প্রত্যাশা আকাশচুম্বী, প্রাপ্তিতে হতাশা

প্রত্যাশা আকাশচুম্বী, প্রাপ্তিতে হতাশা

হবিগঞ্জ পৌরসভার চেয়ার বদল হয়েছে অনেকবার। কিন্তু বদলায়নি পৌরবাসীর ভাগ্য। নানা সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে বসবাস করতে হচ্ছে প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভার বাসিন্দাদের।

স্বপ্নের শহর হবে হবিগঞ্জ পৌরসভা, এমন প্রত্যাশা ছিল বাসিন্দাদের। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ তো দূরের থাক, পৌরবাসীকে বাঁচতে হচ্ছে হাই-হুতাশ করে।

পৌরসভার চেয়ার বদল হয়েছে অনেকবার। কিন্তু বদলায়নি পৌরবাসীর ভাগ্য। নানা সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে বসবাস করতে হচ্ছে প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভার বাসিন্দাদের।

২৮ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ সদর পৌরসভায় ভোট সামনে রেখে ভোটাররা জানিয়েছেন তাদের চাওয়াপাওয়ার কথা।

বছর বছর কর বাড়লেও, বাড়েনি সুযোগসুবিধা। অপ্রশস্ত রাস্তাঘাট, যানজট, অকেজো ড্রেনেজ ব্যবস্থা, যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনার স্তূপ, অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতাসহ নানা সমস্যা নিয়েই বাস করতে হচ্ছে পৌরবাসীকে।

১৮৮১ সালে ৯.৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভা গঠিত হয়। পরে ১৯৯০ সালে হবিগঞ্জ পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত করা হয়। এ পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ৯৫ হাজার।

যানজটে নাকাল পৌরবাসী

হবিগঞ্জ পৌরসভার সবচেয়ে বড় সমস্যা যানজট। এই পৌরসভার সড়কগুলো সরু হওয়ায় দিনের পর দিন যানজট লেগেই থাকে। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে থেকে চৌধুরী বাজার পর্যন্ত মাত্র দেড় কিলোমিটারের রাস্তা। অথচ এই সড়কে প্রতিদিন চলাচল করে পাঁচ হাজারেরও বেশি টমটম ইজিবাইক। সেই সঙ্গে কয়েক হাজার রিকশা।

নগর পরিকল্পনাবিদরা মনে করেন, ছোট শহর হবিগঞ্জে ১ হাজার ২০০ টমটম-ইজিবাইকের বেশি চলাচল করা সম্ভব নয়। অথচ পাঁচ হাজারের বেশি টমটম-ইজিবাইকের অনুমোদন দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে নতুন করে আরও শতাধিক টমটম-ইজিবাইকের অনুমোদন দিয়েছে পৌরসভা। এ কারণে যানজটের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষকেই দুষছেন তারা।

হবিগঞ্জ পৌরসভার শ্যামলী এলাকার বাসিন্দা পল্লব চৌধুরী বলেন, ‘শহরের যানজটের অবস্থা কী বলব। প্রতিবছর ট্যাক্স বেড়ে দ্বিগুণ হয়। বাড়ি বানাতে ট্যাক্স লাগে, গাছ কাটতে ট্যাক্স লাগে। কিন্তু এত টাকা ট্যাক্স দিয়েও আমাদের সুযোগসুবিধা বৃদ্ধি পায়নি। যানজটের কারণে শহরে বের হওয়া যায় না।’

মামুনুর রহমান নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘হবিগঞ্জ ছোট্ট একটা শহর। অথচ এই শহরে প্রতিদিন যত টমটম চলে তার জন্য এই যানজট। তার জন্য কে দায়ী? অবশ্যই পৌর কর্তৃপক্ষ। তারা অনুমোদন না দিলে এগুলো চলাচল করতে পারত না।’

অকেজো ড্রেনেজ ব্যবস্থা

হবিগঞ্জ শহরে ৫৩.৬ কিলোমিটার ড্রেন রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ড্রেনের অবস্থাই নাজুক। হবিগঞ্জ শহরের প্রধান দুটি সড়কের দুই পাশের ড্রেনগুলোর অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ। কোথাও ড্রেন ভেঙে গেছে, কোথাও ভরাট হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনগুলো সংস্কার ও পরিষ্কার না করার কারণে পানিনিষ্কাশন হয় না। যে কারণে অল্প বৃষ্টিতেই শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে, শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডের ছোট ছোট ড্রেনগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। এ ছাড়া পৌরসভার চিড়িয়াকান্দি, কর্মকার পট্টি ও ইনাতাবাদ এলাকায় বড় বড় ড্রেনগুলোর অবস্থাও একই রকম। ড্রেনগুলোতে ময়লা পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

