নৌকার প্রচারে অর্ধশতাধিক মাইক্রোবাস ও ৫০০ বাইক

নৌকার প্রচারে অর্ধশতাধিক মাইক্রোবাস ও ৫০০ বাইক

বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মাইকিং করা যাবে বলে উল্লেখ আছে। শুধু তাই নয়, রাত আটটার পর কোনো প্রার্থী গণসংযোগও চালাতে পারবেন না। কিন্তু পৌর এলাকার অনেক স্থানেই দেখা যাচ্ছে, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গণসংযোগ করছেন প্রার্থীরা। এ ছাড়া প্রচারে মোটরসাইকেল ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও তাও মানছেন না অনেকে।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নৌকার প্রচার চালাতে শনিবার বিজয়নগর উপজেলা থেকে অর্ধশতাধিক মাইক্রোবাস ও ৫০০ মোটারসাইকেল নিয়ে নেতা-কর্মীরা ঢোকেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায়।

কেউ কেউ ছোট পিকআপ ভ্যানে করে নৌকা প্রতীকের মিছিল নিয়ে শহরে আসেন। জোরে জোরে মোটরসাইকেলে হর্ন বাজিয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা দাবড়ে বেড়ান পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা।

আচরণবিধির ২০-এ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোনো প্রকার প্রচার চালাতে পারবেন না। এ বিধিও মানছেন না প্রার্থীরা।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর প্রায় প্রত্যেক প্রার্থীই মসজিদেরর ভেতরে প্রচার চালান। ভোটারদের সঙ্গে কোলাকুলিসহ তাদের কাছে ভোট চান।

তা ছাড়া বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মাইকিং করা যাবে বলে উল্লেখ আছে। শুধু তাই নয়, রাত আটটার পর কোনো প্রার্থী গণসংযোগও চালাতে পারবেন না। কিন্তু পৌর এলাকার অনেক স্থানেই দেখা যাচ্ছে, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গণসংযোগ করছেন প্রার্থীরা। এ ছাড়া প্রচারে মোটরসাইকেল ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও তাও মানছেন না অনেকে।

এ পৌরসভায় মেয়র পদে মোট ছয় জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগের নায়ার করিব, বিএনপির জহিরুল হক খোকন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল কারীম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাহমুদুল হক ভূঁইয়া ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নজরুল ইসলাম।

প্রথম ধাপ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও চতুর্থ ধাপে আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে দুটিতেই মেয়র পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বেকায়দায় আছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান মেয়র নায়ার কবির।

উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শেখ এমরান শনিবার বলেন, ‘বিজয়নগর থেকে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করতে এসেছি। উপজেলা অধিকাংশ নেতা-কর্মী আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। সকলেই পৌর এলাকার ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চেয়েছেন নৌকা প্রার্থীর পক্ষে। তা ছাড়া উপজেলা থেকে প্রায় ৩০০ মোটরসাইকেল মিছিল করতে করতে এসেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।’

তাদের এই কার্যকলাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সম্মিলিত সংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক আব্দুন নুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিজয়নগর থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে যেভাবে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে নেতা-কর্মীরা এসেছেন, তাতে শহরের ভেতর ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। তা ছাড়া মোটরসাইকেলে বিকট শব্দে হর্ন বাজিয়ে মিছিল করা হয়। এতে এলাকাবাসীর কান ঝালাপালা হয়ে যায়। প্রতিনিয়ত এভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করা কার্যক্রম দেখেও প্রশাসন নীরব।’

অন্যদিকে দলের চেয়ে এখানে ব্যক্তি, আঞ্চলিকতা ও গোষ্ঠীভিত্তিক বিভাজন জয়-পরাজয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদুল হক ভূঁইয়ার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন।

মাহমুদুল হক ভূঁইয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকমিটির সদস্য ছিলেন। তবে কিছু দিন আগে জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাকে অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তবে তিনি একাধিকবার মেয়র পদে দাঁড়ানোয় এবং করোনাকালে মানবসেবামূলক নানা কার্যক্রমের সুবাদে অনেকের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন। পাশাপাশি ভোটারের সঙ্গে তার বেশ সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নায়ার কবির বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় আমার কোনো সমস্যা হবে না। নৌকার বিরোধিতা করায় জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাকে (মাহমুদুল হক ভূঁইয়া) অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের কেউই তার সঙ্গে নেই। আমি নিজের বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।’
15

এ বিষয়ে মাহমুদুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু সুকৌশলে আমাকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়েছে। তবে দলমত-নির্বিশেষে পৌরবাসী আমাকে এখন ভোট দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। আমার বিজয় সুনিশ্চিত।’

