ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির সংঘর্ষ

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন ১৫ জন। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫, আটক ৬ জন

পুলিশ জানায়, স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়ার একপর্যায়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টারের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে দুই পক্ষের সমর্থকরা এলোপাতাড়ি ঢিল ছুড়তে থাকে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুলিশসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী দিবসে শুক্রবার সকালে এই সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়ার একপর্যায়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টারের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে দুই পক্ষের সমর্থকরা এলোপাতাড়ি ঢিল ছুড়তে থাকে।

নুরুজ্জামান লস্কর তপু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তাদের দেয়া সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফুল নিয়ে স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করব, এমন সময় আনোয়ার হোসেন মাস্টারের অনুগত যুবদল নেতা মুন্না, ছাত্রদল নেতা জব্বার ও জামাল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। এ সময় আমাদের লোকজন তাদের প্রতিহত করে।’

বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন মাস্টার বলেন, ‘আমি স্মৃতিসৌধে যাইনি। মুন্নার বাড়ির কাছে স্মৃতিসৌধ। মনে হয় তপুকে দেখে মুন্না উত্তেজিত হয়ে এমনটি করতে পারে। মুন্না আমার কথা শোনে না। আমি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই।

সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন বলেন, থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন খন্দকার ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দিলীপ কুমার নাথসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি কবির হোসেন।

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এক ভবনে পোশাক কারখানার দুই গুদামে আগুন নিয়ে রহস্য

এক ভবনে পোশাক কারখানার দুই গুদামে আগুন নিয়ে রহস্য

ফায়ার সার্ভিস বলছে, সাত তলার ছাদে থাকা গুদামের আগুন তারা প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু এর পরেই হঠাৎ নিচতলার গুদাম কক্ষে সব পুড়ে যায়, যা রহস্যজনক।

ঢাকার সাভারে একটি তৈরি পোশাক কারখানা ভবনে দুটি গুদামে আগুনের ঘটনায় রহস্য দেখছে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিক ও ফায়ার সার্ভিস।

কারখানার সাত তলার গুদামে আগুন নিভতে না নিভতে মাঝের ছয় তলা অক্ষত থাকা অবস্থায় নিচ তলার গুদামে সব কিছু পুড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আগামী ১৩ এপ্রিল কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের কথা রয়েছে। এর আগে আগুন লাগার পর তাদের মধ্যে ধারণা জন্মেছে মালিকপক্ষ ক্ষতি দেখিয়ে বেতন পরিশোধ না করার অজুহাত দেখাতে পারে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, সাত তলার ছাদে থাকা গুদামের আগুন তারা প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু এর পরেই হঠাৎ নিচতলার গুদাম কক্ষে সব পুড়ে যায়, যা রহস্যজনক।

শনিবার ভোরে জিরাবো এলাকার সিলভার অ্যাপারেলস লিমিটেডে আগুনের খবর পেয়ে পৌনে ছয়টায় ফায়ার ইউনিট কারখানায় পৌঁছায়। কারখানার সাত তলায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ছয়টি ইউনিট।

মূলত কারখানা কর্তৃপক্ষ সাত তলার ছাদে টিনশেডের মাধ্যমে এই গুদাম তৈরি করেছে। চার হাজার বর্গফুটের গুদামটির এক পাশে অল্প পরিসরে ছিল ক্যান্টিন।

ছাদের আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘণ্টাখানেক কাজ করার পরেই নিচতলার গুদামে আবার আগুন লাগে বলে জানায় কারখানার লোকজন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর দুই হাজার বর্গফুটের এই গুদামের আগুনও নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

আগুনের কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।

কারখানাটির অপারেটর মমিন শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাগো বেতন দেয়ার কথা আছিল ১০ তারিখ। এখন আমাগো বেতন দেয়ার কথা ১৩ তারিখ। আইজকা ফ্যাক্টরির এই অবস্থা, এখন আমাগো তো বেতন দিব না। ক্ষতি হইছে মনে করেন অল্প। কিন্তু বিশাল আকারে ক্ষতি দেখায়া বেতন না দিয়া গেটে তালা দিয়া দিব।

‘প্রত্যেক মাসে আগে সেলারি দিত ১৫ তারিখ। তারপর আমরা বলেকয়ে ১০ তারিখ আনছি। এখন বেতন না পাইলে আমাগো মনে করেন থালা-বাটি নিয়া পথে নামতে হইব।’

শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করা স্বাধীন বাংলা গার্মেন্ট শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের আশুলিয়া শাখার সভাপতি আল কামরান বলেন, ‘আজকের আগুনের চিত্রটা একটু ভিন্ন ধরনের। আগুন লাগার খবরে আমরা সকাল থেকেই কারখানার সামনে। আমাদের একটা প্রশ্ন আগুনটা লাগল উপরে। সেই আগুনটা কীভাবে আবার নিচে চলে আসল?

‘এই কারখানায় অনেক শ্রমিক জীবিকা নির্বাহ করে। আর যেহেতু করোনা আর শ্রমিকদের বেতন সংশ্লিষ্ট বিষয়, তাই অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, এটা তদন্ত করে দেখা দরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের সিলভার গ্যালারি নামে আরেকটি কারখানা আছে। ওই কারখানাটায় আগামী ১২ এপ্রিল বেতন দেয়ার কথা। কিন্তু ওই কারখানাটি কিন্তু তারা ইতোমধ্যেই ক্লোজ করছে।’

ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাত তলা বিল্ডিংয়ের উপরে তারা এক শেড করছে। চার হাজার স্কয়ার ফুটের কিছু অংশ খালি ছিল। এর মধ্যে কিছু অংশে গার্মেন্টের মালপত্র রাখত। আর কিছু অংশে ওয়ার্কারদের খাওয়ার ক্যান্টিন। আর নিচতলার দুই হাজার স্কয়ার ফুটের গুদামে মালপত্র রাখা ছিল। কিছু ফেব্রিকস রাখা ছিল সেগুলো পুড়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে সাত তলায় আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলাম। এক ঘণ্টা পর নিচতলার ওয়্যারহাউজ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিল প্রচুর। তখন দেখলাম যে, সেখানেও আগুন। তখন আমি একটু বিপদেই পড়েছিলাম।’

সাত তলা থেকে আগুন কীভাবে নিচতলায় ছড়ালো এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ড্রাক লাইনগুলোর ফাঁক দিয়ে (ইলেকট্রিক্যাল লাইন) আগুন নিচতলায় আসতে পারে। তবে আমরা তদন্ত করে বুঝতে পারব কিসের কারণে। এটা আপাতত নিশ্চিত না। কী কারণে আগুনটা লাগছে সেটা আমিও স্পেসিফিক বলতে পারতেছি না। এটার একটা তদন্ত কমিটি হবে অবশ্যই।

‘যদি এরা (কারখানা কর্তৃপক্ষ) আবেদন করে তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কমিটি হবে। আর তারা না করলে সেটা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ডিসিশন নেবে।’

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে মো. লিটন নামে কারখানাটির এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

তবে কারখানার ডিএমডি এস এম শাহজামান রওশন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেছে। উপরে প্রায় ১৫-২০ লাখ পিস মাল ছিল কাটিং করা। কোনো লোকজন কারখানায় ছিল না। তাই কেউ আহত হয়নি। আমরাও ইনভেস্টিগেশন করতেছি।’

নাশকতা বা পরিকল্পিত কি না এমন প্রশ্নে বলেন, ‘আমি কখনই এটা মনে করি না। তারপরও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে কী কারণে কীভাবে হইছে আমি বুঝতে পারব। ইলেকট্রিক লাইন থেকেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে শ্রমিকদের অভিযোগের বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।’

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন

ফ্ল্যাটে লিফটের নিচে মরদেহ, হত্যা বলে সন্দেহ

ফ্ল্যাটে লিফটের নিচে মরদেহ, হত্যা বলে সন্দেহ

পুলিশের ধারণা হত্যার পর দুর্বৃত্তরা সুযোগ বুঝে লিফট উপরে উঠিয়ে চাবি দিয়ে দরজা খুলে মরদেহ নিচে ফেলে দেয়। এই ঘটনায় ফ্ল্যাটের দুই তত্ত্বাবধায়ককে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে।

গাজীপুরের টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকার একটি বাড়ির লিফটের নিচ থেকে ঝুট ব্যবসায়ীর অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৪৫ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ীর নাম কাজী আব্দুল হালিম।

শনিবার বিকেলে শরিফুল ইসলামের ভাড়া বাড়ির লিফটের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হালিম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চাপাচিল গ্রামের মিমির আলীর ছেলে।

হালিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্ত শেষে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বাড়ির দুই তত্ত্বাবধায়ক লিটন ও শরিফকে আটক করা হয়েছে।

এই ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হালিম তার বোনকে নিয়ে সেই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। গত বুধবার সকালে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি।

শনিবার বাড়িতে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে তার সূত্র ধরে মরদেহটি বের হয়। পরে পুলিশে জানানো হয়।

নিহতের বোন বিলকিস বলেন, ‘গত শুক্রবার (২ এপ্রিল) আমার স্বামী মারা যান। এরপর সঙ্গ দিতে ভাই আমার বাসায় থাকত।’

নিহতের স্ত্রী লায়লা বেগম বলেন, ‘বুধবার থেকে হালিম নিখোঁজ হলে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। আজ দুপুরে পুলিশ মরদেহ শনাক্তের জন্য আমাকে ফোন করে।’

প্রাথমিক তদন্তের পর টঙ্গী থানা পুলিশ জানিয়েছে, হালিমকে হত্যা করার পর দুর্বৃত্তরা সুযোগ বুঝে লিফট উপরে উঠিয়ে চাবি দিয়ে দরজা খুলে মরদেহ নিচে ফেলে দেয়।

টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। আটক দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন

রাতে বাড়ি ফেরার পথে কুপিয়ে হত্যা

রাতে বাড়ি ফেরার পথে কুপিয়ে হত্যা

রাতে স্থানীয় একটি চায়ের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা খোকা শেখকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া নিতে বলেন। তবে সেখানে আর নেয়া যায়নি। পথেই প্রাণ হারান তিনি।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে খোকা শেখ নামে এক স্থানীয় মাতবরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার রাতে কামারখন্দ উপজেলার স্বল্প মাহমুদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খোকা শেখ ওই গ্রামের মৃত সাবের আলী শেখের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য হামিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, রাতে স্থানীয় একটি চায়ের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা খোকা শেখকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে বগুড়ায় জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎসক। সেখানে নেয়ার পথে মারা যান খোকা।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম রাকিবুল হুদা নিউজবাংলাকে জানান, খোকা শেখকে হত্যার ঘটনায় রাতে তার মরদেহ থানায় আনা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন

নিজ ঘরে কিশোরের গলাকাটা মরদেহ

নিজ ঘরে কিশোরের গলাকাটা মরদেহ

সালাউদ্দীনের স্বজনদের বিলাপ। ছবি: নিউজবাংলা

‘কে বা কারা হত্যায় জড়িত এবং কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা খুঁজে বের করতে পুলিশ মাঠে নেমেছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।’

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর মালিপাড়া এলাকায় নিজের ঘর থেকে সালাউদ্দীন আহমেদ নামে এক কিশোরের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। সেখান থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ধারণা, কিশোরদের মধ্যে কোন্দলের জেরে প্রাণ দিতে হয়েছে সালাউদ্দীনকে।

