মতলবে ভোটের আগেই বর্জন বিএনপির

সংবাদ সম্মেলনে মতলবের বিএনপির মেয়র এনামুল হক বাদল। ছবি: নিউজবাংলা

মতলবে ভোটের আগেই বর্জন বিএনপির

বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এনামুল হক বাদল বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার জন্য দশটি অভিযোগ নির্বাচন কমিশনকে দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি... আমার দলীয় নেতা-কর্মীদের হুমকি-ধমকি প্রদান করছে, আমার নির্বাচনি পোস্টার প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে।’ তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানালেন, মাঠে না নেমেই হামলার অভিযোগ করছে বিএনপি।

হামলা-মামলা থেকে নেতা-কর্মীদের রক্ষা করার কারণ দেখিয়ে চাঁদপুরের মতলব পৌরসভা নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি।

দলের মেয়র প্রার্থী এনামুল হক বাদলের অভিযোগ, তার নেতা-কর্মীরা নির্বিঘ্নে প্রচার চালাতে পারছেন না। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, তার প্রচারসামগ্রীতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। বিষয়গুলো প্রশাসনকে জানালেও সুফল মেলেনি।

সোমবার চাঁদপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেন ধানের শীষের প্রার্থী।

২৮ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপে দেশের যেসব পৌরসভায় ভোট হবে, তার মধ্যে আছে চাঁদপুরের এই পৌরসভাটি।

তবে ব্যালটে বিএনপি নেতার নামও থেকে যাবে। কারণ, ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে আগেই।

যদিও রিটার্নিং কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলছেন, বিএনপির প্রার্থী প্রচারেই নামেননি। আর তিনি যেসব অভিযোগ তার কাছে করেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।

বিএনপি প্রার্থী বলেন, ‘আমি দলের মার্কাকে সম্মান করে নানা বাধা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশ নিই। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন অসহযোগিতা করে আসছে।

‘নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার জন্য ১০টি অভিযোগ নির্বাচন কমিশনকে দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নির্বাচনি এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। আমার দলীয় নেতা-কর্মীদের হুমকি-ধমকি প্রদান করছে, আমার নির্বাচনি পোস্টার প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে।’

বাদল জানান, এসব অভিযোগ জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভায় তোলা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রশাসনের অসহযোগিতা, সরকারদলীয় লোকজনের হুমকি-ধমকি, মামলা-হামলা থেকে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপদে রাখার জন্য পৌরসভা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বলে সাংবাদিকদের জানান বাদল।

ভোটারদেরও নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির এই নেতা।

নির্বাচনী কর্মকর্তার অস্বীকার

বিএনপির প্রার্থী যেসব অভিযোগ করেছে, সেগুলো সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রিটার্নি কর্মকর্তা তোফায়েল হোসেন। নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি যখন অভিযোগ পেয়েছি, সঙ্গে সঙ্গে তা আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। তবে তিনি নির্বাচনের গণসংযোগে না নেমেই হামলার অভিযোগ করেছেন।’

তোফায়েল জানান, নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা মাঠে তৎপর রয়েছেন।

বিএনপির প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় এখন তিনজনের মধ্যে এখানে মেয়র পদের লড়াই হবে। তারা হলেন আওয়ামী লীগের আওলাদ হোসেন লিটন, জাতীয় পার্টির ডি এম আলাউদ্দিন কবির ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শফিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে জয়ী নৌকা

শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে জয়ী নৌকা

শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেফালী বেগম। ফাইল ছবি।

নির্বাচনে শেফালী বেগম ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৪ ভোটের মধ্যে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮১৬ ভোট। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হুমায়ন বাবর ফিরোজ পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৫২ ভোট। অনিয়মের অভিযোগ এনে বিকাল ৩টার দিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপি প্রার্থী।  

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেফালী বেগম।

রোববার রাত ৮টার দিকে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনে শেফালী বেগম ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৪ ভোটের মধ্যে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮১৬ ভোট।

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হুমায়ন বাবর ফিরোজ পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৫২ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭৫ ভোট।

রিটার্নিং কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, ‘১২০টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যালটে ভোট হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রার্থী লিখিত অভিযোগ জানায়নি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে তারা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ নিয়েছিলেন। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

তবে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী হুমায়ন বাবর ফিরোজ।

নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও সাংবাদিকদের ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

২০২০ সালের ৪ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনের মৃত্যুতে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হয়। নির্বাচনে তার স্ত্রী শেফালী বেগম নৌকা প্রতীক পান।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

বগুড়ায় বিএনপির বাদশা

বগুড়ায় বিএনপির বাদশা

বগুড়া পৌরসভায় মেয়র পদে জয়ী বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাদশার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০ ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল হাসান পান ২০ হাজার ৮৯ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ১৯১ ভোট।

বগুড়া পৌরসভায় মেয়র পদে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলে ৮২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়েছেন তিনি।

বগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে এ ফল ঘোষণা করেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাদশার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০ ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল হাসান পান ২০ হাজার ৮৯ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ১৯১ ভোট।

২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭০ ভোটারের এ পৌরসভায় ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ১১২ জন। সেই হিসাবে ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

এ পৌরসভার বর্তমান মেয়র ২০১৫ সালে জয় পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসের উপদেষ্টা একেএম মাহবুবর রহমান।

রোববার সকাল ৮টায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট শুরু হয়। পৌরসভার ২১ সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩০ এবং ৭টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে শাহ্ মো. মেহেদী হাসান হিমু, ২ নম্বরে তৌহিদুল ইসলাম বিটু, ৩ নম্বরে তরুণ কুমার চক্রবর্তী, ৪ নম্বরে মতিন সরকার, ৫ নম্বরে রেজাউল করিম ডাব্লুউ, ৬ নম্বরে পরিমল চন্দ্র দাস, ৭ নম্বরে দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু, ৮ নম্বরে এরশাদুল বারী এরশাদ, ৯ নম্বরে আলহাজ্ব শেখ, ১০ নম্বরে আরিফুর রহমান আরিফ।

এ ছাড়া ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপার আল বখতিয়ার, ১২ নম্বরে এনামুল হক সুমন, ১৩ নম্বরে আল মামুন, ১৪ নম্বরে এম আর ইসলাম রফিক, ১৫ নম্বরে আমিনুর ইসলাম, ১৬ নম্বরে আমীন আল মেহেদী, ১৭ নম্বরে ইকবাল হোসেন রাজু, ১৮ নম্বরে রাজু হোসেন পাইকার, ১৯ নম্বরে লুৎফর রহমান মিন্টু, ২০ নম্বরে রোস্তম আলী ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে রুহুল কুদ্দুস ডিলু কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

সকাল থেকেই সবকেন্দ্রে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোটার উপস্থিতিও ছিল অনেক বেশি ছিল।

ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ছিল সতর্ক অবস্থানে। পুলিশ, র‌্যাব, আনসার সদস্যের পাশাপাশি ছিল ১৬ প্লাটুন বিজিবি।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

রাজশাহীর দুই পৌরসভা নৌকার

রাজশাহীর দুই পৌরসভা নৌকার

চারঘাট পৌরসভায় মেয়র পদে জয়ী একরামুল হক ও দুর্গাপুর পৌরসভায় জয়ী তোফাজ্জল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

চারঘাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী একরামুল হক ১৪ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। দুর্গাপুরে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন।

দেশে পঞ্চম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে রাজশাহীর চারঘাট ও দুর্গাপুরে মেয়র পদে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।

চারঘাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী একরামুল হক ১৪ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮১২ ভোট। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রোববার দুপুরে অবশ্য ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিকুল।

দুর্গাপুর পৌরসভায় আবারও মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন। বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে ২ হাজার ৪০৭ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র হন তিনি। এ নিয়ে পরপর তিনবার তিনি মেয়র নির্বাচিত হলেন।

নির্বাচনের ফল অনুযায়ী, তোফাজ্জল হোসেন নৌকা প্রতীকে পান ৮ হাজার ৮০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জার্জিস হোসেন সোহেল পেয়েছেন ৬ হাজার ৪০১ ভোট।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসানুজ্জামান সান্টু মোবাইল ফোন প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২০৭ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর লাঙ্গল প্রতীকে পান ১৩৪ ভোট। এ পৌরসভায় ভোটের হার ৭৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

রোববার পঞ্চম ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভোট হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাইকোর্টে রিট আবেদনে অভিযোগ করেছেন, এ সব ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়েছে।

নরসিংদী পৌরসভার ছয়টি কেন্দ্রে আবার ভোট নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আবার ভোট গ্রহণ না করা পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

ওই পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এস এম কাইয়ুমের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নরসিংদী পৌরসভার বাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা-ই গাউছিয়া শরিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা, বামন্দি কে কে এম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বাগদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মীর ইমদাদ উচ্চ বিদ্যালয়, সাতিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কামারগাও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালসহ সাতটি কেন্দ্রের পুনঃভোট গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। তার সঙ্গে ছিলেন মোকাররামুছ সাকলান ইমন।

আইনজীবী সাকলান ইমন বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নরসিংদী পৌরসভার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন এই সাতটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। তখন কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বে থাকা নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়।

তখন এ অভিযোগ প্রিজাইডিং অফিসার এবং রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হয়। তারা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানায়। কিন্ত সেখান থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। পরে আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজকে এ আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুর পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র আওয়ামী লীগের মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ

নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগে প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ।

রোববার রাত ৯টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

ক শ্রেণির এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

১৪ দশমিক পাঁচ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ২৩টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ হয়েছে।

এই পৌরসভায় মোট ভোটার ৫১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৪ হাজার ৭২৩ জন এবং নারী ভোটার ২৬ হাজার ৭৫৫ জন।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাটে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। ফাইল ছবি

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। এরা হলেন শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। এদের মধ্যে বিএএনপি সমর্থিত প্রার্থী ভোট বর্জন করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন গিয়াস উদ্দিন।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা।

রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহজাহান শিকদার। তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির হেলাল উদ্দিন শাহ পেয়েছেন ২৮৯ ভোট।

রোববার সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরে নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন শাহজাহান শিকদার।

চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার। এর

২০০০ সালে এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা গঠিত হয়।

চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন। এ পৌরসভায় বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী নূর মোহাম্মদ ভোট বর্জন করায় গিয়াস উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

মিরসরাই পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে দেলোয়ার হোসেন খোকন, ২ নং ওয়ার্ডে এবাদুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডে নুর নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে শাখের ইসলাম রাজু, ৫ নং ওয়ার্ডে মো. জহির উদ্দিন, ৬ নং ওয়ার্ডে জামাল উদ্দিন লিটন, ৭ নং ওয়ার্ডে ওসমান গনি, ৮ নং ওয়ার্ডে আল ফায়হাত সংগ্রাম এবং ৯ নং ওয়ার্ডে ইলিয়াছ হোসেন লিটন জয়ী হয়েছেন।

এছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে রিজিয়া বেগম এবং ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে ফেরদৌস আরা লাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম খোকন। তিনি ৪ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির মনোনিত প্রার্থী দিদারুল আলম মিয়াজী পেয়েছেন ১৩১ ভোট।

বারইয়ারহাট পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আজিজুল হক মান্না, ২ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর রফিকুজ্জামান বাবুল, ৩ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রসুল আহম্মদ নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে মো. মাসুদ, ৫ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রতন দত্ত, ৬ নং ওয়ার্ডে মো. আলমগীর, ৭ নং ওয়ার্ডে আব্দুল খালেক, ৮ নং ওয়ার্ডে নিজাম উদ্দিন এবং ৯ নং ওয়ার্ডে এজাহার উদ্দিন জয়ী হয়েছেন।

এ ছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে শাহানাজ বেগম, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে শিল্পী ভৌমিক এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সেলিনা আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

সৈয়দপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র রাফিকা জাহান আকতার বেবী। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ৬৩ বছর পর পেল প্রথম নারী মেয়র। প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভায় রোববারের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রাফিকা জাহান আকতার বেবী।

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুল আলম ৯ হাজার ৬৩৩, স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল আউয়াল রবি ১ হাজার ৮৯২ ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফেজ নুরুল হুদা পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট।

স্বামী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র আখতার হোসেন বাদলের মৃত্যুতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সরাসরি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নেন রাফিকা।

ইতিহাস তৈরি করে মেয়র হওয়ায় তাকে শুভ কামনা জানিয়েছেন সৈয়দপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, পৌর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুসহ আওয়ামী লীগ ও দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

আরও পড়ুন:
যশোর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে বাধা নেই
চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg