× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

সারা দেশ
ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন
hear-news
player
google_news print-icon

ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

ডোপ-টেস্ট-কার্যক্রমের-উদ্বোধন
উদ্বোধন শেষে বিকেলে মাদকমুক্ত নগরী গড়তে ১৫ ব্যক্তির ডোপ টেষ্ট করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজনের পজিটিভ পাওয়া যায়। তবে প্রথম দিন নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ক্ষমা চাওয়ায় ও মাদক সেবন না করার শর্তে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

ময়মনসিংহে মাদকাসক্ত শনাক্তকরণে ভ্রাম্যমাণ ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে ।

জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে রোববার বিকেলে নগরীর শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন উদ্যানে বেলুন উড়িয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খুরশিদ আলম, রেঞ্জ কার্যালয়ের পুলিশ সুপার বাছির উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার শাহজাহান মিয়া, ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি শংকর সাহাসহ, জেলা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উদ্বোধন শেষে বিকেলে মাদকমুক্ত নগরী গড়তে ১৫ ব্যক্তির ডোপ টেষ্ট করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজনের পজিটিভ পাওয়া যায়। তবে প্রথম দিন নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ক্ষমা চাওয়ায় ও মাদক সেবন না করার শর্তে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান জানান, মাদক কেনাবেচা হয় এমন এলাকায় এখন থেকে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদকসেবী নির্ণয় করা হবে এবং ঘটনাস্থলেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আইন অনুসারে বিচার করবেন।

তিনি আরও জানান, মাদকদ্রব্য গ্রহণে মানুষকে নিরুৎসাহিত ও প্রতিরোধ করতে জেলাজুড়ে এ কার্যক্রম চালানো হবে। এই টেষ্টে পজিটিভ হলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে সমাজে সচেতনতা তৈরি হবে এবং আমরা মাদকমুক্ত ময়মনসিংহ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।

জেলাব্যাপী এ কার্যক্রমে সহযোগিতায় থাকছে র‌্যাব-১৪, জেলা পুলিশ ও ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

সারা দেশ
86 gold bars were recovered from underground

মাটির নিচ থেকে ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

মাটির নিচ থেকে ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার উদ্ধার করা বারগুলোর সম্মিলিত ওজন প্রায় ১১ কেজি ৩৯০ গ্রাম। ছবি: নিউজবাংলা
৫৮ বিজিবি মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সিও লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, স্বর্ণ উদ্ধার করা হলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর সীমান্ত থেকে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। বারগুলোর সম্মিলিত ওজন ১১ কেজি ৩৯০ গ্রাম।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার যাদবপুর গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে এসব বার উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলাবার রাতে ৫৮ বিজিবি মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সিও লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যাদবপুর গ্রামের ওই কলাবাগানে স্বর্ণের বারগুলো মাটিতে পুঁতে রাখা আছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে কসটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় মাটির নিচ থেকে ৮৬টি বার বের করে আনা হয়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মুল্যে প্রায় ৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। এগুলো অবৈধভাবে ভারতে পাচারের জন্য পুঁতে রাখা হয়েছিল।

স্বর্ণ উদ্ধার করা হলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণ চোরাচালান: তিন ভারতীয়সহ আটক ১২
শাহজাদপুর সীমান্তে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার
স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল, ভরি ৮৪২১৪ টাকা
স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ২৩৩৩ টাকা
বিমানের সিটে ৬ কেজি স্বর্ণ

মন্তব্য

সারা দেশ
Killing on border BSF returns melted body after 17 days

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের ভারত সীমান্তে পড়ে থাকা বাংলাদেশী কৃষকের মরদেহ নিতে আসেন স্ত্রী-সন্তানরা। ছবি: নিউজবাংলা
স্ত্রী মরিয়ম গলিত মরদেহ দেখে বলেন, ‘লাশ দেখে চেনা যাচ্ছে না এটা কে? তারা লাশের সঙ্গেও অমানবিক আচরণ করেছে। লাশটা ঠিকমতো সংরক্ষণ করেনি। আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

ফেনীর পরশুরামে সীমান্তের ওপারে পড়ে থাকা বাংলাদেশী কৃষকের মরদেহ ১৭ দিন পর গলিত অবস্থায় ফেরত দিয়েছে সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ।

বিলোনিয়া ইমিগ্রেশনে চেকপোস্ট দিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিজিবি ও পুলিশের কাছে কৃষক মেজবাহার উদ্দিনের লাশ হস্তান্তর করে ভারতীয় বাহিনীটি।

ফেনীর পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম এসব নিশ্চিত করেছেন।

মেজবাহর বাঁশপদুয়া উত্তরপাড়ার মফিজুর রহমানের ছেলে। গত ১৩ নভেম্বর বাঁশপদুয়া এলাকা থেকে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ তার স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের।

তিনি এর আগে জানিয়েছিলেন, সেদিন বিকেলে সীমান্ত এলাকায় যান মেজবাহার। সেখানে বিএসএফের সদস্যরা তাকে আটক ও মারধর করে বলে স্থানীয় লোকজন দেখতে পান। কিছুক্ষণ পর গুলির আওয়াজ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে মরিয়ম ও তার পরিচিতরা সেখানে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে মেজবাহরকে পাননি। এর তিন দিন পর সকালে গিয়ে কাঁটাতারের ওপারে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

মরদেহ বুঝে নিতে মঙ্গলবার সীমান্তে আসেন মেজবাহারের স্ত্রী, তিন মেয়েসহ অন্য স্বজনরা।

স্ত্রী মরিয়ম গলিত মরদেহ দেখে বলেন, ‘লাশ দেখে চেনা যাচ্ছে না এটা কে? তারা লাশের সঙ্গেও অমানবিক আচরণ করেছে। লাশটা ঠিকমতো সংরক্ষণ করেনি। আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের

লাশ হস্তান্তর করতে আসেন সেদেশের ত্রিপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিতোষ দাস। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দেননি তিনি।

পরিতোষ জানান, লাশের মাথায় আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে বিএসএফের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ভারতীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরশুরাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা লাশ গ্রহণ করেছি। ভারত লাশ উদ্ধারের সময় সেটি নষ্ট হয়ে যায়। যদি মেজবাহারের পরিবার ডিএনএ করার আবেদন করে, তাহলে রাষ্ট্র সেটি করবে।’

পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সাজেল বলেন, ‘নিহত মেজবাহারের পরিবার অত্যন্ত গরীব। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা করা উচিত। এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হওয়া উচিত।’

আরও পড়ুন:
সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল শিগগিরই
বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে
নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ
মৃত মায়ের মুখ মেয়েকে দেখতে দিল বিজিবি-বিএসএফ
শূন্যরেখায় বাংলাদেশি যুুবকের গলিত মরদেহ

মন্তব্য

সারা দেশ
Bangladesh will also go to World Cup football

‘বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশও যাবে’

‘বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশও যাবে’ ডিমলায় মঙ্গলবার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল। ছবি: নিউজবাংলা
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল বলেন, ‘এরই মধ্যে দেশের অধিকাংশ উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে। বাকিগুলোতে প্রক্রিয়াধীন। প্রাইমারি ও উচ্চ বিদ্যালয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা চলছে ফুটবলের উন্নয়নে। আশাকরি, আমাদের দেশও বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করবে।’

বাংলাদেশ ফুটবল দলও আগামীতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল।

নীলফামারীর ডিমলায় মঙ্গলবার বিকেলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল ভালোবাসে। বিশ্বকাপ এলেই বিভিন্ন দেশের সমর্থক বনে যায়। আমাদের দেশের ক্রিকেট খেলোয়াররা ভালো করলেও মানুষ বেশি ভালোবাসে ফুটবল খেলা।’

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে দেশের অধিকাংশ উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে। বাকিগুলোতে প্রক্রিয়াধীন। প্রাইমারি ও উচ্চ বিদ্যালয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা চলছে ফুটবলের উন্নয়নে। আশাকরি, আমাদের দেশও বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করবে।’

নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার, যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন, ডিমলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনারুল হক মিন্টু সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ি হ্যালিপ্যাড মাঠে ৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় নির্মিত হচ্ছে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম।

আরও পড়ুন:
কথা না শুনলে ইরানি ফুটবলারদের পরিবার পড়বে বিপদে
ইরান-আমেরিকা ‘মহারণ’ কাতারে
ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ
পোল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে আসছে একাধিক বদল
মেসির সমর্থনে আগুয়েরো-ফাব্রেগাস

মন্তব্য

সারা দেশ
Awami League is not a runaway party Sheikh Selim

আওয়ামী লীগ পা‌লি‌য়ে যাওয়া দল না: শেখ সে‌লিম

আওয়ামী লীগ পা‌লি‌য়ে যাওয়া দল না: শেখ সে‌লিম কা‌শিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বা‌র্ষিক সম্মেলনে প্রধান অ‌তি‌থি হিসেবে বক্তব্য দেন শেখ সেলিম। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ১০ ডিসেম্বরের কথা উল্লেখ করে শেখ সেলিম বলেন, ‘১০ তা‌রিখে নাকি ওরা উল্টায়-পাল্টায় দেবে। ঢাকায় ২৫ লাখ লোকের সমাগম ঘটাবে। তারা ২৫০০ লোকের সমাগম করতে পারে না।’

আওয়ামী লী‌গের প্রেসি‌ডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল ক‌রিম সে‌লিম এম‌পি বলেছেন, বিএন‌পি কোনো দল না। ওরা হলো ক্ষণিকের দল। বিএন‌পি হলো ষড়যন্ত্রকারী। ওরা খু‌নির দল। ওরা পাকিস্তানের দালাল। আর আওয়ামী লীগের শ‌ক্তি হলো এ দেশের মানুষ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ।

মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগ‌ঞ্জের কা‌শিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বা‌র্ষিক সম্মেলনে প্রধান অ‌তি‌থির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেখ সেলিম।

তিনি বলেন, ‘জিয়া আর মোস্তাক ছি‌ল পাকিস্তানের এজেন্ট। ৭১-এ পা‌কিস্তান বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার সাহস পায়‌নি। জিয়া-‌মোস্তাক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ওরা আমাদের স্বাধীনতা, মু‌ক্তি‌যুদ্ধ ও গণতন্ত্রকে ‌হত্যা করেছে। জিয়া মরে গিয়ে বেঁচে গেছে। সে বেঁচে থাকলে তারও বিচার হতো। তাকেও ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হতো। মৃত ব্যক্তির বিচার হয় না, তাই তি‌নি মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন।’

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গণতন্ত্র আছে উল্লেখ করে শেখ সে‌লিম বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেমন নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেই রকম নির্বাচন হবে। কোনো অনির্বাচিত লোকের কাছে ক্ষমতা দেয়া হবে না। আর আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাওয়া দল না।’

আগামী ১০ ডিসেম্বরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১০ তা‌রিখে নাকি ওরা উল্টায়-পাল্টায় দেবে। ঢাকায় ২৫ লাখ লোকের সমাগম ঘটাবে। তারা ২৫০০ লোকের সমাগম করতে পারে না।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের অপর প্রেসি‌ডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান এম‌পি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ হবে। আমরা য‌দি সবাই মিলে কাজ ক‌রি ২০৩০ এর মধ্যে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ হবে। কিন্তু যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তারা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

তি‌নি আরও বলেন, ‘নির্বাচন আসলে বিএনপি নির্বাচন নি‌য়ে ষড়যন্ত্র করে। তাই ভোটকেন্দ্র পর্যায়ে আমাদের সংগ‌ঠিত থাকতে হবে। যাতে ওরা ভোট নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করতে না পারে।’

কা‌শিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপ‌তি মো. মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক মির্জা আজম এম‌পি, এসএম কামাল হোসেন, সংর‌ক্ষিত নারী আসনের এম‌পি না‌র্গিস রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খানও বক্তব্য রা‌খেন। সঞ্চালণায় ছিলেন, উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম।

সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে মো. মোক্তার হোসেনকে সভাপ‌তি ও কাজী জাহাঙ্গীর আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন ক‌মি‌টি ঘোষণা করেন শেখ ফজলুল ক‌রিম সে‌লিম।

এর আগে সকাল থে‌কে কা‌শিয়ানী উপ‌জেলা প‌রিষদ মাঠের সম্মেলনস্থলে বি‌ভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থে‌কে নেতা-কর্মীরা মি‌ছিল নিয়ে আসেন। সম্মেলন শুরুর আগেই মাঠ কানায়-কানায় ভরে যায়। নেতা-কর্মীরা আশপা‌শের সড়কেও অবস্থান নেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগের সম্মেলনে টোকাই কোত্থেকে আনছেন, স্বপনের প্রশ্ন
‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াই ভোটে আসবে বিএনপি: কাদের
পিরোজপুরে ৭ বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন
তাজউদ্দীনকন্যা রিমি আ.লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য

মন্তব্য

সারা দেশ
On the way to the court the witness was beaten by the accused

আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত

আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
ওসি জানান, সকালে মামলার বাদী সাত্তার ও তার ভাই আব্দুল খালেক আদালতে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। আসামিদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। 

বগুড়ার ধুনটে মামলার সাক্ষী দিতে আদালতে যাওয়ার পথে সাক্ষীকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আসামিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের কোদলাপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে আহত আব্দুল খালেককে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ৬৫ বছরের খালেকের বাড়ি কোদলাপাড়া গ্রামে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধুনট থানার ওসি রবিউল ইসলাম।

স্বজনদের বরাতে তিনি জানান, ৩ নভেম্বর কোদলাপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের চাল কেনার টাকা নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আব্দুস সাত্তার মসজিদের কোষাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক ও তার ছেলে ফজলুল হকসহ ৭ জনকে আসামি করে বগুড়া আদালতে মামলা করেন। সেই মামলার সাক্ষী ছিলেন সাত্তারের ভাই আব্দুল খালেক। বগুড়া আদালতে মঙ্গলবার মামলার হাজিরা ছিল।

ওসি জানান, সকালে মামলার বাদী সাত্তার ও তার ভাই আব্দুল খালেক আদালতে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। আসামিদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

নিহতের দেহ ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করার পর পরিবার হত্যা মামলা করবে বলেও জানিয়েছেন ওসি।

আরও পড়ুন:
চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ

মন্তব্য

সারা দেশ
In the conference of A League Tokai is bringing Swapans question from where

আ.লীগের সম্মেলনে টোকাই কোত্থেকে আনছেন, স্বপনের প্রশ্ন

আ.লীগের সম্মেলনে টোকাই কোত্থেকে আনছেন, স্বপনের প্রশ্ন নোয়াখালী সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। ছবি: নিউজবাংলা
নেতা-কর্মীদের শোক প্রস্তাবের পর স্বপন মাইক হাতে নিয়ে বলেন, 'এখানে টোকাইগুলো কোত্থেকে আনছেন। যখন শোক প্রস্তাব হয় তখন যারা স্লোগান দেয়, তালি দেয়, এরা কি রাজনৈতিক কর্মী?'

নোয়াখালী সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিশৃঙ্খল অবস্থা দেখে চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন দলটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

মঙ্গলবার সম্মেলনে প্রয়াত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শোক প্রস্তাবের পর স্বপন মাইক হাতে নিয়ে বলেন, 'এখানে টোকাইগুলো কোত্থেকে আনছেন। যখন শোক প্রস্তাব হয় তখন যারা স্লোগান দেয়, তালি দেয়, এরা কি রাজনৈতিক কর্মী?'

এ সময় সমাবেশে উপস্থিতি নিয়ে মঞ্চের নেতাদের উদ্দেশে স্বপন বলেন, 'বাংলাদেশের কোনো ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনও এতটুকু প্যান্ডেলে হয় না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নিজের জেলায় একখান প্যান্ডেল বানাইছে, কুড়িগ্রামের সবচেয়ে গরিব এলাকা উজিরপুরের আওয়ামী লীগের সম্মেলনের প্যান্ডেলও এর চেয়ে বড় হয়। এটাকে কি পথসভা বলে নাকি সম্মেলন বলে? লজ্জা শরম থাকা উচিত।

‘আমি খুব আশা করে নোয়াখালী এসেছিলাম। দুটি উপজেলার সম্মেলন। আমি এসে সামনে দেখব দাড়ি পাকা চুল পাকা অন্তত দুই হাজার আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা-কর্মী বসে থাকবেন। কিন্তু আমি যাদের দেখতেছি, আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদও তাদের নাই। এখনও যুবলীগ করারই বয়স হয়নি। ছাত্রলীগের কর্মী তাদের বুকের মধ্যে ব্যাজ লাগায়ে নিয়ে এসে আমাকে দেখাচ্ছেন আপনাদের লোক আছে। লোক কয়জন আছে আমি হাতে গুনে বলে দেব।'

তিনি আরও বলেন, 'লজ্জা করতেছে না যারা প্রার্থী হয়েছেন? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যখন বক্তব্য দেন তখন সারা বাংলাদেশের মানুষ পিনপতন নীরবতায় শুনে আর আপনারা নোয়াখালীর মানুষ তখন স্লোগান দেন। কর্মীদের থামাতে পারেন না? আমাদের বুঝান? যদি ভদ্রলোকের মতো সম্মেলন করেন তাহলে বলেন বসি আর না হলে চলে যাই।'

এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন ও শহীদুল্লাহ খান সোহেল, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু এবং উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম সামছুদ্দিন জেহান।

আরও পড়ুন:
ভর্তা-ভাজি নয়, গরিব এখন খাবে লবণ-ভাত: রিজভী
যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম ৭৮ শতাংশ কমার তথ্য দিলেন ফখরুল
টিপু হত্যায় আটক আরও ২
সাম্প্রদায়িক হামলা: ক্ষতিগ্রস্তদের প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক
নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: অগ্রগতি নেই ৩২ মামলার ২৯টির

মন্তব্য

সারা দেশ
Accused of killing husband for not registering the land

জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ

জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ
কাউনিয়া থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। রাত ১০টার দিকে বাসার ছাদে বসা ছিলেন ইকবাল। এ সময় পেছন থেকে বঁটি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছেন পপি।

বরিশাল নগরীতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

নগরীর পলাশপুর এলাকায় সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শেখ ইকবাল ক‌বিরের বাড়ি পলাশপুরের বৌ বাজার এলাকায়। তিনি লঞ্চের সুকানি ছিলেন। পক্ষাঘাতগ্রস্থ হওয়ার পর থেকে তিনি বাজারে অটোরিকশা চার্জ ও ভাড়া দেয়ার ব্যবসা করতেন। তার ও স্ত্রী জাফরিন আরা পপির সংসারে দুই সন্তান আছে।

কাউনিয়া থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। রাত ১০টার দিকে বাসার ছাদে বসা ছিলেন ইকবাল। এসময় পেছন থেকে বটি দিয়ে তাকে এলোপাতারি কুপিয়েছেন পপি। আশপাশের লোকজন গিয়ে ইকবালকে শের-ই বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়। চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হরিদাস নাগ জানান, ঘটনার পরপরই পপিকে পুলিশ আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান যে, ইকবাল তার নামে জমি ও ভবন লিখে দিচ্ছিলেন না বলে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। এর জেরে সোমবার রাতে ঝগড়া হয়। এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ইকবালকে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় ইকবালের ভাতিজা মো. সোহাগ মঙ্গলবার মামলা করেছেন। সেই মামলায় পপিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়

মন্তব্য

p
উপরে