নিহতের বাবা বাবু সরদার জানান, গত রাতে সালাউদ্দীন ও তার বন্ধু রসুলপুরের সাগর হোসেন একই কক্ষে ছিল। দুপুরের দিকে সাগরের বাবা সহিদুল ইসলাম তাকে সালাউদ্দীনের খোঁজ নিতে বলেন। তিনি তখন বাড়িতে গিয়ে তার ছেলের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

সালাউদ্দীনকে রাতে সাগর হোসেনই হত্যা করেছে, এমন অভিযোগ করে তার বিচার দাবি করেছেন নিহতের বোন রীতামনি। তিনি বলেন, সব সময় একসঙ্গে ঘুরত সাগর ও সালাউদ্দীন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাগর ও সালাউদ্দীনের নেতৃত্বে এলাকায় একটা ‘কিশোর গ্যাং’ গড়ে উঠেছে। তারা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে বেড়াত।

সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বুরহানউদ্দিন বলেন, ‘সাগর ও সালাউদ্দিন মাদকাসক্ত। মাদকের ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সাগর তার বন্ধু সালাউদ্দিনকে গলা কেটে হত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

এ ঘটনায় রসুলপুরের রফিকুল ইসলাম নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। সাগরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামসুল হক শামস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ‘কে বা কারা হত্যায় জড়িত এবং কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা খুঁজে বের করতে পুলিশ মাঠে নেমেছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।’

সিটি কলেজ এলাকায় কিশোরদের অপরাধমূলক তৎপরতায় জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ প্রসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে বলে শোনা যাচ্ছে। সালাউদ্দীন হত্যায় বিষয়টি সামনে এসেছে। এটি পুলিশের মাথায় রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন

ফার্মেসিতে ঢুকে ছুরি মেরে হত্যা

ফার্মেসিতে ঢুকে ছুরি মেরে হত্যা

পুলিশ জানায়, হৃদয় হাসান তার ফার্মেসিতেই বসে ছিলেন। রাত পৌনে ৮টার দিকে একই এলাকার সুমন নামে এক যুবক সেখানে গিয়ে তার বুকে চাকু মেরে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় একটি ওষুধের দোকানে ঢুকে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার রাতে শহরের নামেসংকরবাটি ঝাপাইপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম হৃদয় হাসান। তিনি ওই এলাকার মেসবাউল হকের ছেলে।

পুলিশ জানায়, হৃদয় হাসান তার ফার্মেসিতে বসে ছিলেন। রাত পৌনে ৮টার দিকে একই এলাকার সুমন নামে এক যুবক সেখানে গিয়ে তার বুকে চাকু মেয়ে পালিয়ে যান।

স্থানীয়রা হৃদয়কে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যা ঘটেছে ধরে নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে হৃদয়ের সঙ্গে সুমনের কোন ধরনের সম্পর্ক ছিল, সেটি এখনও জানা যায়নি। তবে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন

চিকিৎসককে নগ্ন ছবি পাঠিয়ে যুবক কারাগারে

চিকিৎসককে নগ্ন ছবি পাঠিয়ে যুবক কারাগারে

রাশেদ ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ওই চিকিৎসককে বিরক্ত করতেন। তাকে নগ্ন ছবি ও অশালীন বার্তা পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। তিনি পরিচয় লুকাতে একটি ফেক (ভুয়া) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করতেন: পুলিশ।

বগুড়ায় এক নারী চিকিৎসকের ম্যাসেঞ্জারে নগ্ন ছবি পাঠানোর অভিযোগে যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন ওই চিকিৎসক।

জেলার বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে ওই চিকিৎসক শেরপুর থানায় মামলা করেন। এরপর উপজেলার মির্জাপুর গ্রাম থেকে আসামি রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাশেদ ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।

মামলায় বলা হয়, রাশেদ ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ওই চিকিৎসককে বিরক্ত করতেন। তাকে নগ্ন ছবি ও অশালীন বার্তা পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন।

রাশেদ তার পরিচয় লুকাতে একটি ফেক (ভুয়া) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিভিন্ন কৌশলে তাকে চিহ্নিত করে শেরপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী চিকিৎসক।

শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাশেদকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন

কীভাবে মারা গেল সেই তিমিগুলো

কীভাবে মারা গেল সেই তিমিগুলো

শুক্রবার ভেসে আসা মৃত তিমি। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমরা দুইটি বিষয় সামনে রেখে তিমির নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখেছি। সেগুলো হচ্ছে- বিষাক্ত কোনো কিছু খেয়ে তিমিটি মারা গেছে নাকি প্লাস্টিক জাতীয় কোনো বস্তু খেয়ে মারা গেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই ‍দুইটি কারণ আমরা খুঁজে পাইনি। আঘাতের কারণে মারা গেছে কি না সেটি ময়নাতদন্ত রিপোর্টে জানা যাবে। তিমির মূলত ময়নাতদন্ত করবে বনবিভাগের অধীনে ভেটেরিনারি সার্জনরা। এই রিপোর্ট পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।’

কক্সবাজার সাগরে ভেসে আসা মৃত দুইটি তিমিকে হত্যা করা হয়েছে নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশবাদীরা দাবি করেছেন, তিমিগুলোকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৎস্য অফিস বলছে, ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা যাবে না তিমিগুলোর মৃত্যুর কারণ।

মৃত দুইটি তিমির নমুনা সংগ্রহ করেছেন মৎস্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আশরাফুল হক। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার তীরে আসা তিমির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছি। সেটির বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। তিমিটি ব্রাইডস হোয়েল প্রজাতির।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দুইটি বিষয় সামনে রেখে তিমির নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখেছি। সেগুলো হচ্ছে- বিষাক্ত কোনো কিছু খেয়ে তিমিটি মারা গেছে নাকি প্লাস্টিক জাতীয় কোনো বস্তু খেয়ে মারা গেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই ‍দুইটি কারণ আমরা খুঁজে পাইনি। আঘাতের কারণে মারা গেছে কি না সেটি ময়নাতদন্ত রিপোর্টে জানা যাবে। তিমির মূলত ময়নাতদন্ত করবে বনবিভাগের অধীনে ভেটেরিনারি সার্জনরা। এই রিপোর্ট পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।’

তিমি, ডলফিন জাতীয় প্রাণী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার যে ধরনের যন্ত্র দরকার সেই ধরনের জিনিসপত্র দেশে নেই বা থাকলে সেটি খুবই কম। তিমিগুলোর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে এটি বড় সমস্যা বলেও জানান এই মৎস্য বিশেষজ্ঞ।

পরিবেশবাদী সংগঠন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শার্মা বলেন, তিমিগুলোর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। তিনি বলেন, ‘এসব তিমির গায়ে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাই তিমিগুলো মেরে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করছি।’

তিমি বেশ বুদ্ধিমান প্রাণী হিসেবেই পরিচিত। পানিতে থাকলেও বাতাস থেকে অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকে তারা। এ কারণে মাছের মতো বেশিক্ষণ পানির নিচে ডুব দিয়ে থাকতে পারে না। পানির উপরিভাগেও বিচরণ আছে তাদের। স্বচ্ছ ও পরিষ্কার পানি পছন্দ করে প্রাণীটি।

মৃত তিমি
শনিবার হিমছড়ি পয়েন্টে ভেসে আসা আরেকটি মৃত তিমি

তীরে ভেসে আসা তিমিগুলো বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রের গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে বসবাস করে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের অধ্যাপক সাইদুর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘চতুর শিকারী না হলে তিমি মারা সহজ নয়। কারণ, বিশালদেহী তিমি শিকারীকে ঘায়েল করতে পারে। সাধারণত তিমিকে হত্যার জন্য প্রাণীটির ঘাড়ের কাছে আঘাত করা হয়। এতে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে মারা যায়।’

নিষিদ্ধ হলেও তিমি কেন হত্যা করা হয়, তার কারণ জানিয়ে এই অধ্যাপক বলেন, ‘এদের চর্বি অনেক মূল্যবান। এ ছাড়া খাদ্য হিসেবেও মাংস ব্যবহৃত হয়। খাদ্য ও চর্বিসহ অন্যান্য উপাদান সংগ্রহ করাই এই তিমি মেরে ফেলার অন্যতম কারণ।‘

হত্যার উদ্দেশ্য ছাড়াও অন্য আঘাতেও তিমি মারা যেতে পারে বলে জানান এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে অনেক জেলে মাছ ধরে। জেলেদের জালে তিমি আটকে যাওয়ার খবর আমরা মাঝেমাঝে পাই। জেলেদের জালে আটকে অনেক তিমি আহত হয়। পরে ধীরে ধীরে সেটি মারা যায়। এরপর তিমির দেহ ভেসে তীরে চলে আসতে পারে।’

গবেষণার কাজে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ঘুরে দেখেছেন প্রকৃতি বিষয়ক সাংবাদিক ও অ্যাক্টভিস্ট হোসেন সোহেল। তিনি বলেন, ‘ব্রাইডস হোয়েল প্রজাতির তিমি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে দেখা যায়।

‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ছোট একটি জায়গা যার পরিধি ১৪ কিলোমিটার কিন্তু সেখানে ভিড় করে শত শত বাণিজ্যিক ও উডেন বোট। কাঠের বোটের ৬০ ফুট লম্বা আর বাণিজ্যিক ফিশিং বোটে প্রায় ২০০ ফুট লম্বা নানান আকৃতির জাল ফেলা হয় সাগরগর্ভে।

‘যুগ যুগ ধরে অন্যদেশের জেলেরা সোয়াচে মাছ ধরে চলেছে। সেখানে দিনরাত ফিশিং চলে। সেই সোয়াচে জায়গা জুড়ে রয়েছে তিমির ঝাঁক। আমি নিজের চোখে সোয়াচে দেখেছি বাচ্চাসহ একটি বড় তিমি। দিনরাত যদি ফিশিং হয় তাহলে সেখানে বাস করা তিমি কীভাবে থাকবে?’

তিমিগুলোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে গুরুত্ব দিয়ে হোসেন সোহেল বলেন, ‘এইসব মৃত তিমি কোথায় থেকে আসছে নাকি সোয়াচ থেকে মরে ভেসে আসছে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। মনগড়া পোস্টমর্টেম ও তদন্ত প্রতিবেদন দিলে হবে না। এইসব প্রাণী হত্যার ক্ষেত্রে প্রায় দেখা যায় বা তদন্তে লেখা থাকে হার্ট অ্যাটাক, হিট স্ট্রোক, বয়স্ক, বার্ধক্যজনিত রোগসহ আরও কিছু। জেলেদের জালে অথবা কীভাবে একের পর এক প্রাণীগুলো মারা যায় তা খুঁজে বের করতে হবে।’

২০১৮ সালে মে মাসে কুয়াকাটা সৈকতে মৃত অবস্থায় ভেসে আসে বড় আকারের একটি ব্রাইডস হোয়েল। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে সেন্ট মার্টিন উপকূল ঘেঁষে সাগরে ভাসতে দেখা যায় আরও একটি মৃত ব্রাইডস হোয়েল। একই বছর জুনে টেকনাফে আরও একটি ব্রাইডস হোয়েল ভেসে আসে।

আরও পড়ুন:
বরগুনায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘর্ষে আহত ২০
মুন্সিগঞ্জে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
‘জলিল হত্যায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস দায়ী’
ছবিতে পুলিশের ওপর নুর সমর্থকদের হামলা

শেয়ার করুন