নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কাপ্তাই লেকের মাছের প্রজননস্থল

কাপ্তাই হ্রদ। ছবি : পিয়াস বিশ্বাস

নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কাপ্তাই লেকের মাছের প্রজননস্থল

বিএফআরআইর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, শুধু কার্পজাতীয় মাছ নয়, প্রজননস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে অন্য বেশ কিছু মাছও কমে যাচ্ছে লেক থেকে। ইতিমধ্যে লেক থেকে বিলুপ্ত হয়েছে সিলন, দেশি সরপুঁটি, বাগাড়, মোহিনী বাটা ও দেশি পাঙাশ মাছ। আর বিপন্নপ্রায় মাছের মধ্যে রয়েছে দেশি মহাশোল, মধু পাবদা, পোয়া, ফাইস্যা, গুলশা ও সাদা ঘনিয়া। এ ছাড়া ক্রমহ্রাসমান মাছের মধ্যে রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল, বাচা, পাবদা ও বড় চিতল।

কাপ্তাই লেকের মাছের প্রধান চারটি প্রজননস্থলের (চ্যানেল) মধ্যে দুইটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে সেখানে এখন কার্পজাতীয় মাছ কম পাওয়া যাচ্ছে। পলি মাটি জমার পাশাপাশি পানির স্থায়িত্ব কমে যাওয়াসহ নানা কারণে প্রজননস্থলগুলো নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০১৮ সালে কাপ্তাই লেকের জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবুল বাশার। তার গবেষণায়ও চারটি চ্যানেল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রজননস্থলগুলো হচ্ছে চেঙ্গী চ্যানেল ও রীংকং চ্যানেল।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) রাঙ্গামাটি নদী-উপকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিএম শাহিনুর রহমান বলেন, চেঙ্গী চ্যানেল ও রীংকং চ্যানেল পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে, চ্যানেল দুইটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। কাসালং চ্যানেল ও বরকল চ্যানেলও নষ্ট হয়ে যাওয়ার পথে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন বৃষ্টি কম হচ্ছে। আগে পাহাড়ে এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টি হতো। টানা ৬ থেকে ৭ মাস বৃষ্টি হলে লেকে পর্যাপ্ত পানি থাকত। এখন আগের মতো বৃষ্টি হচ্ছে না। লেকে পর্যাপ্ত পানি হচ্ছে না। ফলে লেকে পানির স্থায়িত্ব কমে গেছে। প্রজননস্থলগুলো নষ্ট হওয়ার এটিও একটি কারণ।

বিএম শাহিনুর রহমান বলেন, কাপ্তাই লেকের পাড়ে পাহাড় রয়েছে। জুম পদ্ধতিতে চাষের জন্য এসব পাহাড় থেকে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। তাতে করে ভূমিধস হচ্ছে। প্রতিবছর পাহাড়ের মাটি ধসে লেকে পড়ছে। আর পলি মাটিতেই প্রজননস্থলগুলো ভরে যাচ্ছে, তাতে নষ্ট হচ্ছে সেগুলো।

দেড় যুগের ব্যবধানে কার্পজাতীয় মাছের উৎপাদন কমেছে ৮০ শতাংশ

প্রজননস্থলগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে কাপ্তাই লেক থেকে কার্পজাতীয় মাছের আহরণ কমে যাচ্ছে। বিএফআরআই থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০২-০৩ অর্থবছরে কাপ্তাই লেক থেকে ২৫৮ দশমিক ৭৫ টন কার্পজাতীয় মাছ আহরণ করা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে মাত্র ৫৩ দশমিক ২ টন কার্পজাতীয় মাছ আহরণ করা হয়েছে। ১৮ বছরের ব্যবধানে লেক থেকে কার্পজাতীয় মাছের আহরণ কমেছে ৮০ শতাংশ।

