নেত্রকোণায় পানিভর্তি গর্তে ডুবে  শিশুর মৃত্যু 

নেত্রকোণায় পানিভর্তি গর্তে ডুবে  শিশুর মৃত্যু 

খালিয়াজুরী থানার ওসি মজিবুর রহমান শিশুটির পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, বাড়ির পাশে মাটির গর্তে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শিশুটি সেখানে একা খেলা করছিল। এক সময় সবার অগোচরে শিশুটি ওই গর্তে পড়ে যায়।

নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে ঘরের পাশে থাকা পানিভর্তি গর্তে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

শিশুটি উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের ফতুয়া গ্রামের পালোয়ান মিয়ার দেড়বছর বয়সী ছেলে ওবায়দুল্লাহ ।

খালিয়াজুরী থানার ওসি মজিবুর রহমান শিশুটির পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, বাড়ির পাশে মাটির গর্তে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শিশুটি সেখানে একা খেলা করছিল।

এক সময় সবার অগোচরে শিশুটি ওই গর্তে পড়ে যায়। পরিবারের লোকজন শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করে। এক পর্যায়ে গর্ত থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

শিশুটিকে দ্রুত খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর সেখানকার চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অনলাইন জুয়ার দুজন এজেন্ট গ্রেপ্তার




অনলাইন জুয়ার দুজন এজেন্ট গ্রেপ্তার

আইপিএল ম্যাচের জয়-পরাজয় নিয়ে অনলাইনে বাজি ধরেন তারা। এজেন্টরা ১৫ শতাংশ হারে কমিশন পান। অনুমোদনহীন ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে চলে লেনদেন।

অনলাইনভিত্তিক জুয়ার সাইট ব্যবহার করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্টকে আটক করেছে র‍্যাব।

আটক শহীদুল ইসলাম ও হোসেন গাজী ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) কেন্দ্রিক জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন।

র‌্যাব ১১ এর কোম্পানি কমান্ডার জসিম উদ্দীন চৌধুরী জানান, আড়াইহাজার উপজেলার প্রভাকরদী বাজার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে শহীদুল ইসলামকে আটক করা হয়। মধ্যরাতে রূপগঞ্জের সাওঘাট থেকে আটক করা হয় হোসেন গাজীকে। তাদের ব্যবহার করা তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, ক্রিকেট আসর আইপিএল নিয়ে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন জুয়ার সাইট রয়েছে। আটক যুবকরা জুয়ার এজেন্ট হিসেবে তরুণদের প্রলুব্ধ করতেন। তারা বিভিন্ন আইডির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন।

আটক যুবকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা অনুমোদনবিহীন বিভিন্ন ই-ট্রানজেকশনের সাইটে আইডি খুলে লেনদেন করেন। অনলাইনে বিভিন্ন জুয়ার সাইটে তরুণ ও যুবকদের আইডি খুলে দেন। এজেন্টরা ১৫ শতাংশ হারে কমিশন পান। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার এজেন্টদের মাঝে যোগাযোগ রাখা হয় বিশেষ কৌশলে।

শেয়ার করুন

এক গিঁটে ৩০টি লাউ  

এক গিঁটে ৩০টি লাউ  

লাউয়ের গিঁট হাতে জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: নিউজবাংলা

চাটখিল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিরাজুল ইসলাম জানান, এটা এক ধরনের অস্বাভাবিক ফলন। সাধারণত এমন ফলন হয় না। কোনো কারণে যদি গাছে অতিরিক্ত ফ্লোরিজেন হরমোন উৎপাদন হয় সে ক্ষেত্রে গাছের কাণ্ড থেকে একাধিক ফুল এসে বেশি পরিমাণ লাউ আসতে পারে। এ ছাড়া জিন মিউটেশনের কারণেও হতে পারে।

নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলায় একটি গাছের এক গিঁটে ৩০টি লাউ ধরেছে।

উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের পুরুষোত্তমপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ও রেহানা বেগম দম্পতির বাড়ির বাগানের ওই গাছটি দেখতে এখন উৎসুক মানুষের ভিড় লেগেই আছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, আমের মতো ঝুলে থাকা গিঁটে লাউ আছে ৩০টি। এর মধ্যে ২০টি লাউয়ের ওজন ২০০ গ্রামের মতো হবে। বাকি ১০টি লাউয়ের ওজন ৫০ থেকে ১০০ গ্রামের মধ্যে। নতুন করে একই স্থানে আরও কিছু ফুল আসছে।

রেহানা বেগম জানান, স্থানীয় সোমপাড়া বাজার থেকে লাউয়ের চারা কিনে তিনি নিজ হাতে লাগিয়েছেন। প্রথমদিকে গাছে তেমন লাউ না আসলেও কিছুদিন আগে পাঁচটি লাউ স্বাভাবিকভাবেই ধরেছে। সেগুলোর থেকে তিনটি লাউ খেয়েছেন আর দুইটি বীজের জন্য রেখেছেন।

১০/১২ দিন আগে তিনি দেখেন, একটি গিট (গাছের শাখার সংযোগ স্থল) ফেটে অসংখ্য লাউ ধরছে। গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এসব লাউ দেখতে আসছেন।

স্থানীয় রফিকুল্লাহ জানান, আমার জীবনে এই প্রথম দেখেছি এমন ঘটনা।

লাউ বাগানটি দেখতে আসা সোমপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী রিয়াদ হোসেন জানান আমাদের বাজারের অনেকে এই লাউগুলো দেখতে এসেছে। এটা নিয়ে প্রতিনিয়ত বাজারে আলোচনা হচ্ছে। তাই আমিও দেখতে এসেছি। একটি গিঁটে ৩০টি লাউ আমার কাছে অলৌকিক মনে হচ্ছে।

চাটখিল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিরাজুল ইসলাম জানান, এটা এক ধরনের অস্বাভাবিক ফলন। সাধারণত এমন ফলন হয় না। কোনো কারণে যদি গাছে অতিরিক্ত ফ্লোরিজেন হরমোন উৎপাদন হয় সে ক্ষেত্রে গাছের কাণ্ড থেকে একাধিক ফুল এসে বেশি পরিমাণ লাউ আসতে পারে। এ ছাড়া জিন মিউটেশনের কারণেও হতে পারে।

শেয়ার করুন

শাহাদৎবার্ষিকীতে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে স্মরণ

শাহাদৎবার্ষিকীতে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে স্মরণ

আহসান উল্লাহ মাস্টারের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে দোয়া অনুষ্ঠান। ছবি: নিউজবাংলা

প্রকাশ্য জনসভায় ২০০৪ সালের ৭ মে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। তিনি দুবার আওয়ামী লীগের সাংসদ ছিলেন। গাজীপুরের তুমুল জনপ্রিয় এ শ্রমিকনেতা উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় গাজীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৭তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে স্মরণ করেছে এলাকাবাসী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টারের শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার ঢাকা, গাজীপুরসহ বিভিন্নস্থানে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল মিলাদ, দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরণ এবং স্মরণ সভা।

শুক্রবার দিনভর গাজীপুরের হায়দরাবাদ গ্রামে আহসান উল্লাহ মাস্টারের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক এমপি, মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল, টঙ্গী থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মনি সরকার, টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মঞ্জুর, টঙ্গী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান, টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন মিয়া, সিরাজউদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতনের অধ্যক্ষ ওয়াদুদুর রহামনসহ অনেকে।

আগের রাতে মরহুমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করেন বড় ছেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল । তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আহসান উল্লাহ মাস্টার স্মৃতি পরিষদ একটি স্মরণিকা ও বিশেষ নিবন্ধ সংখ্যা প্রকাশ করেছে।

২০০৪ সালের ৭ মে একটি জনসভায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর আগে ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে তিনি দুই দফায় পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেয়ার করুন

চালের দাবিতে জেলেদের বিক্ষোভ

চালের দাবিতে জেলেদের বিক্ষোভ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কার্ডধারী জেলেরা ভিজিএফ চাল বিতরণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

জেলে রয়েছে ৯৩৯ জন। কিন্তু বরাদ্দ এসেছে অর্ধেকেরও কম। তাদেরকে ৪০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। এতে কোনো রকম অনিয়মের সুযোগ নেই। তাদের একটু ক্ষোভ থাকতেই পারে। সরকার কার্ড অনুসারে চাল বরাদ্দ দিলে জেলেদের এমন ক্ষোভ থাকবে না।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নে জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরা ভিজিএফ চাল বিতরণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের রেনু মিয়ার বাজারে এই বিক্ষোভ করে জেলেরা। তারা সবাই মৎস্য অধিদপ্তরের কার্ডধারী জেলে। তাদের অভিযোগ, কার্ড থাকা সত্বেও তাদের চাল না দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যরা জেলে নয়, এমন ব্যক্তিদের চাল দিয়েছেন।

ওই ইউনিয়নে মৎস্য অধিদপ্তরের কার্ডধারী জেলে ৯৩৯ জন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসে জাটকা আহরণে বিরত থাকা ১৫৫ জন জেলের দুই মাসে ৮০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ আসে। এপ্রিল-মে মাসে আসে ১৭৫ জনের নামে। কিন্তু সিংহভাগ জেলের জন্যই আসেনি কোনো সহায়তা।

