‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগীর মৃত্যু, মধ্যস্থতায় ধামাচাপার চেষ্টা

‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগীর মৃত্যু, মধ্যস্থতায় ধামাচাপার চেষ্টা

ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ‘আজাহার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’। ছবি: নিউজবাংলা

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর কথা অকপটে স্বীকার করে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে সমঝোতা হয়েছে বলে দাবি করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ঢাকার ধামরাইয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শাহিনা আক্তার নামের এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। তার পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

স্বজনদের অভিযোগ, ভুল অস্ত্রোপচারের কারণেই রেহেনার মৃত্যু হয়েছে। তবে পুলিশকে জানালে ময়নাতদন্তে মরদেহ কাটা-ছেঁড়া করা হবে, এ কারণে তারা অভিযোগ করেননি।

এদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর কথা অকপটে স্বীকার করে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে সমঝোতা হয়েছে বলে দাবি করে।

সোমবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সাংবাদিকরা ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ‘আজাহার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ গেলে তাদের সঙ্গে আপস করার চেষ্টা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এর আগে সকালে মুমূর্ষু অবস্থায় ওই নারীকে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয় বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

৪৬ বছর বয়সী শাহিনা আক্তার পৌরসভার ইসলামপুর এলাকার প্রয়াত বেনু মিয়ার মেয়ে। তিনি তার বড় বোনের পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।

তার বড় বোন ফিরোজা বেগম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বইনেরতো পিত্তথলিতে পাথর হইছিল। বোইনে একা একা যাইয়ে ভর্তি হইয়াই এই অবস্থা হইল। আমার বোইনেরে অজ্ঞান করছে। অজ্ঞান অবস্থায় আর জ্ঞান ফিরা আহে নাই বোইনের। আমার বইনের ভুল অপারেশন হইছে, না হলে মরত না। ডাক্তার ভুল অপারেশন করছে। এমনি অন্য লোক নিয়া গেছে আমাগো আত্মীয়স্বজন কাউরে নিয়া যাই নাই। আমরা জানি না। মনে করছে, আমার ভাই-বইনে অপারেশন করবার দিব না, এই জন্যে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফিরোজা বলেন ‘না আমরা কোনো অভিযোগ করি নাই। অভিযোগ করলে পুলিশ প্রশাসন হইব। পোস্ট মর্টেম হইব। এই কারণে আমরা করি নাই।’

ফিরোজা বেগমের স্বামী এমদাদুল হক বলেন, ‘আজ থেকে ২০ বছর আগে হ্যার ফুসফুসে অপারেশন হয়। ফুসফুসের অর্ধেক ছিল না। এনাম মেডিক্যালে চিকিৎসা দেয়া হইছিল। এনাম আর অন্য হাসপাতালেও হ্যার অপারেশন করে নাই। কিন্তু এই হাসপাতালে কীভাবে ডাক্তার অপারেশন করল, সেটা উনি (ডাক্তার) জানেন। হাসপাতালের কেউ আমাদের কিছু বলে নাই, আমরা যারা গার্জিয়ান (অভিভাবক) আছি। পরে শুনছি, ২৫ হাজার টাকা ঠিক হইছিল অপারেশনের জন্য।’

অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের আত্মীয়স্বজন ও গ্রামের মাইনসে কইল, যে রোগী মারা গেছে সে রোগী নিয়া কিছু করলে ভালো কিছু হবে না। আমরা নিজেরাও চিন্তা করি যে আমরা গরিব মানুষ। এ নিয়া দৌড় পাড়াটা বা কাটাছেঁড়া করাটা পছন্দ করি না। অর বিয়া-সাদি হয় নাই। অর কেউই নাই। আমরাই অর দুই ভাই বোনের মতন।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবিনা ইয়াসমিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্যার আমাকে বললেন রোগীটা একটু ক্রিটিক্যাল, খেয়াল করবেন। একটা ফুসফুস নেই রোগীর। স্যার আমাকে বললেন, এখানেই থাকেন অপারেশন দেখেন। পরে স্যার অপারেশন শুরু করলেন। আমি ওখানেই দাঁড়ায়া দেখলাম পুরা অপারেশনটা। তো অপারেশন সাকসেসফুল হইছে। আমিতো ভাবছি অপারেশন শেষ। তাই চইলা যাই।

‌এক ঘণ্টা পর আমাকে স্যার ডাকলেন। আমি যেয়ে দেখি এক ঘণ্টা আগে স্যারদের যেভাবে দাঁড়ায় থাকতে দেখছি, তারা ওভাবেই সেখানে দাঁড়ায় আছেন। স্যার আমার দিকে তাকালেন কিন্তু কিছু বললেন না।

‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগীর মৃত্যু, মধ্যস্থতায় ধামাচাপার চেষ্টা

তো আমি একটু ঘাবড়ায়া গেলাম যে, এতক্ষণ পরও রোগীর জ্ঞান ফিরে নাই বা স্যাররা এভাবে দাঁড়ায়া আছেন। তখন অ্যানেসথেসিয়ার স্যার ছিলেন উনি বলতেছেন, রোগী রেফার করতে হবে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে, কাগজপত্র রেডি করেন। পরে স্যার নিজেই সব লিখে দিলেন।’

এসব অভিযোগের বিষয়ে রাত আটটার দিকে হাসপাতালে গেলে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ সাংবাদিকদের সঙ্গে আপসের চেষ্টা করেন।

এ সময় সাংবাদিকদের হাসপাতালটির অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তারা। এমনকি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই আইসিইউ ছাড়াই অপারেশন থিয়েটার কেন চালু রেখেছেন, সে বিষয়ে যথাযথ উত্তর দিতে পারেননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের চেয়ারম্যান সোহেল খান বলেন, ‘উনি গত পরশু দিন আসছিল। তার পেটে পাথর ছিল। একজন সার্জন তার ল্যাপরোস্কোপি করছে। আমাদের এখানে আইসিইউ সাপোর্ট নাই বিধায় আমরা রোগী রেফার্ড করছি এনাম মেডিক্যালে। আইজকা (সোমবার) সকাল ১১টার সময় রোগী মারা গেছে এনামে।’

ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর দ্বায়ভার কার এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা ভাই আমি অবগত না। এই বিষয়টা আমি জানি না। তবে দ্বায়ভার আমার এটা। অবশ্যই জানাটা আমার উচিত ছিল।’

মীমাংসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘টাকা পয়সা না। ওনারা আমাদের আত্মীয়ও হয়। আমরা সামাজিকভাবে বইসা কথাবার্তা বলছি। ওনারাও মামলা-টামলায় যাইতে চায় নাই, আমরাও চাই নাই। এজন্য লাশ দাফন-টাফন হইছে। আমাদের সাথে ওনাদের সুসম্পর্ক বিধায় ওনারা লাশ দাফন করছে।’

কোন চিকিৎসক অপারেশন করেছেন এ বিষয়ে বলেন, ‘ওনার নামটা আমি জানি না। নামটা আপনাকে একটু পরে দিচ্ছি।’

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, এ ধরনের অভিযোগ আমরা পাইনি। তবে কেউ অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর ই রিফফাত আরা বলেন, ‘আমাদের স্বপ্রণোদিত হয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। ওই ক্লিনিকে আমরা রুটিন মাফিক চারবার পরিদর্শন করেছি। তবে এদের বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নিতে লিখিত অভিযোগ লাগবে।’

প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদন আছে কি না এমন প্রশ্নে বলেন, ‌‘আজাহার ক্লিনিকের এখনও লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। আমরা সুপারিশ করেছি দেয়ার জন্য। ওদের আইসিইউ, সিসিইউ নেই, ওটিতেও সমস্যা ছিল, সেটা কারেকশন সাপেক্ষে ওদের হাসপাতাল অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৫০ বছর পর জোয়ার বৈরাগীতে

৫০ বছর পর জোয়ার বৈরাগীতে

গোপালগঞ্জ শহরের বৈরাগীর খালটি সংস্কারের পর জোয়ারের পানি ঢুকেছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থানাপাড়া এলাকায় খালের উপর দিয়ে একটি রাস্তা তৈরী করায় মধুমতি নদীর সঙ্গে সংযোগ বন্ধ হয়ে যায় খালটির। এরপর থেকে খালে আর জোয়ারের পানি প্রবেশ করেনি।

দীর্ঘ ৫০ বছর পর জোয়ারের পানির স্রোত বইছে গোপালগঞ্জ জেলা শহরে প্রবাহমান বৈরাগীর খালে। এক সময়ে এই খাল স্থানীয় মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলেও অযত্ন, অবহেলায় ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়। এ ছাড়া প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে অবৈধ দখলের কারণে খালটি সরু হয়ে যায়।

স্থানীয়দের দীর্ঘ বছরের দাবি পূরণে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ১ আগস্ট বৈরাগীর খালটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এর আগে রাস্তা কেটে তৈরী করা হয় ব্রিজ, উচ্ছেদ করা হয় অবৈধ স্থাপনাও। পুন:খনন করে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে বৈরাগীর খাল। জোয়ারের পানির স্রোত বইছে। তা দেখে খুশি খাল পাড়ের মানুষ।

বর্তমান চিত্র দেখে বুঝার উপায় নেই যে, ছয় মাস আগে পর্যন্ত বৈরাগীর খালটি দুর্গন্ধ ও ময়লার ভাগাড় ছিল।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থানাপাড়া এলাকায় খালের উপর দিয়ে একটি রাস্তা তৈরী করায় মধুমতি নদীর সঙ্গে সংযোগ বন্ধ হয়ে যায় খালটির। এরপর থেকে খালে আর জোয়ারের পানি প্রবেশ করেনি।

তাছাড়া প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অবৈধভাবে দখল হতে থাকে খালের পাড়। শহরের বিভিন্ন স্থানের ময়লা আবর্জনা ফেলতে থাকায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ছিল খাল পাড়ের মানুষের জীবন। তাই স্থানীয়রা দীর্ঘ দিন ধরে খালটির সংস্কার চাইছিলেন।

জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়রকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ইলিয়াস হক বলেন, ‘এই খালটিকে ঘিরে শহরের মানুষের দীর্ঘদিনের আশার প্রতিফলন হলো। ৫০ বছর আগে খালটি সচল ছিল। প্রায় দুই দশক ধরে এই খালটি ময়লা আর্বজনার স্তুপে পরিণত হয়। শহরের সমস্ত ময়লা পানি এই খালে এসে পড়ে দুর্গন্ধ ছড়াত। এতো বছর পরে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ায় খালটি প্রাণ ফিরে পেয়েছে।’

৫০ বছর পর জোয়ার বৈরাগীতে

দীর্ঘ বছর পর উন্মুক্ত হওয়া এই খালটি যেন পুনরায় অবৈধ দখলদারদের দৌরাত্মের শিকার না হয় সেদিকে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়জুর রহমান বলেন, ‘পাঁচ কিলোমিটার দৈর্ঘের খালটি সংস্কার করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কাজে সহযোগিতা করেছেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা ও পৌরসভা মেয়র। ঠিকমতো রক্ষনাবেশন করলে এলাকাবাসী দীর্ঘ দিন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।’

জেলা প্রশাসক সাহিদা সুলতানা জানান, ‘দুর্গন্ধে বৈরাগীর খালের পাশ দিয়ে যাতায়াত করা খুব কষ্টকর ছিল। জনগনের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে খালটি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কারের পর খালে নতুন পানি ডুকেছে। সকাল বিকেল জোয়ার-ভাটার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ দূর হয়েছে। এ ছাড়া খালটি পুনরায় দখল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন

রাজশাহী মেডিক্যালে ৩ দিনে ৫২ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে ৩ দিনে ৫২ মৃত্যু

ফাইল ছবি

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪৭ রোগী। এ সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩০ জন। এখন সেখানে ৫১৩ শয্যার বিপরীতে ভর্তি আছেন ৩৯২ রোগী।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক দিনে করোনা শনাক্ত ৭ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়ে মারা গেছেন ১১ জন। এ ছাড়া করোনামুক্ত হয়েও পরবর্তী জটিলতায় ১ রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

মৃতের এই হিসাব রেকর্ড করা হয়েছে সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টার মধ্যে।

তথ্যগুলো জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী।

তিনি জানান, এ নিয়ে গত তিন দিনে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২০ জন ও উপসর্গ নিয়ে ২৬ জন মারা গেছেন। আর করোনামুক্ত হয়েও পরবর্তী স্বাস্থ্য জটিলতায় চিকিৎসাধীন ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এ তিন দিনে।

হাসপাতাল পরিচালক জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪৭ রোগী। এ সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩০ জন। এখন সেখানে ৫১৩ শয্যার বিপরীতে ভর্তি আছেন ৩৯২ রোগী।

তিনি আরও জানান, ভর্তি রোগীদের মধ্যে ১৭৩ জন করোনা পজেটিভ। আর করোনা-পরবর্তী জটিলতায় চিকিৎসাধীন ৭২ জন।

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন

১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম

১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম শহরের নির্মাঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবীদ শেখ হারুনর রশীদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অতিভারী বৃষ্টিপাতে দ্রুত পানি যেতে না পেরে কিছু কিছু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া বৃষ্টিপাতের সঙ্গে জোয়ারের পানি যোগ হয়ে শহরে ঢুকে পড়েছে। একই সঙ্গে রয়েছে পাহাড় ধসের শঙ্কাও।’

চট্টগ্রাম শহরের নির্মাঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টিপাতে ফের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস মঙ্গলবার সকাল নয়টা পর্যন্ত ১৭৫ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে।

এর আগে অতিভারী বৃষ্টিপাতে সোমবার দিবাগত রাত তিনটা থেকে নগরীর দুই নম্বর গেইট, মুরাদপুর, সিডিএ, আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়াসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা।

নগরীর টেকনিক্যাল এলাকার বাসিন্দা ইভা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি জিইসির মোড় মেডিক্যাল সেন্টারে যাচ্ছি মায়ের একটা রিপোর্ট আনতে। দুই নম্বর গেইট ও জিইসিতে পানি থাকায় রিকশাচালক ভাড়া দাবি করছেন দেড়শ টাকা। অথচ এটা ৪০ থেকে ৫০ টাকার ভাড়া।’

অক্সিজেন এলাকার বাসিন্দা আবু তৈয়ব নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি চকবাজার কাঁচাবাজার এলাকার একটি পোষাক কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করি। ওই দিকে নাকি পানি উঠছে। কিভাবে অফিসে ঢুকবো তা চিন্তা করতেছি।’

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবীদ শেখ হারুনর রশীদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৭৫ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতিভারী বৃষ্টিপাতে দ্রুত পানি যেতে না পেরে কিছু কিছু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া বৃষ্টিপাতের সঙ্গে জোয়ারের পানি যোগ হয়ে শহরে ঢুকে পড়েছে। একই সঙ্গে রয়েছে পাহাড় ধসের শঙ্কাও।’

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৭, উপসর্গে ১২ মৃত্যু

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৭, উপসর্গে ১২ মৃত্যু

ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস জানান, এক দিনে বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৪০ জনের। এর মধ্যে বরিশালের আছেন ২৪৫ জন, পটুয়াখালীর ১৭৯, ভোলার ১৬৫, পি‌রোজপু‌রের ৬৩, বরগুনার ৪৬ ও ঝালকা‌ঠি‌র ৪২ জন।

করোনা ও উপসর্গ নিয়ে বরিশাল বিভাগে এক দিনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জন ছিলেন করোনা পজিটিভ।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ১৪ জনই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন।

এই তথ্যগুলো জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, এক দিনে বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৪০ জনের। এর মধ্যে বরিশালের আছেন ২৪৫ জন, পটুয়াখালীর ১৭৯, ভোলার ১৬৫, পি‌রোজপু‌রের ৬৩, বরগুনার ৪৬ ও ঝালকা‌ঠি‌র ৪২ জন।

এ নিয়ে বিভা‌গে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ৩৫ হাজার ৩৬৭। এর মধ্যে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৯৪ জনের।

তিনি আরও জানান, উপসর্গসহ হিসাব করলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে। শুধু শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটেই এখন পর্যন্ত ১১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন

ধর্ষণ মামলায় সৎবাবা কারাগারে

ধর্ষণ মামলায় সৎবাবা কারাগারে

প্রতীকী ছবি

মামলায় বলা হয়, কিশোরীর মা প্রায় ১০ বছর আগে ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। গত ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের বিষয়টি মাকে জানালে মামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ অভিযোগে সৎবাবাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হয়। তাকে মঙ্গলবার সকালে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের।

মামলায় বলা হয়, কিশোরীর মা প্রায় ১০ বছর আগে ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। গত ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।

সবশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর বিষয়টি মাকে জানায় ওই কিশোরী। তার মা বাদী হয়ে সোমবার সকালে চকরিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বিষয়টি আদালতে জবানবন্দি দেয় কিশোরী।
আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ১৭ মৃত্যু, সুস্থ ৫২

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ১৭ মৃত্যু, সুস্থ ৫২

ফাইল ছবি

জেলা সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম জানান, জেলায় রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৯৫।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে উপসর্গ নিয়েই মারা গেছেন ১১ জন। করোনা শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন করোনা ইউনিটের মুখপাত্র আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মহিউদ্দিন খান মুন।

তিনি জানান, এই ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে ৮৮ জনকে। আর ৫২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ওই ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৫৫১ জন, যার মধ্যে ২২ জন আছেন আইসিইউতে।

সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম জানান, জেলায় সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৯৫।

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন

আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে বাধা, ৩ ভাইয়ের কারাদণ্ড

আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে বাধা, ৩ ভাইয়ের কারাদণ্ড

শেরপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগে চার জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের তিনটি ঘরের জমি নিজের দাবি করে চার ব্যক্তি তাতে ঘর নির্মাণে বাধা দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ইউএনও তাদের কারাদণ্ড দেন। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ওই জমি এরই মধ্যে ভূমিহীন তিনজনের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়া। তা নিজের দাবি করার সুযোগ নেই।

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগে তিন ভাইসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেলেনা পারভীন সোমবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের সাজা দেন।

দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন কোন্নগর গ্রামের লিয়াকত আলী, তার ভাই এমতাজ আলী ও আবদুর রাজ্জাক এবং একই গ্রামের বকুল হোসেন। এদের মধ্যে লিয়াকত, এমতাজ ও বকুলকে দুই মাসের এবং রাজ্জাককে ২৮ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবদুল হান্নান জানান, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের উত্তর কোন্নগরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেয়া ঘরের ৬৩টির মধ্যে ৬০টির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। অন্য তিনটির ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

সেই ঘরের জমি নিজেদের দাবি করে লিয়াকত, এমতাজ, রাজ্জাক ও বকুল আদালতে মামলা করেন। তারা ওই জমিতে ঘর নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জমির কাগজপত্র জমা দেয়া হলে আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন আমলে নেয়নি।

পিআইও হান্নান বলেন, সোমবার বিকেলে ওই তিন ঘরের চালা নির্মাণের জন্য পিআইও কার্যালয় থেকে কাঠ ও টিন পাঠানো হয়। এ সময় ওই চার ব্যক্তি কাজে বাধা দেন। বিষয়টি তখন ইউএনওকে জানানো হয়।

ইউএনও হেলেনা পারভীন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা বিশ্বাস আনসার সদস্যদের নিয়ে সেখানে যান বিকেলে। ওই চারজন তাদেরও বলেন, এই জমিতে ঘর তুলতে দেবেন না।

পিআইও হান্নান জানান, রাত পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে ওই চারজন তর্ক চালিয়ে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় অভিযোগ তুলে তাদের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা বিশ্বাস জানান, যে জমি নিয়ে তর্ক, সেটি এরই মধ্যে ভূমিহীন তিনজনের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে। জমির দলিল রেজিস্ট্রিও করে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ওই চারজন কিংবা তাদের পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল রাতে নিউজবাংলাকে জানান, দণ্ড পাওয়া চারজনকে থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাদের শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন:
‘ভুল চিকিৎসায়’ মৃত্যু : পাল্টা অভিযোগে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা
‌জোর করে গর্ভপাতের চেষ্টা, সেই নারীর সন্তান নষ্ট
ইসলামী হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা: বিএমএর পাল্টা অভিযোগ
হার্নিয়া বাম পাশে, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাটল ডান পাশ

শেয়ার করুন