যাত্রা শুরু হলো ডা. মোজাম্মেল হক ও সখিনা রোগী কল্যাণ ট্রাস্টের

যাত্রা শুরু হলো ডা. মোজাম্মেল হক ও সখিনা রোগী কল্যাণ ট্রাস্টের

ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চিকিৎসক মফিজুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘আমার বাবা ডা. মোজাম্মেল হক ৪০ বছর নীলফামারীর মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন, লোভ লালসার ঊর্ধ্বে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তার আদর্শ অনুসরণ করে আমিও এখানকার মানুষের সেবা করতে চাই।’

নীলফামারীতে ‘ডা. মোজাম্মেল হক ও সখিনা রোগী কল্যাণ ট্রাস্ট’ নামে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা শহরের ডালপট্টিতে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চিকিৎসক মফিজুল ইসলাম তালুকদার।

চিকিৎসক মফিজুল ইসলাম কক্সবাজার জেলা ডায়াবেটিক হাসপাতালে সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা ডা. মোজাম্মেল হক ৪০ বছর নীলফামারীর মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন, লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তার আদর্শ অনুসরণ করে আমিও এখানকার মানুষের সেবা করতে চাই।’

মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘অর্থ উপার্জন নয়, সেবার লক্ষ্য নিয়ে মানুষের পাশে থাকতে চাই। আমার দুই সন্তান পড়ালেখা শেষ করে চিকিৎসক হয়েও মানুষের পাশে থাকবে বলে প্রত্যাশা রয়েছে।’

ট্রাস্টের সদস্য হাকীম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দরিদ্র মানুষ যারা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত, তাদের পাশে থাকবে এই কল্যাণ ট্রাস্ট।

আপাতত অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সেবা কার্যক্রম শুরু হলেও দ্রুত নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে ট্রাস্টটি তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। ট্রাস্টের আওতায় নীলফামারীতে প্রতি মাসে এক দিন করে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন সাধারণ রোগীরা। একই সঙ্গে বিনা মূল্যে ওষুধ দেয়া হবে বলেও জানান মোস্তাফিজুর রহমান।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৭২৯ শিক্ষার্থীর মাঝে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিতরণ

৭২৯ শিক্ষার্থীর মাঝে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিতরণ

নীলফামারীতে ৮১টি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিতরণ করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৮১টি বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিতরণ করা হয়েছে।

নীলফামারী সদর উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা ও ওয়েব পোর্টাল ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সদর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় মঙ্গলবার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এলিনা আকতার।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেবুল হোসেন।

এ সময় সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৮১টি বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান সান্তনা চক্রবর্তী, জেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী চৌধুরী এবং ইএসডিও’র জানো প্রকল্পের উপজেলা ব্যবস্থাপক দুলাল চন্দ্র বর্মণ উপস্থিত ছিলেন।

জানো প্রকল্পের আইসিডি কনসালটেন্ট হাসিনুর রহমান মুন্নি জানান, সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৮১টি বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের তিন বিভাগের নয়জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

শেয়ার করুন

শব্দদূষণ সচেতনতায় কর্মশালা

শব্দদূষণ সচেতনতায় কর্মশালা

টঙ্গীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

কর্মশালায় কারখানা ও নির্মাণ শ্রমিকদের শব্দদূষণের বিষয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি এর ক্ষতিকর দিকগুলোও তুলে ধরা হয়।

গাজীপুরের টঙ্গীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের আওতায় কারখানা ও নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে।

টঙ্গী এলাকায় তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কারখানার হল রুমে শনিবার দুপুর ২টার দিকে এ কর্মশালা হয়।

এতে প্রধান আলোচক ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুস সালাম সরকার।

তিনি কারখানা ও নির্মাণ শ্রমিকদের শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতন করাসহ নিয়ন্ত্রণ ও এর ক্ষতিকর দিক তুলে ধরেন।

কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন, মমিন ভূঁইয়া, দিলরুবা আক্তার, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন ও আবুল কালাম আজাদসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

৫০ হাজার চারা বিতরণ করবে সেইফ ফাউন্ডেশন

৫০ হাজার চারা বিতরণ করবে সেইফ ফাউন্ডেশন

‘আগামী তিন মাস জেলাজুড়ে গাছের চারা বিতরণ করবে সেইফ ফাউন্ডেশন। যা আজ থেকে শুরু হলো। ফলদ, বনজ ও ঔষধি মিলে ৫০ হাজার গাছের চারা বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে আমাদের।’

নীলফামরারীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ৫০০ গাছের চারা বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেইফ ফাউন্ডেশন।

জেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শনিবার দুপুরে বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সেইফ ফাউন্ডেশনের প্রধান রাসেল আমিন স্বপন। তিনি বলেন, ‘আগামী তিন মাস জেলাজুড়ে গাছের চারা বিতরণ করবে সেইফ ফাউন্ডেশন। যা আজ থেকে শুরু হলো।

‘ফলদ, বনজ ও ঔষধি মিলে ৫০ হাজার গাছের চারা বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে আমাদের।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তিনটি গাছের চারা রোপণ করেন অতিথিরা।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিজা বেগম, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন বক্তব্য দেন।

শেয়ার করুন

উপকূল রক্ষায় ২১ দফা দাবি

উপকূল রক্ষায় ২১ দফা দাবি

জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সরকার বিগত ৯ বছরে বেড়িবাঁধ সংস্কারে ১৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বাঁধা হয়নি উপকূলীয় বাঁধ।’

সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকাকে দুর্যোগপ্রবণ ঘোষণা, উপকূলীয় বোর্ড গঠন ও জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও সাতক্ষীরা ডিসি অফিস সংলগ্ন সড়কে সোমবার বেলা ১১টার দিকে এ মানববন্ধন করেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ।

‘উপকূল রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ চাই’ স্লোগানে মানববন্ধনে জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘উপকূলীয় বেড়িবাঁধ সংস্কারে চলে সীমাহীন দুর্নীতি। আর এ সকল দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

‘সরকার বিগত ৯ বছরে বেড়িবাঁধ সংস্কারে ১৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বাঁধা হয়নি উপকূলীয় বাঁধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকূলীয় বেড়িবাঁধ ভেঙে বাড়িঘর ও সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। চরম দুর্ভোগের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে দক্ষিণ জনপদের কয়েক লক্ষ মানুষ। শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণ স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ সংস্কার করে আর বিল তুলে নেয় সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।’

পানি কমিটির নেতা আবেদার রহমান বলেন, ‘সিডর, আইলা, বুলবুল, মহাসেন, ফণী, আমফান, ইয়াসের মতো ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে লড়াই করে উপকূলের মানুষ আজও বেঁচে আছে। প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। ত্রাণের নামে চলে চরম দুর্নীতি।

‘কখনো কখনো ত্রাণের যে তালিকা করা হয় তার চেয়েও কম মানুষ ওই এলাকায় বসবাস করে।’

‘আমরা ত্রাণ চাই না, টেকসই বাঁধ চাই’ বলে স্লোগান দেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনিসুর রহিম এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন।

এতে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম-সদস্য সচিব আজাদ হোসেন বেলাল, জেলা জাসদের সভাপতি ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেলা পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহীসহ আরও অনেক।

শেয়ার করুন

মাছচাষিদের গাভি ও মৎস্য উপকরণ বিতরণ

মাছচাষিদের গাভি ও মৎস্য উপকরণ বিতরণ

বরিশালে ১০ মাছচাষিকে ১০টি গাভী ও মৎস্য উপকরণ দিয়েছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর। ছবি: নিউজবাংলা

আলোচনা সভা শেষে ১০ জন মাছচাষির মাঝে ১০টি গাভি এবং চুন, খৈল ও মাছের খাবার বিতরণ করা হয়।

বরিশালে মৎস্য চাষ প্রযুক্তিসেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং ইলিশসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে মৎস্য-উপকরণ বিতরণ করেছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর।

নগরীর ফিশারি রোডের মৎস্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সভাকক্ষে বেলা ২টার দিকে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এ সময় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জসিম হায়দার। প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী সামস্ আফরোজ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক।

আলোচনা সভা শেষে ১০ জন মাছচাষির মাঝে ১০টি গাভি এবং চুন, খৈল ও মাছের খাবার বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

হতদরিদ্রদের মাঝে রিকশা, ভ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ

হতদরিদ্রদের মাঝে রিকশা, ভ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ

রাজবাড়ীতে মুজিববর্ষ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের মাঝে রিকশা, ভ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে জেলা প্রশাসক। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় ১১ জন প্রশিক্ষিত নারীকে সেলাই মেশিন, ১০ জনকে ভ্যান এবং চারজনকে রিকশা হস্তান্তর করা হয়।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাজবাড়ীতে হতদরিদ্রদের মাঝে রিকশা, ভ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার সকালে রাজবাড়ী অফিসার্স ক্লাবে এসব বিতরণ করা হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম ১১ জন প্রশিক্ষিত নারীকে সেলাই মেশিন, ১০ জনকে ভ্যান এবং চারজনকে রিকশা হস্তান্তর করেছেন।

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। এ জন্য দরিদ্র পরিবারের মাঝে রিকশা, ভ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ করছি। এতে ওনারা স্বাবলম্বী হয়ে ভাগ্য পরিবর্তন করবেন।’

এ সময় পাংশা উপজেলার কপাটিকাবাড়ি গ্রাম থেকে ভ্যান নিতে আসা তোফাজ্জেল হোসেন জানান, ‘ডিসি স্যার আমারে ভ্যান কিনে দিলেন। আমি এখন অনেক খুশি। পরিবার নিয়ে এখন খেয়ে বেঁচে থাকতে পারব।’

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাহবুবুর রহমান, চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল জব্বার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হেদায়েত আলী সোহরাব উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

স্পিরুলিনা প্রকল্প পরিদর্শন

স্পিরুলিনা প্রকল্প পরিদর্শন

পরিদর্শন শেষে প্রকল্পের সাত উদ্যোক্তাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন মঞ্জু।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সবুজ হীরাখ্যাত সামুদ্রিক শৈবাল স্পিরুলিনা চাষ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার।

জাকির হোসেন মঞ্জু রোববার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের প্রাণকৃষ্ণ গ্রামে তৈরি এ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘তরুণদের এমন উদ্যোগ খুবই সন্তোষজনক।’

এ সময় তিনি প্রকল্পের সাত উদ্যোক্তাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রায় তিন মাস আগে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সাতজন তরুণ বাণিজ্যিকভাবে স্পিরুলিনা চাষ শুরু করেন।

স্পিরুলিনা মূলত ওষুধ ও সম্পূরক খাদ্য উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

শেয়ার করুন