পরীক্ষার দাবিতে দুই জেলায় রাস্তায় শিক্ষার্থীরা

বরিশালে ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

পরীক্ষার দাবিতে দুই জেলায় রাস্তায় শিক্ষার্থীরা

বিএম কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম কিবরিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি সমাধানের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কথা বলব।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্থগিত পরীক্ষা দ্রুত নেয়ার দাবিতে বরিশাল ও মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বরিশালে ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে অনার্স চতুর্থ বর্ষের মৌখিক ও ব্যবহারিক এবং মাস্টার্সের ফাইনালসহ সব পরীক্ষা দ্রুত নেয়ার দাবিতে রোববার বেলা সোয়া ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো. অনিক নিউজবাংলাকে জানান, তারা ২০১৯ সালে চতুর্থ বর্ষে ওঠেন। করোনার কারণে অনেক পিছিয়ে গেছেন। ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা না হওয়ায় কোথাও চাকরির আবেদন করতে পারছেন না।

শিক্ষার্থীরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

সড়ক অবরোধ থাকায় বিপাকে পড়ে সাধারণ মানুষ। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর অবরোধ তুলে নিয়ে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।

নূর নিরব নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এর মধ্যে দাবি মানা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।’

বিএম কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম কিবরিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি সমাধানের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কথা বলব।’

মৌলভীবাজারে প্রেস ক্লাবের সামনে রোববার দুপুরে তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবিগুলো হলো স্থগিত সব পরীক্ষা দ্রুত নেয়া, শিক্ষার্থীদের বেতন-ফি মওকুফ এবং হল ও মেস ভাড়া মওকুফ করে দেয়া।

মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘দেশে সব মিলিয়ে পৌনে ছয় কোটি শিক্ষার্থী আছে। তার মধ্যে অর্ধেক শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। আমাদের পরীক্ষা স্থগিত করে দেয়ায় আমরা মারাত্মক সেশনজটে ভুগছি।’

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দাবি মানা না হলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

‘অপহরণ হওয়া’ আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

পিবিআই জানায়, গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। 

সিরাজগঞ্জ সদরে তিন মাস পর অপহৃত এক ব্যক্তিকে বহালতবিয়তে কারখানায় কর্মরত অবস্থায় পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, আগের কর্মস্থলের মালিককে ফাঁসাতে ওই ব্যক্তি অপহরণের নাটক করেছিলেন। অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ওই মালিক এখন জেল খাটছেন।

‘অপহৃত’ আতিকুল ইসলামকে বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের ভুলতা এলাকার এন জেড টেক্সটাইল নামের একটি পোশাক কারখানা থেকে আটক করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে পিবিআই কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, আতিকুল ইসলামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে। প্রায় ৯ মাস আগে লিলি মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি মার্কটিং অফিসার হিসেবে কাজ করতেন। সে সময় মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।

পরে জান্নাতুল মার্কেটিং কোম্পানি নামের দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন আতিক। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি জানতে পেরে লিলি মার্কেটিং কোম্পানির মালিক মো. সোহাগ আতিককে ফোন করেন। ফোনে এ নিয়ে তাদের তর্কাতর্কি হয়।

সেই ফোন রেকর্ড ব্যবহার করে সোহাগকে ফাঁসাতে পরিকল্পনা করেন আতিক। সে মোতাবেক পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে তিনি আত্মগোপনে যান।

জেলা পিবিআইয়ের এসপি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। পরে তারা বিষয়টি পিবিআইকে জানালে, কর্মকর্তারা তা আমলে নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আতিকের অবস্থান শনাক্ত করেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতার ওই কারখানায় কর্মরত অবস্থায় আতিককে আটক করে সিরাজগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে পিবিআই।

এসপি রেজাউল আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগকে ফাঁসাতে অপহরণ নাটকের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে স্বীকারও করেছেন আতিক।

রেজাউল বলেন, ‘অপহরণের নাটক সাজানো ও একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে জেলে রাখার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, বিনা দোষে কারাগারে থাকা সোহাগের ব্যাপারেও আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন

শিশুছাত্র মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

শিশুছাত্র মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সেই মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামে কওমি মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে পেটানো সেই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি আলমগীর জানান, নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ নেই। তবে শিশু আইনে যে কেউ বাদী হতে পারে। ফলে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

কুড়িগ্রামে নির্ধারিত বাড়ির কাজ জমা না দেয়ার অপরাধে কওমি মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে পেটানো সেই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বাদী হয়ে ২০১৩ সালের শিশু আইনের ৭০ ধারায় একটি মামলা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠায়।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক আবু সাইদ পাথরডুবি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ঢেবঢেবি বাজারে কিসমত-কুলসুম কওমি নুরানি ও হাফেজি মাদ্রাসার লাম নামের সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

পরে অভিযুক্ত শিক্ষক সাইদকে বুধবার গভীর রাতে উপজেলা সদরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের রাস্তা থেকে আটক করা হয়।

ওসি আরও জানান, নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ নেই। তবে শিশু আইনে যে কেউ বাদী হতে পারে। ফলে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

১৯ এপ্রিল ওই শিক্ষক মাদ্রাসার দ্বিতীয় জামাতে সাত বছরের শিক্ষার্থী লামকে বেদম মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও দেখে ওই শিক্ষার্থীর বাবা পাথরডুবী বাজারের বাসিন্দা মোতালেব হোসেন জানতে পারেন তার সন্তানকে এ রকম নির্যাতন করা হয়েছে। ওই দিন বিকেলেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মাদ্রাসায় একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কার করে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন

হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারী গ্রেপ্তার

হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারী গ্রেপ্তার

১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

রাত ২টার দিকে মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস নিয়ে যওয়ার সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে তাদের নামে মামলা দেয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের শরণখোলায় ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সোনাতলা গ্রাম থেকে বুধবার রাত ২টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শরণখোলা উপজেলার বকুলতলা গ্রামের আলীরাজ হোসেন ও রেজাউল হাওলাদার।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সুন্দরবন সংলগ্ন সোনাতলা গ্রামের পিলের রাস্তায় অবস্থান নেয়।

রাত ২টার দিকে ওই দুই পাচারকারী বিক্রির জন্য মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস নিয়ে যওয়ার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। থানায় নিয়ে তাদের নামে মামলা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন

নড়াইলে পুলিশের অস্ত্র লুট

নড়াইলে পুলিশের অস্ত্র লুট

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে লুটিয়া-কুমড়ি এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষ থেকে হামলা হয় পুলিশের ওপর। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

নড়াইলে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুটের ঘটনায় দুই জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্রটিও।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।

এর আগে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে লুটিয়া-কুমড়ি এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষ থেকে হামলা হয় পুলিশের ওপর। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

বিস্তারিত আসছে....

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন

জিকে খালে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

জিকে খালে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

জিকে খাল থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় ব্যবসায়ী মারফত আফ্রিদি বলেন, ‘বুধবার রাতে মাতাল অবস্থায় একবার পড়ে গিযেছিল জাহিদুল। তখন তার হাত ভেঙে গিযেছিল বলে শুনতে পাই। ধারণা করা হচ্ছে রাতে অসাবধানতায় জিকে খালে পড়ে মৃত্যু হয় তার।’

কুষ্টিয়ার মিরপুরে গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের খাল থেকে এক যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সুলতানপুর এলাকার জিকে খাল থেকে সকালে মো. জাহিদুল নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জাহিদুলের বাড়ি সুলতানপুর গ্রামে। তিনি মিরপুর পৌরসভা পার্কের কর্মী ছিলেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মারফত আফ্রিদি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার রাতে মাতাল অবস্থায় পড়ে গিয়ে জাহিদুলের হাত ভেঙ্গে যায় বলে শুনতে পেয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে রাতে অসাবধানতায় জিকে খালে পড়ে মৃত্যু হয় তার।’

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি খালে মাছ ধরতে গিয়ে জাহিদুলের মরদেহ দেখতে পান।পরে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, কী কারণে বা কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পেয়ে বলা সম্ভব নয়। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন

আমবাগানের চাপে কমছে ধানের জমি

আমবাগানের চাপে কমছে ধানের জমি

আমবাগানের কারণে ধানের জমি কমে যাওয়ায় প্রান্তিক চাষি ও কৃষিশ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। ছবি: নিউজবাংলা

১০ বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ধানি জমি কমেছে অন্তত ৭ হাজার হেক্টর। এতে ধান চাষের সঙ্গে যুক্ত প্রান্তিক চাষি ও শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন।

ধানসহ বিভিন্ন ফসল চাষে সরাসরি যুক্ত থাকেন প্রান্তিক কৃষক ও শ্রমিকরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনেক জমিতেই কৃষক তিন বা চারবার ফসল ফলান। কিন্তু জেলায় ধান চাষের জমির পরিমাণ ক্রমশ কমছে। এতে প্রান্তিক কৃষক, বর্গাচাষি ও শ্রমিকদের কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকি দিন দিন বেড়ে চলছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধান চাষের জমি কমেছে অন্তত ৭ হাজার হেক্টর।

কয়েক বছর ধরে জেলায় ধানের জমিতে আমবাগান করার হিড়িক চলছে। এমনকি ধান উৎপাদনের জন্য পরিচিত বরেন্দ্র এলাকাতেও বাড়ছে আমসহ বিভিন্ন ফলের বাগান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কিছু উদ্যোক্তা মালিকের কাছ থেকে ১৫-২০ বছরের জন্য জমি ইজারা নিয়ে আমসহ বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে তুলছেন। প্রতিবছর বিঘাপ্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে মালিকের কাছ থেকে জমি ইজারা নেয়া হয়। এতে মূল জমির মালিক খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও কর্মহীন হয়ে পড়ছেন বর্গাচাষি বা প্রান্তিক কৃষক পরিবার।

সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের টকটকা এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি ইজারার মাধ্যমে আমবাগান গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় বাধা দেন ওই এলাকার বর্গাচাষিরা। এ নিয়ে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন।

টকটকা এলাকার বর্গাচাষি সাদিকুল ইসলাম কর্মহীন হওয়ার পথে। তিনি যে জমিতে কাজ করতেন, সেটিও লিজ দিয়ে দিয়েছেন মালিক।

Chapai Sadikul

সাদিকুল বলেন, ‘আজ ১৫ বছর থ্যাকা হ্যামি (আমি) জমিটা করতাম। এখন হ্যামার প্যাটে ল্যাথ ম্যারা জমিট্যা লিয়্যা লিবে। হ্যামি কী কইর‌্যা খাব?

‘হ্যামি জোরদারের (জমির মালিক) হাত ধরলাম, পা ধরলাম। কিছুই হইল না। কষ্টে হামার অন্তর ফ্যাটা যাছে।’

আরেক বর্গাচাষি ধীরেন টুডু বলেন, ‘আগে এসব জাগায় বাগান ছিল না। এখন যেখানে আবাদ করব, সেই সব জমিতেও বাগান করার ল্যাগা লোক ঘুরছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাগান

বাংলাদেশ কৃষক সমিতির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রান্তিক কৃষকের দুরবস্থা যে হবে, এটা আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। তাদের চাষের জমি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়ে প্রান্তিক কৃষক দিন দিন বেকার হয়ে যাচ্ছে। এ সংকট থেকে বাঁচতে হলে কৃষক সমবায় সমিতির মাধ্যমে বিআরডিবিকে (বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড) আবারও সচল করতে হবে।

‘বঙ্গবন্ধু কৃষিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি প্রান্তিক কৃষকের স্বার্থরক্ষার কথা বলেছেন। আমরা মনে করি, লিজের মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানি বা এক ব্যক্তির কাছে জমি চলে যাওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকারিভাবে বিআরডিবির মাধ্যমে জমির সঠিক বণ্টন হোক, সেখানে কাজের সুযোগ পাবে বর্গাচাষিরা।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ইদানীং দেখা যাচ্ছে, আমাদের উর্বর জমির ধরন চেঞ্জ হচ্ছে। এটা এখন আমাদের জন্য খারাপ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আছে যে, যেগুলো উর্বর জমি, সেখানে কলকারখানা, রাস্তাঘাট, বাড়িঘর করা যাবে না বা ধরন চেঞ্জ করা যাবে না।

‘তারপরও কিন্তু এটা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত প্রশাসন ও আমরা সজাগ আছি, যাতে জমির ধরন চেঞ্জ না হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষককে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি, দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি করাসহ উৎপাদন বৃদ্ধির নানা পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছি। এর মাঝে যদি জমির ধরন পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে এলাকার ভারসাম্য নষ্ট হবে।

‘বিশেষ করে উদ্বৃত্ত খাদ্যের জেলা হিসেবে এটির যে পরিচিতি, সেটাও অন্যদিকে যেতে পারে। তাই ফসলি জমির ধরন যাতে পরিবর্তন না হয়, সেদিকে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’

ধানের জমিতে আমবাগান বা ধরন পরিবর্তনের বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, সাময়িক লাভের চিন্তা না করে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে হবে। ধান চাষ করতেই হবে। ধরন পরিবর্তন হলে বর্গাচাষিরা অসহায় হয়ে পড়বে। তাদের বিষয়ও ভাবতে হবে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন

নিজ বাড়ির চেয়ারে মাদক মামলার আসামির মরদেহ

নিজ বাড়ির চেয়ারে মাদক মামলার আসামির মরদেহ

নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ মিজানুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি জানান, মিজানুরের বিরুদ্ধে ১৬টি ও রুপার বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা আছে। মাদক ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কোনো কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নীলফামারীর ডোমারে নিজ বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ডোমার উপজেলা সদরের ছোট রাউতা কাজীপাড়া থেকে বুধবার রাত আটটার দিকে মিজানুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় একই এলাকার আবু তালেবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডোমার থানায় নেয়া হয়েছে।

মিজানুরের স্ত্রী শাহিদা বেগম রুপা নিউজবাংলাকে জানান, চিকিৎসার জন্য তিনি মেয়েকে নিয়ে বুধবার সকালে রংপুর যান। সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফিরে স্বামীকে চেয়ার বসা অবস্থায় অচেতন পান। এরপর পুলিশকে খবর দেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, মিজানুরের বিরুদ্ধে ১৬টি ও রুপার বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা আছে। মাদক ব্যবসা সংশ্লিষ্ট কোনো কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বুধবার রাতেই মিজানুরের স্ত্রী অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ বরিশাল ও মাদারীপুরে
২২ জুন থেকে চবিতে ভর্তি পরীক্ষা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
ভর্তিতে জালিয়াতি: আজীবন বহিষ্কৃত হচ্ছে ঢাবির আরও সাত শিক্ষার্থী
রাবি ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ৭ মার্চ

শেয়ার করুন