ভোটারদের অনেকে বলছেন, বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে অনেকটা চাপে আছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নায়ার কবির। আর আওয়ামী লীগের এই ভোট-ভাগবাঁটোয়ারার কল্যাণে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।

ধানের শীষের প্রার্থী মো. জহিরুল হক খোকন বলেন, ‘যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই পৌরবাসী মেয়র নির্বাচন করবেন। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় আমার অনেকটা সুবিধা হয়েছে, বিষয়টা তেমন নয়। পৌরবাসীর কল্যাণে যোগ্যতা ও দক্ষতার দিক বিবেচনা করে পৌরবাসী আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আমি মনে করি। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটরা জরিমানা করছেন। তা ছাড়া আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পেলে আমরা তা গ্রহণ করে ব্যবস্থা নিব।’

তিনি আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় ১২টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৫০৪ জন।

এখানে মেয়র পদে ছয় জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

রোববার পঞ্চম ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভোট হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাইকোর্টে রিট আবেদনে অভিযোগ করেছেন, এ সব ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়েছে।

নরসিংদী পৌরসভার ছয়টি কেন্দ্রে আবার ভোট নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আবার ভোট গ্রহণ না করা পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

ওই পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এস এম কাইয়ুমের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নরসিংদী পৌরসভার বাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা-ই গাউছিয়া শরিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা, বামন্দি কে কে এম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বাগদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মীর ইমদাদ উচ্চ বিদ্যালয়, সাতিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কামারগাও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালসহ সাতটি কেন্দ্রের পুনঃভোট গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। তার সঙ্গে ছিলেন মোকাররামুছ সাকলান ইমন।

আইনজীবী সাকলান ইমন বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নরসিংদী পৌরসভার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন এই সাতটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। তখন কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বে থাকা নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়।

তখন এ অভিযোগ প্রিজাইডিং অফিসার এবং রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হয়। তারা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানায়। কিন্ত সেখান থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। পরে আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজকে এ আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুর পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র আওয়ামী লীগের মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ

নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগে প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ।

রোববার রাত ৯টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

ক শ্রেণির এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

১৪ দশমিক পাঁচ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ২৩টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ হয়েছে।

এই পৌরসভায় মোট ভোটার ৫১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৪ হাজার ৭২৩ জন এবং নারী ভোটার ২৬ হাজার ৭৫৫ জন।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাটে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। ফাইল ছবি

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। এরা হলেন শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। এদের মধ্যে বিএএনপি সমর্থিত প্রার্থী ভোট বর্জন করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন গিয়াস উদ্দিন।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা।

রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহজাহান শিকদার। তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির হেলাল উদ্দিন শাহ পেয়েছেন ২৮৯ ভোট।

রোববার সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরে নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন শাহজাহান শিকদার।

চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার। এর

২০০০ সালে এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা গঠিত হয়।

চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন। এ পৌরসভায় বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী নূর মোহাম্মদ ভোট বর্জন করায় গিয়াস উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

মিরসরাই পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে দেলোয়ার হোসেন খোকন, ২ নং ওয়ার্ডে এবাদুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডে নুর নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে শাখের ইসলাম রাজু, ৫ নং ওয়ার্ডে মো. জহির উদ্দিন, ৬ নং ওয়ার্ডে জামাল উদ্দিন লিটন, ৭ নং ওয়ার্ডে ওসমান গনি, ৮ নং ওয়ার্ডে আল ফায়হাত সংগ্রাম এবং ৯ নং ওয়ার্ডে ইলিয়াছ হোসেন লিটন জয়ী হয়েছেন।

এছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে রিজিয়া বেগম এবং ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে ফেরদৌস আরা লাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম খোকন। তিনি ৪ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির মনোনিত প্রার্থী দিদারুল আলম মিয়াজী পেয়েছেন ১৩১ ভোট।

বারইয়ারহাট পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আজিজুল হক মান্না, ২ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর রফিকুজ্জামান বাবুল, ৩ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রসুল আহম্মদ নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে মো. মাসুদ, ৫ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রতন দত্ত, ৬ নং ওয়ার্ডে মো. আলমগীর, ৭ নং ওয়ার্ডে আব্দুল খালেক, ৮ নং ওয়ার্ডে নিজাম উদ্দিন এবং ৯ নং ওয়ার্ডে এজাহার উদ্দিন জয়ী হয়েছেন।

এ ছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে শাহানাজ বেগম, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে শিল্পী ভৌমিক এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সেলিনা আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

সৈয়দপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র রাফিকা জাহান আকতার বেবী। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ৬৩ বছর পর পেল প্রথম নারী মেয়র। প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভায় রোববারের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রাফিকা জাহান আকতার বেবী।

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুল আলম ৯ হাজার ৬৩৩, স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল আউয়াল রবি ১ হাজার ৮৯২ ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফেজ নুরুল হুদা পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট।

স্বামী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র আখতার হোসেন বাদলের মৃত্যুতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সরাসরি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নেন রাফিকা।

ইতিহাস তৈরি করে মেয়র হওয়ায় তাকে শুভ কামনা জানিয়েছেন সৈয়দপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, পৌর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুসহ আওয়ামী লীগ ও দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার নতুন মেয়র এস.এম রবিন

গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার নতুন মেয়র এস.এম রবিন

কালীগঞ্জের নির্বাচিত মেয়র এস.এম রবিন হোসেন

নৌকা প্রতীক নিয়ে রবিন হোসেন পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সতন্ত্র প্রার্থী মো. লুৎফুর রহমান পেয়েছেন ১০ হাজার ২২৫টি ভোট।

পঞ্চম দফার পৌরসভা নির্বাচনে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের এস.এম রবিন হোসেন।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলা শহীদ ময়েজ উদ্দিন অডিটোরিয়ামে নির্বাচনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী মো. ইস্তাফিজুল হক আকন্দ এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নৌকা প্রতীক নিয়ে রবিন হোসেন পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সতন্ত্র প্রার্থী মো. লুৎফুর রহমান পেয়েছেন ১০ হাজার ২২৫টি ভোট।

এ ছাড়া বিএনপির প্রার্থী ফরিদ আহমেদ পেয়েছেন এক হাজার ২৯৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. চাঁন মিয়া পেয়েছেন ৫২৪ ভোট।

এদিকে, ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলররা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ, ২ নম্বর ওয়ার্ডে আফসার হোসেন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আশরাফউজ্জামান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ বাদল মিয়া, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আশরাফুল আলম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুস সালাম, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মো. নূরে আলম শেখ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আমির হোসেন এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।

খ শ্রেণির এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

১৫ দশমিক দুই বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১৭টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

পৌরসভায় মোট ভোটার ৩৬ হাজার ৬৪০ জন। এর মধ্যে ১৮ হাজার ৩২১ জন পুরুষ ও ১৮ হাজার ৩১৯ জন নারী ভোটার।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

কেশবপুরে পাঁচ গুণ ভোট পেয়ে জয় আ. লীগের

কেশবপুরে পাঁচ গুণ ভোট পেয়ে জয় আ. লীগের

কেশবপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ১১ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুস সামাদ বিশ্বাস পেয়েছেন ২ হাজার ৩১৩ ভোট।

যশোরের কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম ১১ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুস সামাদ বিশ্বাস পেয়েছেন ২ হাজার ৩১৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল কাদের পান ৪১০ ভোট।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রশিদ রোববার রাত ৯টার দিকে এ ফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচিত কাউন্সিররা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে আতিয়ার রহমান, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মশিয়ার রহমান, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কবীর হোসেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আফজাল হোসেন বাবু, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিশ্বাস শহীদুজ্জামান, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মনোয়ার হোসেন মিন্টু, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কামাল খান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল হালিম মোড়ল ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ইবাদাত সিদ্দিক বিপুল।

এ ছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনের মধ্যে ১ নম্বরে খাদিজা খাতুন, ২ নম্বর আসনে আছিয়া খাতুন ও ৩ নম্বরে আসমা খলিল জয়ী হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরও জানান, এ পৌরসভায় মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৭৫ জন। ইভিএমের মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে ১০টি কেন্দ্রে ভোট দেন তারা।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

হবিগঞ্জ পৌরসভায় নৌকার জয়

হবিগঞ্জ পৌরসভায় নৌকার জয়

হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান সেলিম

নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম ১৩ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৯০ ভোট।

হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান সেলিম।

রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম ১৩ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৯০ ভোট।

এ ছাড়া, বিএনপির এনামুল হক সেলিম পেয়েছেন তিন হাজার ২৪২ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলহাজ্ব সামছুল হুদা পেয়েছেন ৮৭৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী বশিরুল আলম কাওছার পেয়েছেন ২৩৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী পারভেজ হাসান পেয়েছেন ২৪৮ ভোট।

ক শ্রেণির এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

নয় দশমিক পাঁচ বর্গকিলোমিটার আয়তনের হবিগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ২৪টি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রিক ভোটিং সিস্টেমে (ইভিএম) শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে।

এই পৌরসভায় মোট ভোটার ৫০ হাজার ৯০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৫ হাজার ২৮৩ জন এবং নারী ভোটার ২৫ হাজার ৬২০।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
হারাগাছে লড়াই মর্যাদার
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg