ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার

ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আশাশুনির শ্রীপুর লঞ্চ ঘাটের বিপরীতে খুলনার কয়রা এলাকায় কপোতাক্ষ নদে ভাসমান অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত শ্রমিকের নাম বাবুরালি সরদার। তিনি আশাশুনি উপজেলার কাপষণ্ডা গ্রামের মুনজিল সরদারের ছেলে।

সাতক্ষীরার আশাশুনির কপোতাক্ষ নদে ট্রলার ডুবির ৫৪ ঘণ্টা পর নিখোঁজ এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস এণ্ড সিভিল ডিফিন্সের ডুবুরি দল।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আশাশুনির শ্রীপুর লঞ্চ ঘাটের বিপরীতে খুলনার কয়রা এলাকায় কপোতাক্ষ নদে ভাসমান অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত শ্রমিকের নাম বাবুরালি সরদার। তিনি আশাশুনি উপজেলার কাপষণ্ডা গ্রামের মুনজিল সরদারের ছেলে।

কাপষণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা ও বাবুরালি সরদারের ছেলে সোহাগ হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার সকালে আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহনিয়া লঞ্চঘাট থেকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ভাঙা নামকস্থানে বালি ফেলার জন্য শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়ার সময় কপোতাক্ষের প্রবল স্রোতে লঞ্চচালক আব্দুস সাত্তারসহ ১৩ শ্রমিক পানিতে তলিয়ে যায়।

১০ জন শ্রমিক ও ট্রলার চালককে উদ্ধার করা গেলেও সোহাগের বাবা বাবুরালি, পুঁইজালা গ্রামের আব্দুল আজিজ ও বকচরা গ্রামের শফিকুল ইসলাম কপোতাক্ষে ডুবে যায়। এরপরই তাদেরকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস এণ্ড সিভিল ডিফিন্সের ডুবুরি দল।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আশাশুনির শ্রীপুর লঞ্চ ঘাটের বিপরীতে খুলনা জেলার কয়রা এলাকার কাছ থেকে বাবুরালি সরদারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস এণ্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারি পরিচালক তারেক হাসান ভুঁইয়া নিখোঁজ শ্রমিক বাবুরালীর মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অপর দু’জনের মৃতদেহ সন্ধানে অভিযান চলছে।

শেয়ার করুন