নারীদের স্বাবলম্বী করতে ১০০ সেলাই মেশিন

নারীদের স্বাবলম্বী করতে ১০০ সেলাই মেশিন

নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও ইথেন এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল শাহরিয়ার রাসেলের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

নওগাঁয় স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য দুস্থ নারীদের মধ্যে ১০০ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও ইথেন এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল শাহরিয়ার রাসেলের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

শহরের টাইম স্কয়ারে রোববার দুপুর ১২টার দিকে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক দীপক কুমার সরকার, সদস্য আব্দুল খালেক, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাব্বির রহমান রিজভীসহ অনেকে।

সাংসদ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, ‘সমাজের বিত্তবানদের অসহায় মানুষের এভাবেই পাশে দাঁড়াতে হবে। তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্ববাসী এক কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে। বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও ইথেন এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল বলেন, ‘এই সেলাই মেশিন দিয়ে কয়েকজন নারীও যদি সামান্য উপকৃত হন, তবেই আমার এই প্রচেষ্টা সার্থক।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জেলে পল্লীর শিশুরা পেল ঈদের উপহার

জেলে পল্লীর শিশুরা পেল ঈদের উপহার

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনা প্রভাবে সমাজের অসহায় লোকজন আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। ঈদে তারা যেন পরিবার নিয়ে আনন্দে ঈদ করতে পারে সে জন্যই এই উদ্যোগ নেয়া।

ভোলায় ঈদ উপলক্ষ্যে জেলে পল্লীর শিশুদের উপহার দিয়েছে তরুণদের সংগঠন ‘ইয়ূথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশ’।

ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালেয়ে মাঠে অর্ধশতাধিক জেলে শিশুদের ঈদ সামগ্রী উপহার দেয় তারা।

এর মধ্যে ছিল চাল, চিনি, সেমাই, দুধ, নুডুলস ও সাবান।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভোলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ রায় অপু।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আদিল হোসেন তপু জানান, করোনা প্রভাবে সমাজের অসহায় লোকজন আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। ঈদে তারা যেন পরিবার নিয়ে আনন্দে ঈদ করতে পারে সে জন্যই এই উদ্যোগ নেয়া।

শেয়ার করুন

নতুন জামা ও ঈদ সালামি পেল শিশুরা

নতুন জামা ও ঈদ সালামি পেল শিশুরা

ঈদের নতুন জামা ও সালামি নিয়ে শিশুরা। ছবি: নুর আলম

সংগঠনের সদস্য এসরার আনসারী বলেন, ‘ঈদে ১১৪ জন অসহায় মানুষ আর শিশুদের ঈদের নতুন পোশাকের ব্যবস্থা করেছি আমরা। মহামারির কারণে বড় আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও আমাদের সদস্যরা অসহায়দের বাসায় নতুন পোশাক পৌঁছে দিচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা ঈদের আগের দিন পর্যন্ত থাকবে।’

আট বছরের সামি। বাবা নেই। করোনা মহামারিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দিনমজুর মা। অনেক দিন ধরে তার নতুন কোনো জামা নেই। এই ঈদেও শঙ্কা ছিল ঈদের নতুন জামা নেয়া নিয়ে।

সামিসহ প্রায় একশ শিশুকে নতুন জামা এবং ঈদ সালামি দিয়েছে আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

সোমবার সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাহাট রাজ্জাকিয়া গফুরিয়া মাদরাসা মাঠে শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন জামা উপহার দেয় সংগঠনের সদস্যরা।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম আর আলম ঝন্টু।

সংগঠনের সদস্য এসরার আনসারী বলেন, ‘ঈদে ১১৪ জন অসহায় মানুষ আর শিশুদের ঈদের নতুন পোশাকের ব্যবস্থা করেছি আমরা। মহামারির কারণে বড় আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও আমাদের সদস্যরা অসহায়দের বাসায় নতুন পোশাক পৌঁছে দিচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা ঈদের আগের দিন পর্যন্ত থাকবে। উপহার হিসেবে সামান্য হলেও শিশুদের মুখের হাসি আর ওদের প্রাপ্তির আনন্দই আমাদের স্বার্থকতা।’

২০১৪ সাল থেকে শিশুদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে আসছে সংগঠনটি। বছর বছর বাড়ছে এর পরিধি। সদস্য আর সুহৃদদের নিজস্ব তহবিল থেকেই ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে কাজ করেন তারা।

উপহার দেয়ার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান সরকার, গফুরিয়া মাদরাসার সুপারিনটেন্ডেন্ট রফিকুল ইসলাম, আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর সংগঠনের নওশাদ আনসারী, সামিউল আলিমসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের পাশে আবুল হোসেন সোশ্যাল ফাউন্ডেশন

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের পাশে আবুল হোসেন সোশ্যাল ফাউন্ডেশন

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভা শেষে এই সহযোগীতা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর কবির।

৮ মে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে ২০ জন থ্যালাসেমিয়া রোগীকে সহযোগীতা করেছে আবুল হোসেন সোশ্যাল ফাউন্ডেশন।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভা শেষে এই সহযোগীতা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর কবির।

সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মেজবাহুল হাসান চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি মমতাজুল ইসলাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হাসান চৌধুরী শাহিন, ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও নীলফামারী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুল করিম এবং আবুল হোসেন সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ আব্দুল আউয়াল।

চিকিৎসক আব্দুল আউয়াল জানান, ২০জন রোগীকে এক হাজার করে টাকা, একটি করে খাতা ও একটি করে কলম দেয়া হয় অনুষ্ঠানে।

তিনি আরও জানান, থ্যালাসেমিয়া রোগীরা নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে আসলে তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরিক্ষার খরচ বহন করবে তার ফাউন্ডেশন।

শেয়ার করুন

আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে মরদেহবাহী গাড়ি হস্তান্তর

আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে মরদেহবাহী গাড়ি হস্তান্তর

ভোলায় আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে লাশবাহী গাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়। ছবি: ‍নিউজবাংলা

দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ময়লা অপসারণের গাড়িতে করে মরদেহ বহন করতো ভোলাবাসী। এই প্রথম মরদেহবাহী গাড়ি পেয়ে খুশি তারা।

ভোলায় আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে মরদেহবাহী গাড়ি হস্তান্তর করেছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক মাহাবুবুর রহমান হিরনের আর্থিক সহায়তায় শুক্রবার সকালে শহরের কালীবাড়ী রোডের মুকবুল জামে মসজিদের সামনে এই গাড়ি হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় আমেনা বেগম তহফিজুল কুরআন মাদ্রাসার পক্ষে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে গাড়িটি তুলে দেন আবু কাশেম আবু মিয়া।

দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ময়লা অপসারণের গাড়িতে করে মরদেহ বহন করতো ভোলাবাসী। এই প্রথম মরদেহবাহী গাড়ি পেয়ে খুশি তারা।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি দোস্ত মাহামুদ, আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম এর সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শওকাত হোসেন, সহ-সভাপতি সাবেক সিভিল সার্জন আব্দুল মালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ বনি আমিনসহ অনেকে ছিলেন।

আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম ২০০৮ সাল থেকে ভোলা জেলায় বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করে আসছে।

শেয়ার করুন

দিনাজপুরে গৃহকর্মী ও ট্রান্সজেন্ডার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার

দিনাজপুরে গৃহকর্মী ও ট্রান্সজেন্ডার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার

অনুষ্ঠানে ৪৫০ জন গৃহকর্মী ও মেসকর্মী ও ৫০ জন ট্রান্সজেন্ডারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, সেমাই ও চিনি উপহার তুলে দেন জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকি।

দিনাজপুরে গৃহকর্মী, মেসকর্মী ও ট্রান্সজেন্ডারদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা ষ্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ উপহারগুলো বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে ৪৫০ জন গৃহকর্মী ও মেসকর্মী ও ৫০ জন ট্রান্সজেন্ডারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, সেমাই ও চিনি উপহার তুলে দেন জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকি।

তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্মহীনদের ঈদ উপহার ঘোষণা করেছেন। বর্তমানে আমরা এক অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করছি।

‘এই শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলা করতে সকলকে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। তবেই করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা বিজয়ী হতে পারব।’

এ সময় পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শরিফুল ইসলাম, দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাগফুরুল হাসান আব্বাসী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় প্রণোদনার চেক বিতরণ

নেত্রকোণায় প্রণোদনার চেক বিতরণ

জেলা প্রশাসক কাজী মো. আবদুর রহমান উদ্যোক্তাদের হাতে চেক তুলে দেন। ছবি: নিউজবাংলা

জেলার ১৯০ জন উদ্যোক্তাকে এক লাখ টাকা করে সহায়তা দেয়া হয়। জেলা প্রশাসক কাজী মো. আবদুর রহমান এই চেক তুলে দেন।

নেত্রকোণায় করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যেক্তাদের মাঝে এক কোটি ৯০ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বুধবার দুপুরে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এ সময় জেলার ১৯০ জন উদ্যোক্তাকে এক লাখ টাকা করে সহায়তা দেয়া হয়। জেলা প্রশাসক কাজী মো. আবদুর রহমান এই চেক তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রণোদনা প্যাকেজের কর্মসূচির আওতায় এই সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা বিসিকের উপপরিচালক।

শেয়ার করুন

রেড ক্রিসেন্ট দিল প্রতিবন্ধীদের ত্রাণ

রেড ক্রিসেন্ট দিল প্রতিবন্ধীদের ত্রাণ

অনুষ্ঠানে প্রত্যেকের মাঝে মাথাপিছু সাড়ে সাত কেজি চাল, এক কেজি ডাল, এক কেজি চিনি, এক কেজি আলু, এক লিটার তেল, সুজি ও এক কেজি লবণ বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি খুলনা সিটি ইউনিটের উদ্যোগে ১০০ অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শহরের শহিদ হাদিস পার্কে বুধবার দুপুরে এ আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিটি ইউনিটের চেয়ারম্যান তালুকদার আব্দুল খালেক।

ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে সিটি মেয়র বলেন, ‘বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মানুষের পাশে থেকে আত্মমানবতার সেবায় কাজ করে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু থেকেই রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিবন্ধীরা সমাজের একটি অংশ। তাদের অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। সরকার প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ভাতা চালু করেছে। প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, সম্পদ।’

অনুষ্ঠানে প্রত্যেকের মাঝে মাথাপিছু সাড়ে সাত কেজি চাল, এক কেজি ডাল, এক কেজি চিনি, এক কেজি আলু, এক লিটার তেল, সুজি ও এক কেজি লবণ বিতরণ করা হয়।

এ সময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি খুলনা সিটি ইউনিটের কর্মকর্তা মঈনুল ইসলাম পলাশ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন