× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

সারা দেশ
ছাত্রদল যুবদলের বিরুদ্ধে ইসলামী আন্দোলনের মামলা
google_news print-icon

ছাত্রদল-যুবদলের বিরুদ্ধে ইসলামী আন্দোলনের মামলা

ছাত্রদল-যুবদলের-বিরুদ্ধে-ইসলামী-আন্দোলনের-মামলা
মামলায় বলা হয়েছে, গত ২৬ ডিসেম্বর চরমোনাই ইউনিয়নের রাজারচর খেয়াঘাটে ইসলামী আন্দোলনের কার্যালয়ে হামলা করে ভাঙচুর চালায় বিএনপির সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা।

বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে ১৬ ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

রোববার বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমানের আদালতে মামলাটি করেন ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড যুব আন্দোলনের সভাপতি মো. হাবিব।

মামলায় যুবদল নেতা বাবুল হাওলাদার, চরমোনাই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাকিল রাঢ়ী, ছাত্রদল নেতা সাইদুল হক, কাওসার, হুমায়ুন রাঢ়ী ও মামুন খানের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও আট থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সেলিম জানান, অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে কোতয়ালি মডেল থানার ওসিকে আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

এজাহারে বলা হয়েছে, চরমোনাই ইউনিয়নের রাজারচর খেয়াঘাটে ইসলামী আন্দোলনের কার্যালয় রয়েছে। এটা আসামিরা মেনে নিতে পারেনি। তারা ওই অফিস সরাতে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে তারা ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের গালাগাল করছিলেন। এর প্রতিবাদ করলে কার্যালয়ে হামলা চালায়।

তারা কার্যালয়ে থাকা ১৫ হাজার টাকার ৩০টি প্লাস্টিক চেয়ার, ২০ হাজার টাকার টেবিল ভাঙচুর করে, ছাদের সিলিং নষ্ট করে।

কাচের জগ, গ্লাস, কাপ-পিরিচ ভাঙচুর করে পুরো কার্যালয় তছনছ করে বলেও মামলায় বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভোটের অপেক্ষায় ২৪ পৌরসভা
বদরগঞ্জে আওয়ামী লীগে ঘরের লড়াই
চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

সারা দেশ
Blockade of Khulna Jesore highway by quota activists

খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের

খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা মঙ্গলবার খুলনা-যশোর মহাসড়কের দৌলতপুর নতুন রাস্তা মোড় অবরোধ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
বিপুল শিক্ষার্থীর অবরোধ ও মিছিলের কারণে খুলনা শহরের ময়লাপোতা থেকে শিববাড়ী হয়ে দৌলতপুর পর্যন্ত বিচ্ছিন্নভাবে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে মঙ্গলবার খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেছেন খুলনার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

বেলা ১১টার দিকে তারা মহাসড়কের দৌলতপুরের নতুন রাস্তা মোড় অবরোধ করেন। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে দুপুর ১২টার দিকে খুলনার শিববাড়ী মোড়ের দিকে রওনা হন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, মিছিলটি নিয়ে তারা পরবর্তী সময়ে খুলনার জিরো পয়েন্ট মোড়ে যাবেন। সেখানে তাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আজ খুলনার বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও।

এদিকে বিপুল শিক্ষার্থীর অবরোধ ও মিছিলের কারণে খুলনা শহরের ময়লাপোতা থেকে শিববাড়ী হয়ে দৌলতপুর পর্যন্ত বিচ্ছিন্নভাবে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্রদের আন্দোলনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা আরও তীব্রভাবে আন্দোলন শুরু করেছেন।

অবরোধের সময়ে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিবাদ জানান।

আরও পড়ুন:
চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ

মন্তব্য

সারা দেশ
Newsbangla Jabi Correspondent Sergil injured in police firing

পুলিশের গুলিতে আহত নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল

পুলিশের গুলিতে আহত নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল জাবিতে সোমবার গভীর রাতে পুলিশের গুলিতে আহত হন নিউজবাংলার প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল। কোলাজ: নিউজবাংলা
নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিসির বাসভবনে ঢুকে আন্দোলনকারীদের মারধর করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। সে সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ছড়রা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে অনেকেই আহত হয়। আমরা চার গণমাধ্যমকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছি।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে সোমবার গভীর রাতে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও গুলিবিদ্ধ সার্জিল জানান, রাতে ‍পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে বিদ্ধ হন সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ চারজন। তাদের সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

জাবি ক্যাম্পাসে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোররাত পর্যন্ত উত্তেজনা চলে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

তারা আরও জানান, মধ্যরাতে হঠাৎ জাবি শাখা ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা সশস্ত্র অবস্থায় হেলমেট পড়ে ভিসি ভবনের সামনেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। তখন আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নিলে সেখানে ঢুকেও শিক্ষার্থীদের মারধর করে আহত করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে বিভিন্ন হল থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বেরিয়ে আসলে পুলিশ-ছাত্রলীগ ও তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও ছড়রা গুলি ছোড়ে। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন জাবির ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক খন্দকার লুৎফুল এলাহী, নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল ও বণিক বার্তার মেহেদী মামুনসহ চারজন।

নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিসির বাসভবনে ঢুকে আন্দোলনকারীদের মারধর করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। সে সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়।

‘পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ছড়রা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে অনেকেই আহত হয়। আমরা চার গণমাধ্যমকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছি।’

এনাম মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার আলী বিন সোলাইমান বলেন, ‘(সোমবার) রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত ৬০ জন আহত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ ছিলেন।’

ঘটনার বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহেল কাফি বলেন, ‘ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীরা যখন ভিসির বাসভবনের সামনে মুখোমুখি হয়, অপর দিক থেকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা ভিসির বাসভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেন। সে সময় আমাদের টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

‘শিক্ষার্থীদের হামলায় আমিসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন পুলিশ আহত হয়েছে, তবে সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জাবির বাজেটে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যখাত
জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই বহিরাগত গ্রেপ্তার
সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে জাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি
অবশেষে ঈদের নাটকে মেহজাবীন
জাবি ক্যাম্পাসে ছিনতাইকালে আটক ৩

মন্তব্য

সারা দেশ
What happened overnight

রাতভর যা ঘটল জাবিতে

রাতভর যা ঘটল জাবিতে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি অবস্থানে রাতভর উত্তেজনা চলে জাবিতে। ছবি: সংগৃহীত
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, হামলাকারীদের অধিকাংশের মাথায় হেলমেট ও হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। সে সময় দুটি পেট্রলবোমা ছুড়তে দেখা যায় তাদের। হামলা থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন। ওই সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। রাত সোয়া ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপাচার্যের বাসভবনের ফটক ছেড়ে রাস্তায় চলে যান।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও পুলিশের মুখোমুখি অবস্থানে সোমবার রাতে কুরুক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও গুলিবিদ্ধ এক সাংবাদিক জানান, রাতে ‍পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে বিদ্ধ হয়েছেন সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ চারজন। তাদের সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা আরও জানান, এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আহত হন।

অন্যদিকে পুলিশ জানায়, বাহিনীর অন্তত ১৫ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

জাবি ক্যাম্পাসে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোররাত পর্যন্ত উত্তেজনা চলে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

তারা আরও জানান, মধ্যরাতে হঠাৎ জাবি শাখা ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা সশস্ত্র অবস্থায় হেলমেট পড়ে ভিসি ভবনের সামনেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। তখন আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নিলে সেখানে ঢুকেও শিক্ষার্থীদের মারধর করে আহত করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে বিভিন্ন হল থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বেরিয়ে আসলে পুলিশ-ছাত্রলীগ ও তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও ছড়রা গুলি ছোড়ে। এতে অর্ধাশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জাবির ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক খন্দকার লুৎফুল এলাহী, নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের জাবি প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল ও বণিক বার্তার মেহেদী মামুনসহ চারজন।

পরে আহত ও গুলিবিদ্ধদের সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ ও জাবির হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, হামলাকারীদের অধিকাংশের মাথায় হেলমেট ও হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। সে সময় দুটি পেট্রলবোমা ছুড়তে দেখা যায় তাদের। হামলা থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন। ওই সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। রাত সোয়া ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপাচার্যের বাসভবনের ফটক ছেড়ে রাস্তায় চলে যান।

পরে রাত পৌনে দুইটার দিকে ফটক ভেঙে বাসভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। তখন বেশ কয়েকটি পেট্রলবোমা ছুড়ে বাসভবনের ফটকের লাইটসহ বিভিন্ন লাইট ভাঙচুর করেন তারা। এরপর আন্দোলনকারীদের ব্যাপক মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সেই সময় উপাচার্য বাসভবনেই ছিলেন।

গুলিবিদ্ধ নিউজবাংলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিসির বাসভবনে ঢুকে আন্দোলনকারীদের মারধর করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। সে সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়।

‘পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ছড়রা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে অনেকেই আহত হয়। আমরা চার গণমাধ্যমকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছি।’

এনাম মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার আলী বিন সোলাইমান বলেন, ‘(সোমবার) রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত ৬০ জন আহত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ ছিলেন।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহেল কাফি বলেন, ‘ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীরা যখন ভিসির বাসভবনের সামনে মুখোমুখি হয়, অপর দিক থেকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা ভিসির বাসভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেন। সে সময় আমাদের টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

‘শিক্ষার্থীদের হামলায় আমিসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন পুলিশ আহত হয়েছে, তবে সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ
ঢাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০০

মন্তব্য

সারা দেশ
Bank accounts of Pion Jahangis wife children and organization have been seized

‘পিয়ন’ জাহাঙ্গীর, স্ত্রী-সন্তান ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

‘পিয়ন’ জাহাঙ্গীর, স্ত্রী-সন্তান ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: সংগৃহীত
সত্রে জানায়, বিএফআইইউ সব ব্যাংকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। সে সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী-সন্তানদের ব্যাংক একাউন্ট খোলার ফরমসহ যাবতীয় তথ্য আগামী পাঁচদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জাহাঙ্গীর আলম সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করে বলা হয়েছিল- প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের কোনো সম্পর্ক নেই।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নাহার খিল গ্রামের মৃত রহমত উল্যাহর ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয়ে গত এক দশক ধরে নোয়াখালী জেলাসহ নানা জায়গায় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত সফরে গাড়িবহর ও প্রশাসনিক প্রটোকল নিয়ে চলাচল করতেন রাজকীয় স্টাইলে।

‘করিৎকর্মা’ জাহাঙ্গীর এবার ভিন্নভাবে আলোচনায় এসেছেন। রোববার জাহাঙ্গীর ছাড়াও তার স্ত্রী কামরুন নাহার ও তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সব ব্যাংকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। সে সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী-সন্তানদের ব্যাংক একাউন্ট খোলার ফরমসহ যাবতীয় তথ্য আগামী পাঁচদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ও তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব থাকলে সেসব হিসাবের লেনদেন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২–এর ২৩ (১) (গ) ধারার আওতায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এর আগে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর জাহাঙ্গীর আলম সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সেই সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছিল, ‘প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের কোনো সম্পর্ক নেই। তার ব্যাপারে প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা নিতেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।’

তথ্য বলছে, নব্বই দশকের দিকে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়ি সুধা সদনে আসা দলীয় নেতা-কর্মীদের পানি খাওয়ানোর কাজ করতেন জাহাঙ্গীর। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে শেখ হাসিনার খাদ্য বহনকারী হিসেবে ‘টিফিন ক্যারিয়ার’ তিনি নিজ হাতে রাখতেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলার সময় দুঃসাহসিক ভূমিকা রাখায় তিনি আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে পরিচিতি লাভ করেন।

আওয়ামী লীগ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার পর গণভবনে যাতায়াতের সুযোগ পান জাহাঙ্গীর। ঢাকার ইপিজেডে ২০০৯ সালে ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। দলীয় নেতা-কর্মীরা ঝুট ব্যবসায় হাত দিলে জাহাঙ্গীর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পরিচয়ে ফোন করে সরাসরি তাদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি করতেন। এই ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থ আয় করেন তিনি। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আওয়ামী লীগের দলীয় এমপি এবং মন্ত্রীদের কাছে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পরিচয় দিয়ে তদবির করতেন।

গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ এলাকা নোয়াখালী-১ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে পাননি জাহাঙ্গীর। পরে নোয়াখালী-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য এইচএম ইব্রাহীমের বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালান তিনি। শেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি নিজের বাসার সাবেক এক কর্মীর অর্থসম্পদের বিষয়টি সামনে আনেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাসায় কাজ করেছে, পিয়ন ছিল সে। এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। বাস্তব কথা। কী করে বানাল এত টাকা? জানতে পেরেছি, পরে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে টানা দুই মেয়াদের পাশাপাশি গত মেয়াদেও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠায় তাকে ওই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু তারপরও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দিয়ে তিনি বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে গেছেন।

মন্তব্য

সারা দেশ
SI dies after jumping into river to catch accused

আসামি ধরতে নদীতে ঝাঁপ, এসআইর মৃত্যু

আসামি ধরতে নদীতে ঝাঁপ, এসআইর মৃত্যু তাড়াশ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রেজাউল ইসলাম শাহ। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ সূত্র জানায়, রায়গঞ্জে হত্যা ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার এড়াতে সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দেয়। তাকে ধরতে এ সময় থানার এসআই রেজাউল ইসলামও নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু আসামি সাঁতরে নদীর ওপারে উঠে গেলেও এসআই রেজাউল মাঝনদীতে তলিয়ে যান।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ধরতে গিয়ে সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে রেজাউল ইসলাম শাহ নামে পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি নওগাঁর সাপাহারের তোজাম্মেল হক শাহর ছেলে।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রায়গঞ্জের এরানদহ গ্রামের আলোচিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা খুন ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি নাজমুল হাসানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে আসামি সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দেয়। এ সময় থানার এসআই রেজাউল ইসলামও তাকে ধরতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

কিন্তু আসামি সাঁতরে নদীর ওপারে উঠে গেলেও এসআই রেজাউল মাঝনদীতে তলিয়ে যান। পরে উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম এ মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, সকালে ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামি ধরতে গিয়ে নদীতে অভিযান চালানোর সময় পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন এসআই রেজাউল। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এক ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক গোলাম আম্বিয়া বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের ৪০ ঊর্ধ্বতন পদে রদবদল
পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সতর্কতার অনুরোধ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের
ভারতে চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি-পুলিশ
সালিশে মারধর ও জরিমানা করায় মাতব্বরকে হত্যা: পুলিশ
কান্না থামছে না পুলিশ সদস্য মনিরুলের ছেলের

মন্তব্য

সারা দেশ
A village doctor was killed by a bicycle roller 

সাইকেলে রোলারের চাপায় পল্লি চিকিৎসক নিহত 

সাইকেলে রোলারের চাপায় পল্লি চিকিৎসক নিহত  সিপাহীপাড়া-মুক্তারপুর সড়কের সিপাহীপাড়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় সোমবার বেলা দুইটার দিকে রোলারের চাপায় সাইকেল আরোহী পল্লি চিকিৎসক নিহত হন। ছবি: নিউজবাংলা
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, মিজানুর বাইসাইকেলে করে সুখবাসপুর যাচ্ছিলেন। পথে সিপাহীপাড়া বাজার এলাকায় নির্মাণাধীন মুক্তারপুর-ছনবাড়ী সড়কের কাজে ব্যবহৃত রোলার পেছন দিকে যেতে গিয়ে বাইসাইকেলসহ মিজানুরকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিজানুরের মৃত্যু হয়। 

মুন্সীগঞ্জে সড়ক নির্মাণকাজের রোলারের চাপায় মিজানুর রহমান বেপারী (৫০) নামের এক পল্লি চিকিৎসক নিহত হয়েছেন।

সিপাহীপাড়া-মুক্তারপুর সড়কের সিপাহীপাড়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় সোমবার বেলা দুইটার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো মিজানুর মুন্সীগঞ্জের রামপাল ইউনিয়নের সুখবাসপুর এলাকার লাল মিয়া বেপারীর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, মিজানুর বাইসাইকেলে করে সুখবাসপুর যাচ্ছিলেন। পথে সিপাহীপাড়া বাজার এলাকায় নির্মাণাধীন মুক্তারপুর-ছনবাড়ী সড়কের কাজে ব্যবহৃত রোলার পেছন দিকে যেতে গিয়ে বাইসাইকেলসহ মিজানুরকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিজানুরের মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জের হাতিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নিরু মিয়া জানান, মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। স্বজনরা এলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:
রথযাত্রায় পাঁচজনের মৃত্যু তদন্তে কমিটি
নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজন নিহত
ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না ভাই-বোনের 
দিনাজপুরে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত
ঈশ্বরদীতে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৫

মন্তব্য

সারা দেশ
Coast Guard prevented the entry of 66 border guards of Myanmar

মিয়ানমারের ৬৬ সীমান্তরক্ষীর অনুপ্রবেশ ঠেকাল কোস্ট গার্ড

মিয়ানমারের ৬৬ সীমান্তরক্ষীর অনুপ্রবেশ ঠেকাল কোস্ট গার্ড দুটি ট্রলারে করে বিজিপি সদস্যরা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিল বলে জানায় কোস্ট গার্ড। ছবি: কোস্ট গার্ড
টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ‘নাফ নদীতে দুটি ট্রলারে করে মিয়ানমারের বিজিপির বেশ কিছু সদস্য অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন, তবে কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে।’

মিয়ানমারের রাখাইনে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সামরিক জান্তার বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে রোববার দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৬৬ সদস্যের অনুপ্রবেশ রোধ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোস্ট গার্ডের চট্টগ্রাম মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সোয়াইব বিকাশ জানান, গতকাল বিকেলে নাফ নদে দুটি ট্রলারে করে কক্সবাজারের টেকনাফে অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিলেন বিজিপি সদস্যরা। কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে।

তিনি বলেন, ‘দুইটি ট্রলারে করে নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখলে কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে। দুটি নৌকায় ৬৬ জন বিজিপি সদস্য ছিল।

‘তারা মূলত বাংলাদেশে প্রবেশ করার চেষ্টা চালিয়েছেন। কোস্ট গার্ড সবসময় অনুপ্রবেশ রোধ করতে কাজ করে যাচ্ছে।’

টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ‘নাফ নদীতে দুটি ট্রলারে করে মিয়ানমারের বিজিপির বেশ কিছু সদস্য অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন, তবে কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে।’

এ বিষয়ে টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আজকেও (রোববার) সীমান্তের ওপারে বিভিন্ন জায়গায় গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে, তবে নতুন করে যাতে কেউ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছি।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা
সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি
মিয়ানমার থেকে আসা গুলির শব্দে টেকনাফে নির্ঘুম রাত
সেন্টমার্টিন রুটে স্পিডবোট লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি
কক্সবাজার ‘মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নে জনপ্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা

মন্তব্য

p
উপরে