জীবননগর ও আলমডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ

জীবননগর ও আলমডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পৌর নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯১৭ ভোট। আলমডাঙ্গায় জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের হাসান কাদির গনু। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৫২ ভোট।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পৌর নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯১৭ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহাজাহান কবীর পেয়েছেন ৭৬৬ ভোট। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খোকন মিয়া পেয়েছেন ২৫৩ ভোট।

জীবননগরে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হয় সকাল আটটায়। এ পৌরসভায় ১০ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২০ হাজার ৮২৭ ।

মেয়র পদে তিন প্রার্থীর পাশাপাশি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।

এদিকে, আলমডাঙ্গায় জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের হাসান কাদির গনু। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৫২ ভোট।

নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম সবেদ আলী মোবাইল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ১২৩ ভোট। আর বিএনপির মীর মহি উদ্দিন পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫৮ ভোট।

আলমডাঙ্গা পৌরসভায় ইলেকট্রনিক্স ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হয়। ১৫টি কেন্দ্রে ভোট দেন ২৬ হাজার ১৩৯ জন।

নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন প্রার্থীর পাশাপাশি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১২ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কালীগঞ্জে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৪

কালীগঞ্জে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৪

ওসি জানান, পুলিশ ও বিজিবি তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।

কালীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থী মেহেদী হাসান সজল ও আরিফুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই প্রার্থীর সমর্থকরা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু করে।

পুলিশ ও বিজিবি তাদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহত তিনজনকে স্থানীয়ভাবে এবং একজনকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, ভোটকেন্দ্রের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। এতে ভোটে কোনো প্রভাব পড়েনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

চারঘাটে বিএনপির ভোট বর্জন; ককটেল বিস্ফোরণ

চারঘাটে বিএনপির ভোট বর্জন; ককটেল বিস্ফোরণ

রাজশাহীর চারঘাট পৌরসভার বিএনপির প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল নির্বাচন বর্জন করেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

রাজশাহীর চারঘাট পৌরসভার বিএনপির প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল নির্বাচন বর্জন করেছেন। আর আগে সকালে সারদা থানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

রাজশাহীর চারঘাট পৌরসভার বিএনপির প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

মিঞাপুরের নিজ বাড়িতে রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘সরকার প্রহসনের নির্বাচন করছে। সব কেন্দ্র থেকে আমার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রে বিএনপির সমর্থক ও ভোটারদের আঙুলের ছাপ নিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।’

তার ওপর ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় সংশয় প্রকাশ করেন। ভোট বর্জনের পর তার ও তার পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র দখলে নিতে আমার সামনেই হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। প্রশাসন নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত তা হচ্ছে না।’

এর আগে সারদা থানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

ঘটনার সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী একরামুল হক ও বিএনপির প্রার্থী বিকুল ওই কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুটি ককটেলের মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। অন্যটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছিল। পরে পুলিশ সেটি নিষ্ক্রিয় করে।

বিস্ফোরণের সময় অনেক ভোটার ওই কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যান। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সারদা থানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের এই ঘটনার জন্য প্রধান দুই প্রার্থী একে অন্যকে দুষছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী একরামুল হক বলেন, ‘এটা বিএনপি ও জামায়াত ক্যাডারদের কাজ। তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতেই এ হামলা ঘটিয়েছে।’

চারঘাট পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সৈয়দা সামিরা বলেন, ‘ককটেল বিস্ফোরণের কারণে ভোট বন্ধ ছিল না। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। ভালোভাবেই ভোট হচ্ছে। আর বিএনপির ভোট বর্জনের বিষয়টা আমি এখনও জানি না।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, ‘কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা বলতে পারব না। তবে এ ধরনের একটা ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

কারচুপির অভিযোগে মহেশপুরে বিএনপির ভোট বর্জন

কারচুপির অভিযোগে মহেশপুরে বিএনপির ভোট বর্জন

ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন মহেশপুরের বিএনপি প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান। ছবি: নিউজবাংলা

মহেশপুর পৌরসভার বিএনপির মেয়র প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান চুন্নু অভিযোগ করেন, ‘আমি বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখেছি ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে গোপন কক্ষ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভোট দেয়ানো হচ্ছে।’

কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার বিএনপির মেয়র প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান চুন্নু। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তার কাছে আসেনি।

শহরের দুলারী সিনেমা হল সড়কের বিএনপির কার্যালয়ে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘ভোট শুরুর পর থেকেই ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর সমর্থকরা নির্দিষ্ট প্রতীকে জোরপূর্বক ভোট নিচ্ছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্ট বের করে দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখেছি ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে গোপন কক্ষ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভোট দেয়ানো হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।’

মহেশপুর পৌরসভার রিটার্নিং কর্মকর্তা শাশ্বতী শীল বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হচ্ছে। এখানে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না। বিএনপির প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন এটা আমি জানি না। অনিয়মের ব্যাপারে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তার কাছে তিনি অভিযোগ দেননি।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আব্দুর রশিদ খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

কেন্দ্রের বাইরে ককটেল, আতঙ্কে কমল ভোটার

কেন্দ্রের বাইরে ককটেল, আতঙ্কে কমল ভোটার

ককটেল বিস্ফোরণের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্রের চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্রের পাশের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ হওয়ার পর ওই কেন্দ্রে ভোট কমে গেছে বলে জানান প্রিসাইডিং কর্মকর্তা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি, ভোটও স্বাভাবিকভাবে চলছে বলে জানান কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা।

পৌর এলাকার সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্রের পাশের সড়কে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

সেখানে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেন্দ্রের কাছেই সড়কে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এতে কিছুক্ষণের জন্য আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ভোটার ও পথচারীরা।

এ ঘটনার পর কেন্দ্রটিতে ভোটার উপস্থিতি কম দেখা যায়। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের বাইরে রাস্তায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে কেন্দ্রে কোনো সমস্যা হয়নি।’

তিনি জানান, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ২১৮ জন হলেও বিস্ফোরণের পর দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্র ৫২০টি।

এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের কোনো খবর তিনি পাননি। তার দাবি, সব ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

জামালপুরে ভোট বর্জন বিএনপির

জামালপুরে ভোট বর্জন বিএনপির

নিজস্ব কার্যালয়ে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। ছবি: নিউজবাংলা

ওয়ারেছ আলী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ‘পৌরসভার সব কটি কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। ভোটাররা নিজের ভোট নিজে দিতে পারছেন না। তাই ভোট বর্জন করলাম।’

জামালপুর সদর পৌরসভায় ভোট বর্জন করেছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

শহরের সরদারপাড়াস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি।

ওয়ারেছ আলী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ‘পৌরসভার সব কটি কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। ভোটাররা নিজের ভোট নিজে দিতে পারছেন না। তাই ভোট বর্জন করলাম।’

এ ছাড়া তিনি পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন ছানু বলেন, ‘নিশ্চিত পরাজয় জেনে বিএনপির প্রার্থী এসব মিথ্যা অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেছে। এবারের নির্বাচনে প্রচারে অংশ নেয়নি বিএনপির প্রার্থী। নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে। ইভিএমে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।’

১৮৬৯ সালে স্থাপিত হয় জামালপুর পৌরসভা। ‘ক’ শ্রেণির এই পৌরসভায় মেয়র পদে তিনজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

১২টি ওয়ার্ডের ৪২টি কেন্দ্রের ৩৪১টি বুথে ইলেকট্রনিক ভোটিং সিস্টেমে (ইভিএম) ভোট চলছে। এই পৌরসভার মোট ভোটার ১ লাখ ৮ হাজার ৭২৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫২ হাজার ১৫১ জন ও নারী ভোটার ৫৬ হাজার ৫৭৬ জন।

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

সৈয়দপুরে জাপা প্রার্থীর ভোট বর্জন

সৈয়দপুরে জাপা প্রার্থীর ভোট বর্জন

সংবাদ সম্মেলনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম। ছবি: নিউজবাংলা

সিদ্দিকুলের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম বলেন, ‘আজ সৈয়দপুরবাসী একটি প্রহসনের নির্বাচন দেখল। সাধারণ মানুষকে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করছে সরকারের গুন্ডা বাহিনী। মনিরুজ্জামান নামের এক পুলিশ আমাকে এবং আমার শাশুড়িকে হেনস্তা করেছে।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পৌরসভা নির্বাচনে ভোট দিতে বাধা প্রদান, কেন্দ্র দখল, এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ভোট বর্জন করেছে জাতীয় পার্টির প্রার্থী।

সৈয়দপুরে জাতীয় পার্টির প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুল আলম।

সিদ্দিকুল বলেন, ‘আমার নিজের বৃদ্ধ মা ভোট দিতে পারেন নাই। গোপন কক্ষের কাছে যাওয়ামাত্র মাকে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করলে উনি কেন্দ্র ছাড়তে বাধ্য হন। বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে আমার নির্বাচনি এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া তার স্ত্রীকেও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সিদ্দিকুল আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার কোনো কর্মী-সমর্থককে কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। মহিলাদের গায়েও হাত তোলা হচ্ছে। সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রে গেলে তাদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।’

সিদ্দিকুলের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম বলেন, ‘আজ সৈয়দপুরবাসী একটি প্রহসনের নির্বাচন দেখল। সাধারণ মানুষকে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করছে সরকারের গুন্ডা বাহিনী। মনিরুজ্জামান নামের এক পুলিশ আমাকে এবং আমার শাশুড়িকে হেনস্তা করেছে।’

এই পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বাকি চার প্রার্থী হলেন নৌকা প্রতীকের রাফিকা আখতার জাহান, ধানের শীষ প্রতীকের রশিদুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের নুরুল হুদা ও মোবাইল ফোন প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল আওয়াল।

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

আঙুলের ছাপ না মেলায় বিকল্প জাতীয় পরিচয়পত্র

আঙুলের ছাপ না মেলায় বিকল্প জাতীয় পরিচয়পত্র

জয়পুরহাট পৌরসভার ভোটার তমেজ বলেন, ‘আমি সারা দিন রাজমিস্ত্রির হেলপারের কাজ করি। ইট, পাথর, বালু, সিমেন্ট আর রড় টানাটানি করতে গিয়া আঙুল ছেড়াবেড়া হয়ে গেসে। এখন আর ভোট দিতে পারলাম না। কী মিশিন (যন্ত্র) এটা? আমি লোকটা তো ঠিক আসি।’

বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ না মেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দিতে পারেননি জয়পুরহাট পৌরসভার ভোটার তমেজ উদ্দিন।

পৌর শহরের কাশিয়াবাড়ি স্কুল কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল ভোট দিতে না পারায় হতাশ বসে আছেন রাজমিস্ত্রি তমেজ।

শহরের কবিরাজপাড়ার এই বাসিন্দা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার জাতীয় পরিচয়পত্র ঠিক। মেশিনে শো করসে। তারপর বুড়া আঙুলের ছাপ দিতে গেলে আসল ছাপ আর নাই।’

আফসোস করে তিনি বলেন, ‘আমি সারা দিন রাজমিস্ত্রির হেলপারের কাজ করি। ইট, পাথর, বালু, সিমেন্ট আর রড় টানাটানি করতে গিয়া আঙুল ছেড়াবেড়া হয়ে গেসে। এখন আর ভোট দিতে পারলাম না। কী মিশিন (যন্ত্র) এটা? আমি লোকটা তো ঠিক আসি।’

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম জানান, যারা এ রকম পেশায় কাজ করেন, তাদের আঙুলের ছাপ ঠিক থাকে না। এমন অভিযোগ বিছিন্নভাবে পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি জানান, এই পেশার মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বেলা ৩টার দিকে তাদের নিজ নিজ কেন্দ্রে আসতে বলা হচ্ছে। প্রার্থী বা তাদের এজেন্টদের আপত্তি না থাকলে এবং ওই ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র ঠিক থাকলে তাদের ভোট নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এই পৌরসভায় মেয়র পদে লড়ছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও সদ্য সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও বিএনপির শামছুল হকসহ তিনজন।

আরও পড়ুন:
শ্বশুরের কাছে ‘কলিজার টুকরার’ হার
আখাউড়ায় বিরাট ব্যবধানে নৌকার জয়
শিবগঞ্জে জয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুল
রাঙ্গামাটিতে বড় ব্যবধানে নৌকার জয়
চুনারুঘাটে বড় ব্যবধানে আ.লীগের জয়

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg