শিশু আরিফুল হত্যায় ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

player
শিশু আরিফুল হত্যায় ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

নাকাইহাট গ্রামের বাকি মিয়ার সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল মছির উদ্দিন ও তার স্বজনদের। এরই জেরে ২০১৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাকি মিয়ার ছেলে ১৩ বছর বয়সী আরিফুল ইসলামকে একা পেয়ে প্রতিপক্ষ মারধর করে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক শিশু হত্যা মামলায় পাঁচ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

জেলা সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক বুধবার দুপুরে এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাস পাওয়া আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাইহাট গ্রামের গোলজার রহমান খন্দকার, তার ভাই সাহেব খন্দকার, একই গ্রামের হারুন খন্দকার, ফরিদুল ইসলাম খন্দকার ও জরিদুল ইসলাম খন্দকার।

মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন আনোয়ারা বেগম ও হালিমা বেগম। তাদের সবার বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাইহাট এলাকায়।

নাকাইহাট গ্রামের বাকি মিয়ার সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল একই গ্রামের মছির উদ্দিন ও তার স্বজনদের। এরই জেরে ২০১৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাকি মিয়ার ছেলে ১৩ বছর বয়সী আরিফুল ইসলামকে একা পেয়ে প্রতিপক্ষ মারধর করে।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে মারা যায় শিশুটি।

এ ঘটনায় ১৮ ফেব্রুয়ারি গোবিন্দগঞ্জ থানায় সাতজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন শিশুটির নানা জালাল উদ্দিন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ প্রিন্স জানান, দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পাঁচ আসামিকে সাজা দিয়েছে। মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তারা কারাভোগ করবেন। এ ছাড়া দুইজনকে খালাসও দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ট্রলারে ডাকাতি, হামলায় আহত ৩ ব্যবসায়ী

ট্রলারে ডাকাতি, হামলায় আহত ৩ ব্যবসায়ী

মেঘনার চাঁদপুর সদরের লঞ্চঘাটে ট্রলারে ডাকাতি হয়। ছবি: নিউজবাংলা

ট্রলারচালক উজ্জল শেখ বলেন, ‘ট্রলারে ডাকাতরা উঠেই মারধর শুরু করে। কয়েকজন ব্যবসায়ী আমার কাছে ১৪ লাখ ২০ হাজার টাকা চাঁদপুরের পার্টিদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য দেয়। সব টাকা ডাকাতরা নিয়ে গেছে।’

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে ট্রলারে ডাকাতদের হামলায় চালক ও দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। ট্রলারযাত্রীদের কাছ থেকে অর্ধকোটি টাকা লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

চাঁদপুর সদরের মেঘনার সফরমালী লঞ্চঘাট এলাকায় রোববার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

আহতরা হলেন ট্রলারচালক উজ্জল শেখ এবং ব্যবসায়ী আক্কাস শেখ ও হাকিম গাজী। এদের মধ্যে আক্কাস ও উজ্জলকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ট্রলারচালকের বরাতে নৌ পুলিশ জানায়, মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ ও গৌরাঙ্গ বাজারের ১৫-১৬ জন ব্যবসায়ীকে নিয়ে চাঁদপুর সফরমালী লঞ্চঘাটের দিকে আসছিল ট্রলারটি। ঘাটের কিছুটা দূরে থাকা অবস্থায় তাতে হামলা চালায় ডাকাতদল।

আহত ব্যবসায়ী হাকিম আলী গাজী জানান, স্পিডবোট নিয়ে ৮ থেকে ৯ জন মুখোশধারী ডাকাত কাটা রাইফেল, শটগান, রামদা ও রড নিয়ে তাদের ট্র্রলারে হামলা চালায়।

তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে থাকা টাকা-পয়সা ও মোবাইলগুলো নিয়ে যায়। পরে তারা মেঘনা নদীর উত্তর দিকে চলে যায়। ওদের সবার গায়ে লাইফ জ্যাকেট ছিল।’

ট্রলারচালক উজ্জল শেখ বলেন, ‘ট্রলারে ডাকাতরা উঠেই মারধর শুরু করে। কয়েকজন ব্যবসায়ী আমার কাছে ১৪ লাখ ২০ হাজার টাকা চাঁদপুরের পার্টিদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য দেয়। সব টাকা ডাকাতরা নিয়ে গেছে।’

আহত পাইকারী মুদি ব্যবসায়ী আক্কাস শেখ বলেন, ‘আমার কাছে ৯ লাখ টাকা ছিল। টাকা দিতে দেরি করায় রড দিয়ে আমার হাত ভেঙে ফেলে, টাকা ছিনিয়ে নেয়।’

তেলের ডিলার আতাউর রহমান সবুজও ছিলেন ওই ট্রলারে। জানান, তার কাছ থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার লুট করা হয়।

নৌ পুলিশ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমি খবর পেয়েই চাঁদপুর সদর ও মোহনপুর নৌ পুলিশের ওসিকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ব্যবসায়ীদের মিসিং মোবাইলের নম্বর আমার কাছে চলে আসছে। আমি সেগুলো নিয়ে ডাকাতদের ধরার বিষয়ে যা যা করণীয় সবই করছি।’

তিনি আরও জানান, অর্ধকোটি টাকা লুট হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ট্রলারযাত্রীরা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন জানান, ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের যোগসাজশ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সভা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সভা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭ তম সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭ তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং অচিরেই প্রথম সমাবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭ তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকেল ৫টায় ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুমে এ সভা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিন্ডিকেট সদস্য শাহনুল হাসান খান, সিনিয়র অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. এইচ এম জাহিরুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম সিরাজুল হক ও সিন্ডিকেট সদস্য স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সৈয়দ আক্তার হোসেন।

ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এস এম আরিফুজ্জামান এবং ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহরুখ আদনান খানও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং অচিরেই প্রথম সমাবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

বাবার মৃত্যু সইতে পারেনি ছেলেও

বাবার মৃত্যু সইতে পারেনি ছেলেও

বাবা-ছেলের মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেন, ‘ছেলে জুলমত আলী সিঙ্গাপুর থেকে ১৮ দিন আগে বাড়িতে এসেছিলেন। শনিবার দুপুরে তার বাবা ছেলের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যান। আজ (রোববার) তার কাবিন হওয়ার কথা ছিল।’

ময়মনসিংহের ফুলপুরে বাবার মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে প্রবাসফেরত ছেলে জুলমত আলীর মৃত্যু হয়েছে। ফুলপুর উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের গাইরা গ্রামের বাসিন্দা তারা।

শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা আব্দুল জলিল আকন্দ ও রোববার ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ছেলে জুলমত।

রামভদ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার রাত ১০টার দিকে ৭৫ বছর বয়সী আব্দুল জলিল আকন্দ নিজ এলাকায় ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিল শুনে বাড়িতে এসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন চিকিৎসার জন্য তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান।

পরে জলিলের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে এলে কান্নাকাটি করে অজ্ঞান হয়ে যান তার ২৫ বছর বয়সী ছেলে জুলমত আলী।

এ অবস্থায় জুলমতকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪টার দিকে তারও মৃত্যু হয়।

চেয়ারম্যান বলেন, ‘ছেলে জুলমত আলী সিঙ্গাপুর থেকে ১৮ দিন আগে বাড়িতে এসেছিলেন। শনিবার দুপুরে তার বাবা ছেলের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যান। আজ (রোববার) তার কাবিন হওয়ার কথা ছিল।’

চেয়ারম্যান জানান, বাবা-ছেলের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শুক্রবার বিকেলে আসরের পর একসঙ্গে জানাজা শেষে বাবা-ছেলের মরদেহ দাফন করা হয়।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

