বগুড়ার যুবলীগ নেতা আমিনুল রিমান্ডে

যুবলীগ নেতা ও বগুড়া পৌর কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

বগুড়ার যুবলীগ নেতা আমিনুল রিমান্ডে

বগুড়ায় মোটরমালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ১০ ফেব্রুয়ারি পাঁচ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়। এর একটিতে আমিনুলকে প্রধান আসামি করা হয়।

বগুড়া মোটরমালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় করা এক মামলায় যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলামকে দুই দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

বগুড়ার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক শাহরিয়ার তারিক সোমবার এই অনুমতি দেন। মামলায় জামিন জালিয়াতি করে কারাগারে রয়েছেন আমিনুলসহ ৩০ আসামি।

আমিনুল বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং বগুড়া সদর উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

বগুড়ায় মোটরমালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ১০ ফেব্রুয়ারি পাঁচ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়।

এর মধ্যে একটিতে আমিনুলকে প্রধান আসামি করে ৩৩ জনের নামে মামলা করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের ছোট ভাই মশিউল আলম দীপন।

মামলায় ৩৩ আসামির মধ্যে ৩০ জনের জামিননামার ভুয়া নথি তৈরি করা হয়। বিষয়টি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ধরা পড়ার পরপরই বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের গ্রেপ্তারের আদেশ দেয়।

এ আদেশের পর গত ৪ মার্চ আমিনুলসহ ১৬ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তাদের কারাগারে পাঠায় আদালত। এর আগের দিন আত্মসমর্পণ করা অন্য ১৪ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নান্নু খান জানান, দীপনের করা মামলার প্রধান আসামি আমিনুলকে সাত দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হয়। আদালত দুই দিনের অনুমতি দিয়েছে। আমিনুল ছাড়া অন্য কোনো আসামির রিমান্ড আবেদন করা হয়নি।

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে যুবলীগের মানববন্ধন

কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে যুবলীগের মানববন্ধন

কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে যুবলীগের মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান, তাদের মানববন্ধন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তারপরেও তারা করেছে।

কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে শরীয়তপুর উপজেলা যুবলীগের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী মানববন্ধন করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও মানববন্ধনে তারা বাধা দেয়নি।

যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তারা মানববন্ধন করে।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূহুন মাদবর বলেন, ‘আমাদের একজন সহযোদ্ধাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাই এই করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা দাদন খলিফাকে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

তিনি দাবি করেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তারা মানববন্ধন করেছেন। তবে দেখা গেছে তারা কোনো সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখেনি। দাঁড়িয়েছে গা ঘেঁষে। অনেকের মাস্ক মুখ থেকে নামানো ছিল।

এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান, তাদের মানববন্ধন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তারপরেও তারা করেছে।

মামলার বিষয়ে ওসি জানান, তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শৌলপাড়া ইউনিয়নের গয়ঘর গ্রামে শৌলপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ কমিটির সদস্য দাদন খলিফার ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ ইদ্রিস খান ও তার লোকজন।

তারাবির নামাজ পড়ে বাড়ির পাশের মসজিদ থেকে বের হলে দাদনকে ফসলের মাঠে ধরে নিয়ে গিয়ে রামদা ও ট্যাঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপায়।

পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় নেয়ার পথে শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দাদন খলিফার বাবা সেকান্দার খলিফা ১০ জনের বিরুদ্ধে পালং থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। দাদনের মৃত্যুর পর একে হত্যা মামলা হিসেবে নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন

আশুলিয়ায় ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

আশুলিয়ায় ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

সাভরের আশুলিয়া থেকে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

ঘটনার পরের দিন ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব মামলাটির ছায়া তদম্ত শুরু করে।

সাভারের আশুলিয়ায় ঘরে ঢুকে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব)।

আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-৪ এর একটি দল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগী তরুণীকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছেন ওই আসামি।

অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, ওই তরুণী প্রায় তিন সপ্তাহ আগে চাকরির আশায় গ্রামের বাড়ি থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল নামাপাড়া এলাকায় তার মামাতো বোন ও ভগ্নিপতির বাসায় আসেন। গত ১৮ এপ্রিল ওই যুবক ঘরে ঢুকে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই তরুণীর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসার আগেই সে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরের দিন ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব মামলাটির ছায়া তদম্ত শুরু করে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন

গোডাউন থেকে প্রণোদনার সার বীজ সরানোর ঘটনা তদন্তে কমিটি

গোডাউন থেকে প্রণোদনার সার বীজ সরানোর ঘটনা তদন্তে কমিটি

ধোবাউড়ায় সরকারি গোডাউন থেকে এভাবেই রিকশায় করে সরানো হচ্ছিল প্রণোদনার সার ও বীজ ধান। ছবি: নিউজবাংলা

মঙ্গলবার বিকেলে ধোবাউড়ার সরকারি গোডাউন থেকে কৃষকদের জন্য প্রণোদনার সার ও বীজ নিয়ে যাওয়ার সময় আটক করে জনতা। পরে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা ও পুলিশ গিয়ে চারটি রিকশাভর্তি সার ও বীজ উদ্ধার করে।

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সরকারি গোডাউন থেকে প্রণোদনার সার ও বীজ ধান সরানোর ঘটনা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলামকে প্রধান করে এ কমিটি করা হয়। উপজেলা প্রকৌশলী ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে এতে সদস্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফিকুজ্জামান।

মঙ্গলবার বিকেলে ধোবাউড়ার সরকারি গোডাউন থেকে কৃষকদের জন্য প্রণোদনার সার ও বীজ নিয়ে যাওয়ার সময় আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরে কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও পুলিশ গিয়ে চারটি রিকশা থেকে ১০ কেজির ৩৬ প্যাকেট বীজ ধান এবং ২৮ বস্তা সার উদ্ধার করে।

এসব বীজ অন্তত ৭২ জন কৃষকের মধ্যে বিতরণ করার কথা ছিল। ২৮ বস্তা সার পেতেন ৩৬ কৃষক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার জানান, ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটিকে সাত দিন সময় দেয়া হয়েছে। এর সঙ্গে করা জড়িত তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফিকুজ্জামান বলেন, ‘কৃষকদের জন্য প্রণোদনার সার ও বীজ সরকারি গোডাউন থেকে পাচার হওয়ায় অপ্রত্যাশিত। তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন

২৫ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড তেতুলিয়ার কয়েক গ্রাম

২৫ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড তেতুলিয়ার কয়েক গ্রাম

ইউএনও ও চেয়ারম্যান জানান, কয়েকটি বাড়ির টিনের চালাগুলো ফুটো হয়ে গেছে শিলার আঘাতে। অনেকের ঘর ভেঙে গেছে, কার ঘরের ওপর উপরে পড়েছে গাছ। এ সময় আহত বেশ কয়েক জন স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছ থেকে সেবা নিচ্ছেন। শিলা পড়ে বোরো ধানও নষ্ট হয়ে গেছে।

পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় হঠাৎ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে কয়েকটি গ্রামের বসতঘর। গাছপালা উপড়ে পড়েছে রাস্তায়, আহতও হয়েছেন কয়েক জন।

উপজেলায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে প্রায় ২৫ মিনিট ধরে চলা ঝড়ে ক্ষতি হয়েছে ফসলি জমিরও।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা নিউজবাংলাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি ও উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু বলেন, ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বয়ে গেছে তেতুলিয়ার গিতালগছ, ডিমাগজ, প্রধানগজ, বৈরাগীগজ, শান্তিনগর, কির্তনপাড়া, কুড়ানুগজসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে।

গ্রামগুলোর কয়েকটি বাড়ির টিনের চালাগুলো ফুটো হয়ে গেছে শিলার আঘাতে। অনেকের ঘর ভেঙে গেছে, কার ঘরের ওপর উপরে পড়েছে গাছ। এ সময় আহত বেশ কয়েক জন স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছ থেকে সেবা নিচ্ছেন। তবে ঠিক কত জন আহত হয়েছেন তা নিশ্চিত করা যায়নি।

চেয়ারম্যান জানান, শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে। ধানের গাছগুলো মাটিতে পড়ে গেছে। এতে কৃষকরা মুষড়ে পড়েছেন।

ডিমাগজ গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলাম জানান, তার বোরোর আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে, ঘরের টিনের চালাও ভেঙে গেছে। করোনার মধ্যে আবার এসব ক্ষতি, সব মিলিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেনে তিনি।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো ঘুরে দেখেছেন। ইউএনও সোহাগ বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির জন্য বলা হয়েছে। প্রশাসন থেকে তাদের সহায়তা করা হবে।

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন

জামিন পাননি মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক

জামিন পাননি মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার হন সাংবাদিক আবু তৈয়ব। ছবি: নিউজবাংলা

সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের করা মামলায় মঙ্গলবার শহরের নূর নগরে নিজ বাসভবন থেকে আবু তৈয়বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়রের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আবু তৈয়ব জামিন পাননি।