কাপ্তাই

বিএফআরআইর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, আমরা মাঠপর্যায়ে গবেষণা করে এই তথ্য তুলে ধরেছি। পলি জমে লেকের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি প্রবাহ কমে গেছে। পানি প্রবাহ না থাকলে কার্পজাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে না। তাই আগের মতো মাছের প্রজনন হচ্ছে না। প্রজননস্থল নষ্ট, হ্রদের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় গভীর জলাশয়ের অভাবে মাছ বড় হতে পারছে না। এ ছাড়া শুষ্ক মৌসুমে হ্রদে পোনা ছাড়লেও পানিস্বল্পতার কারণে জেলেদের কেচকি জালে কার্পজাতীয় মাছের পোনা ধরা পড়ে যায়।

তিনি বলেন, শুধু কার্পজাতীয় মাছ নয়, প্রজননস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে অন্য বেশ কিছু মাছও কমে যাচ্ছে লেক থেকে। ইতিমধ্যে লেক থেকে বিলুপ্ত হয়েছে সিলন, দেশি সরপুঁটি, বাগাড়, মোহিনী বাটা ও দেশি পাঙাশ মাছ। আর বিপন্নপ্রায় মাছের মধ্যে রয়েছে দেশি মহাশোল, মধু পাবদা, পোয়া, ফাইস্যা, গুলশা ও সাদা ঘনিয়া। এ ছাড়া ক্রমহ্রাসমান মাছের মধ্যে রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল, বাচা, পাবদা ও বড় চিতল।

লেকের পাড়ে জুম চাষে নিরুৎসাহিত করছে সরকার

রাঙ্গামাটির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জিএম মোহাম্মদ কবির বলেন, পাহাড়ের ঢালে বন উজাড় করে ও তা আগুনে পুড়িয়ে জমি চাষের উপযোগী করার মাধ্যমে যে চাষাবাদ করা হয় তারই নাম জুম চাষ। লেকের পাশের পাহাড়গুলো খাড়া। গাছের শেকড় পাহাড়গুলোর মাটি ধরে রাখে। কিন্তু জুম পদ্ধততি চাষের জন্য পাহাড়ের বন উজাড় বা আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়গুলোর মাটি বালুর মতো যা বৃষ্টির পানির সঙ্গে সহজেই দুর্বল হয়ে ধসে পড়ে। বর্ষা মৌসুমের প্রথম কয়েক দিনের বৃষ্টিতে মাটিগুলো নরম হয়ে যায়, পরবর্তী সময়ে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে পাহাড়ের ফাটল দিয়ে পানি প্রবেশ করে পাহাড়ের অভ্যন্তরে চাপ ও ওজন বৃদ্ধি করে পরবর্তী সময়ে ধসে পড়ে। তখন সরাসরি মাটি লেকে পড়ে ভরাট হয়ে যায়।

জিএম মোহাম্মদ কবির বলেন, জুম নিয়ন্ত্রণে আমরা সচেনতা ক্যাম্পেইন চালাচ্ছি। লেকের পাড়ে জুম পদ্ধতিতে চাষ না করার জন্য নিরুৎসাহিত করছি। ইতিমধ্যে আমরা ফলাফল পেয়েছি। লেকের পাড়ে জুম চাষ কমে আসছে।

কাপ্তাই লেকের জীববৈচিত্র্য নিয়ে বিএফআরআইর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবুল বাশারের গবেষণায় বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার, প্রজনন মৌসুমে পোনা ও মা মাছ নিধনও কার্পজাতীয় মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। গবেষণায় কার্পজাতীয় মাছের হার বাড়াতে লেকের তলদেশ খনন, প্রজননস্থলগুলো পুনরায় খননের মাধ্যমে সংরক্ষণ এবং এগুলোকে অভয়াশ্রম ঘোষণা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

‘অপহরণ হওয়া’ আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

পিবিআই জানায়, গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। 

সিরাজগঞ্জ সদরে তিন মাস পর অপহৃত এক ব্যক্তিকে বহালতবিয়তে কারখানায় কর্মরত অবস্থায় পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, আগের কর্মস্থলের মালিককে ফাঁসাতে ওই ব্যক্তি অপহরণের নাটক করেছিলেন। অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ওই মালিক এখন জেল খাটছেন।

‘অপহৃত’ আতিকুল ইসলামকে বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের ভুলতা এলাকার এন জেড টেক্সটাইল নামের একটি পোশাক কারখানা থেকে আটক করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে পিবিআই কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, আতিকুল ইসলামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে। প্রায় ৯ মাস আগে লিলি মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি মার্কটিং অফিসার হিসেবে কাজ করতেন। সে সময় মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।

পরে জান্নাতুল মার্কেটিং কোম্পানি নামের দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন আতিক। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি জানতে পেরে লিলি মার্কেটিং কোম্পানির মালিক মো. সোহাগ আতিককে ফোন করেন। ফোনে এ নিয়ে তাদের তর্কাতর্কি হয়।

সেই ফোন রেকর্ড ব্যবহার করে সোহাগকে ফাঁসাতে পরিকল্পনা করেন আতিক। সে মোতাবেক পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে তিনি আত্মগোপনে যান।

জেলা পিবিআইয়ের এসপি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। পরে তারা বিষয়টি পিবিআইকে জানালে, কর্মকর্তারা তা আমলে নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আতিকের অবস্থান শনাক্ত করেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতার ওই কারখানায় কর্মরত অবস্থায় আতিককে আটক করে সিরাজগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে পিবিআই।

এসপি রেজাউল আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগকে ফাঁসাতে অপহরণ নাটকের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে স্বীকারও করেছেন আতিক।

রেজাউল বলেন, ‘অপহরণের নাটক সাজানো ও একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে জেলে রাখার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, বিনা দোষে কারাগারে থাকা সোহাগের ব্যাপারেও আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

শিশুছাত্র মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

শিশুছাত্র মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামে কওমি মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে পেটানো সেই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি আলমগীর জানান, নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ নেই। তবে শিশু আইনে যে কেউ বাদী হতে পারে। ফলে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

কুড়িগ্রামে নির্ধারিত বাড়ির কাজ জমা না দেয়ার অপরাধে কওমি মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে পেটানো সেই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বাদী হয়ে ২০১৩ সালের শিশু আইনের ৭০ ধারায় একটি মামলা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠায়।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক আবু সাইদ পাথরডুবি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ঢেবঢেবি বাজারে কিসমত-কুলসুম কওমি নুরানি ও হাফেজি মাদ্রাসার লাম নামের সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

পরে অভিযুক্ত শিক্ষক সাইদকে বুধবার গভীর রাতে উপজেলা সদরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের রাস্তা থেকে আটক করা হয়।

ওসি আরও জানান, নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ নেই। তবে শিশু আইনে যে কেউ বাদী হতে পারে। ফলে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

১৯ এপ্রিল ওই শিক্ষক মাদ্রাসার দ্বিতীয় জামাতে সাত বছরের শিক্ষার্থী লামকে বেদম মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও দেখে ওই শিক্ষার্থীর বাবা পাথরডুবী বাজারের বাসিন্দা মোতালেব হোসেন জানতে পারেন তার সন্তানকে এ রকম নির্যাতন করা হয়েছে। ওই দিন বিকেলেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মাদ্রাসায় একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কার করে।

শেয়ার করুন

নড়াইলে পুলিশের অস্ত্র লুট

নড়াইলে পুলিশের অস্ত্র লুট

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে লুটিয়া-কুমড়ি এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষ থেকে হামলা হয় পুলিশের ওপর। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

নড়াইলে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুটের ঘটনায় দুই জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্রটিও।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।

এর আগে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে লুটিয়া-কুমড়ি এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষ থেকে হামলা হয় পুলিশের ওপর। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

বিস্তারিত আসছে....

শেয়ার করুন

জিকে খালে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

জিকে খালে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

জিকে খাল থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় ব্যবসায়ী মারফত আফ্রিদি বলেন, ‘বুধবার রাতে মাতাল অবস্থায় একবার পড়ে গিযেছিল জাহিদুল। তখন তার হাত ভেঙে গিযেছিল বলে শুনতে পাই। ধারণা করা হচ্ছে রাতে অসাবধানতায় জিকে খালে পড়ে মৃত্যু হয় তার।’

কুষ্টিয়ার মিরপুরে গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের খাল থেকে এক যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সুলতানপুর এলাকার জিকে খাল থেকে সকালে মো. জাহিদুল নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জাহিদুলের বাড়ি সুলতানপুর গ্রামে। তিনি মিরপুর পৌরসভা পার্কের কর্মী ছিলেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মারফত আফ্রিদি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার রাতে মাতাল অবস্থায় পড়ে গিয়ে জাহিদুলের হাত ভেঙ্গে যায় বলে শুনতে পেয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে রাতে অসাবধানতায় জিকে খালে পড়ে মৃত্যু হয় তার।’

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি খালে মাছ ধরতে গিয়ে জাহিদুলের মরদেহ দেখতে পান।পরে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, কী কারণে বা কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পেয়ে বলা সম্ভব নয়। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

আমবাগানের চাপে কমছে ধানের জমি

আমবাগানের চাপে কমছে ধানের জমি

আমবাগানের কারণে ধানের জমি কমে যাওয়ায় প্রান্তিক চাষি ও কৃষিশ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। ছবি: নিউজবাংলা

১০ বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ধানি জমি কমেছে অন্তত ৭ হাজার হেক্টর। এতে ধান চাষের সঙ্গে যুক্ত প্রান্তিক চাষি ও শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন।

ধানসহ বিভিন্ন ফসল চাষে সরাসরি যুক্ত থাকেন প্রান্তিক কৃষক ও শ্রমিকরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনেক জমিতেই কৃষক তিন বা চারবার ফসল ফলান। কিন্তু জেলায় ধান চাষের জমির পরিমাণ ক্রমশ কমছে। এতে প্রান্তিক কৃষক, বর্গাচাষি ও শ্রমিকদের কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকি দিন দিন বেড়ে চলছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধান চাষের জমি কমেছে অন্তত ৭ হাজার হেক্টর।

কয়েক বছর ধরে জেলায় ধানের জমিতে আমবাগান করার হিড়িক চলছে। এমনকি ধান উৎপাদনের জন্য পরিচিত বরেন্দ্র এলাকাতেও বাড়ছে আমসহ বিভিন্ন ফলের বাগান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কিছু উদ্যোক্তা মালিকের কাছ থেকে ১৫-২০ বছরের জন্য জমি ইজারা নিয়ে আমসহ বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে তুলছেন। প্রতিবছর বিঘাপ্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে মালিকের কাছ থেকে জমি ইজারা নেয়া হয়। এতে মূল জমির মালিক খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও কর্মহীন হয়ে পড়ছেন বর্গাচাষি বা প্রান্তিক কৃষক পরিবার।

সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের টকটকা এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি ইজারার মাধ্যমে আমবাগান গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় বাধা দেন ওই এলাকার বর্গাচাষিরা। এ নিয়ে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন।

টকটকা এলাকার বর্গাচাষি সাদিকুল ইসলাম কর্মহীন হওয়ার পথে। তিনি যে জমিতে কাজ করতেন, সেটিও লিজ দিয়ে দিয়েছেন মালিক।

Chapai Sadikul

সাদিকুল বলেন, ‘আজ ১৫ বছর থ্যাকা হ্যামি (আমি) জমিটা করতাম। এখন হ্যামার প্যাটে ল্যাথ ম্যারা জমিট্যা লিয়্যা লিবে। হ্যামি কী কইর‌্যা খাব?

‘হ্যামি জোরদারের (জমির মালিক) হাত ধরলাম, পা ধরলাম। কিছুই হইল না। কষ্টে হামার অন্তর ফ্যাটা যাছে।’

আরেক বর্গাচাষি ধীরেন টুডু বলেন, ‘আগে এসব জাগায় বাগান ছিল না। এখন যেখানে আবাদ করব, সেই সব জমিতেও বাগান করার ল্যাগা লোক ঘুরছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাগান

বাংলাদেশ কৃষক সমিতির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রান্তিক কৃষকের দুরবস্থা যে হবে, এটা আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। তাদের চাষের জমি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়ে প্রান্তিক কৃষক দিন দিন বেকার হয়ে যাচ্ছে। এ সংকট থেকে বাঁচতে হলে কৃষক সমবায় সমিতির মাধ্যমে বিআরডিবিকে (বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড) আবারও সচল করতে হবে।

