× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

মতামত
Prime Ministers visit to India Issues to focus on
hear-news
player
google_news print-icon

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: মনোযোগ পেতে পারে যেসব ইস্যু

প্রধানমন্ত্রীর-ভারত-সফর-মনোযোগ-পেতে-পারে-যেসব-ইস্যু
ফাইল ছবি
আশা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উষ্ণ করবে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করবে। সেই সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের কিছু অমীমাংসিত ইস্যু এই সফরে বাড়তি মনোযোগ পেতে পারে, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বাইরে।

বাংলাদেশ ও ভারত ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি, জাতীয় সংগীত এবং অন্য অনেক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে পারস্পরিক বোঝাপড়ার দৃঢ়তা এবং বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে, যা গড়ে উঠেছিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ত্যাগ ও সদিচ্ছার আলোকে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এই দুই দেশের মধ্যে বহুমাত্রিক সম্পর্ক শুধু রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বিস্তৃত হয়েছে কৌশলগত ক্ষেত্রেও।

বাংলাদেশের বন্ধুভাবাপন্ন এই দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ সেপ্টেম্বর চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করেছিলেন। ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের এই সরকারি সফরে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

আশা করা হচ্ছে, এই সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উষ্ণ করবে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করবে। সেই সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের কিছু অমীমাংসিত ইস্যু এই সফরে বাড়তি মনোযোগ পেতে পারে, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বাইরে।

এবারের সফরে বাংলাদেশ চাইছে দুই দেশের মধ্যে যে সর্বোচ্চ সম্পর্ক, তা আরও একবার প্রমাণ করতে। বাংলাদেশ চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, এমন যে মনোভাব ভারতের তৈরি হয়েছে তা দূর করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে এক ডজনের ওপর চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি প্রস্তুতিমূলক বৈঠক যতগুলো করা সম্ভব, সেগুলো আগস্ট মাসেই হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ও ভারত স্থলসীমানা, সামুদ্রিক বিরোধসহ অনেক বড় সমস্যা সমাধান করেছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক ২০ বছর আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিপক্ব।

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরে গঙ্গা চুক্তির ২৬ বছর পর কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ) হতে যাচ্ছে। সমঝোতা অনুযায়ী বাংলাদেশ ভারত থেকে কুশিয়ারা নদীর ১৫৩ কিউসেক পানি পাওয়ার আশা করছে।

এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে তিস্তাসহ অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন বিষয়ক দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যু সুরাহা হওয়ার সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরে কুশিয়ারা স্মারক সই হওয়ার পাশাপাশি তিস্তার বিষয়ে একটি সমাধান আসতে পারে।

তিস্তা চুক্তির বিষয়ে এখন পর্যন্ত একমাত্র বাধা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। খোঁজা হচ্ছে রাজনৈতিক সমাধানও। শেখ হাসিনার আসন্ন সফরে এ বিষয়ে একটি ফল পেতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য সব সময়ই উদ্বেগের। সে জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের যেকোনো পর্যায়ের আলোচনায় সীমান্ত হত্যা এবং শান্তিপূর্ণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা অন্যতম ইস্যু। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সীমান্ত হত্যা কমে এসেছে। এবারের আলোচনায়ও সীমান্তে নিরস্ত্র মানুষ হত্যা পুরোপুরি বন্ধের বিষয়ে বাংলাদেশ জোর দেবে। মানব, মাদক ও সব ধরনের চোরাচালান বন্ধে সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গ আলোচনায় আসতে পারে।

এবার সফরের অর্থনৈতিক বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সমন্বিত বাণিজ্য চুক্তি ‘সেপা’ (কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট)। এই চুক্তি হলে ভারত ও বাংলাদেশের পণ্য দুই দেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা পাবে। বাংলাদেশ এরই মধ্যে এই চুক্তি অনুমোদন করেছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যান্টি-ডাম্পিং নীতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক নবায়ন হতে পারে। জ্বালানি নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা চাওয়াসহ এ সফরে প্রায় ১০ থেকে ১২টি চুক্তি ও সমঝোতা হতে পারে। এই সফর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির জন্য এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সহযোগিতামূলক কাঠামোর মধ্যে কিছু সমস্যা সমাধান করা প্রয়োজন। প্রথমত, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টন সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, সীমান্ত হত্যা এবং সীমান্তজুড়ে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের ইস্যুটি দুই দেশের মধ্যে বিবাদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত দুই দশকে বিএসএফ ১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে। নিয়মবহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ড এড়াতে যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত বৈঠক জোরদার করা যেতে পারে। তৃতীয়ত, মিথ্যা খবর, গুজবের পাশাপাশি আর্থসামাজিক ইস্যুতে অপপ্রচারের দিকেও নজর দিতে হবে।

এর কারণ হলো সংখ্যালঘু নিপীড়ন সম্পর্কে গুজব তাদের সমকক্ষদের মধ্যে প্রায়ই সহিংসতা এবং নেতিবাচক অনুভূতি উসকে দেয়। অবশেষে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভারতের কাছ থেকে আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ভারতকে মিয়ানমারের ওপর তার রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করা উচিত।

দক্ষিণ এশিয়ায় ভূরাজনীতি ও ভূ-অর্থনীতির পরিবর্তনশীল প্রকৃতির কথা মাথায় রেখে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার জন্য বিকল্প উপায় দেখতে হবে। ভারত ও বাংলাদেশ বেশির ভাগ বিষয়ে কমবেশি একমত হয়েছে। এই স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। তিস্তা নদী এবং রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো ভারতকে কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানে চাপ প্রয়োগ করতে হবে যেন বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন না হয়। বেআইনি ব্যবসা, পাচার এবং গবাদিপশুর চোরাচালান, বিশেষ করে মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রেও নজর রাখতে হবে। ভারত ও বাংলাদেশকে অবশ্যই সার্ক, বিমসটেক এবং বিবিআইএনের মতো আঞ্চলিক সংস্থাগুলোতে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, সংযোগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা, পানিসম্পদ, প্রতিরক্ষা এবং জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় কাজ করতে হবে।

লেখক: আকিব রহমান শান্ত

[email protected]

আরও পড়ুন:
‘পাকিস্তানিরাও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায়’
শেখ হাসিনার বহরে হামলা: এবার আইনজীবীকে হত্যার হুমকি
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলার সাক্ষ্য শুরু
শেখ হাসিনার বহরে হামলা: অস্ত্র আইনে বিচার শুরু
১/১১-এর সরকার ও শেখ হাসিনার কারামুক্তি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

মতামত
That MP of the day will be played is now viral in dance

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল মহুয়া মৈত্র
নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত ‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে ভাইরাল হয়েছিলেন এই রাজনৈতিক নেত্রী। গত বছরের পর এবারও ভারতের স্বাধীনতা দিবসের পরদিন ১৬ আগস্ট এ দিবসে ফুটবলের মাঠে শাড়ি পরে নামা তার ছবি ছড়িয়ে পড়ে।

মাঝেমধ্যেই আলোচনায় আসেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য (এমপি) মহুয়া মৈত্র। তবে সবচেয়ে বেশি মানুষ তাকে বোধহয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চিনেছিল ‘খেলা হবে’ দিবসে। শাড়ি পরে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

এবার এই নেত্রী আলোচনায় এলেন দুর্গাপূজা উপলক্ষে নেচে। শুক্রবার মহাপঞ্চমীতে নদীয়ায় এক শোভাযাত্রায় নেচে সেই ভিডিও টুইটারে আপলোড করেছেন মহুয়া। এ নিয়ে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ‘সোহাগ চাঁদ বদনী তুমি নাচো তো দেখি’ গানের তালে তালে কোমর দুলিয়েছেন মহুয়া। আরও অনেক নারীর সঙ্গে গলা মিলিয়ে রাস্তায় নাচতে নাচতে এগিয়ে যান তিনি।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

এমপি মহুয়ার নাচের ভিডিও শেয়ার করেছেন অনেকেই। প্রশংসায় ভাসছেন তারা। কেউ লিখেছেন, আপনার এই শক্তিটাকে ভালোবাসি। আবার কেউ লিখেছেন, যেভাবে মানুষের সঙ্গে মেশেন এভাবেই থাকুন।

এর আগে নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত ‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে ভাইরাল হয়েছিলেন এই রাজনৈতিক নেত্রী। গত বছরের পর এবারও ভারতের স্বাধীনতা দিবসের পরদিন ১৬ আগস্ট এ দিবসে ফুটবলের মাঠে শাড়ি পরে নামা তার ছবি ছড়িয়ে পড়ে।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

এরপর সর্বশেষ ১৮ সেপ্টেম্বর নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে এমপি কাপ টুর্নামেন্টে তার শাড়ি পরে ফুটবলে লাথি দেয়ার ছবিও ভাইরাল হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসে তিনি। লালচে কমলা রঙের শাড়ি পরে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন এমপি মহুয়া। চোখে ছিল সানগ্লাস, পায়ে জুতা।

২০০৮ সালে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ব্যাংকিং সংস্থা জেপি মরগানের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে রাজনীতিতে নাম লেখান এই নারী। তিনি করিমপুর আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ‘খেলা হবে’ শব্দ দুটি গত বছরের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী ‘ক্যাচলাইন’ ছিল। বিজেপিকে হারিয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে আসার মূলে তৃণমূলের রণহুঙ্কার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই ‘খেলা হবে’।

পরে গত বছরের ২২ জুলাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৬ অগাস্ট ‘খেলা হবে’ দিবস পালনের ঘোষণা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই রাজ্যজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হয় ‘খেলা হবে’ দিবস।

‘খেলা হবে’ দিবসের সেই এমপি এবার নেচে ভাইরাল

‘খেলা হবে’ দিবস পালনের উদ্দেশ্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানান, স্বাধীনতার পর দিন যেন মানুষের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন থাকে, স্বাধীনতার ভাষা, কণ্ঠরোধ না হয় তার জন্য খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখা হবে। নতুন প্রজন্ম যেন খেলাধুলায় এগিয়ে যেতে পারে সে জন্য ‘খেলা হবে’ দিবস পালন করছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন:
‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে মাঠে নামা সেই এমপি ফের ভাইরাল

মন্তব্য

মতামত
Who is the Congress President?

কে হচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি

কে হচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি কংগ্রেসের সভাপতি পদে প্রার্থী শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খারগে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নতুন সভাপতি পেতে যাচ্ছে। আর সভাপতি পদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য লড়ছেন শশী থারুর ও মল্লিকার্জুন খারগে। গান্ধী পরিবারের নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকার কথা থাকলেও ইঙ্গিত মিলেছে মল্লিকার্জুনকেই সমর্থন করতে যাচ্ছেন তারা।

মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। এবারে সভাপতি পদে গান্ধী পরিবারের কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেনি। ২০ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটলো।

এদিকে সভাপতি নির্বাচনে গান্ধী পরিবারের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের কথা থাকলেও শেষ মুহুর্তে মল্লিকার্জুন খারগের প্রতি সমর্থন দেয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

আজই সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ শশী থারুর। মল্লিকার্জুনেরও তিনটার আগেই কাগজপত্র জমা দেয়ার কথা।

এর আগে গতকালই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দিগ্বিজয়ী সিং। কিন্তু মল্লিকার্জুন খারগের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান।

গভীর রাতে হওয়া এক বৈঠকে কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা কেসি ভেনুগোপাল মল্লিকার্জুনকে জানান, নেতৃত্ব (গান্ধী পরিবার) চাইছে যে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভেনুগোপাল নিজেও মল্লিকার্জুনকে সমর্থন করছেন।

কংগ্রেসের ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ পলিসির কারণে রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতার পদ থেকে পদত্যাগ করতে হতে পারে মল্লিকার্জুনকে।

আরও পড়ুন:
পাঁচ রাজ্য কংগ্রেস সভাপতিকে বহিষ্কার করলেন সোনিয়া
গান্ধী পরিবারের নেতৃত্ব চান না কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা
কংগ্রেসে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি বাড়ছে
কংগ্রেসের নেতৃত্ব হারাচ্ছে গান্ধী পরিবার?
জয়প্রকাশ যোগ দিলেন তৃণমূলে

