্কির পর আনসার সদস্য হত্যা

লাইট বন্ধ নিয়ে তর্কাতর্কির পর আনসার সদস্য হত্যা

হত্যার শিকার আনসার সদস্য মিজানুর রহমান মিজান। ছবি: নিউজবাংলা

রাজশাহীর হেতেমখাঁ এলাকায় ওয়াসার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের পাশে রেজা নামে এক ব্যক্তির দোকান আছে। লকডাউন চলার কারণে মিজানুর ওই দোকানিকে লাইট বন্ধ করে ব্যবসা করতে বলেন। এ নিয়ে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। মিজানুর রহমানকে হত্যা করা হয় এর জেরে।

রাজশাহী মহানগরীতে লকডাউনে দোকানে লাইট বন্ধ করা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ছুরিকাঘাতে এক আনসার সদস্যকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে মহানগরীর হেতেমখাঁ এলাকায় ওয়াসার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের ভেতর আনসারদের একটি কোয়ার্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম মিজানুর রহমান মিজান। নগরীর হেতেমখাঁ সবজিপাড়া মহল্লায় তার বাড়ি।

মিজানুর আনসার বাহিনীর হ্যান্ডবল দলের খেলোয়াড় ছিলেন। বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসেও তিনি আনসার বাহিনীর দলে ছিলেন। খেলা শেষে সম্প্রতি ছুটিতে তিনি বাড়ি এসেছিলেন।

তিনি ভালো বাস্কেটবলও খেলতেন।

পুলিশ জানায়, ওয়াসার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের পাশে রেজা নামে এক ব্যক্তির দোকান আছে। লকডাউন চলার কারণে মিজানুর ওই দোকানিকে লাইট বন্ধ করে ব্যবসা করতে বলেন।

কেন লাইট বন্ধ করতে হবে এই প্রশ্ন তুলে মিজানুরের সঙ্গে তর্কে জড়ান তার বন্ধু মাধব। মাধবের বাড়িও হেতেমখাঁ এলাকায়। এ সময় তাদের দুজনের হাতাহাতিও হয়। তখন অন্য বন্ধুরা তাদের থামান।

এরপর মিজানুর প্লান্টের ভেতরের এলাকায় ঢুকে অন্যদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর সেখানেই ছুরিকাঘাতের শিকার হন মিজানুর।

ঘটনার পরপরই কয়েকজন তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানুরকে মৃত ঘোষণা করেন।

মিজানুরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। তারা মাধবের বাড়িতে হামলার প্রস্তুতি নেন। কয়েকজন গিয়ে মাধবের বাড়ির গেট ধাক্কাধাক্কি করে এবং তাকে আটকের দাবিতে নানা শ্লোগান দিতে থাকে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, মিজানুরের বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। অপ্রীতিকর আর কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে সেটি দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন
১৯ বছর পর ফের চালু নৌপথ

শেয়ার করুন