‘বঙ্গবন্ধু কৃষিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি প্রান্তিক কৃষকের স্বার্থরক্ষার কথা বলেছেন। আমরা মনে করি, লিজের মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানি বা এক ব্যক্তির কাছে জমি চলে যাওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকারিভাবে বিআরডিবির মাধ্যমে জমির সঠিক বণ্টন হোক, সেখানে কাজের সুযোগ পাবে বর্গাচাষিরা।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ইদানীং দেখা যাচ্ছে, আমাদের উর্বর জমির ধরন চেঞ্জ হচ্ছে। এটা এখন আমাদের জন্য খারাপ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আছে যে, যেগুলো উর্বর জমি, সেখানে কলকারখানা, রাস্তাঘাট, বাড়িঘর করা যাবে না বা ধরন চেঞ্জ করা যাবে না।

‘তারপরও কিন্তু এটা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত প্রশাসন ও আমরা সজাগ আছি, যাতে জমির ধরন চেঞ্জ না হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষককে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি, দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি করাসহ উৎপাদন বৃদ্ধির নানা পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছি। এর মাঝে যদি জমির ধরন পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে এলাকার ভারসাম্য নষ্ট হবে।

‘বিশেষ করে উদ্বৃত্ত খাদ্যের জেলা হিসেবে এটির যে পরিচিতি, সেটাও অন্যদিকে যেতে পারে। তাই ফসলি জমির ধরন যাতে পরিবর্তন না হয়, সেদিকে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’

ধানের জমিতে আমবাগান বা ধরন পরিবর্তনের বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, সাময়িক লাভের চিন্তা না করে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে হবে। ধান চাষ করতেই হবে। ধরন পরিবর্তন হলে বর্গাচাষিরা অসহায় হয়ে পড়বে। তাদের বিষয়ও ভাবতে হবে।

শেয়ার করুন

নিজ বাড়ির চেয়ারে মাদক মামলার আসামির মরদেহ

নিজ বাড়ির চেয়ারে মাদক মামলার আসামির মরদেহ

নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ মিজানুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি জানান, মিজানুরের বিরুদ্ধে ১৬টি ও রুপার বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা আছে। মাদক ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কোনো কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নীলফামারীর ডোমারে নিজ বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ডোমার উপজেলা সদরের ছোট রাউতা কাজীপাড়া থেকে বুধবার রাত আটটার দিকে মিজানুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় একই এলাকার আবু তালেবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডোমার থানায় নেয়া হয়েছে।

মিজানুরের স্ত্রী শাহিদা বেগম রুপা নিউজবাংলাকে জানান, চিকিৎসার জন্য তিনি মেয়েকে নিয়ে বুধবার সকালে রংপুর যান। সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফিরে স্বামীকে চেয়ার বসা অবস্থায় অচেতন পান। এরপর পুলিশকে খবর দেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, মিজানুরের বিরুদ্ধে ১৬টি ও রুপার বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা আছে। মাদক ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কোনো কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বুধবার রাতেই মিজানুরের স্ত্রী অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

শেয়ার করুন

দরিদ্রদের জন্য সপ্তাহে এক দিন ফ্রি হাট

দরিদ্রদের জন্য সপ্তাহে এক দিন ফ্রি হাট

আয়োজকরা জানালেন, সপ্তাহে এক দিন করে তাদের এই হাট বসে। প্রতি হাটে দুই শরও বেশি মানুষের সাপ্তাহিক বাজারের চাহিদা মেটে। হাটের প্রবেশপথে রাখা হয়েছে ইনফ্রারেড থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থা। প্রতিটি স্টলের মধ্যে রাখা হয়েছে তিন ফুট দূরত্ব।

লকডাউনে বন্ধ অটোরিকশা, উপার্জন না থাকায় সংসার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন অটোচালক শাকিল মিয়া। সে সময় খোঁজ পেলেন, এলাকার মাঠে বসেছে বাজার, যেখানে বিনা মূল্যে মিলছে বাজার।

