সমসাময়িক পশ্চিমা সাহিত্যের ক্রাইম থ্রিলার জনরা এমন একটা গর্তে পড়েছে যে সেখান থেকে আর উঠতে পারছে না। সেটা বই বা উপন্যাসের ক্ষেত্রেই হোক, কি হোক টিভি সিরিজের ক্ষেত্রে। সেটারই ব্যবচ্ছেদ করার একটা উপলক্ষ তৈরি করে দিয়েছে নেটফ্লিক্সের নতুন বছরের একটি সিরিজ- দ্য উওম্যান ইন দ্য হাউজ অ্যাক্রস দ্য স্ট্রিট ফ্রম দ্য গার্ল ইন দ্য উইন্ডো।
বোঝাই যায়, এরকম উদ্ভট নাম আসলে সচেতনভাবে রাখা হয়েছে। সমসাময়িক ক্রাইম থ্রিলার বা আরও নির্দিষ্ট করে বললে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার জনরাকে প্যারোডি করার উদ্দেশ্যেই এই নামকরণ। প্যারোডির ব্যাপারটা একটু স্পষ্ট করি- নামটার দিকে ভালো করে নজর দিলেই দেখা যায় নামটা আসলে দুইটা জনপ্রিয় সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার উপন্যাসের নামের ম্যাশআপ। এর একটি এ জে ফিনের ২০১৮ সালের দ্য উওম্যান ইন দ্য উইন্ডো এবং অপরটি পলা হকিন্সের ২০১৪ সালের দ্য গার্ল ইন দ্য ট্রেইন। এই দুই উপন্যাস ভালোই জনপ্রিয় হয়েছিল এবং দুটি উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাও হয়েছে, প্রথমটা থেকে ২০২১ সালে ও পরেরটা থেকে ২০১৬ সালে।
এই জনরার সমসাময়িক কাহিনীগুলিতে যেসব ক্লিশে, একঘেয়ে ও বিরক্তিকর জিনিস দেখা যায়, সেগুলির প্রত্যেকটাকে ধরে ধরে ব্যঙ্গ করা হয়েছে এই সিরিজটাতে।
এই সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্র অ্যানা নামের এক উচ্চ মধ্যবিত্ত আমেরিকান নারী যে আবার ব্রিটিশ অ্যাকসেন্টে কথা বলে। সে ভিড় বা জনসমাগম খুব ভয় পায়। তার কাজ বা আয়ের উৎস কী সেটা পরিষ্কার না, কিন্তু সে থাকে শহরের বাইরে খুব বিলাসবহুল একটা বাড়িতে। অ্যানা তার একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছে এবং সেই শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। অতিরিক্ত মদ্যপানের মাধ্যমে সেই শোক ও একাকীত্বের যন্ত্রণা কাটানোর চেষ্টা করে সে আর খুব সন্দেহের চোখে প্রতিবেশীদের উপর নজর রাখে।
এরই মধ্যে খুব স্মার্ট ও আকর্ষণীয় এক লোক তার প্রতিবেশী হয়ে আসে। এই সব কিছুর মধ্যেই অ্যানার চোখের সামনে একটা খুনের ঘটনা ঘটে এবং সেই ঘটনা শুধুমাত্র সেই প্রত্যক্ষ করে। স্বাভাবিকভাবে মানুষজন কেউ অ্যানার কথা বিশ্বাস করে না। আনার একমাত্র এবং নিবেদিতপ্রাণ ‘বেস্টফ্রেন্ড’ এগিয়ে আসে তখন, তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়। অ্যানার প্রতিবেশীদের মধ্যে তাকে নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন চলতে থাকে। হত্যারহস্য উদঘাটন করতে গোয়েন্দা পুলিশের জড়িত হওয়া, সফট-কোর যৌনদৃশ্য, ডার্ক ফ্ল্যাশব্যাক, বোকা বোকা টুইস্ট – সব মিলিয়ে এই জনরার সমসাময়িক কাহিনীগুলির এমন কোনো ক্লিশে নেই, যেটা এই সিরিজে বাদ পড়েছে। সম্ভবত এই সিরিজের ক্রিয়েটর বা নির্মাতারা বেশ হোমওয়ার্ক করে ক্লিশেগুলির একটা বড় চেকলিস্ট তৈরি করে নিয়েছিলেন।
এখন এই ক্রাইম থ্রিলার ও সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার জনরাতে, এই ক্লিশেগুলি কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং পরবর্তীতে আস্তে আস্তে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং শেষ পর্যন্ত এসে একটা বিরক্তিকর কাঠামোতে পরিণত হয়েছে, সেটা দেখানোর জন্য আমি একটু পিছনের দিকে ফিরে যাব। আর কিছু উদাহারণ তুলে আনব।
আমরা সাহিত্যের যে নির্দিষ্ট জনরা নিয়ে কথা বলছি- সেই জনরাতে নর্ডিক থ্রিলার ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান থ্রিলার খুবই প্রসিদ্ধ, সমাদৃত ও জনপ্রিয়। এই জনরার ইংরেজি উপন্যাস ও সিরিজগুলিতেও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান থ্রিলারের সরাসরি প্রভাব দেখা যায়। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সিরিজগুলির ইংরেজি রিমেইকও হয় অনেক।
একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় আমেরিকান টিভি সিরিজ আছে ২০১১ সালের – দ্য কিলিং। সেই সিরিজে সারাহ লিন্ডেন নামের এক ডিটেকটিভ- যে কিনা সিংগেল মাদার, বিভিন্ন জটিল খুনের রহস্য সমাধান করতে থাকে। দ্য কিলিং সিরিজটি ছিল ২০০৭ সালের একই নামের একটি ড্যানিশ টিভি সিরিজের রিমেইক। ২০১৩ সালের দ্য ব্রিজ নামের একটি আমেরিকান টিভি সিরিজ আছে, যেটার কেন্দ্রীয় চরিত্র এক ধরনের মানসিক ডিজঅর্ডারে ভোগা এক নারী ডিটেকটিভ। দ্য ব্রিজ সিরিজটাও ছিল একই নামের একটা সুইডিশ সিরিজের রিমেইক। এরকম আরও অনেক নর্ডিক বা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান থ্রিলার সিরিজ পাওয়া যাবে, যেগুলির কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন নারী ডিটেকটিভ, যে আবার কোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বা অন্য কোনো সমস্যার মধ্যে আছে। পুরো কাহিনীতেই সে একইসাথে হত্যারহস্যের সমাধান ও নিজস্ব সমস্যা ডিল করার জন্য স্ট্রাগল করতে থাকে। যেমন মিডনাটসোল (২০১৬), কোলাটেরাল (২০১৮), ডেডউইন্ড (২০১৮), চেস্টনাট ম্যান (২০২১), আর্কটিক সার্কেল (২০১৮) সহ এরকম আরও বেশ কয়েকটি ছবি।
এমনকি বিবিসির তৈরি করা নিউজিল্যান্ডের খুব জনপ্রিয় সিরিজ টপ অব দ্য লেইক (২০১৩) ও আইরিশ লেখিকা টানা ফ্রেঞ্চের উপন্যাস থেকে তৈরি ডাবলিন মার্ডারসও (২০১৯) প্রায় একই ধরনের।
আমার আসলে এতকিছু বলার উদ্দেশ্য হলো ক্রাইম থ্রিলার জনরাতে একটা কমন ফরম্যাট তৈরি হয়েছে এবং আস্তে আস্তে সেটা ছড়িয়ে পড়েছে। ফরম্যাটটা এরকম: কেন্দ্রীয় চরিত্র হবে একজন নারী, যে কোনো না কোনো সমস্যা, বিশেষ করে সাইকোলজিক্যাল কোনো সমস্যায় জর্জরিত। সেই নারী কোনো পারিবারিক সমস্যার মধ্যেও থাকতে পারে বা সে হতে পারে ভীষণ অ্যালকোহল আসক্ত। এই ফরম্যাটের অসংখ্য উদাহারণের মধ্যে সর্বশেষ সফল উদাহারণ হল কেট উইন্সলেট অভিনীত এইচবিওর মেয়ার অব ইস্টটাউন (২০২১)।
আমার হিসাবে, এই ফরম্যাটটাই কিছুটা বিবর্তিত ও রূপান্তরিত হয়ে থ্রিলার জনরার সাহিত্যে এসে একটা ভয়াবহ ক্লিশেতে পরিণত হয়েছে।
এখনকার সময়ের জনপ্রিয় আমেরিকান লেখিকা জিলিয়ান ফ্লিনের ২০০৬ সালে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস শার্প অবজেক্ট-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র ক্যামিলি প্রিকার ছিলেন অ্যালকোহল আসক্ত, পারিবারিক সমস্যার কারণে মারাত্মকভাবে মানসিক অবসাদগ্রস্ত একজন সাংবাদিক। এই ক্যামিলি প্রিকারই এক জটিল সিরিয়াল কিলিংয়ের রহস্য সমাধান করেন। ফ্লিনের পরবর্তী উপন্যাস ২০০৯-এ প্রকাশিত ডার্ক প্লেসেস-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র লিবি ডে-ও অনেকটা একই রকম – ট্রমাটাইজড একজন নারী। প্রথম উপন্যাসটি নিয়ে এইচবিও একটা সিরিজ করেছে এবং পরের উপন্যাসটা থেকে একটি সিনেমা তৈরি হয়েছে।
ফ্লিনের এই উপন্যাসগুলির উপাদান ও কাঠামো ব্যবহার করে পরবর্তী বছরগুলোতে বেশকিছু ক্রাইম থ্রিলার বা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার উপন্যাস রচিত হয়। সেগুলোরই একটা হল ২০১৫ সালের পলা হকিন্সের লেখা দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেইন এবং ২০১৮ সালের এ জে ফিনের লেখা দ্য উওম্যান ইন দ্য উইন্ডো। এই উপন্যাস দুটি থ্রিলার বাজারে বেশ হাইপ তৈরি করে এবং পরবর্তীতে এগুলোর অনুকরণে আরও অনেক উপন্যাস আসে।
২০০৬ থেকে ২০১৯ – বিশেষ করে ২০১০ পরবর্তী সময়ে এই একই ফরম্যাটে বাজারে অনেক থ্রিলারই এসেছে, যেগুলো একটা থেকে আরেকটাকে আলাদা করা সম্ভব না। মনে হবে বিভিন্ন লেখক আসলে একই চরিত্র আর একই কাহিনীকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে একই লেখাই লিখছেন।
সম্ভবত এই ব্যাপারটাকে প্যারোডি ও মিমিক করার জন্যই তিনজন ক্রিয়েটর হিউ ডেভিডসন, ল্যারি ডর্ফ ও রাচেল রামরাস নেটফ্লিক্সের এই সিরিজটা তৈরি করেছেন অনেকটা ডার্ক কমেডির আদলে। এবং সেটা করতে গিয়ে ক্লিশে জিনিসগুলিকে এমনভাবে মিমিক করেছেন, প্রতিটা ক্লিশেকে এই কাহিনীতে এতো সিরিয়াসলি এনেছেন যে সহজেই মনে হতে পারে, তারা আসলে কোনো ব্যঙ্গ করেননি, বরং একটা মার্ডার মিস্ট্রি বা হত্যারহস্যের কাহিনিই তারা দেখাতে চেয়েছেন। কাহিনি এমনভাবে এগিয়েছে ও হত্যারহস্যের ব্যাপারটি এমনভাবে উন্মোচন হয়েছে, অনেক সময় মনে হতে পারে যেই জনরার ক্লিশেগুলোকে প্যারোডি করতে চেয়েছে এই সিরিজ, শেষপর্যন্ত তা সেই জনরারই আরেকটা জিনিসে পরিণত হয়েছে।
কাহিনিতে রিয়ালিটি ও ফ্যান্টাসির মধ্যকার টেনশন ধরে রাখা, কাহিনীর রোমান্টিক ও সেক্সুয়াল দিক, মূল রহস্য শেষপর্যন্ত টান টান রাখার চেষ্টা করা, টুইস্ট – ফরমুলা অনুযায়ী সব মিলিয়ে একটা সিরিয়াস মার্ডার মিস্ট্রি সিরিজের সবই আছে এখানে। মূল চরিত্র অ্যানার ইমোশোনাল ভূগোলও কাহিনিতে খুব ভালোভাবে ছড়িয়েছে। তবে কাহিনীর মেলোড্রামাটিক বর্ণনাভঙ্গি, সন্দেহজনক প্রতিবেশী, ভয়ংকর এক থেরাপিস্ট, হাস্যকর টুইস্ট এবং আট পর্বের প্রতি পর্বেই মোটাদাগে একটা হাসির ব্যাপার – সব মিলিয়ে এটাকে একটা সিলি, অ্যাবসার্ড জিনিস ও সত্যিকারের প্যারোডি বানানোর চেষ্টার ব্যাপারেও কোনো কমতি নেই।
এখন প্রশ্ন আসে, একটা প্যারোডির চরিত্রদের সাথে দর্শকদের কোনো ইমোশনাল কানেকশন কি তৈরি হওয়া সম্ভব? বা প্যারোডির কাহিনী-প্লটকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার কিছু আছে কি? দুটি প্রশ্নের উত্তরই এখানে ‘না’।
প্যারোডি করতে গিয়ে এখানে দুটি ব্যাপার ঘটেছে: রহস্য ধরে আগাতে গিয়ে মাঝপথে কমেডি চলে এসেছে এবং কমেডি করতে গিয়ে মাঝখানে রহস্য চলে এসেছে। কখনও কখনও এটাও মনে হয় যে, সিরিজটার কমেডিই এই যে এখানে নাম ছাড়া আসলে কোনো কমেডি নেই।
কমেডি এখানে কাজ না করার আরেকটা উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে, সিরিজের কাহিনীর একটা ডার্ক বা অন্ধকার দিক। আগেই বলেছি, এখানে দেখা যায় অ্যানার একমাত্র মেয়ে মারা গেছে এবং অ্যানা এখনও সেই শোকের মধ্যে আছে। মেয়ের মৃত্যুর পরে অ্যানার বিয়ে ভেঙে গেছে, আর্টিস্ট হিসাবে তার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে। প্রশ্ন হলো, অ্যানার মেয়ে কীভাবে মারা যায়? মেয়েটার বাবা ছিল ফরেনসিক সাইকোলজিস্ট এবং মেয়েটা তার বাবার সাথে জেলখানার ভিতরে গিয়েছিল। তখন এক সিরিয়াল কিলার মেয়েটাকে খুন করে খেয়ে ফেলে। বীভৎস, তাই না? এই বীভৎস এবং অস্বস্তির বিষয়টা সিরিজে বারবার ঘুরেফিরে আসতে থাকে অ্যানার কাজকর্মে। আনা অযথাই স্কুলের গেটে চলে যায়। সে তার বেডরুমে তার মৃত মেয়েকে খেলতে দেখে, তখন তাকে চুমু খেতে বলে এবং সেই মৃত মেয়ে অস্বীকার করে যে ‘আমি চুমু দিতে পারব না, কারণ আমি মৃত’। এইসব কারণে সিরিজে একটা ডার্ক আবহ তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত এটা আর কমেডি হয়ে উঠতে পারে না।
অবশ্য গতানুগতিক প্যারোডির মতো সরাসরি কমেডিতে গেলে সম্ভবত এই সিরিজটার উদ্দেশ্য পূরণ হত না। শেষপর্যন্ত এই সিরিজটা আসলে যা করতে চেয়েছে তা সে করতে পেরেছে- এই জনরার অ্যাবসার্ড, হাস্যকর ও ক্লিশে জিনিসগুলিকে উন্মোচিত করা এবং তা নিজেকে অ্যাবসার্ড বানানোর মধ্য দিয়ে হলেও। উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে সিরিজটাকে সফল বলা যায়। দর্শক বিচারেও হয়ত এটাকে সফল বলা যায়। কারণ, জানুয়ারির ২৮ তারিখে নেটফ্লিক্সে আসার পরে এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও সিরিজটা এখনও নেটফ্লিক্সের চার্টে সবার উপরে আছে।
আশরাফুল আলম শাওন: লেখক, আইটি প্রফেশনাল
ফাইল ছবি
বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ২১ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়নের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। এদের মধ্যে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজি), ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন। রোববার (২৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি-পদায়ন করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চারজন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি এবং এনএসআই-এর পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডি’র অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত আইজি এবং র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিআইজি) ফারুক আহমেদকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি পদে বদলি করা হয়েছে।
পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামানকে র্যাবে, এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি (চলতি দায়িত্বে) এ কে এম আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ অধিদপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি (চলতি দায়িত্বে) এবং মুক্তাগাছা ২য় এপিবিএন-এর অধিনায়ক মো. কুতুব উদ্দিনকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আল মামুনকে মুক্তাগাছা ২য় এপিবিএন-এর অধিনায়ক, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে বেতবুনিয়া পিএসটিএস-এর কমান্ড্যান্ট এবং এন্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খানকে সারদা বিপিএ-এর অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নৌপুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল ওয়ারীশকে রংপুর পিটিসির অতিরিক্ত ডিআইজি এবং কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ডিআইজি পদমর্যাদার চারজন কর্মকর্তার কর্মস্থল পরিবর্তন করা হয়েছে। এপিবিএন-এর ডিআইজি (এফডিএমএন) এর কার্যালয়ের প্রলয় চিসিমকে নোয়াখালী পিটিসির ডিআইজি এবং সিআইডির ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিমকে এপিবিএন-এর ডিআইজি (এফডিএমএন) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণিকে রংপুর পিটিসির ডিআইজি এবং এসবির ডিআইজি একেএম মোশাররফ হোসেন মিয়াজীকে খুলনা পিটিসির ডিআইজি পদে পদায়ন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচজন কর্মকর্তাকে নতুন স্থানে পদায়ন করা হয়েছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীরকে পুলিশ অধিদপ্তরের পুলিশ সুপার এবং এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. জাহিদুর রহমানকে সারদা বিপিএ-এর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার সালমা সৈয়দ পলি রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত হয়েছেন। সবশেষে, ঝিনাইদহ ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মো. শহীদুল ইসলাম এবং পুলিশ টেলিকমের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে পুলিশ সুপার হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
জামায়াত মননীত রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন। ছবি: সংগৃহীত
রংপুরের পীরগঞ্জে জামায়াতের এক এমপির (রংপুর-৬) বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা ও কাবিটার একাধিক প্রকল্পে ভাগনে-ভগ্নিপতি ও নিকট আত্মীয়কে সভাপতি বানিয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে টেস্ট রিলিফ (টিআর) ৩০ লক্ষ, কাবিটার ২৫ লক্ষ টাকা ও কাবিখার ৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সরকারের বিশেষ বরাদ্দ পেয়েছেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন। তার সংসদীয় আসনের বিভিন্ন এলাকায় টিআরের (নগদ অর্থ) ১৪টি, কাবিটার ১১টি ও কাবিখার ৫টিসহ মোট ৩০টি প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ বিভাজন করে তিনি প্রকল্প দাখিল করেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার ৯ নং সদর ইউনিয়নের তুলারামপুর গ্রামে এমপির বিশেষ বরাদ্দের দুটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। কাবিখা প্রকল্পে-১০ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দে বর্ণিত গ্রামে ইয়াকুব আলীর বাড়ির সামনে ওয়াক্তিয়া নামাজ ঘর উন্নয়ন ও মাঠে মাটি ভরাটকরণ প্রকল্প। এই প্রকল্পের সভাপতি করা হয়েছে এমপির চাচাতো বোনের স্বামী ভগ্নিপতি ইয়াকুব আলীকে।
অপর প্রকল্পটি একই গ্রামের উল্লেখিত ইয়াকুবের বাড়ি থেকে মুশফিকের বাড়ি যাওয়ার রাস্তা সলিংকরণ, ইয়াকুবের পুকুর পাড়ে গাইড ওয়াল নির্মাণ ও মাটি ভরাটকরণ। এ প্রকল্পের সভাপতি করা হয়েছে আগের প্রকল্পের সভাপতি ইয়াকুব আলীর ছেলে সালমান শরিফ শাওনকে। এই দুই প্রকল্পের সভাপতি পিতা-পুত্র। তারা দুজনই সম্পর্কে এমপির ভাগনে ও ভগ্নিপতি।
এছাড়া অন্যান্য প্রকল্পে নিকট আত্মীয়, দলীয় বিভিন্ন পদের নেতা-কর্মীদের সভাপতি করা হয়েছে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে সর্বত্র।
তুলারামপুর গ্রামের বাসিন্দা মুকুল মিয়া প্রশ্ন করেন, ওয়াক্তিয়া ঘরের জন্য একাধিক প্রকল্পে এমপি তার বোনজামাই, ভাগনেকে প্রকল্প সভাপতি করায় এর সঠিক বাস্তবায়ন কতটুকু হবে।
ওই গ্রামের মঞ্জু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তুলারামপুর গ্রামে পুরনো জামে মসজিদ রয়েছে। যেখানে নিয়মিত শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। মসজিদটির উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হলেও সেখানে কোনো বরাদ্দ না দিয়ে স্বজনপ্রীতি করে এমপি তার আত্মীয়-স্বজনদের প্রকল্প দিয়েছেন।
এ বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ইয়াকুব আলী বলেন, ‘প্রকল্পে কত টাকা বা কী বরাদ্দ আছে, সেটা আমি জানি না। অফিস থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে, তাই কাজ করছি।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল আজিজ বলেন, ‘অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘কাজ না করে টাকা তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে পরে কথা হবে।’ এ কথা বলেই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম গত শনিবার (২৭ জুন) নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় তিনি নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর টার্মিনাল এলাকা, বিশ্বব্যাংক কর্তৃক নির্মাণাধীন নতুন টার্মিনাল ভবন, মাছ ঘাটের নির্মাণাধীন শেড, খানপুর অভ্যন্তরীণ কনটেইনারের নির্মাণাধীন টার্মিনাল, ড্রেজার বেইজ নারায়ণগঞ্জ, উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়, ডিইপিটিসি এবং ড্রেজার বেইজ হতে শীতলক্ষ্যা নদীর শাহ্ সিমেন্ট ফ্যাক্টরির সম্মুখভাগ এলাকা হয়ে ধলেশ্বরী নদীর মুক্তারপুর ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত নৌপথ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালীন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল) রকিবুল ইসলাম তালুকদার, পরিচালক, প্রশাসন ও মানবসম্পদ এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব (বন্দর ও পরিবহন বিভাগ) মো. সাইফুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী (পুর) এ এইচ মো. ফরহাদ উজ্জামান ও নৌসওপ বিভাগের পরিচালক ক্যাপ্টেন মো. শাহজাহানসহ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের সকল শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুলাউড়া উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন গত শনিবার (২৭ জুন) জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুলাউড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ডা. অরুণাভ দে-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলাম।
সংগঠনের সদস্য সচিব অজয় দাস ও সুজিত দে-এর যৌথ সঞ্চালনায় সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন জেলা শাখার সভাপতি আশু রঞ্জন দাস। অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা।
প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদ মহিম দে। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নকুল চন্দ্র দাস, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য, কুলাউড়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুশীল সেনগুপ্ত, সাংবাদিক নাজমুল বারী সোহেল প্রমুখ।
ছবি: সংগৃহীত
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়াগামী নৌপথে ভুল বশত পদ্মার চরে আটকে পড়া ৯৯৯ ফোন পেয়ে লঞ্চে থাকা ৮৫ জন যাত্রী উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের একটি দল।
নৌপুলিশ জানায়, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৮টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাট থেকে ৮৫ জন যাত্রী নিয়ে এমভি বোয়ালি নামে একটি লঞ্চ পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে পথিমধ্যে পদ্মা নদীর মাঝখানে কুশাহাটা নামক স্থানে যাত্রীসহ আটকা পরে যায়।
পরে ৯৯৯ মাধ্যমে নৌপুলিশকে সংবাদ দিলে দৌলতদিয়া এবং পাটুরিয়া নৌপুলিশ উদ্ধার করে অন্য আরেকটি লঞ্চ এমভি চিশতিয়াতে স্থানান্তর করে।
এসময় নৌপুলিশের সহায়তায় রাত সাড়ে ১১ টার দিকে নিরাপদে পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটে পৌঁছে দেয় যাত্রীদের। তবে এসময় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ছবি: সংগৃহীত
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ধান কাটার কামলা সম্বোধন করে কথা বলাকে কেন্দ্র করে শ্যামল চন্দ্র মালী হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) দুপুরে শহরের জিরো পয়েন্টে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহত পরিবারের সদস্যসহ হিন্দু নেতারা অংশ নেয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিপন কুমার রবিদাস, আইনবিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. বাবুল রবিবাস, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক উজ্জল কুমার দাস ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রহল্লাদ বাঁশফোর।
বক্তারা বলেন, গত ৬ জুন আক্কেলপুর উপজেলার কাশিড়া গ্রামের সড়কে ধান কাটার কামলা সম্বোধন করে কথা বলাকে কেন্দ্র করে শ্যামল চন্দ্র মালীর মাথায় গাছের ডাল দিয়ে আঘাত করেন ঢেকুঞ্চা বাউস্ত গ্রামের রেজাউল দেওয়ানের ছেলে হাসান আলী। পরে হাসপাতালে নিলে শ্যামল মারা যায়।
এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে, নিহতের পরিবার নিরাপত্তাসহ ঘটনার জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের কাছে স্মারক লিপি দিয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাসব্যাপী ‘পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস’ ও ‘বৃক্ষরোপণ ২০২৬’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়ন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে ২০টি ভিন্ন প্রজাতির ১০ হাজার চারা বিতরণ ও রোপণ করবে।
রোববার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপউপাচার্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলী; বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম; এবং জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সদস্য সম্পাদক ও কর্মসূচির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে এবার ২০ প্রজাতির ১০,০০০ গাছ বিতরণ ও রোপণ করা হবে। আম, ব্ল্যাককারেন্ট, আমলকী, হরিতকী, পেয়ারা, কাঁঠাল, আটা, সফেদা ও জামসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হবে।
মন্তব্য