চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু

নিহত মোহাম্মদ হাবিব। ফাইল ছবি

চন্দনাইশ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার নিউজবাংলাকে জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ হাবিবকে গুরুতর অবস্থায় আনা হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার তার মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ এক তরুণ মারা গেছেন।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত মোহাম্মদ হাবিবের বয়স ২২ বছর। তিনি চন্দনাইশ পৌর এলাকার মোহাম্মদ লেদু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চন্দনাইশ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ গাছবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই পক্ষের সংঘর্ষপ গুলিবিদ্ধ হন হাবিব। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার নিউজবাংলাকে জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ হাবিবকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার তার মৃত্যু হয়েছে।

তবে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১৪ তারিখ পৌর নির্বাচনে গুলিবিদ্ধের কোনো ঘটনা আমরা শুনিনি। আমাদের কাছে অভিযোগও দেয়নি কেউ। তবে রোববার মোহাম্মদ হাবিব নামে গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যুর কথা শুনেছি।’

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বগুড়ায় বিএনপির বাদশা

বগুড়ায় বিএনপির বাদশা

বগুড়া পৌরসভায় মেয়র পদে জয়ী বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাদশার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০ ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল হাসান পান ২০ হাজার ৮৯ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ১৯১ ভোট।

বগুড়া পৌরসভায় মেয়র পদে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলে ৮২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়েছেন তিনি।

বগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে এ ফল ঘোষণা করেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাদশার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০ ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল হাসান পান ২০ হাজার ৮৯ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ১৯১ ভোট।

২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭০ ভোটারের এ পৌরসভায় ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ১১২ জন। সেই হিসাবে ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

এ পৌরসভার বর্তমান মেয়র ২০১৫ সালে জয় পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসের উপদেষ্টা একেএম মাহবুবর রহমান।

রোববার সকাল ৮টায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট শুরু হয়। পৌরসভার ২১ সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩০ এবং ৭টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে শাহ্ মো. মেহেদী হাসান হিমু, ২ নম্বরে তৌহিদুল ইসলাম বিটু, ৩ নম্বরে তরুণ কুমার চক্রবর্তী, ৪ নম্বরে মতিন সরকার, ৫ নম্বরে রেজাউল করিম ডাব্লুউ, ৬ নম্বরে পরিমল চন্দ্র দাস, ৭ নম্বরে দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু, ৮ নম্বরে এরশাদুল বারী এরশাদ, ৯ নম্বরে আলহাজ্ব শেখ, ১০ নম্বরে আরিফুর রহমান আরিফ।

এ ছাড়া ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপার আল বখতিয়ার, ১২ নম্বরে এনামুল হক সুমন, ১৩ নম্বরে আল মামুন, ১৪ নম্বরে এম আর ইসলাম রফিক, ১৫ নম্বরে আমিনুর ইসলাম, ১৬ নম্বরে আমীন আল মেহেদী, ১৭ নম্বরে ইকবাল হোসেন রাজু, ১৮ নম্বরে রাজু হোসেন পাইকার, ১৯ নম্বরে লুৎফর রহমান মিন্টু, ২০ নম্বরে রোস্তম আলী ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে রুহুল কুদ্দুস ডিলু কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

সকাল থেকেই সবকেন্দ্রে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোটার উপস্থিতিও ছিল অনেক বেশি ছিল।

ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ছিল সতর্ক অবস্থানে। পুলিশ, র‌্যাব, আনসার সদস্যের পাশাপাশি ছিল ১৬ প্লাটুন বিজিবি।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

নরসিংদী পৌরসভার ছয় কেন্দ্রে পুনঃভোট

রোববার পঞ্চম ধাপে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভোট হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাইকোর্টে রিট আবেদনে অভিযোগ করেছেন, এ সব ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়েছে।

নরসিংদী পৌরসভার ছয়টি কেন্দ্রে আবার ভোট নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আবার ভোট গ্রহণ না করা পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

ওই পৌরসভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এস এম কাইয়ুমের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নরসিংদী পৌরসভার বাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা-ই গাউছিয়া শরিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা, বামন্দি কে কে এম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বাগদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মীর ইমদাদ উচ্চ বিদ্যালয়, সাতিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কামারগাও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালসহ সাতটি কেন্দ্রের পুনঃভোট গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। তার সঙ্গে ছিলেন মোকাররামুছ সাকলান ইমন।

আইনজীবী সাকলান ইমন বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নরসিংদী পৌরসভার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন এই সাতটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। তখন কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বে থাকা নির্বাচনি কর্মকর্তার কাছে থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারা হয়।

তখন এ অভিযোগ প্রিজাইডিং অফিসার এবং রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হয়। তারা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানায়। কিন্ত সেখান থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। পরে আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজকে এ আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুরে মেয়র হলেন খালিদ হোসেন ইয়াদ

মাদারীপুর পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র আওয়ামী লীগের মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ

নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগে প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ।

রোববার রাত ৯টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৫৬ ভোট।

ক শ্রেণির এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

১৪ দশমিক পাঁচ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ২৩টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ হয়েছে।

এই পৌরসভায় মোট ভোটার ৫১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৪ হাজার ৭২৩ জন এবং নারী ভোটার ২৬ হাজার ৭৫৫ জন।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

চট্টগ্রামের তিন পৌরসভায় নৌকার জয়

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাটে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। ফাইল ছবি

রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। এরা হলেন শাহজাহান শিকদার, গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম খোকন। এদের মধ্যে বিএএনপি সমর্থিত প্রার্থী ভোট বর্জন করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন গিয়াস উদ্দিন।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা।

রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহজাহান শিকদার। তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির হেলাল উদ্দিন শাহ পেয়েছেন ২৮৯ ভোট।

রোববার সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরে নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন শাহজাহান শিকদার।

চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার। এর

২০০০ সালে এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা গঠিত হয়।

চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন। এ পৌরসভায় বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী নূর মোহাম্মদ ভোট বর্জন করায় গিয়াস উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

মিরসরাই পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে দেলোয়ার হোসেন খোকন, ২ নং ওয়ার্ডে এবাদুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডে নুর নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে শাখের ইসলাম রাজু, ৫ নং ওয়ার্ডে মো. জহির উদ্দিন, ৬ নং ওয়ার্ডে জামাল উদ্দিন লিটন, ৭ নং ওয়ার্ডে ওসমান গনি, ৮ নং ওয়ার্ডে আল ফায়হাত সংগ্রাম এবং ৯ নং ওয়ার্ডে ইলিয়াছ হোসেন লিটন জয়ী হয়েছেন।

এছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে রিজিয়া বেগম এবং ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে ফেরদৌস আরা লাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বারইয়ারহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম খোকন। তিনি ৪ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির মনোনিত প্রার্থী দিদারুল আলম মিয়াজী পেয়েছেন ১৩১ ভোট।

বারইয়ারহাট পৌরসভায় ১ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আজিজুল হক মান্না, ২ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর রফিকুজ্জামান বাবুল, ৩ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রসুল আহম্মদ নবী, ৪ নং ওয়ার্ডে মো. মাসুদ, ৫ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর রতন দত্ত, ৬ নং ওয়ার্ডে মো. আলমগীর, ৭ নং ওয়ার্ডে আব্দুল খালেক, ৮ নং ওয়ার্ডে নিজাম উদ্দিন এবং ৯ নং ওয়ার্ডে এজাহার উদ্দিন জয়ী হয়েছেন।

এ ছাড়া সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে শাহানাজ বেগম, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে শিল্পী ভৌমিক এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সেলিনা আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

৬৩ বছরে প্রথম নারী মেয়র পেল সৈয়দপুর

সৈয়দপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র রাফিকা জাহান আকতার বেবী। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ৬৩ বছর পর পেল প্রথম নারী মেয়র। প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভায় রোববারের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রাফিকা জাহান আকতার বেবী।

প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন রাফিকা জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রশিদুল হক সরকার পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুল আলম ৯ হাজার ৬৩৩, স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল আউয়াল রবি ১ হাজার ৮৯২ ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফেজ নুরুল হুদা পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট।

স্বামী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র আখতার হোসেন বাদলের মৃত্যুতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সরাসরি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নেন রাফিকা।

ইতিহাস তৈরি করে মেয়র হওয়ায় তাকে শুভ কামনা জানিয়েছেন সৈয়দপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, পৌর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুসহ আওয়ামী লীগ ও দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার নতুন মেয়র এস.এম রবিন

গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার নতুন মেয়র এস.এম রবিন

কালীগঞ্জের নির্বাচিত মেয়র এস.এম রবিন হোসেন

নৌকা প্রতীক নিয়ে রবিন হোসেন পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সতন্ত্র প্রার্থী মো. লুৎফুর রহমান পেয়েছেন ১০ হাজার ২২৫টি ভোট।

পঞ্চম দফার পৌরসভা নির্বাচনে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের এস.এম রবিন হোসেন।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলা শহীদ ময়েজ উদ্দিন অডিটোরিয়ামে নির্বাচনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী মো. ইস্তাফিজুল হক আকন্দ এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নৌকা প্রতীক নিয়ে রবিন হোসেন পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সতন্ত্র প্রার্থী মো. লুৎফুর রহমান পেয়েছেন ১০ হাজার ২২৫টি ভোট।

এ ছাড়া বিএনপির প্রার্থী ফরিদ আহমেদ পেয়েছেন এক হাজার ২৯৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. চাঁন মিয়া পেয়েছেন ৫২৪ ভোট।

এদিকে, ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলররা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ, ২ নম্বর ওয়ার্ডে আফসার হোসেন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আশরাফউজ্জামান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ বাদল মিয়া, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আশরাফুল আলম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুস সালাম, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মো. নূরে আলম শেখ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আমির হোসেন এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।

খ শ্রেণির এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

১৫ দশমিক দুই বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১৭টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

পৌরসভায় মোট ভোটার ৩৬ হাজার ৬৪০ জন। এর মধ্যে ১৮ হাজার ৩২১ জন পুরুষ ও ১৮ হাজার ৩১৯ জন নারী ভোটার।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

কেশবপুরে পাঁচ গুণ ভোট পেয়ে জয় আ. লীগের

কেশবপুরে পাঁচ গুণ ভোট পেয়ে জয় আ. লীগের

কেশবপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ১১ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুস সামাদ বিশ্বাস পেয়েছেন ২ হাজার ৩১৩ ভোট।

যশোরের কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম ১১ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুস সামাদ বিশ্বাস পেয়েছেন ২ হাজার ৩১৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল কাদের পান ৪১০ ভোট।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রশিদ রোববার রাত ৯টার দিকে এ ফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচিত কাউন্সিররা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে আতিয়ার রহমান, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মশিয়ার রহমান, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কবীর হোসেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আফজাল হোসেন বাবু, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিশ্বাস শহীদুজ্জামান, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মনোয়ার হোসেন মিন্টু, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কামাল খান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল হালিম মোড়ল ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ইবাদাত সিদ্দিক বিপুল।

এ ছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনের মধ্যে ১ নম্বরে খাদিজা খাতুন, ২ নম্বর আসনে আছিয়া খাতুন ও ৩ নম্বরে আসমা খলিল জয়ী হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরও জানান, এ পৌরসভায় মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৭৫ জন। ইভিএমের মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে ১০টি কেন্দ্রে ভোট দেন তারা।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হয়নি মামলা
রঙিন পোস্টার: ৪ প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা
ক্যাম্পে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’, সভায় বাধার অভিযোগ
নির্বাচনি পোস্টারের আবর্জনা ১১.৭২ টন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের আরও ৬ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg