৫০তম বাজেট ও অতীতের কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত

৫০তম বাজেট ও অতীতের কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত

করোনা মহামারি সারা বিশ্বের অর্থনীতির অনেক হিসাব-নিকাশ পালটে দিয়েছে। অনেক বড় অর্থনীতির দেশগুলোতেও নেমে এসেছে বিপর্যয়। করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছরের মার্চ থেকেই বিপর্যস্ত অর্থনীতি। নিম্ন আয়ের মানুষ জীবন-জীবিকা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক থাকলেও রপ্তানি আয় কমেছে। আমদানিও হ্রাস পেয়েছে। রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় ছাড়া অর্থনীতির সব সূচকই হয়েছে নেতিবাচক। পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও হিমশিম খাচ্ছে বড় অর্থনীতির দেশগুলো। বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের অর্থনীতির বিপর্যয়ের যে আশঙ্কা করেছিল, সরকারের সময়োপযোগী সিন্ধান্তে পরিস্থিতি সুন্দরভাবে মোকাবিলা করে ভালো অবস্থানেই রয়েছে বাংলাদেশ।

৩০ জুন ১৯৭২, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ বেতার ও টেলিভিশনের মাধ্যমে ১৯৭১-৭২ এবং ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছিলেন।

একটি সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধস্ত দেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস, যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালের অভাবে শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ, খাদ্যসামগ্রীর অপ্রতুলতা, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাব, লক্ষ লক্ষ যুবক বেকার, এক কোটি লোকের প্রত্যাবর্তন, রিজার্ভ নেই, অর্থনীতির ভাণ্ডার শূন্য এমন একটি জটিল পরিস্থিতিতে সেসময় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল। ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।

বর্তমান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল পেশ করবেন ৫০তম বাজেট। ১৯৭২ সালের প্রথম বাজেটের ৭৮৬ কোটি টাকার আকার বেড়ে এবার প্রস্তাবিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

৫০ বছরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন অর্থনীতির সক্ষমতা। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়নসহ বেশ কিছু সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। করোনা মহামারিতে অর্থনৈতিক গতি একটু মন্থর হলেও এখনও এশিয়ার যেকোনো দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

জাতীয় বাজেট হলো সরকারের আয়-ব্যয়ের বাৎসরিক দলিল। বাজেট সংসদে উত্থাপন করা হয়। সংসদ সদস্যদের অনুমোদনের পর আইনে পরিণত হয়। প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সেটি কার্যকর থাকে।

অর্থনীতির আকার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই বাজেটের আকারও বাড়বে। ১৯৭১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরই বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে লক্ষণীয় যে, যখনই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় এসেছে সেসময় বাজেটের ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফটি ছিল অনেক বেশি।

বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের অর্থনীতির গতি যেখানে মন্থর ঠিক সেসময়ও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বাজেটের আকার। বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও প্রথমবারের মতো বাজেটের সীমানা ছাড়িয়েছে ছয় লাখ কোটি টাকা। এটাই আওয়ামী লীগ সরকারের দক্ষতা।

স্বাধীনতার এই পঞ্চাশ বছরে অর্ধেকের বেশি সময় ক্ষমতায় ছিল পাকিস্তানি মদতপুষ্ট সামরিক ও রাজনৈতিক দলসমূহ। তারা শুধু দেশটাকে পিছনের দিকে নিয়ে গেছে। এই ৫০ বছরে ১৩ জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা কিংবা সামরিক শাসক বাজেট পেশ করে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের চার মেয়াদে ৫ অর্থমন্ত্রী ২২টি বাজেট পেশ করেন।

২০২১-২২ অর্থবছরে আওয়ামী লীগ সরকারের ২৩তম বাজেট হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ১৯তম এবং একটানা ১৩তম বাজেট। যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি অনন্য রেকর্ড। ৫০ বছরে বাজেটের আকার বেড়েছে প্রায় ৭৬৬ গুণ। প্রথম বাজেটের পর এক হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩ বছর। ১০ হাজার কোটি হতে লেগেছে ১৪ বছর।

২১ বছর পর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এক লাখ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। আর ১০ বছরের মধ্যেই বাজেট ৫ লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করে। তারই ধারাবাহিকতায় সরকারের ৫০তম বাজেটের আকার দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ কোটি টাকা। টানা তৃতীয় মেয়াদে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের বাজেট নিত্যনতুন ইতিহাস তৈরি করে যাচ্ছে।

বাজেট অর্থনীতির জটিল হিসাব-নিকাশ। আমজনতা সেসব বোঝে না। তাদের কাছে মুখ্য হলো বাজেট পেশ করার পর কীসের দাম কমল আর কীসের দাম বাড়ল। সেদিকেই থাকে সাধারণ মানুষের মূল আগ্রহ। বাজেট অঙ্কের হিসাবে যতটা না মনোযোগ পায় তার চেয়ে বেশি মনোযোগ থাকে বাজার দরের ওপর। আর ব্যবসায়ীরা খোঁজে কোন পন্যের ওপর শুল্ক কমল আর কোনটির শুল্ক বাড়ল।

সরকারি দল বলে উন্নয়নের বাজেট, বিরোধী দল বলে গরিব মারার বাজেট আর সুশীল ব্যক্তিরা বলে উচ্চাভিলাষী বাজেট। একসময় বাজেট পেশের পর অবধারিত ছিল হরতাল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিরও বদল হয়েছে। এখন আর বিরোধী দলগুলো বাজেট পেশের পর হরতাল, মিছিল, ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ করে না। গরিব মারার বাজেটও বলে না। এসব শব্দ আর এখন হালে পানি পায় না।

বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ৷ মাথাপিছু আয় বাড়ছে৷ বাড়ছে গড় আয়ু৷ অর্থনীতির আকার বাড়ছে৷ বাড়ছে বাজেটের আকার৷ অবকঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে৷ বড় আকারের প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সক্ষমতাও বাড়ছে৷ তবে কমছে বাজেটে বিদেশ-নির্ভরতা, যা দেশের জন্য ইতিবাচক দিক৷ বাংলাদেশের উন্নয়ন বাজেট এখন প্রায়ই নিজস্ব সম্পদনির্ভর৷ আগে উন্নয়ন বাজেটের ৭০-৮০ ভাগ বিদেশি সহায়তানির্ভর ছিল, এখন তা ৫-৭ ভাগে এসে দাঁড়িয়েছে৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিজস্ব সম্পদে শতভাগ বাস্তবায়ন হবে।

বাংলাদেশের বিগত বাজেটসমূহ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল তখনই বাজেটের আকার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন মাইলফলক স্পর্শ করছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন সরকার ৪টি বাজেট পেশ করে। তৃতীয় বাজেটেই ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সেসময় সর্বশেষ বাজেটের আকার ছিল ১ হাজার ৫৪৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর টানা ২১ বছর আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে ছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসে। সেই সময়কার সরকার ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত টানা ছয়টি (২৬ থেকে ৩০তম) বাজেট পেশ করে। ২০০১ সালের পেশ করা ৩০তম এবং আওয়ামী লীগ সরকারের দশম বাজেট ছিল ৪২ হাজার ৩০৬ কোটি টাকার।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৯ সাল থেকে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আছে আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালের ১১ জুন (৩৯তম) ২০০৯-১০ অর্থবছরের ১ লাখ ১৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকার বাজেট পেশ করে।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাজেট ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজেট ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ৩ জুন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন। যার আকার হবে ৬ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। যার ফলে প্রথমবারের মতো বাজেটের আকার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের অধিকাংশ অর্জনই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়েছে। কৃষি-শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, ডিজিটাল বাংলাদেশ, অর্থনীতি, শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ সংকট দূরীকরণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদসহ প্রায় সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি বিশ্ববাসীকে অবাক করেছে। খাদ্য-ঘাটতির দেশ থেকে আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে রপ্তানির সক্ষমতাও অর্জন করেছে।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা, মেট্রোরেল, এলিভেটেট এক্সপ্রেসসহ বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নসহ প্রায় শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎসেবা পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া প্রতিটি মানুষের কাছেই পৌঁছে গেছে। শহর থেকে গ্রামপর্যায় পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা, ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং, মোবাইল মানি ট্রান্সফার, অনলাইনে বিমান-ট্রেন-বাস টিকিট, ই-টেন্ডারিং, ই-পাসপোর্ট, ই-শিক্ষা, ই-স্বাস্থ্য, ই-কৃষি, ই-বাণিজ্য, অনলাইনে বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার তথ্য ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে করেছে আরও গতিশীল।

বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ফলে ব্যাপকহারে দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। অসচ্ছল, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও দুঃস্থ মহিলা ভাতা, মাতৃকালীন ভাতাসহ সকল প্রকার ভাতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে।

শিক্ষাকে মানব সম্পদ ঘোষণা করে শিক্ষা বিস্তারে নেয়া হয়েছে বহুমুখী পদক্ষেপ। প্রাথমিক পর্যায়ে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী কমে ৯৭.৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বিনামূল্যে ১ কোটি বই বিতরণ, গরিব ও মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে প্রত্যেকটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য দেশে শতাধিক সরকারি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করা হয়েছে।

করোনা মহামারি সারা বিশ্বের অর্থনীতির অনেক হিসাব-নিকাশ পালটে দিয়েছে। অনেক বড় অর্থনীতির দেশগুলোতেও নেমে এসেছে বিপর্যয়। করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছরের মার্চ থেকেই বিপর্যস্ত অর্থনীতি। নিম্ন আয়ের মানুষ জীবন-জীবিকা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক থাকলেও রপ্তানি আয় কমেছে। আমদানিও হ্রাস পেয়েছে। রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় ছাড়া অর্থনীতির সব সূচকই হয়েছে নেতিবাচক।

পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও হিমশিম খাচ্ছে বড় অর্থনীতির দেশগুলো। বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের অর্থনীতির বিপর্যয়ের যে আশঙ্কা করেছিল, সরকারের সময়োপযোগী সিন্ধান্তে পরিস্থিতি সুন্দরভাবে মোকাবিলা করে ভালো অবস্থানেই রয়েছে বাংলাদেশ। রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, প্রবৃদ্ধি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ ধরে রাখা, মাথাপিছু আয় ভারতকেও ছাড়িয়ে যাওয়া, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি সবই হয়েছে করোনার সংকটময় সময়ে।

যখনই আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সুযোগ পায় তখনই বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে, সে কারণেই দেশের জনগণের প্রতি তাদের দায়িত্বও বেশি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি না থাকলে হয়তো ৫০তম বাজেট পেশকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যাপক আয়োজন করা হতো, সে ধরনের সুযোগ হয়ত হচ্ছে না। তবে এটাই আত্মতৃপ্তি ৫০ বছরে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে ও পৃথিবীর বুকে মর্যদাশীল জাতি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।

লেখক: সদস্য, সম্প্রীতি বাংলাদেশ ও সাবেক ছাত্রনেতা।

আরও পড়ুন:
ধর্ষক কে বা কারা?
মঞ্জুর হত্যার বিচারহীনতার ৪০ বছর
শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও আর্থিক খাতে অগ্রগতি
মাদকাসক্তি: যে অন্ধকার শুষে নেয় জীবনের আলো
কিশোর অপরাধ: আইন ও প্রতিকার

শেয়ার করুন

মন্তব্য