১৪ সদস্যের আইনজীবী প্যানেল বৃহস্পতিবার খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের ভার্চুয়াল আদালতে আবু তৈয়বের জামিনের জন্য আবেদন করলে বিচারক গোলাম সরোয়ার তা নাকচ করেন।

প্যানেল প্রধান ও আবু তৈয়বের আইনজীবী বেগম আক্তার জাহান রুকু বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে আমরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করবো’।

বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির খুলনা ব্যুরো প্রধান ও স্থানীয় দৈনিক লোকসমাজের সাংবাদিক আবু তৈয়বকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন। সংগঠনের পক্ষ থেকে তার দ্রুত মুক্তির দাবি করা হয়েছে।

সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক সদর থানায় মামলা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নূর নগরে নিজ বাসভবন থেকে তৈয়বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম জানান, মেয়র খালেকের বিরুদ্ধে মোংলা কাস্টমসের শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট দেন তৈয়ব। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মামলা করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, আবু তৈয়ব মেয়রকে জড়িয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২০১৮/১ এর ধারা ২৫(২), ২৯(১), ৩১(১), ৩১(২) ধারায় মামলা হয়েছে।

ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে বুধবার সকালে আবু তৈয়বকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন

শাশুড়ি হত্যা মামলায় পুত্রবধূ কারাগারে

শাশুড়ি হত্যা মামলায় পুত্রবধূ কারাগারে

মামলায় বলা হয়, তাহমিনার স্বামী হুমায়ুন কবির প্রবাসী। তার শ্বশুর ঢাকায় চাকরি করেন। সংসারের খরচসহ নানা বিষয় নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে তাহমিনার কলহ চলছিল। বুধবার রাতে রহিমার সঙ্গে পুত্রবধূর কথা-কাটাকাটি হয়। সকালে তাদের কারও সাড়াশব্দ না পেয়ে খোঁজ নিতে যান প্রতিবেশিরা।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যা মামলায় পুত্রবধূকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রামগঞ্জ আদালতের বিচারক রায়হান চৌধুরী বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের নিজ ঘর থেকে রহিমার মরদেহ উদ্ধার হয়। আটক করা হয় গৃহবধূ তাহমিনাকে। পরে পুলিশের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলায় বলা হয়, তাহমিনার স্বামী হুমায়ুন কবির প্রবাসী। তার শ্বশুর ঢাকায় চাকরি করেন। সংসারের খরচসহ নানা বিষয় নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে তাহমিনার কলহ চলছিল।

বুধবার রাতে রহিমার সঙ্গে পুত্রবধূর কথা-কাটাকাটি হয়। সকালে তাদের কারও সাড়াশব্দ না পেয়ে খোঁজ নিতে যান প্রতিবেশিরা। এ সময় খাটের ওপর শাশুড়িকে ও মেঝেতে পুত্রবধূকে দেখতে পান তারা।

পুলিশ শাশুড়ির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায়। আর অচেতন থাকা ওই তাহমিনাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন

এবার প্রতিবন্ধীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

এবার প্রতিবন্ধীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লকডাউন চলাকালে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশাপাশি অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীরাও সরকারী ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবে না।’

লকাডাউনে কর্মহীন ট্রান্সজেন্ডার, নাপিত ও চর্মকারদের পর এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো উপহার সামগ্রী পেয়েছেন চট্টগ্রামের চারশ প্রতিবন্ধী।

নগরীর কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বৃহস্পতিবার উপহারগুলো বিতরণ করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার।

প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো এসব উপহারে ছিল আট কেজি চাল, এক কেজি ডাল, এক কেজি ছোলা, দুই কেজি আলু, এক কেজি চিনি ও একটি সাবান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জামশেদ খোন্দকার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লকডাউন চলাকালে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশাপাশি অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীরাও সরকারী ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। কর্মহারা বা কষ্টে আছে এমন প্রত্যেককে ত্রাণের আওতায় আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবে না।’

তিনি জানান, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে যারা প্রকাশ্যে সাহায্য নিতে সংকোচ করছেন, তাদের ফোন বা ক্ষুদেবার্তা পেয়ে উপহার সামগ্রী বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

লকডাউনে কাজ হারানো সবাইকেই পর্যায়ক্রমে এই উপহার কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শহীদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিনসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
জামিন জালিয়াতি: যুবলীগ নেতাসহ আরও ১৬ জন শ্রীঘরে
জামিন জালিয়াতি: ২৪ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হননি যুবলীগ নেতা
জালিয়াতের ‘রাজা’ ফারুক কোথায়
জামালপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের ‘সত্যতা’

শেয়ার করুন