অকেজো ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে বৃষ্টি হলে পানিতে তলিয়ে যায় সার্কিট হাউস, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরও। এ ছাড়া শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার বাসাবাড়িতেও পানি ঢুকে যায়।

স্থানীয়রা বলছেন, পৌর এলাকায় গত ১০ বছরে ৫০টির বেশি পুকুর, জলাশয় ও খাল ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে বাসাবাড়িসহ নানা স্থাপনা। ফলে বৃষ্টির পানি যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কর্মকার পট্টির বাসিন্দা বিপ্লব রায় সুজন বলেন, ‘অনেক বছর ধরে ড্রেনগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভরে আছে। আমরা কাউন্সিলরসহ মেয়রকে বারবার বললেও তারা ড্রেনগুলো পরিষ্কারের কোনো ব্যবস্থাই নেননি।’

চিড়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা এলাকার সৈয়দ ইব্রাহী বলেন, ‘মাত্র ১ ঘণ্টা সময় বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট ডুবে যায়। এ সময় ড্রেনের যত ময়লা আবর্জনা রাস্তায় উঠে পড়ে। কোনো কোনো বাসা বাড়িতেও ময়লা পানি ঢুকে যায়। আমরা কতটা কষ্টে আছি, সেটা কেবল আমরাই জানি।’

গলার কাঁটা ময়লার স্তূপ

শহরের যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনার স্তূপ। পাশাপাশি শহরের ময়লা ফেলা হচ্ছে খোয়াই নদীর পার ও বাইপাস সড়কের দুই পাশে। কয়েক বছর আগে জমি কিনেও নানা জটিলতায় থমকে আছে পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ।

ময়লার দুর্গন্ধে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বাইপাস সড়কটি। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে জেলা আধুনিক স্টেডিয়াম, জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, আদালত, আনসার ভিডিবি ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায়। এতে ক্ষোভের অন্ত নেই স্থানীয় বাসিন্দাদের।

বাইপাস সড়কের দুই পাশে ময়লা ফেলা বন্ধ করতে কয়েকবার চিঠি দেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। সেই সঙ্গে পরিবেশবাদীদের আন্দোলন তো আছেই। তাতেও কোনো ফল মিলছে না।

এ ব্যাপারে জেলা বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, ‘পৌরসভার বিভিন্ন স্থানের হাজার হাজার টন ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে শহরের বাইপাস সড়কে। রাস্তার দুই পাশের সরকারি খালও পৌরসভার ময়লা ফেলে ভরাট করে ফেলা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ময়লার দুর্গন্ধে নান সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্থানীয়দের। মাঝেমধ্যে এই ময়লা স্তূপে পৌরসভার কর্মীরা আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন। এতে গ্যাসের সৃষ্টি হয়ে এলাকার পরিবেশ আরও বিষাক্ত করে তুলছে।’

15

লেখক তাহমিনা বেগম গিনি বলেন, ‘হবিগঞ্জ একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। অথচ এ পৌরসভার নাগরিকদের সমস্যার শেষ নেই। বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে প্রতিদিন লড়তে হয় পৌরসভার বাসিন্দাদের। অথচ সমস্যাগুলো সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো মাথা ব্যথাই দেখা যায় না।’

এ ব্যাপারে মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ‘উপনির্বাচনের পাস করার পর আমি মাত্র ১৮ মাস সময় পেয়েছি। কিন্তু এই সময়েও হবিগঞ্জ পৌরসভার ২১ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন করেছি।

‘শহরের জলাবদ্ধতা অনেকটা কমিয়ে এনেছি। যানজট নিরসনে রাস্তা প্রশস্তে কাজ ও ড্রেন নির্মাণ চলমান রয়েছে। আশা করি এবার নির্বাচনে জয়ী হলে দ্রুত একটি আধুনিক পৌরসভা উপহার দিতে পারব।’

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে জয়ী নৌকা

শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে জয়ী নৌকা

শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেফালী বেগম। ফাইল ছবি।

নির্বাচনে শেফালী বেগম ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৪ ভোটের মধ্যে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮১৬ ভোট। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হুমায়ন বাবর ফিরোজ পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৫২ ভোট। অনিয়মের অভিযোগ এনে বিকাল ৩টার দিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপি প্রার্থী।  

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেফালী বেগম।

রোববার রাত ৮টার দিকে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনে শেফালী বেগম ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৪ ভোটের মধ্যে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮১৬ ভোট।

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হুমায়ন বাবর ফিরোজ পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৫২ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭৫ ভোট।

রিটার্নিং কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, ‘১২০টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যালটে ভোট হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রার্থী লিখিত অভিযোগ জানায়নি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে তারা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ নিয়েছিলেন। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

তবে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী হুমায়ন বাবর ফিরোজ।

নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও সাংবাদিকদের ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

২০২০ সালের ৪ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনের মৃত্যুতে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হয়। নির্বাচনে তার স্ত্রী শেফালী বেগম নৌকা প্রতীক পান।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

বগুড়ায় বিএনপির বাদশা

বগুড়ায় বিএনপির বাদশা

বগুড়া পৌরসভায় মেয়র পদে জয়ী বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাদশার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০ ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল হাসান পান ২০ হাজার ৮৯ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ১৯১ ভোট।

বগুড়া পৌরসভায় মেয়র পদে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলে ৮২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়েছেন তিনি।

বগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে এ ফল ঘোষণা করেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাদশার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০ ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল হাসান পান ২০ হাজার ৮৯ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ১৯১ ভোট।

২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭০ ভোটারের এ পৌরসভায় ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ১১২ জন। সেই হিসাবে ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

এ পৌরসভার বর্তমান মেয়র ২০১৫ সালে জয় পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসের উপদেষ্টা একেএম মাহবুবর রহমান।

রোববার সকাল ৮টায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট শুরু হয়। পৌরসভার ২১ সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩০ এবং ৭টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে শাহ্ মো. মেহেদী হাসান হিমু, ২ নম্বরে তৌহিদুল ইসলাম বিটু, ৩ নম্বরে তরুণ কুমার চক্রবর্তী, ৪ নম্বরে মতিন সরকার, ৫ নম্বরে রেজাউল করিম ডাব্লুউ, ৬ নম্বরে পরিমল চন্দ্র দাস, ৭ নম্বরে দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু, ৮ নম্বরে এরশাদুল বারী এরশাদ, ৯ নম্বরে আলহাজ্ব শেখ, ১০ নম্বরে আরিফুর রহমান আরিফ।

এ ছাড়া ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপার আল বখতিয়ার, ১২ নম্বরে এনামুল হক সুমন, ১৩ নম্বরে আল মামুন, ১৪ নম্বরে এম আর ইসলাম রফিক, ১৫ নম্বরে আমিনুর ইসলাম, ১৬ নম্বরে আমীন আল মেহেদী, ১৭ নম্বরে ইকবাল হোসেন রাজু, ১৮ নম্বরে রাজু হোসেন পাইকার, ১৯ নম্বরে লুৎফর রহমান মিন্টু, ২০ নম্বরে রোস্তম আলী ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে রুহুল কুদ্দুস ডিলু কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

সকাল থেকেই সবকেন্দ্রে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোটার উপস্থিতিও ছিল অনেক বেশি ছিল।

ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ছিল সতর্ক অবস্থানে। পুলিশ, র‌্যাব, আনসার সদস্যের পাশাপাশি ছিল ১৬ প্লাটুন বিজিবি।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

রাজশাহীর দুই পৌরসভা নৌকার

রাজশাহীর দুই পৌরসভা নৌকার

চারঘাট পৌরসভায় মেয়র পদে জয়ী একরামুল হক ও দুর্গাপুর পৌরসভায় জয়ী তোফাজ্জল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

চারঘাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী একরামুল হক ১৪ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। দুর্গাপুরে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন।

দেশে পঞ্চম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে রাজশাহীর চারঘাট ও দুর্গাপুরে মেয়র পদে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।

চারঘাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী একরামুল হক ১৪ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮১২ ভোট। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রোববার দুপুরে অবশ্য ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিকুল।

দুর্গাপুর পৌরসভায় আবারও মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন। বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে ২ হাজার ৪০৭ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র হন তিনি। এ নিয়ে পরপর তিনবার তিনি মেয়র নির্বাচিত হলেন।

নির্বাচনের ফল অনুযায়ী, তোফাজ্জল হোসেন নৌকা প্রতীকে পান ৮ হাজার ৮০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জার্জিস হোসেন সোহেল পেয়েছেন ৬ হাজার ৪০১ ভোট।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসানুজ্জামান সান্টু মোবাইল ফোন প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২০৭ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর লাঙ্গল প্রতীকে পান ১৩৪ ভোট। এ পৌরসভায় ভোটের হার ৭৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

রোববার পঞ্চম ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভোট হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাইকোর্টে রিট আবেদনে অভিযোগ করেছেন, এ সব ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়েছে।

নরসিংদী পৌরসভার ছয়টি কেন্দ্রে আবার ভোট নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আবার ভোট গ্রহণ না করা পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

ওই পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এস এম কাইয়ুমের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নরসিংদী পৌরসভার বাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা-ই গাউছিয়া শরিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা, বামন্দি কে কে এম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বাগদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মীর ইমদাদ উচ্চ বিদ্যালয়, সাতিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কামারগাও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালসহ সাতটি কেন্দ্রের পুনঃভোট গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। তার সঙ্গে ছিলেন মোকাররামুছ সাকলান ইমন।

আইনজীবী সাকলান ইমন বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নরসিংদী পৌরসভার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন এই সাতটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। তখন কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বে থাকা নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়।

তখন এ অভিযোগ প্রিজাইডিং অফিসার এবং রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হয়। তারা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানায়। কিন্ত সেখান থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। পরে আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজকে এ আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুর পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র আওয়ামী লীগের মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ

নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগে প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ।

রোববার রাত ৯টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

ক শ্রেণির এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

১৪ দশমিক পাঁচ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ২৩টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ হয়েছে।

এই পৌরসভায় মোট ভোটার ৫১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৪ হাজার ৭২৩ জন এবং নারী ভোটার ২৬ হাজার ৭৫৫ জন।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাটে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। ফাইল ছবি

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। এরা হলেন শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। এদের মধ্যে বিএএনপি সমর্থিত প্রার্থী ভোট বর্জন করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন গিয়াস উদ্দিন।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা।

রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহজাহান শিকদার। তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির হেলাল উদ্দিন শাহ পেয়েছেন ২৮৯ ভোট।

রোববার সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরে নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন শাহজাহান শিকদার।

চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার। এর

২০০০ সালে এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা গঠিত হয়।

চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন। এ পৌরসভায় বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী নূর মোহাম্মদ ভোট বর্জন করায় গিয়াস উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

মিরসরাই পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে দেলোয়ার হোসেন খোকন, ২ নং ওয়ার্ডে এবাদুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডে নুর নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে শাখের ইসলাম রাজু, ৫ নং ওয়ার্ডে মো. জহির উদ্দিন, ৬ নং ওয়ার্ডে জামাল উদ্দিন লিটন, ৭ নং ওয়ার্ডে ওসমান গনি, ৮ নং ওয়ার্ডে আল ফায়হাত সংগ্রাম এবং ৯ নং ওয়ার্ডে ইলিয়াছ হোসেন লিটন জয়ী হয়েছেন।

এছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে রিজিয়া বেগম এবং ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে ফেরদৌস আরা লাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম খোকন। তিনি ৪ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির মনোনিত প্রার্থী দিদারুল আলম মিয়াজী পেয়েছেন ১৩১ ভোট।

বারইয়ারহাট পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আজিজুল হক মান্না, ২ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর রফিকুজ্জামান বাবুল, ৩ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রসুল আহম্মদ নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে মো. মাসুদ, ৫ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রতন দত্ত, ৬ নং ওয়ার্ডে মো. আলমগীর, ৭ নং ওয়ার্ডে আব্দুল খালেক, ৮ নং ওয়ার্ডে নিজাম উদ্দিন এবং ৯ নং ওয়ার্ডে এজাহার উদ্দিন জয়ী হয়েছেন।

এ ছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে শাহানাজ বেগম, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে শিল্পী ভৌমিক এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সেলিনা আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

সৈয়দপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র রাফিকা জাহান আকতার বেবী। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ৬৩ বছর পর পেল প্রথম নারী মেয়র। প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভায় রোববারের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রাফিকা জাহান আকতার বেবী।

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুল আলম ৯ হাজার ৬৩৩, স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল আউয়াল রবি ১ হাজার ৮৯২ ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফেজ নুরুল হুদা পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট।

স্বামী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র আখতার হোসেন বাদলের মৃত্যুতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সরাসরি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নেন রাফিকা।

ইতিহাস তৈরি করে মেয়র হওয়ায় তাকে শুভ কামনা জানিয়েছেন সৈয়দপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, পৌর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুসহ আওয়ামী লীগ ও দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg