× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

সারা দেশ
আমি এখন কেমনে থাকুম আল্লাহরে…
google_news print-icon

‘আমি এখন কেমনে থাকুম আল্লাহরে…’

আমি-এখন-কেমনে-থাকুম-আল্লাহরে…
মেঝেতে শুয়ে আহাজারি করছেন নিহত মাহমুদের মা রোকেয়া বেগম
মাহমুদের ছোট ভাই বুলবুল আহম্মেদ জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার ভাইয়ের চিকিৎসা চলছিল এবং তার অবস্থার উন্নতি হয়েছিল। তিনি ১১ নম্বর শয্যায় ভেন্টিলেশনে ছিলেন। বুধবার সকাল ৮টার দিকে ১২ নম্বর শয্যার ভেন্টিলেশন সিস্টেম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় ওই ওয়ার্ডের একজন বয় আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। নেভাতে না পারায় একপর্যায়ে আগুন বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

‘আমার ছেলে কারো ক্ষতি করে নাই, কারো মাথায় বাড়ি দেয় নাই, তাও আমার ছেলের এমন ক্ষতি হইলো, আমি এখন কেমনে থাকুম আল্লাহরে। তুমি আমার এমন ক্ষতি কেন করলা রে আল্লাহ।’ বড় ছেলের মৃত্যুর খবরে এভাবেই আহাজারি করছিলেন রোকেয়া বেগম।

তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত আবদুল্লাহ আল মাহমুদের মা। আর মায়ের পাশেই বসে কেঁদে ভাসাচ্ছিলেন মাহমুদের বোনেরা।

মাহমুদের স্ত্রী ডালিয়া আক্তার স্বামীর মৃত্যৃর খবরে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আর বাবাকে হারিয়ে মায়ের পাশে বসে অঝোরে কাঁদছিল দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে মহুয়া বিনতে মাহমুদ ও প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে মাহি আল মাহমুদ ।

নিহত আবদুল্লাহ আল মাহমুদের মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ কুমুদনগর গ্রামের বাড়িতে বুধবার দুপুরে এসব হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

বুধবার সকাল সোয়া আটটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) আগুন লাগে এবং ৮টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগুনের ঘটনায় আইসিউতে থাকা তিন রোগী মারা যান। এদেরই একজন হচ্ছেন আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। তিনি ধামরাইয়ের ঈশাননগর দেলদা এসকেআই দাখিল মাদ্রাসার গণিতের শিক্ষক ছিলেন।

পরিবার ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, গত মাসের ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৬ দিনের জন্য গণিত বিষয়ে প্রশিক্ষণে গাজীপুর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যান মাহমুদ। প্রশিক্ষণের মধ্যে শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে ১৯ ফেব্রুয়ারি বাড়িতে আসেন। বাড়িতে আসার পর থেকেই ঠান্ডা,জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। প্রাথমিক অবস্থায় বাড়িতেই চিকিৎসা দেয়া হয় তাকে।

পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে ৩ মার্চ সকালে সাড়ে ১০টার দিকে মুন্নু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। দুপুর ১২টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় তাকে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঘটলে ৩ মার্চ রাতেই তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন করোনা ওয়ার্ডের চিকিৎসক।

মাহমুদের ছোট ভাই বুলবুল আহম্মেদ জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) তার ভাইয়ের চিকিৎসা চলছিল এবং তার অবস্থার উন্নতি হয়েছিল। তিনি ১১ নম্বর শয্যায় ভেন্টিলেশনে ছিলেন।

বুধবার সকাল ৮টার দিকে ১২ নম্বর শয্যার ভেন্টিলেশন সিস্টেম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় ওই ওয়ার্ডের একজন বয় আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। নেভাতে না পারায় এক পর্যায়ে আগুন বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

পরে আইসিউর সকল রোগীকে তাদের স্বজনরা টেনে হিচড়ে বের করেন এবং পাশের সিসিউতে নিয়ে যার যার মতো অক্সিজেন দেয়। তিনিও তার ভাইকে আইসিইউ থেকে বের করে সিসিউতে নিয়ে যান কিন্তু পর্যাপ্ত অক্সিজেন পান না। আগুনে না পুড়লেও অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছেন তার ভাই।

মাহমুদের আরেক ভাই আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন, ‘আমাদের আট ভাই-বোনের মধ্যে মাহমুদ ভাই ছিলেন চতুর্থ। আর ভাইদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। তার মৃত্যুতে পরিবারের মধ্যে একটা কালো ছায়া নেমে এল। তার সংসারে স্ত্রী, একটি মেয়ে ও একটি ছেলে আছে। তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে আল্লাহ জানেন।’

তিনি জানান, দুপুরে তার ভাইয়ের মরদেহ বাড়িতে আনা হয় এবং জানাজা শেষে বাদ আসর কুমুদনগরের ব্যাপারীপাড়া কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

সারা দেশ
3 friends were killed in a collision between two motorcycles

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ৩ বন্ধু নিহত

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ৩ বন্ধু নিহত ফাইল ছবি
এদের মধ্যে দুজনের ঘটনাস্থলে এবং একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।

সিলেটের জকিগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন বন্ধু নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত ১২টার দিকে জকিগঞ্জ-সিলেট সড়কে উপজেলার শাহবাগ মুহিদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এদের মধ্যে দুজনের ঘটনাস্থলে এবং একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- জকিগঞ্জের খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামের আফতার আলীর ছেলে আদিল হোসাইন (২০), একই গ্রামের জমির আলীর ছেলে জাকারিয়া আহমদ (২১) ও একই গ্রামের সুবহান আলীর ছেলে মিলন আহমেদ (২০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পরদিন রাতে আদিল, জাকারিয়া ও মিলন এরকটি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের শাহবাগে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়।

দ্রুত গতির দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আদিল, জাকারিয়া ও মিলন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আদিল হোসাইন ও জাকারিয়া আহমদকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মিলনের আশঙ্কাজনক অবস্থা হওয়ায় দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে মিলনও মারা যান।

তিনজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ মাসুদ বলেন, মরদেহগুলো ওসমানী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, আরেক মোটরসাইকেলের দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মন্তব্য

সারা দেশ
Hard stone Vishnu idol recovered in Munshiganj

মুন্সীগঞ্জে কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জে কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সকাল দশটার দিকে রামপালের খানকা দালালপাড়া এলাকায় ফসলি জমির পাশে রাস্তা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদরের রামপালে এক কৃষকের কাছ থেকে প্রায় ৩৭ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের একটি বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূর্তিটির আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ কোটি টাকা।

শনিবার সকাল দশটার দিকে রামপালের খানকা দালালপাড়া এলাকায় ফসলি জমির পাশে রাস্তা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, তিনদিন আগে ফসলি জমি থেকে মূর্তিটি পাওয়া গেলেও বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করেন ওই কৃষক।

জমির মালিক মো. রিপন জানান, গত ১০ এপ্রিল খানকা দালালপাড়া এলাকায় তাদের ফসলি জমিতে মাটি কাটার সময় কৃষক খোরশেদ ৬ ইঞ্চি গভীর থেকে মূর্তিটি দেখতে পেয়ে বাসায় নিয়ে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ভয়ে নিজেই পুলিশকে খবর দেন তিনি।

খোরশেদকে জমিটি বাৎসরিক ফিসের বিনিময়ে চাষাবাদের জন্য দেয়া হয়েছিলো বলেও জানান তিনি।

হাতিমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক এনামুল হক জানান, মূর্তিটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছে মূর্তিটি হস্তান্তর করা হবে।

মন্তব্য

সারা দেশ
Crowds to watch the Eid festival of farmers and farmers in Kurigram

কুড়িগ্রামে কৃষাণ-কৃষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড়

কুড়িগ্রামে কৃষাণ-কৃষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড় কোলাজ: নিউজবাংলা
কৃষকদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করে  ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) নামে একটি সামাজিক সংগঠন। মূলত কৃষকদের ঈদকে প্রাণবন্ত করতে এ উৎসবের আয়োজন করে সংগঠনটি।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায় ঈদ উৎসবে কৃষাণ-কৃষাণীদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। সেসব খেলা দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজারো দর্শনার্থী এস ভিড় জমায়।

কৃষকদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করে ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) নামে একটি সামাজিক সংগঠন। মূলত কৃষকদের ঈদকে প্রাণবন্ত করতে এ উৎসবের আয়োজন করে সংগঠনটি। খেলা শেষে ৩৫ জন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

শুক্রবার দিনব্যাপী ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর বড়ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসব খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামে কৃষাণ-কৃষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড়

দিনব্যাপী চলা অনুষ্ঠানে প্রায় ২২ ধরনের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল হাঁড়ি ভাঙা, বালিশ খেলা, সুঁইসুতা, সাঁতার, তৈলাক্ত কলাগাছ বেয়ে চড়া, স্লো সাইকেল রেস, বেলুন ফাটানো এবং কৃষাণীদের বল ফেলা, বালিশ খেলা এবং যেমন খুশি তেমন সাঁজোসহ আরও অন্যান্য খেলা। এসব খেলায় অংশ নেন বিভিন্ন বয়সের শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আইনুল ইসলাম, সাংবাদিক শফি খান, রংপুর বিভাগীয় হিসাবরক্ষক সাইদুল হক, ফুল-এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাদের প্রমুখ।

খেলা দেখতে আসা ময়নাল হক বলেন, ‘গ্রামে এসব খেলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ১০-১৫ বছর পর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেলাম। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে কৃষকদের হাঁড়ি ভাঙা, সাইকেল খেলা দেখে। এছাড়া কৃষাণীদের সুঁইসুতা খেলা ও বালিশ খেলা ছিল বেশ আনন্দের।’

কুড়িগ্রামে কৃষাণ-কৃষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড়

কৃষক নুর ইসলাম বলেন, ‘কৃষকদের নিয়ে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন সত্যি ভালো লেগেছে। আমরা এখানে শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী আজকের খেলায় অংশ নিয়েছি। খু্ব ভালো লেগেছে।’

ফুল-এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, ‘কৃষক হাসলে বাংলাদেশ হাসে- এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে দিনব্যাপী শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণীকে নিয়ে প্রায় ২২টি খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

‘এ খেলার মাধ্যমে সমাজে বাল্যবিয়ে বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে চেষ্টা করেছি। এছাড়া গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতেও এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে।’

মন্তব্য

সারা দেশ
3 Awami League leaders injured in shooting in Abhaynagar

অভয়নগরে গুলিতে ৩ আওয়ামী লীগ নেতা আহত

অভয়নগরে গুলিতে ৩ আওয়ামী লীগ নেতা আহত প্রতীকী ছবি
আহতদের মধ্যে দুজনকে খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও একজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যশোরের অভয়নগরে গুলিতে আওয়ামী লীগের ৩ নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।

উপজেলার রাজঘাট এলাকায় শুক্রবার রাত ৯টার দিকে একটি চায়ের দোকানে এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর ইউএনবির

আহতদের মধ্যে দুজনকে খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও একজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- খুলনার ফুলতলা উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটু ওরফে লিটু মেম্বার, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা খায়রুজ্জামান সবুজ ও আওয়ামী লীগ নেতা নাসিম।

অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাজঘাট বাসস্ট্যান্ডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন ওই তিন নেতা। এ সময় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তারা তিনজনই গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে একজনের পেটে এবং দুজনের হাতে গুলি লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িতদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

মন্তব্য

সারা দেশ
The bride did not like the husbands brother in law so he beat him to death

পাত্রীকে পছন্দ হয়নি পাত্রের, দুলাভাইকে তাই ‘পিটিয়ে হত্যা’