মন্তব্য

মতামত
19 killed in an explosion at an educational center in Kabul

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯

কাবুলে শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ১৯ কাবুল শহরের বিভিন্ন ভবন। ছবি: সংগৃহীত
হামলাস্থল দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন। সর্বশেষ হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শুক্রবার একটি শিক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অনেকে।

শহরের পশ্চিমে দাশত-ই-বারচি এলাকায় ‘কাজ’ নামের শিক্ষা কেন্দ্রে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলার সময় সেখানে পরীক্ষা চলছিল।

দাশত-ই-বারচি এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের। অতীতে অনেক হামলার শিকার হয়েছে এ সম্প্রদায়ের লোকজন।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানে তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল নাফি টাকোর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থলে গেছে নিরাপত্তা দল।

তিনি বলেন, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মধ্য দিয়ে শত্রুরা তাদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিকতাহীনতার পরিচয় দিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে ক্ষমতায় আসে তালেবান। দলটির ভাষ্য, তারা আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

দাশত-ই-বারচি এলাকায় বেশ কিছু হামলা হয়েছে। এসব হামলার শিকার হয়েছে স্কুল ও হাসপাতাল।

তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে গত বছর একটি গার্লস স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়। এ হামলায় আহত হয় অনেকে।

আরও পড়ুন:
কাবুলে রুশ দূতাবাসের সামনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৮
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৬ মৃত্যু
শততম ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের লক্ষ্য ১০৬ রান
নারী বিষয়ে তালেবানকে চ্যালেঞ্জ করুক মুসলিম বিশ্ব: আমেরিকার দূত
এশিয়া কাপ: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় চায় দুই দলই

মন্তব্য

মতামত
Abortion of unmarried persons also legal Supreme Court of India

অবিবাহিতদের গর্ভপাতের অধিকারও সমান: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

অবিবাহিতদের গর্ভপাতের অধিকারও সমান: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। ছবি: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া
রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ১৯৭১ সালে প্রণীত মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি অ্যাক্টে বিবাহিত নারীদের গর্ভপাতের যে অধিকার দেয়া হয়েছে, তা পাবেন অবিবাহিত নারীরাও।

বিবাহিতদের পাশাপাশি অবিবাহিত নারীদের নিরাপদ ও বৈধ গর্ভপাতের অধিকার সমান বলে রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ঐতিহাসিক এ রায় দেয় বলে দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ১৯৭১ সালে প্রণীত মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি অ্যাক্টে বিবাহিত নারীদের গর্ভপাতের যে অধিকার দেয়া হয়েছে, তা পাবেন অবিবাহিত নারীরাও।

সর্বোচ্চ আদালত আরও বলেছে, ২০২১ সালে ওই আইনে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তাতে গর্ভপাতের ক্ষেত্রে বিবাহিত ও অবিবাহিতদের মধ্যে কোনো ফাঁক রাখা হয়নি। এর ফলে নিরাপদ ও বৈধ গর্ভপাতের অধিকার পাবেন সব নারী।

বিচারপতি চন্দ্রচুড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিবাহিত ও অবিবাহিত নারীদের মধ্যে কৃত্রিম ফারাক থাকতে পারে না। নারীদের অবশ্যই এ ধরনের (গর্ভপাত) অধিকার চর্চার স্বাধীনতা থাকতে হবে।

জন্মদানের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা শরীরের স্বাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জানিয়ে রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বেছে নেয়া, সন্তানের সংখ্যা এবং গর্ভপাত করা কিংবা না করার সিদ্ধান্ত সামাজিক বাধাবিপত্তি ছাড়াই নেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, কোনো নারীর অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের পরিণতিকে খাটো করে দেখা যাবে না। ভ্রুণের স্বাস্থ্য নির্ভর করে মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর।

আরও পড়ুন:
‘খেলা হবে’ দিবসে শাড়ি পরে মাঠে নামা সেই এমপি ফের ভাইরাল
ট্যুরিস্ট ভিসায় ভারতে গিয়ে ধর্ম প্রচারের অভিযোগে ১৭ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
ভারতে ভারি বৃষ্টিতে দেয়াল ধসে ৯ মৃত্যু
ভারতে পোশাক রপ্তানি বেড়ে দ্বিগুণ, কমছে চীনে
বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ-হত্যা দলিত ২ বোনকে

মন্তব্য

মতামত
Indias new defense chief after 9 months of Bipins death

বিপিন নিহতের ৯ মাস পর ভারতে নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান

বিপিন নিহতের ৯ মাস পর ভারতে নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান ভারতের নতুন সিডিএস অনিল চৌহান। ছবি: এএনআই
ভারতের নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান অনিল চৌহান ২০২১ সালের মে মাসে ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান হিসেবে অবসরে যান। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছিলেন।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় জেনারেল বিপিন রাওয়াত নিহত হওয়ার ৯ মাস পর নতুন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) পেয়েছে ভারত।

অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল চৌহানকে বুধবার সিডিএস হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে দেশটি।

২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ভারতের বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় সস্ত্রীক নিহত হন চার তারকা জেনারেল বিপিন রাওয়াত।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতের নতুন প্রতিরক্ষাপ্রধান ৬১ বছর বয়সী অনিল ২০২১ সালের মে মাসে ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান হিসেবে অবসরে যান। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছিলেন।

প্রায় ৪০ বছরের ক্যারিয়ারে বেশ কিছু গুরুদায়িত্ব সামলেছেন অনিল চৌহান। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর ও দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী তৎপরতা দমন অভিযানে ব্যাপক অভিজ্ঞতা আছে তার।

সিডিএস পদে প্রথমবারের মতো অবসরপ্রাপ্ত কোনো সামরিক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়ার আগে নিয়মে কিছু পরিবর্তন এনেছে ভারত। নিয়োগের নিয়মে এ পরিবর্তনের বিষয়টি গেজেটে জানিয়েছে সরকার।

নতুন সিডিএস অনিল চৌহানের জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ মে। ১৯৮১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১১ গোর্খা রাইফেলসে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি।

ভারতের মহারাষ্ট্রের খারাকওয়াসলার ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি, উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে পাঠ নিয়েছেন অনিল।

মেজর জেনারেল হিসেবে নর্দান কমান্ডের বারামুল্লা সেক্টরের পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার ছিলেন সিডিএস অনিল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত হওয়ার পর উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি কোরের কমান্ডার ছিলেন তিনি।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের মে মাসে অবসরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ছিলেন অনিল চৌহান।

আরও পড়ুন:
কোনো ব্যক্তি নয়, বাংলাদেশের পাশে ভারত: দোরাইস্বামী
ভারতে ভারি বৃষ্টিতে দেয়াল ধসে ৯ মৃত্যু
ভারতে পোশাক রপ্তানি বেড়ে দ্বিগুণ, কমছে চীনে
বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ-হত্যা দলিত ২ বোনকে
‘তত্ত্বাবধায়ক চান, ওয়ান-ইলেভেন ভুলে গেছেন?’

মন্তব্য

মতামত
Myanmar model jailed by junta for spreading nude photos

নগ্ন ছবি ছড়ানোয় মিয়ানমারের মডেলের জেল

নগ্ন ছবি ছড়ানোয় মিয়ানমারের মডেলের জেল ন্যান মিউ স্যান
দণ্ডপ্রাপ্ত ন্যান মিউ স্যান গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছিলেন। অনলফি ফ্যানে কনটেন্ট দেয়ার ঘটনায় তিনিই প্রথম দণ্ড ভোগ করছেন।

নগ্ন ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর দায়ে এক মডেলকে ছয় বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার আদালত।

দেশটির সংস্কৃতির ক্ষতি ও মর্যাদাহানি করায় তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

সপ্তাহ দুয়েক আগেই সাবেক এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। তিনি একটি পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও আপলোড করেছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ন্যান মিউ স্যান গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছিলেন। অনলফি ফ্যানে কনটেন্ট দেয়ার ঘটনায় তিনিই প্রথম দণ্ড ভোগ করছেন।

নগ্ন ছবি ছড়ানোয় মিয়ানমারের মডেলের জেল

এর আগে আরেক মডেলকেও সামরিক সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য গ্রেপ্তার করে মিয়ানমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই আন্দোলনের ছবি পোস্ট করার ঘটনায় অক্টোবরে তার বিরুদ্ধেও রায় হবে।

স্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যোগাযোগমাধ্যমে অর্থের জন্য নগ্ন ছবি ও ভিডিও আপলোড করেছেন তিনি। এ অপরাধে দেশটিতে সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজার আইন রয়েছে।

ইয়াঙ্গুনের একটি কারাগারে বন্দি আছেন এই মডেল। কারাগারটিতে অনেক রাজনৈতিক নেতাও বন্দি আছেন। তিনি যে মামলায় সাজা পেয়েছে, এ ধরনের মামলায় কোনো আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেয় না জান্তা সরকার।

স্যানের মাা বলেছেন, সম্প্রতি তিনি মেয়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। তবে সামরিক আদালতে রায় নিয়ে বুধবারের আগ পর্যন্ত তিনি কিছুই জানতেন না।

আরও পড়ুন:
মিয়ানমার নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল চীন
তুমব্রু সীমান্তে দুর্গোৎসব নিয়ে উৎকণ্ঠা
যুদ্ধের মাধ্যমে উন্নয়ন ধ্বংস করতে পারি না: কৃষিমন্ত্রী

মন্তব্য

মতামত
Sri Lankan government employees are punished for posting on Facebook

ফেসবুকে পোস্ট দিলেই শাস্তি শ্রীলঙ্কার সরকারি কর্মীদের

ফেসবুকে পোস্ট দিলেই শাস্তি শ্রীলঙ্কার সরকারি কর্মীদের শ্রীলঙ্কার একটি সরকারি অফিস। ফাইল ছবি
শ্রীলঙ্কায় সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা ১৫ লাখের মতো। এতদিন তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা নিষেধ ছিল, এবার সেই নিষেধাজ্ঞা পৌঁছাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশের ক্ষেত্রেও।

নানা সংকটে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কার সরকারি কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মত প্রকাশ করে পোস্ট করলেই শাস্তি পেতে হবে তাদের।

দেশটির জনপ্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এই নির্দেশনা দেয়া হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস

শ্রীলঙ্কায় সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা ১৫ লাখের মতো। এতদিন তাদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা নিষেধ ছিল, এবার সেই নিষেধাজ্ঞা পৌঁছাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশের ক্ষেত্রেও।

সম্প্রতি বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী খাবারের অভাবে স্কুলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বলে একটি প্রাদেশিক স্কুলের শিক্ষক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের অভিযোগের পর সরকারি কর্মীদের ওপর নতুন নিয়ম প্রয়োগ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকাররি কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশ করা অপরাধ। এটি করলে কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১৯৪৮ সালে ব্রিটিশরাজের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্র।

দেশটিতে নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দামে বিপর্যস্ত জনজীবন। মূল্যস্ফীতি, দুর্বল সরকারি অর্থব্যবস্থা এবং করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।

লঙ্কান সরকারের অন্যতম রাজস্ব আয়ের খাত পর্যটনশিল্প ধসে পড়েছে, রেমিট্যান্স পৌঁছেছে তলানিতে। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ নেমে এসেছে ২ বিলিয়ন ডলারে। লোডশেডিং; খাবার, ওষুধ ও জ্বালানিসংকটে ক্ষোভ ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

গত কয়েক বছর শ্রীলঙ্কার রাজনীতি বেশ টালমাটাল ছিল। এই অবস্থায় দেশটির বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে।

এ প্রেক্ষাপটে সংকটের জন্য প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতিকে দায়ী করেন বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভরতদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও ক্ষমতাসীনদের সংঘর্ষে প্রাণ গেছে পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজনের।

একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজপাকসে ও তার ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসেকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এসেছে নতুন নেতৃত্ব। ঋণের জন্য চুক্তি হয়েছে আইএমএফসহ বিভিন্ন সংস্থা ও দেশের সঙ্গে। তবু অস্থিরতা চলছেই। কাটছে না দেশটির সংকট।

আরও পড়ুন:
শ্রীলঙ্কা সংকটের ‘বড় বলি’ হচ্ছেন তামিলরা
২০২২ সালে শ্রীলঙ্কাকে শীর্ষ ঋণদাতা ভারত

মন্তব্য

p
উপরে