গ্রামীণ ইউনিক্লোর শীতবস্ত্র পেল ১৩০০ পরিবার

গ্রামীণ ইউনিক্লোর শীতবস্ত্র পেল ১৩০০ পরিবার

গ্রামীণ ইউনিক্লোর শীতবস্ত্র পেয়ে শীতার্ত দরিদ্র মানুষগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি। ছবি: সংগৃহীত

গ্রামীণ ইউনিক্লোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হক বলেন, ‘সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম নিচ্ছি। তারই অংশ হিসেবে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আগামীতেও আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ৩০০ শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে পোশাক বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ ইউনিক্লো’। এসবের মধ্যে রয়েছে ফ্লানেল শার্ট, কম্বল, সোয়েটার, কার্ডিগান, প্যান্ট ও শিশুদের পোশাক।

দেশের সর্ব উত্তরের শীতগ্রস্ত জেলা পঞ্চগড়ে সবচেয়ে বেশি ৬০০ মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া রাজধানী ঢাকায় অসহায় ও গৃহহীন মানুষসহ অন্যান্য এলাকার ৭০০ মানুষকেও শীতবস্ত্র দিয়েছে গ্রামীণ ইউনিক্লো।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হক বলেন, ‘গ্রামীণ ইউনিক্লো সামাজিক ব্যবসায় হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম নিচ্ছি। তারই অংশ হিসেবে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। আগামীতেও আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন গ্রামীণ ইউনিক্লোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

বর্তমানে এশিয়ার শীর্ষ পোশাক বিক্রয়কারী জাপানি প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ ইউনিক্লো’। গ্রামীণ ইউনিক্লো বাংলাদেশে ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠা হয় এবং ২০১৩ সাল থেকে বিভিন্ন স্থানে নতুন আউটলেট স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে প্রতিষ্ঠানটি সমাজের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

গরুর গাড়ি দৌড়িয়ে টেলিভিশন পেলেন নজরুল

গরুর গাড়ি দৌড়িয়ে টেলিভিশন পেলেন নজরুল

ঝিনাইদহ সদরে গরুর গাড়িদৌড়ে দুই প্রতিযোগী। ছবি: নিউজবাংলা

গান্না ইউনিয়নের বেতাই গ্রামে গরুর গাড়িদৌড়ের এই প্রতিযোগিতা হয় প্রতি বছরই। কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে গ্রাম হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।

কনকনে ঠান্ডা সত্ত্বেও নিজ নিজ গরু ও গরুর গাড়ি নিয়ে সকাল থেকে ঝিনাইদহ সদরের বেতাই গ্রামে জড়ো হতে থাকেন কয়েক হাজার প্রতিযোগী। গরুর গাড়ির দৌড়ের আয়োজন হয় সেখানে।

রোববার দিনভর প্রতিযোগিতা শেষে জয়ী হন যশোরের বাঘারপাড়া থেকে যাওয়া নজরুল মুন্সি। পুরস্কার হিসেবে পেয়ে যান একটি টেলিভিশন।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে ঝিনাইদহের মহেশপুরের দোলন হোসেন ও যশোরের রহমত আলী পান বাইসাইকেল ও ফ্যান।

গান্না ইউনিয়নের বেতাই গ্রামে গরুর গাড়িদৌড়ের এই প্রতিযোগিতা হয় প্রতি বছরই। এবারেরটি আয়োজন করেছেন ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আতিকুল হাসান মাসুম। কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে গ্রাম হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।

কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রিলোচনপুর গ্রাম থেকে প্রতিযোগিতা দেখতে যান কলেজছাত্র রাব্বি হোসেন।

তিনি বলেন, ‘গ্রামবাংলার ঐহিত্য এই গরুর গাড়ির দৌড়। সত্যিই খুব মনোমুগ্ধকর। মানুষের মাঝে এক ধরনের আনন্দ কাজ করছে। প্রতি বছর এই আয়োজন অব্যাহত রাখা উচিত।’

ঝিনাইদহ শহর থেকে প্রতিযোগিতা দেখতে যাওয়া অন্তর মাহমুদ বলেন, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে দেখতে এসেছি। খুবই ভালো লাগছে খেলা দেখতে। গ্রামের মানুষের মধ্যে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। খেলাটা সত্যিই উপভোগ্য। এ জন্য আয়োজকদের আমরা ধন্যবাদ জানাই।’

গরুর গাড়ি দৌড়িয়ে টেলিভিশন পেলেন নজরুল

ঝিনাইদহ সদরের জিয়ালা গ্রাম থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আসেন কবির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সারা বছর চাষাবাদ করি। বছরের এ সময়ে অপেক্ষায় থাকি এই খেলায় অংশ নেয়ার জন্য। মানুষ আমাদের খেলা দেখে আনন্দ পায়। তা দেখে আমরাও আনন্দ পাই। আনন্দের জন্যই আমরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিই।’

চেয়ারম্যান আতিকুলও জানান, গ্রামবাসীর আনন্দের জন্যই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন। আগামীতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন হবে বলে তিনি আশা করেছেন।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নির্বাচন স্থগিত

করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নির্বাচন স্থগিত

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি এক আদেশে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ এসেছে।

করোনা ভাইসারের বিস্তারের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা অবস্থান ব্যবস্থাপনা কমিটি ও পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন স্থগিত রাখতে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, ‘মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে যে সমন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে, সে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।’

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি এক আদেশে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ এসেছে। ২০২০ সালের মার্চে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুরুতে একটি সীমিত সময়ের জন্য বন্ধ করা হলেও পরে বারবার এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। সে সময় সব মিলিয়ে দেড় বছর বন্ধ থাকে শিক্ষাঙ্গন। ক্লাস-পরীক্ষা নেয়া হয় অনলাইনে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়, এবারও যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়, সেক্ষেত্রে নির্বাচনে এই নিষেধাজ্ঞা ছুটিকালীন সময় পর্যন্ত বহাল থাকবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা গত ২২ জানুয়ারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত ১১ নির্দেশনা বাস্তবায়নে যথাযথভাবে প্রতিপালন করার জন্যও অনুরোধ করা হয় এই আদেশে।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

অমর একুশে: শহীদ মিনারে যেতে লাগবে টিকা সনদ

অমর একুশে: শহীদ মিনারে যেতে লাগবে টিকা সনদ

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ১৩ জানুয়ারি নানা বিধিনিষেধ জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। ২১ জানুয়ারি আরেক আদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যে কোনো অনুষ্ঠানে এক শ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। জানানো হয়, যারা উপস্থিত হবেন, তাদের হয় টিকার সনদ, নয় করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে।

২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেতে হলে করোনা টিকার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে সবাইকে পরতে হবে মাস্ক।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রতিটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিনিধি ও ব্যক্তি পর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুইজন শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারবেন।

অমর একুশে উদযাপন বিষয়ে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভার্চুয়াল সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এর সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্যরা ছাড়াও কোষাধ্যক্ষ, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টরও যুক্ত ছিলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহীদ দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে।’

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ১৩ জানুয়ারি নানা বিধিনিষেধ জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। ২১ জানুয়ারি আরেক আদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যে কোনো অনুষ্ঠানে এক শ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। জানানো হয়, যারা উপস্থিত হবেন, তাদের হয় টিকার সনদ, নয় করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে।

এই পরিস্থিতিতে অমর একুশের অনুষ্ঠান কীভাবে হবে, তা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছরের ন্যায় এ বছরও জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।’

সভায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে অমর একুশে উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি এবং বিভিন্ন উপ-কমিটিও গঠন করা হয়।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় দুই নারীর সাজা
ফরিদপুরে বইমেলায় নারীদের উত্ত্যক্ত করায় ২ যুবক জেলে
কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কারাদণ্ড
গৃহবধূ হত্যা: যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
মাদক মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন