হেরোইনসহ আটক দুই কারবারি

হেরোইনসহ আটক দুই কারবারি

বৃহস্পতিবার রাতে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় মাদক কেনাবেচার গোপন সংবাদে অভিযান চালায় র‍্যাব। এ সময় সন্দেহভাজন একটি পেঁয়াজভর্তি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৮৮০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

ঢাকার সাভারে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ দুই কারবারিকে আটক করেছে র‍্যাব।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৪।

আটকরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. নবাব ও রাজশাহীর নাহিদ ইসলাম।

র‌্যাব-৪-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম সজল নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় মাদক কেনাবেঁচার গোপন সংবাদে অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় সন্দেহভাজন একটি পেঁয়াজভর্তি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৮৮০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলোর মূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা।

এ সময় দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। জব্দ করা হয় ট্রাকটি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে পেঁয়াজ পরিবহনের আড়ালে মাদকদ্রব্য হেরোইন সংগ্রহ করত। পরে সেইসব মাদক রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার ডিলার ও খুচরা মাদক বিক্রেতার কাছে বিক্রি করত।

তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা শেষে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান র‍্যাবের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘লকডাউনের সময়ে কিস্তির জন্য জবরদস্তি নয়’

‘লকডাউনের সময়ে কিস্তির জন্য জবরদস্তি নয়’

১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। তবে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি না হওয়ায় বুধবার বিকেলে সভা করেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। আগামী ৩০ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। 

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় রাজশাহীতে বিশেষ বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ে কিস্তি আদায়ের জন্য এনজিওগুলো জবরদস্তি করতে পারবে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। তবে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি না হওয়ায় বুধবার বিকেলে সভা করেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। আগামী ৩০ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজশাহীতে গত ১১ তারিখ থেকে লকডাউন চলছে। আমরা এটিকে সর্বাত্মক লকডাউন বলে ঘোষণা করেছি। আমাদের গড় আক্রান্ত ২০ শতাংশের বেশি। কোনো কোনো দিন এটি ৩০ পর্যন্ত চলে যাচ্ছে।

‘লকডাউন শুধুমাত্র শহরে দিচ্ছি। এটি সিটি করপোরেশন এলাকায়। তবে, মহানগর থেকে সব উপজেলা যোগাযোগ বন্ধ রাখা হচ্ছে। কয়েকদিনে এটি কিছুটা শিথিল হয়েছিল। তবে আরও কঠোর হবে। বিনা কারণে কেউ আর শহরে আসতে পারবে না। আমাদের জেলা থেকে কোনো গাড়ি ঢাকাতে যায় না। কোনো মার্কেট খোলা নেই।’

জেলা প্রশাসক বলেন, লকডাউন চলাকালে কিস্তি আদায়ের জন্য এনজিওর পক্ষ থেকে জবরদস্তি করা যাবে না। লকডাউন কার্যকরে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করছি।

ঈদের পর থেকে রাজশাহীতে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় গত ১১ জুন সিটি করপোরেশন এলাকায় এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এর পর গত ১৬ জুন সেটি আরেক সপ্তাহ বাড়িয়ে ২৪ জুন মধ্য রাত পর্যন্ত করা হয়। বুধবার আরেক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন মধ্য রাত পর্যন্ত করা হলো।

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন

সাড়ে ১৪ লাখ টাকার ভাতা পরিশোধের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

সাড়ে ১৪ লাখ টাকার ভাতা পরিশোধের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

বকেয়া পরিশোধের দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষক রাহুল দাশ বলেন, ‘আমরা সবাই নতুন চাকরি পেয়েছি। আমাদের বেতন মাত্র সাড়ে ১৮ হাজার টাকা। এই বেতনে পরিবার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। এর মধ্যে ডিপিএড প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে আমাদের প্রচুর টাকা খরচ করতে হয়েছে।’

প্রশিক্ষণের মেয়াদ শেষ হলেও ভাতার টাকা না পাওয়ায় মানববন্ধন করেছেন হবিগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ডিপিএড প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা।

বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জ পিটিআইয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে কয়েকশ শিক্ষক অংশ নেন।

তাদের দাবি, প্রশিক্ষণ চলার সময় প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেয়ার নিয়ম রয়েছে। প্রথম ছয় মাসের ভাতা বাবদ প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে ১৮ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও দেয়া হয়নি পরের এক বছরের কোনো টাকা।

এতে ছয় মাসের মোট বকেয়া পড়েছে প্রায় ১৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এক বছরের ভাতা বাবদ প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীর বকেয়া পড়েছে ৩৬ হাজার টাকা।

হবিগঞ্জ পিটিআই জানা জানিয়েছে, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এর তত্ত্বাবধানে রয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।

প্রশিক্ষণে জেলার নয়টি উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০০ শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রথম অবস্থায় ক্লাসে প্রশিক্ষণ দেয়া হলেও করোনা মহামারি শুরু হলে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। এ প্রশিক্ষণ চলে জুন মাস পর্যন্ত। ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণার্থীদের লিখিত পরীক্ষাও শেষ হয়েছে। ২৪ জুন থেকে তাদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে।

ডিপিএড প্রশিক্ষণার্থী চুনারুঘাট উপজেলার কালিশিরি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অপূর্ব পাল বলেন, ‘করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ শুরু হলে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এ সময় অনেক প্রশিক্ষণার্থীর হাতে ভালো মোবাইল-ল্যাপটপ না থাকায় বিপাকে পড়েন। অনেকে ধারদেনা ও ঋণ করে এসব উপকরণ কিনেছেন।’

ডিপিএড প্রশিক্ষণার্থী শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মঞ্জুর আহমেদ বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। করোনার কারণে সবকিছু বন্ধ থাকলেও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে আমরা হলে বসে পরীক্ষা দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘২৫ জুন থেকে আমাদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। এরপর আমরা আর ডিপিএডের কেউ না। অথচ আমাদের এক বছরের ভাতার টাকা এখনও দেয়া হয়নি। আমাদের আগের প্রশিক্ষণার্থীরা যদি এ টাকা পান তাহলে আমরা কেন পাব না?’

নবীগঞ্জ উপজেলার বাংলাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সাদিক মিয়া বলেন, ‘আমাদেরকে ভাতা থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত চলছে। কিন্তু আমরা সেটা বুঝতে পেরেও কোনো ধরনের আন্দোলন করছি না। আমাদের প্রাপ্য ভাতাটুকু বুঝিয়ে দেয়া হোক। অন্যথায় বাধ্য হয়ে আন্দোলনের ডাক দিতে হবে।’

সদর উপজেলার গদাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার সোহেল আহমেদ বলেন, ‘অনলাইনে প্রশিক্ষণ নেয়া কতটা কষ্ট আর ব্যয়বহুল সেটা কেবল আমরাই জানি। একটি ক্লাস করতে এক গিগাবাইট ডাটা খরচ হয়েছে। প্রতিদিন চারটি করে ক্লাস করতে হয়েছে। এছাড়া মোবাইল কম্পিউটারের সামনে সারাদিন বসে থাকতে গিয়ে চোখের কতটা ক্ষতি হয়েছে সেটা কেবল আমরাই জানি। কিন্তু এরপরও যদি আমাদের ন্যায্য টাকাটা না পাই তাহলে কষ্টের কথা কাকে বলব?’

শিক্ষক রাহুল দাশ বলেন, ‘আমরা সবাই নতুন চাকরি পেয়েছি। আমাদের বেতন মাত্র সাড়ে ১৮ হাজার টাকা। এই বেতনে পরিবার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। এর মধ্যে ডিপিএড প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে আমাদের প্রচুর টাকা খরচ করতে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মোবাইল ল্যাপটপ কিনতে হয়েছে। অনেকের গ্রামের ভালো নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে শহরে বাসা ভাড়া করে প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। যে কারণে অনেক শিক্ষক এখনও ঋণগ্রস্থ।’

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) সুপারিনটেনডেন্ট রওশনারা খাতুন বলেন, ‘ডিপিএডের প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ চলার সময় একটা ভাতা পান। এ বছর মন্ত্রণালয় থেকে ভাতা দেয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে তারা আমার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। কিন্তু বিষয়টি সম্পর্কে আমার কিছু করার নেই।

তিনি বলেন, ‘আমি তাদের বলেছিলাম সরাসরি মন্ত্রণালয়ে অথবা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়ার জন্য। কারণ এ বিষয়ে আমার কোনো ক্ষমতা নেই।’

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন

ঘুষ নেয়ায় সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত

ঘুষ নেয়ায় সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত

এর আগে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মুকুল। ফাইল ছবি

মঙ্গলবার বিকেলে জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিএম আব্দুর রফেলের কাছে ঘুষ চাওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। পরে ওই আইন কর্মকর্তার ভাইয়ের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেন মুকুল।

ঘুষ নেয়ার অভিযোগে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারী রফিকুল ইসলাম মুকুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহ বুধবার সকালে তাকে বরখাস্ত করেন।

মঙ্গলবার বিকেলে জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিএম আব্দুর রফেলের কাছে ঘুষ চাওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। পরে ওই আইন কর্মকর্তার ভাইয়ের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেন মুকুল।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রফেল এ ঘটনাটি ফেসবুকে শেয়ার করলে আলোচিত হয় ঘটনাটি।

সাব রেজিস্ট্রার তার অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা ও দলিল লেখককে ডেকে করে ঘটনাটি মিটমাট করে দেয়ার অনুরোধ জানান। এরপর আব্দুর রফেলকে ফোন দিয়ে টাকা ফেরত নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। বারবার তাকে ফোন দিয়ে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়। পরে তিনি টাকা ফেরত না নিয়ে ঢাকা চলে যান।

কুষ্টিয়ার সাব রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহ বলেন, ‘বিএম আব্দুর রফেল আমার দপ্তরে আসার পর দ্রুত উনার কাজ করে দিই। পরে শুনেছি তার কাছে কয়েকজন টাকা চেয়েছিলেন। আমি তখন অফিস ফির টাকা বাদে বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেছি। সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম মুকুলকে। রফিকুলের সঙ্গে বাকি যারা ছিলেন তারা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারী না হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নিতে পারিনি।’

সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিএম আব্দুর রফেল জানান, জমি বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার জন্য মঙ্গলবার বিকেলে তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহের কার্যালয়ে যান। সেখানে তার সঙ্গে বড় ভাই ছিলেন। দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার পর অফিসের ক্লার্ক মুকুল ও সহযোগী আক্কাস তাদের কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন।

এ সময় ওই আইন কর্মকর্তা টাকার রশিদ দাবি করেন। রেজিস্ট্রার অফিসের ওই দুই কর্মচারী রশিদ দিতে অপারগতা জানালে বি এম রফেল নিজের পরিচয়পত্র দেখান। এ সময় ওই দুই কর্মচারী ঘুষের পরিমাণ ৫ হাজার টাকা কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা দাবি করেন।

তারা বলেন, এটা এখানকার নিয়ম। বিএম রফেল এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রেজিস্ট্রি অফিস ত্যাগ করলে, তার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেন মুকুল।

বি এম রফেল বলেন, ‘এখানে যে কী ভোগান্তি, তা নিজে প্রত্যক্ষ করলাম আজ।’ আমার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে পাবলিক কী পরিমাণ ভোগান্তির শিকার হয় তা সহজেই বোঝা যায়।’

পরে বিএম রফেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা সরকারি অফিস। আমিও একজন কর্মকর্তা। পরিচয় দেয়ার পরও তারা টাকা দাবি করেন। এটা কি কেউ দেখার নেই? আমি খুবই মর্মাহত বিষয়টি নিয়ে। এটার একটা সুরাহ হওয়া প্রয়োজন। আমি পরিচয় দিলে ন্যূনতম সম্মানও উনি দেখাননি।’

এর আগে ২০১৯ সালের ৭ নভেম্বর ঘুষের এক লাখ ৪ হাজার টাকাসহ সদর সাব রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার সিংহ ও তার অফিস সহকারী রফিকুল ইসলাম মুকুলকে আটক করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন

শিশু ধর্ষণচেষ্টা, থানায় মামলা

শিশু ধর্ষণচেষ্টা, থানায় মামলা

প্রতীকী ছবি

ওই ব্যক্তির সঙ্গে শিশুটির বাবার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। ওই ব্যক্তি টাকা নিয়ে ফেরত দিতে গড়িমসি করায় কয়েক দিন আগে ওই শিশুর বাবার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি শিশুটির ক্ষতি করবেন বলে হুমকি দেন।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে চতুর্থ শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কচাকাটা থানায় শিশুটির বাবা মামলা করেছেন। তবে নিউজবাংলাকে বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলম।

ওসি মাহবুবুল জানান, ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকেলে উপজেলার বল্লভের খাস ইউনিয়নের একটি গ্রামে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ওই ব্যক্তির সঙ্গে শিশুটির বাবার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। ওই ব্যক্তি টাকা নিয়ে ফেরত দিতে গড়িমসি করায় কয়েক দিন আগে ওই শিশুর বাবার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি শিশুটির ক্ষতি করবেন বলে হুমকি দেন। এরপরই সোমবার বিকেলে মেয়েটি মাঠে ছাগল চরিয়ে বাড়ি ফেরার সময় ওই ব্যক্তি গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে ধর্ষণচেষ্টা করেন। সে সময় শিশুটির ফুফু ও ওই ব্যক্তির ভাবি ঘটনাস্থলে চলে আসেন। ওই ব্যক্তি তাদের দেখতে পেয়ে ঘরের বেড়া ভেঙে পালিয়ে যান।

ওসি মাহবুবুল আলম জানান, এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেলে শিশুটির বাবা একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পরে রাতে মামলা করা হয়। ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন

পরিবেশ কর্মকর্তার বাসায় গৃহকর্মী নির্যাতন, থানায় স্ত্রী

পরিবেশ কর্মকর্তার বাসায় গৃহকর্মী নির্যাতন, থানায় স্ত্রী

অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ফারাহানা আলম।

কিশোরীর বরাত দিয়ে শাহপরান থানার পুলিশ জানায়, মারধরের পর গৃহকর্মী রুনাকে বাথরুমে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। নির্যাতনের সময় তার শরীরে মরিচের গুঁড়াও ছিটিয়ে দেয়া হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট কার্যালয়ের পরিচালকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে কিশোরী গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

এ অভিযোগে ফারহানা আলম চৌধুরী নামের ওই নারীকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

পেশায় ব্যাংকার ফারহানা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট কার্যালয়ের পরিচালক এমরান হোসেনের স্ত্রী। নগরের শাহজালাল উপশহর এলাকার একটি বাসায় থাকেন তারা।

ওই বাসা থেকেই বুধবার বিকেলে তাকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। আর দুপুরে বাসার বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয় নির্যাতিত কিশোরী রুনা আক্তারকে।

পুলিশ জানায়, কিশোরী গৃহকর্মীকে বাথরুমে তালাবদ্ধ করে শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ফারহানার বিরুদ্ধে। থানায় এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, উপশহরের ই-ব্লকের ২১ নম্বর বাসায় (ফিরোজা মঞ্জিল) পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এমরান সপরিবারে থাকেন। বুধবার সকাল থেকে ওই বাসার ভেতরে কিশোরীর কান্না শুনতে পান প্রতিবেশীরা। বুধবার দুপুরে প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে গৃহকর্মী কিশোরীকে উদ্ধার করে।

কিশোরীর বরাত দিয়ে শাহপরান থানার পুলিশ জানায়, মারধরের পর গৃহকর্মী রুনাকে বাথরুমে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। নির্যাতনের সময় তার শরীরে মরিচের গুঁড়াও ছিটিয়ে দেয়া হয়।

দুপুরে রুনাকে উদ্ধারের পর বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এমরান হোসেনের স্ত্রী ফারহানাকে শাহপরান থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, ‘মেয়েটিকে আমরা উদ্ধার করেছি। ওই বাসার গৃহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন

হেফাজতের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব রিমান্ডে

হেফাজতের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব রিমান্ডে

হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির।

কোর্ট পরিদর্শক হুমায়ুন কবির বলেন, হেফাজত নেতা নাসিরকে হাটহাজারী থানায় করা একটি নাশকতার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠায়।

হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাসির উদ্দীন মুনিরকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

চট্টগ্রাম জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শাহরিয়ার ইকবালের আদালত বুধবার বিকেলে এ রিমান্ড মঞ্জুর করে।

চট্টগ্রাম জেলার কোর্ট পরিদর্শক হুমায়ুন কবির বলেন, হেফাজত নেতা নাসিরকে হাটহাজারী থানায় করা একটি নাশকতার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠায়।

হাটহাজারী সদর থেকে নাসিরকে গত সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে

হেফাজতর নেতাকর্মীরা থানা ভবন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস এবং ডাকবাংলোয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। তিন দিন ধরে হাটহাজারী-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে চারজন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

এ ঘটনায় হাটহাজারী থানায় ৪ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে ১০টি মামলা করে পুলিশ। এতে জুনায়েদ বাবুনগরীসহ ১৪৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। ১০ মামলায় এ পর্যন্ত ৮৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন

বাবার দায়ের কোপে প্রাণ গেল কিশোরের

বাবার দায়ের কোপে প্রাণ গেল কিশোরের

ঝগড়ার একপর্যায়ে আসাদুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেলিনাকে কোপাতে যান। তখন মাকে বাঁচাতে সামনে দাঁড়িয়ে যায় সুমন। দায়ের কোপ লাগে সুমনের কপাল ও মাথায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বাবার দায়ের কোপে বরগুনার তালতলীতে খুন হয়েছে মোহাম্মদ সুমন নামের এক কিশোর। মাকে রক্ষা করতে গিয়েই সে প্রাণ হারায় বলে স্বজনরা জানান। সুমনের বাবা আসাদুল খাঁন পলাতক।

তালতলী উপজেলার টিঅ্যান্ডটি এলাকায় বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন তালতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

প্রতিবেশী মোহাম্মদ নাইম জানান, স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে আসাদুল খাঁন তালতলী শহরের টিঅ্যান্ডটি সড়কের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। স্ত্রী সেলিনা বেগমের সঙ্গে বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঝগড়া হয় আসাদুলের। তখনই প্রাইভেট পড়ে বাসায় ফেরে সুমন।

ঝগড়ার এক পর্যায়ে আসাদুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেলিনাকে কোপাতে যান। তখন মাকে বাঁচাতে সামনে দাঁড়িয়ে যায় সুমন। দায়ের কোপ লাগে সুমনের কপাল ও মাথায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, ঘটনার পরপর আসাদুল খাঁন নিজেই হাসপাতালে নেন ছেলেকে। চিকিৎসক যখন সুমনের শারীরিক অবস্থা খারাপ বলে জানান, তখনই ভড়কে যান আসাদুল। আত্মীয়দের হেফাজতে সুমনকে আমতলী হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যান আসাদুল।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কে এম তানজিরুল ইসলাম বলেন, 'হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই সুমনের মৃত্যু হয়েছে।'

সুমনের মৃত্যুর পর মা সেলিনা বেগম বলেন, ‘ওর বাফে মোরে প্রায়ই হুদাহুদি মাইরধইর করত। আইজগো আবারো দা দিয়া কোপ দিতে চাইছিল, পোলাডায় সামনে খারইয়া মোরে বাচাইতে চাইছেলে। ব্যাডায় (স্বামী) হেরপরও থামে নাই, মোর পোলাডারে কোপ দিয়া মাইরা হালাইছে। ওরে ধইরা ফাঁসি দেন আপনেরা।’

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম হাওলাদার জানান, স্কুলছাত্র সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘ আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার জন্য অভিযুক্ত আসাদুলকে আটকের চেষ্টা চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
মাদক পাচারের সময় আটক ২ যুবক
গ্রিন টির প্যাকেটে ক্রিস্টাল ও আইস, গ্রেপ্তার ১
মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় মারধর, গ্রেপ্তার ৪
মাদকের বিস্তাররোধ শুরু হোক ঘর থেকে
বাসা ভাড়া নিয়ে মদ বিক্রি, গ্রেপ্তার দুই

শেয়ার করুন