মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, এখন পর্যন্ত চার ধাপে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আছেন আরও পাঁচ জন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় শিশুসহ দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে উদ্ধার করা হলো ১০ জনের মরদেহ।

শনিবার ভোরে হাতিয়ার টাংকির খাল সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে এক বছরের শিশু নিহা ও লাসমনপুরার কলাতলী এলাকা থেকে জাকিয়া বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

নিহত জাকিয়া বেগম উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের নাসির উদ্দিনের স্ত্রী। নিহা আক্তার একই এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে।

শনিবার সকালে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইমরান হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর চার ধাপে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ আছেন পাঁচ জন। তাদের সন্ধানে তৎপরতা চলছে। নিখোঁজ শিশুরা হলেন নার্গিস আক্তার (৪), হালিমা (৪), লামিয়া (৩), আমির হোসেন ও আলিফ (১)।

মঙ্গলবার হাতিয়ার নলেরচর থেকে নববধূকে নিয়ে ট্রলার করে ভোলার মনপুরার নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন শরীফ উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন ৭৫ থেকে ৮০ জন স্বজন। ট্রলারটি টাংকিরখাল-ঘাসিয়ারচর এলাকার মেঘনা নদীতে পৌঁছলে, জোয়ারের মুখে পড়ে। স্রোতের তোড়ে ধীরে ধীরে ডুবে যায় নৌযানটি। কয়েকজন সাঁতরে কূলে উঠলেও বেশির ভাগ যাত্রী নিখোঁজ হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে কোস্টগার্ডসহ প্রশাসনের লোকজন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয় ৪০ জনকে।

এখন পর্যন্ত ট্রলারডুবির ঘটনায় নিহতরা হলেন- হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের থানার হাট এলাকার ইব্রাহীম সওদাগরের মেয়ে নববধূ তাছলিমা, হরণী ইউনিয়নের মোহম্মদপুর গ্রামের আক্তার হোসেনের মেয়ে আসমা বেগম, সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের আফরিনা আক্তার লামিয়া, একই এলাকার লিলি আক্তার, নলেরচরের কালাদুর গ্রামের হোসনে আরা বেগম, চানন্দী ইউনিয়নের পূর্ব আজিম নগর গ্রামের রাহেনা বেগম, একই এলাকার নুরজাহান, চানন্দী ইউনিয়নের মো. হাছান, চানন্দী ইউনিয়নের জাকিয়া বেগম এবং একই এলাকার নিহা আক্তার।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় ডুবল নববধূর স্বপ্ন
হাতিয়ায় ট্রলারডুবি: নববধূ-শিশুসহ সাত জনের মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য