বাজারে গিয়ে বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় সব সদাই পেয়ে বেশ খুশি শাকিল। বললেন, ‘লকডাউনের জন্য অনেক দিন ধরে অটো চালাতে পারি না, অন্য কোনো কামকাজও পাইতাছি না। সংসার চালাইতে হচ্ছে ধারদেনা করে। এমন সময় গ্রামে ফ্রিতে এতগুলা বাজার করতে পারছি, এটা বিশ্বাসই হয় না, বিপদের সময় যতডাই (যতটুকু) সাহায্য পাইছি তাই কে দিত।’

উপার্জনহীন এই মানুষগুলোর জন্য এই বাজার বসেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে। জেলার আঠারবাড়ী-নান্দাইল সড়কের পাশে খোলা মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসেছে ‘ফ্রি হাট’।

এর পেছনে আছে একদল তরুণ। ‘মুক্তির বন্ধন ফাউন্ডেশন’ নামের তাদের সংগঠনটি ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু করেছে এই ফ্রি হাট কর্মসূচি।

আয়োজকরা জানালেন, সপ্তাহে এক দিন করে তাদের এই হাট বসে। প্রতি হাটে দুই শরও বেশি মানুষের সাপ্তাহিক বাজারের চাহিদা মেটে।

ময়মনসিংহে ফ্রি হাট

হাটে পাওয়া যায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা সবজি, ফল, মাছ-মাংস ও মসলা। আছে ইফতারসামগ্রীও।

‘ফ্রি হাটের’ সমন্বয়ক আজহারুল ইসলাম পলাশ জানালেন, শুধু দরিদ্র ব্যক্তিদের জন্যই নয়, এই হাট মধ্যবিত্তদের জন্যেও। তিনি বলেন, ‘মধ্যবিত্ত পরিবার, যারা ফ্রি হাটে এসে প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী নিতে সংকোচবোধ করেন, তাদের বাড়িতে গিয়ে বাজার পৌঁছে দেয়ারও আমাদের ব্যবস্থা আছে।’

ময়মনসিংহে ফ্রি হাট

তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই হাট চালাতে খরচ কীভাবে মেটানো হয়। তিনি জানান, এলাকার সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা তাদের সংগঠনকে চালিয়ে নিতে অর্থ দিয়ে সহায়তা করেন।

হাটে গিয়ে কথা হয় বাজার করতে আসা দিনমজুর আবদুল খালেকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এই মৌসুমে দূরদেশে (অন্য জেলায়) ধান কাটতাম। কিন্তু ইবার করোনার লাগি গাড়িটারি বদ্ধ, তাই জাইতারি নাই। আমাদের এলাকায়ও এহনো ধান কাডা শুরু হয় নাই, তাই বেকার হয়ে গেছি। হাতে কোনো টাকা নাই। এ সময় গ্রামের ভাইস্তারা (ভাতিজা) বাড়িত গেয়া একটু কাগজ দিয়া আইছে, যেইডা দিয়া আজ ফ্রি বাজার করতে পারছি। অনেকগুলোই সদাই পাইছি, তা দিয়া কয়েক দিন চলব।’

ময়মনসিংহে ফ্রি হাট

সংগঠনটির এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন জেলা জন-উদ্যোগের আহ্বায়ক ও আইনজীবী নজরুল ইসলাম চুন্নু। তিনি বলেন, ‘একটা সময় আমাদের সমাজের যুবকরা ভিন্নপথে ধাবিত হতো, শুনে খুব খারাপ লাগত। এখন যুবকরা দেশের খারাপ সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের খাবারের নিশ্চয়তা করছে। এর চেয়ে আর ভালো কী হতে পারে। এসব দেখে অন্য যুবকরাও উৎসাহিত হবে সমাজে ভালো কাজ করার জন্য।’

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো মানবিক উদ্যোগ। যারা এটি করেছে, তারা ধন্যবাদ পাওয়ার মতো কাজ করেছে। এমন সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতা করার চেয়ে আর উত্তম নেয়ামত কী হতে পারে।’

তিনি জানালেন, এই ফ্রি হাট কর্মসূচি পরিচালনা করতে উপজেলা প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

শেয়ার করুন