নবীনগরে জোড়া খুন : ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

নবীনগরে জোড়া খুন : ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ রানা। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৭ সালের ১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক সদস্য ইয়াসিন মিয়া ও তার ভায়রা ভাই খন্দকার এনামুল হক। স্বজনদের অভিযোগ, মোটরসাইকেল নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ ও তার সহযোগীরা তাদের হত্যা করেন।

জোড়া খুনের মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মাসুদ রানাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে জোড়া খুনের মামলায় সোমবার দুপুরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিউল আজম সেই আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের পরিদর্শক দিদারুল আলম নিউজবাংলাকে জানান, দুপুর ১২টার দিকে মাসুদ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে তা নাকচ করে দেন বিচারক।

২০১৭ সালের ১ মার্চ জগন্নাথপুর গ্রামে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক সদস্য ইয়াসিন মিয়া ও তার ভায়রা ভাই খন্দকার এনামুল হক। তারা দুজনই উপজেলার রসুল্লাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

স্বজনদের অভিযোগ, মোটরসাইকেল নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীরা তাদের হত্যা করেন। পরে এ হত্যাকাণ্ডকে ‘গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত’ বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়।

এ ঘটনায় এনামুল হকের স্ত্রী তাসলিমা বেগম ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে হত্যা মামলা করেন। আদালত পরে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেয়।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানাসহ ২৮ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেন সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও এতদিন মাসুদ রানাসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি নবীনগর থানা পুলিশ। সোমবার এ মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মাসুদ।

আরও পড়ুন:
টাকা আত্মসাৎ: দুই সরকারি কর্মকর্তা কারাগারে
হোসেনপুরে শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, জেলহাজতে
দুই হাত এক হলো কারাগারে
গৃহবধূকে ‘ধর্ষণের’ চেষ্টা, এক ব্যক্তি কারাগারে
সই জালিয়াতি, যুবক কারাগারে

শেয়ার করুন

মন্তব্য