পাত্রীকে পছন্দ হয়নি পাত্রের, দুলাভাইকে তাই ‘পিটিয়ে হত্যা’ 
বিয়ের আয়োজন ভেঙে যাওয়ার পর হামলা হয় পাত্রপক্ষের ওপর। ছবি: নিউজবাংলা
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আশরাফুল আলম বলেন, আজিজুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিয়ে করতে এসে পাত্রীকে দেখে পাত্রের পছন্দ না হওয়ায় ভেঙে যায় সব আয়োজন, এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে পাত্রের দুলাভাইকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার আংড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজিজুল হক (৪৫) খুলনার তেরখাদা উপজেলার ইছামতি গ্রামের শাহাদাত মোল্লার ছেলে এবং দফাদার মোহাম্মদ আলীর মেয়ের জামাই।

স্থানীয়রা জানান, মোল্লাহাট উপজেলার আংড়া গ্রামে শাহদাত মুন্সির মেয়ের সঙ্গে দফাদার মোহাম্মাদ আলী গাজীর ছেলে হাফিজুর রহমান গাজীর বিয়ের কথা হয়েছিল। এদিন বরপক্ষ কনেকে দেখতে তাদের বাড়িতে যায়। কিন্তু ছেলের মেয়ে পছন্দ না হওয়ায় তারা ফিরে আসার সময় তাদের ওপর হামলা করে কনে পক্ষ। এতে বরের দুলাভাই আজিজুল নিহত হন।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আশরাফুল আলম বলেন, আজিজুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মন্তব্য

সারা দেশ
Ramins dead body floated in the branch river of Padma

পদ্মার শাখা নদীতে এবার ভেসে উঠল রামিনের মরদেহ

পদ্মার শাখা নদীতে এবার ভেসে উঠল রামিনের মরদেহ 
মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ তা উদ্ধার করে।

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির দিঘীরপাড়ে পদ্মার শাখা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া ছাত্র রামিন আরিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ তা উদ্ধার করে।

এরআগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ রামিনের বাবা রেলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রিয়াদ আহমেদ রাজু এবং তার ভায়রা ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মরদেহ রাতেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঈদের ছুটিতে পদ্মা নদীতে ঘুরতে গিয়ে গোসলে নেমে শুক্রবার বিকেলে নিখোঁজ হন বাবা-ছেলেসহ তিনজন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, তারা ওই উপজেলার বেসনাল এলাকার তাদের স্বজন আলম মোল্লার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রলারে করে ৩০-৩৫ জন মিলে দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ধানকোড়া এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে ঘুরতে বের হন। এ সময় তারা বেশ কয়েকজন ট্রলার থেকে গোসলে নামেন।

গোসল করার সময় রামিন নদীর স্রোতের তোড়ে ভেসে যেতে থাকলে তার বাবা ও খালু তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তারাও স্রোতের তোড়ে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হন।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করে মুন্সিগঞ্জ সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশের টিম। পরে ঢাকার ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে যোগ দেয়।

টঙ্গীবাড়ি ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানান, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পুনরায় দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ শুরু হয়। সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে রামিনের মরদেহ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিখোঁজ তিন জনেরই মরদেহ উদ্ধার শেষে উদ্ধার কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য

সারা দেশ
1 killed in Munshiganj clash between A League sides over supremacy

মুন্সিগঞ্জে আধিপত্য নিয়ে আ.লীগের দু পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

মুন্সিগঞ্জে আধিপত্য নিয়ে আ.লীগের দু পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ প্রতীকী ছবি
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি।

মুন্সিগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার ভোরে সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের ছোট মোল্লাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৫ জন।

নিহত পারভেজ খান (২০) আওয়ামী লীগ কর্মী ছিলেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এ ছাড়া গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ রাব্বিকে (১৯) মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আহতদের মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে ওই এলাকার আহম্মেদ গ্রুপ ও মামুন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই দুই গ্রুপই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

শনিবার ভোরে আহম্মেদ গ্রুপের লোকজন মামুন গ্রুপের লোকজনের বাড়িঘরে হামলা চালান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হন অন্তত ৬ জন।

এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধের মধ্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে পারভেজ খানের মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকটি বাড়িঘরে ভাংচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

ওসি আরও জানান, ওই দুই গ্রুপই স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আহম্মেদ গ্রুপ বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের অনুসারী এবং মামুন গ্রুপ সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের অনুসারী। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত পারভেজ খান বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের কর্মী।

মন্তব্য

p
উপরে