ওই ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের কার্ডধারী জেলে সাহাব উদ্দিন মাঝি, আলাউদ্দিন, মো. মোবারক হোসেন, বেলাল উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল, মাঈন উদ্দিন, আবুল কাশেম, দুলাল মাঝি, নিজাম উদ্দিন, লুৎফুর রহমান, মোশারফ হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের নিজাম উদ্দিন, জসিম মাঝি, ৪নং ওয়ার্ডের সাহাব উদ্দিন, আলা উদ্দিন, শাহজাহান, আবদুর রহিম ও নিজাম মাঝিসহ আরও অনেকে এই বিক্ষোভে অংশ নেন।

তারা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল বাশার মঞ্জু ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে চালগুলো বিতরণ করেন। ইউপি সদস্যরা নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের অনুসারীদের ২০-২৫ কেজি করে চাল দিয়ে প্রকৃত জেলেদের বঞ্চিত করেছেন।

জেলেদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তাদের কার্ড ইস্যু হওয়ার পর কেউ একবার অথবা দুইবার চাল পেয়েছেন। আবার কেউ একবারও পাননি।

তবে পূর্ব চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল বাশার মঞ্জু বলেন, জেলে রয়েছে ৯৩৯ জন। কিন্তু বরাদ্দ এসেছে অর্ধেকেরও কম। তাদেরকে ৪০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। এতে কোনো রকম অনিয়মের সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ‘তাদের একটু ক্ষোভ থাকতেই পারে। সরকার কার্ড অনুসারে চাল বরাদ্দ দিলে জেলেদের এমন ক্ষোভ থাকবে না।’

সুবর্ণচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমাদের ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে জেলেদের মাঝে চালগুলো বিতরণ করা হয়েছে। এতে অনিয়মের সুযোগ নেই। চালবঞ্চিত প্রকৃত জেলেরা পরবর্তী ধাপে সুযোগ পাবেন।’

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম ইবনুল হাসান ইভেন বলেন, ‘জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের এমন কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে ইউএনওর গাড়িতে হামলায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে ইউএনওর গাড়িতে হামলায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ইউএনও সাইফুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলায় বাধা দেয়ায় মর্তুজা আলী লোকজন নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ইউএনওর গাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে আহত হন ইউএনওর গাড়িচালক সোহাগ মিয়া, অফিস সহকারী নুরুল ইসলাম ও আনসার সদস্য রাসেল মিয়া।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলামের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মর্তুজা আলী মন্ডল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরে দ্রুত বিচার আইনে মামলা মামলাটি করেন ইউএনও’র গাড়িচালক সোহাগ মিয়া। এতে বালু ব্যবসায়ী মর্তুজা আলীসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলায় বাধা দেয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ হামলা চালানো হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, বালু ব্যবসায়ী মর্তুজা আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ইউএনও সাইফুল নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে সিটি করপোরেশনের চরকালিবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শনে যান তিনি। ফেরার পথে জানতে পারেন মতুর্জা আলীর লোকজন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু তুলছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু তোলায় বাধা দিলে মর্তুজা আলী লোকজন নিয়ে তার বাড়ি সামনের রাস্তা অবরোধ করে গাড়িতে হামলা চালান। তাদের বাধা দিতে গিয়ে আহত হন গাড়িচালক সোহাগ মিয়া, অফিস সহকারী নুরুল ইসলাম ও আনসার সদস্য রাসেল মিয়া।

ময়মনসিংহ সদর সার্কেল এএসপি আলাউদ্দিন জানান, মর্তুজা আলীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

রাস্তার পাশের পুকুরে নারীর মরদেহ

রাস্তার পাশের পুকুরে নারীর মরদেহ

বোয়ালখালী থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ইদ্রিস মেম্বারের বাড়ির কাছের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পান তারা। উদ্ধারের পর মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বোয়ালখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তার পাশের একটি পুকুর থেকে শুক্রবার দুপুর একটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে হাতে থাকা শাঁখা দেখে তাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বলে ধারণা পুলিশের।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম নিউজবাংলাকে জানান, পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ইদ্রিস মেম্বারের বাড়ির কাছের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পান তারা। উদ্ধারের পর মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘হাতে শাঁখা দেখে মরদেহটি কোনো হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীর বলে ধারণা করছি আমরা।’

এই ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন বলেও জানান ওসি।

শেয়ার করুন

নি‌জেই খাল প‌রিষ্কার করেন মেয়র সাদিক

নি‌জেই খাল প‌রিষ্কার করেন মেয়র সাদিক

বরিশালের সাগরদি খাল নি‌জেই ভেকু মেশিন দি‌য়ে প‌রিষ্কার করছেন সি‌টি মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা

ব‌রিশাল সি‌টি কর‌পোরেশনের প‌রিচ্ছন্ন কর্মকর্তা র‌বিউল ইসলাম নিউজবাংলা‌কে ব‌লেন, ‘বর্তমা‌নে চৌমাথা থে‌কে কালুশাহ সড়ক সংলগ্ন সাগরদী খাল এবং চাঁদমারী খা‌ল প‌রিষ্কা‌রের কাজ চল‌ছে। এরপর জেল খাল এবং লাকু‌টিয়া খা‌ল উদ্ধা‌রের কাজ শুরু হ‌বে।’

বরিশালে খাল উদ্ধার ও প‌রিষ্কারে মন্ত্রণালয় থে‌কে বরাদ্দ না পেয়ে নিজস্ব উ‌দ্যোগেই কাজ শুরু ক‌রে‌ছিল সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌ন। কাজ পরিদর্শনে গিয়ে প্রায়শ নিজেই খাল পরিষ্কার করছেন মেয়র সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ।

শুক্রবার সকালেও কালুশাহ সড়ক এলাকার সাগরদি খাল ভেকু মেশিন দি‌য়ে প‌রিষ্কার করেন তিনি।

গত সপ্তা‌হে নগরীর চৌমাথা এলাকা থে‌কে খাল প‌রিষ্কারের এ কার্যক্রম উ‌দ্বোধন ক‌রেন মেয়র। এরপর প‌রিদর্শনে গিয়ে তিন-চারদিন নি‌জেই খাল প‌রিষ্কা‌রের কাজ ক‌রেন।

সি‌টি কর‌পো‌রেশন বল‌ছে প্রথ‌মে দুটি খাল প‌রিষ্কা‌রের টা‌র্গেট নেয়া হ‌লেও পর্যায়ক্রমে সব খাল প‌রিষ্কার ও দখলমুক্ত করা হ‌বে। মন্ত্রণাল‌য়ে প্রকল্প জমা দেয়া হ‌লেও তা‌তে সাড়া না পাওয়ায় নগরবাসীর দু‌র্ভো‌গের কথা ‌চিন্তা ক‌রে খাল উদ্ধা‌রের উ‌দ্যোগ নেন মেয়র।

কালুশাহ সড়ক এলাকার বা‌সিন্দা আ‌রিফুর রহমান ব‌লেন, ‘মেয়র খাল প‌রিষ্কা‌রের কাজ তদা‌রকির পাশাপাশি প‌রিচ্ছন্নকর্মী‌দের সহায়তা ক‌রেন। ভেকু মে‌শিন দি‌য়ে দীর্ঘ সময় খা‌লের আবর্জনা প‌রিষ্কার ক‌রেন। যা দে‌খতে আশপা‌শের মানুষও ভিড় জমায়।’

ব‌রিশাল সি‌টি কর‌পোরেশনের প‌রিচ্ছন্ন কর্মকর্তা র‌বিউল ইসলাম নিউজবাংলা‌কে জানান, বর্তমা‌নে চৌমাথা থে‌কে কালুশাহ সড়ক সংলগ্ন সাগরদী খাল এবং চাঁদমারী খা‌ল প‌রিষ্কা‌রের কাজ চল‌ছে। এরপর জেল খাল এবং লাকু‌টিয়া খা‌ল উদ্ধা‌রের কাজ শুরু হ‌বে। মেয়র প্রতি‌দিনই কাজ প‌রিদর্শন কর‌ছেন।

তিনি আরও জানান, ৭০ জন প‌রিচ্ছন্নকর্মী আর চার‌টি ভেকু মে‌শিন দি‌য়ে কাজ চল‌ছে। শ‌নিবার থে‌কে খালের পার থেকে দখলদার‌দের উ‌চ্ছেদ করা শুরু হবে। এক মাসব‌্যাপী কাজ চলার কথা বলা হ‌লেও এই কাজ আগস্ট পর্যন্ত চল‌বে।

ব‌রিশাল সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের মেয়র সেরনিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ ব‌লেন, ‘খাল রক্ষার এক‌টি প্রকল্প মন্ত্রণাল‌য়ে জমা র‌য়ে‌ছে। ত‌বে বর্ষা মৌসু‌মে খালগু‌লো প‌রিষ্কার না থাক‌লে জলাবদ্ধতায় সমস‌্যার ম‌ধ্যে পড়বে নগরবাসী। সেই কথা চিন্তা ক‌রে নগরীর খালগু‌লো প‌রিষ্কা‌রের উ‌দ্যোগ নেয়া হ‌য়ে‌ছে। খালগু‌লো‌তে পা‌নি প্রবাহ বৃ‌দ্ধি পে‌লে জলাবদ্ধতার শঙ্কা থাক‌বে না।’

শেয়ার করুন