অন্যরকম বিয়ে

বরিশাল নগরীর পলাশপুর গুচ্ছগ্রামে অন‌ু‌ষ্ঠিত হ‌লো দুই প্রতিবন্ধীর বি‌য়ে। ছবি: নিউজবাংলা

অন্যরকম বিয়ে

স্থানীয়রা জানান, ২৫ হাজার টাকা চাঁদা তু‌লে ব‌র ক‌নের পোশাকসহ বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত অ‌তি‌থিদের আপ‌্যায়নের ব্যবস্থা করে এলাকাবাসীরাই।

বরিশাল নগরীর পলাশপুর গুচ্ছগ্রামে অন‌ু‌ষ্ঠিত হ‌লো প্রতিবন্ধী যুগ‌লের বি‌য়ে। বর কালাম বেপারী দৃ‌ষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং ক‌নে সুমা আক্তার শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী।

রোববার তা‌দের বি‌য়ের পর, সোমবার অনু‌ষ্ঠিত হ‌য় গা‌য়ে হলুদ। পুরো আয়োজন আনন্দ-উল্লা‌সে মাতিয়ে রাখেন আমন্ত্রিত অতিথিত ও স্থানীয়রা। এমনকি অতিথি আপ্যায়নে এলাকার লোকজন চাঁদা তু‌লে সহযোগিতাও ক‌রেন।

আলা‌মিন হোসেন না‌মে পলাশপুর এলাকার এক বা‌সিন্দা জানান, বর কালামের গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জের কালীগঞ্জ গ্রামে। মা–বাবা নেই। তারা দুই ভাই। কালাম ছোট। বড় ভাই আবদুস সালামও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।

বর কালাম শ্রমিকের কাজ করে যা আয় করেন, তা দিয়ে পলাশপুরের গুচ্ছগ্রামে ছোট একটি ঘ‌রে ভাড়া থাকেন।

আর কনে সুমার বাবা বাবুল পালওয়ান। তিনি রিকশা চালান।

স্থানীয়রা জানান, ২৫ হাজার টাকা চাঁদা তু‌লে ব‌র ক‌নের পোশাকসহ বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত অ‌তি‌থিদের আপ‌্যায়ন করা হয়। এলাকার নারী, পুরুষ, শিশুরা ব‌্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় অংশ নেন এ আনন্দ আয়োজনে।

রোববার বি‌য়ে শে‌ষে ক‌নের বা‌ড়ি থে‌কে ঘোড়ার গা‌ড়ি‌তে ক‌রে বর-ক‌নে‌কে আনা হয় বরের বা‌ড়ি‌তে।

বর কালাম বেপারী ব‌লেন, ‘আমার তো তেমন কো‌নো আয়-বা‌ণিজ‌্য নাই। একলা চলি। ভাতার টাহা দিয়াই চলতাম। একটু চিন্তায় আ‌ছি। তয় ভাল্লাগ‌তে‌ছে।’

ব‌রিশাল সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের ৫ নম্বর ওয়া‌র্ডের কাউ‌ন্সিলর কেফা‌য়েত হোসেন র‌নি বলেন, ‘এলাকাবাসীর উ‌দ্যোগে এই বি‌য়ের আয়োজন হ‌য়ে‌ছে। বেশ মজা, আনন্দ করেছে সবাই। প্রতিবন্ধী ব‌রের সু‌বিধা‌র্থে আমি নিজে এক‌টি হুইল চেয়ার উপহার দিয়েছি। ভবিষ্যতেও তা‌দের যে কোনো প্রয়োজনে সহ‌যো‌গিতার চেষ্টা কর‌বো আ‌মি।’

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জামিন পাননি মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক

জামিন পাননি মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার হন সাংবাদিক আবু তৈয়ব। ছবি: নিউজবাংলা

সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের করা মামলায় মঙ্গলবার শহরের নূর নগরে নিজ বাসভবন থেকে আবু তৈয়বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়রের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আবু তৈয়ব জামিন পাননি।

১৪ সদস্যের আইনজীবী প্যানেল বৃহস্পতিবার খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের ভার্চুয়াল আদালতে আবু তৈয়বের জামিনের জন্য আবেদন করলে বিচারক গোলাম সরোয়ার তা নাকচ করেন।

প্যানেল প্রধান ও আবু তৈয়বের আইনজীবী বেগম আক্তার জাহান রুকু বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে আমরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করবো’।

বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির খুলনা ব্যুরো প্রধান ও স্থানীয় দৈনিক লোকসমাজের সাংবাদিক আবু তৈয়বকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন। সংগঠনের পক্ষ থেকে তার দ্রুত মুক্তির দাবি করা হয়েছে।

সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক সদর থানায় মামলা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নূর নগরে নিজ বাসভবন থেকে তৈয়বকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম জানান, মেয়র খালেকের বিরুদ্ধে মোংলা কাস্টমসের শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট দেন তৈয়ব। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মামলা করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, আবু তৈয়ব মেয়রকে জড়িয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২০১৮/১ এর ধারা ২৫(২), ২৯(১), ৩১(১), ৩১(২) ধারায় মামলা হয়েছে।

ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে বুধবার সকালে আবু তৈয়বকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন

এবার প্রতিবন্ধীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

এবার প্রতিবন্ধীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লকডাউন চলাকালে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশাপাশি অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীরাও সরকারী ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবে না।’

লকাডাউনে কর্মহীন ট্রান্সজেন্ডার, নাপিত ও চর্মকারদের পর এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো উপহার সামগ্রী পেয়েছেন চট্টগ্রামের চারশ প্রতিবন্ধী।

নগরীর কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বৃহস্পতিবার উপহারগুলো বিতরণ করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার।

প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো এসব উপহারে ছিল আট কেজি চাল, এক কেজি ডাল, এক কেজি ছোলা, দুই কেজি আলু, এক কেজি চিনি ও একটি সাবান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জামশেদ খোন্দকার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লকডাউন চলাকালে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশাপাশি অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীরাও সরকারী ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। কর্মহারা বা কষ্টে আছে এমন প্রত্যেককে ত্রাণের আওতায় আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবে না।’

তিনি জানান, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে যারা প্রকাশ্যে সাহায্য নিতে সংকোচ করছেন, তাদের ফোন বা ক্ষুদেবার্তা পেয়ে উপহার সামগ্রী বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

লকডাউনে কাজ হারানো সবাইকেই পর্যায়ক্রমে এই উপহার কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শহীদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিনসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন

‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

‘অপহরণ হওয়া’ আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

পিবিআই জানায়, গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। 

সিরাজগঞ্জ সদরে তিন মাস পর অপহৃত এক ব্যক্তিকে বহালতবিয়তে কারখানায় কর্মরত অবস্থায় পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, আগের কর্মস্থলের মালিককে ফাঁসাতে ওই ব্যক্তি অপহরণের নাটক করেছিলেন। অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ওই মালিক এখন জেল খাটছেন।

‘অপহৃত’ আতিকুল ইসলামকে বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের ভুলতা এলাকার এন জেড টেক্সটাইল নামের একটি পোশাক কারখানা থেকে আটক করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে পিবিআই কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, আতিকুল ইসলামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে। প্রায় ৯ মাস আগে লিলি মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি মার্কটিং অফিসার হিসেবে কাজ করতেন। সে সময় মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।

পরে জান্নাতুল মার্কেটিং কোম্পানি নামের দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন আতিক। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি জানতে পেরে লিলি মার্কেটিং কোম্পানির মালিক মো. সোহাগ আতিককে ফোন করেন। ফোনে এ নিয়ে তাদের তর্কাতর্কি হয়।

সেই ফোন রেকর্ড ব্যবহার করে সোহাগকে ফাঁসাতে পরিকল্পনা করেন আতিক। সে মোতাবেক পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে তিনি আত্মগোপনে যান।

জেলা পিবিআইয়ের এসপি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। পরে তারা বিষয়টি পিবিআইকে জানালে, কর্মকর্তারা তা আমলে নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আতিকের অবস্থান শনাক্ত করেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতার ওই কারখানায় কর্মরত অবস্থায় আতিককে আটক করে সিরাজগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে পিবিআই।

এসপি রেজাউল আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগকে ফাঁসাতে অপহরণ নাটকের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে স্বীকারও করেছেন আতিক।

রেজাউল বলেন, ‘অপহরণের নাটক সাজানো ও একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে জেলে রাখার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, বিনা দোষে কারাগারে থাকা সোহাগের ব্যাপারেও আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন

শিশুছাত্র মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

শিশুছাত্র মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামে কওমি মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে পেটানো সেই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি আলমগীর জানান, নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ নেই। তবে শিশু আইনে যে কেউ বাদী হতে পারে। ফলে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

কুড়িগ্রামে নির্ধারিত বাড়ির কাজ জমা না দেয়ার অপরাধে কওমি মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে পেটানো সেই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বাদী হয়ে ২০১৩ সালের শিশু আইনের ৭০ ধারায় একটি মামলা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠায়।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক আবু সাইদ পাথরডুবি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ঢেবঢেবি বাজারে কিসমত-কুলসুম কওমি নুরানি ও হাফেজি মাদ্রাসার লাম নামের সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

পরে অভিযুক্ত শিক্ষক সাইদকে বুধবার গভীর রাতে উপজেলা সদরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের রাস্তা থেকে আটক করা হয়।

ওসি আরও জানান, নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ নেই। তবে শিশু আইনে যে কেউ বাদী হতে পারে। ফলে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

১৯ এপ্রিল ওই শিক্ষক মাদ্রাসার দ্বিতীয় জামাতে সাত বছরের শিক্ষার্থী লামকে বেদম মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও দেখে ওই শিক্ষার্থীর বাবা পাথরডুবী বাজারের বাসিন্দা মোতালেব হোসেন জানতে পারেন তার সন্তানকে এ রকম নির্যাতন করা হয়েছে। ওই দিন বিকেলেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মাদ্রাসায় একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কার করে।

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন

হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারী গ্রেপ্তার

হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারী গ্রেপ্তার

১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

রাত ২টার দিকে মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস নিয়ে যওয়ার সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে তাদের নামে মামলা দেয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের শরণখোলায় ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সোনাতলা গ্রাম থেকে বুধবার রাত ২টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শরণখোলা উপজেলার বকুলতলা গ্রামের আলীরাজ হোসেন ও রেজাউল হাওলাদার।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সুন্দরবন সংলগ্ন সোনাতলা গ্রামের পিলের রাস্তায় অবস্থান নেয়।

রাত ২টার দিকে ওই দুই পাচারকারী বিক্রির জন্য মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস নিয়ে যওয়ার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। থানায় নিয়ে তাদের নামে মামলা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন

নড়াইলে পুলিশের অস্ত্র লুট

নড়াইলে পুলিশের অস্ত্র লুট

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে লুটিয়া-কুমড়ি এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষ থেকে হামলা হয় পুলিশের ওপর। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

নড়াইলে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুটের ঘটনায় দুই জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্রটিও।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।

এর আগে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে লুটিয়া-কুমড়ি এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষ থেকে হামলা হয় পুলিশের ওপর। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

বিস্তারিত আসছে....

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন

জিকে খালে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

জিকে খালে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

জিকে খাল থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় ব্যবসায়ী মারফত আফ্রিদি বলেন, ‘বুধবার রাতে মাতাল অবস্থায় একবার পড়ে গিযেছিল জাহিদুল। তখন তার হাত ভেঙে গিযেছিল বলে শুনতে পাই। ধারণা করা হচ্ছে রাতে অসাবধানতায় জিকে খালে পড়ে মৃত্যু হয় তার।’

কুষ্টিয়ার মিরপুরে গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের খাল থেকে এক যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সুলতানপুর এলাকার জিকে খাল থেকে সকালে মো. জাহিদুল নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জাহিদুলের বাড়ি সুলতানপুর গ্রামে। তিনি মিরপুর পৌরসভা পার্কের কর্মী ছিলেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মারফত আফ্রিদি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার রাতে মাতাল অবস্থায় পড়ে গিয়ে জাহিদুলের হাত ভেঙ্গে যায় বলে শুনতে পেয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে রাতে অসাবধানতায় জিকে খালে পড়ে মৃত্যু হয় তার।’

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি খালে মাছ ধরতে গিয়ে জাহিদুলের মরদেহ দেখতে পান।পরে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, কী কারণে বা কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পেয়ে বলা সম্ভব নয়। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
৭৪ বছরের দাম্পত্য, ফের মালাবদল
বিয়ের বাজারেও ‘সীমিত পরিসর’
হাতির পিঠে চড়ে বাল্যবিয়ে, পুলিশ আসার খবরে চম্পট 
রাতে বাল্যবিয়ের আয়োজন থামাল প্রশাসন
বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় আরেক আসামির জামিন

শেয়ার করুন