20201002104319.jpg
সংকটে কুমিল্লার বই ব্যবসায়ীরা

সংকটে কুমিল্লার বই ব্যবসায়ীরা

দীর্ঘমেয়াদে করোনা মহামারিতে কুমিল্লার বই বিক্রেতারা গভীর সংকটে পড়েছেন। ছয় মাস ধরে কারো দোকানের ভাড়া বাকি। অনেকে কর্মচারী বিদায় করে দিয়েছেন। মালিক নিজেই কঠোর পরিশ্রম করছেন।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক বই ব্যবসায়ী দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হন্যে হয়ে পুঁজি সংগ্রহ করছেন। 

নগরীর কান্দিরপাড় মসজিদ মার্কেট ও রাজগঞ্জ পুস্তক ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায় করোনাকালে তাদের কষ্টের কথা। কান্দিরপাড় বই বিক্রির দোকান 'লেখাপড়া'র স্বত্বাধিকারী ইয়াছিন আরাফাত জানান, তার বাবা ও নিজে বই দোকানটি পরিচালনা করেন। বই বিক্রি শূন্যের কোটায় নেমেছে।  

পাশের নিউ সিটি লাইব্রেরির ম্যানেজার আমির হোসেন জানান, বই ব্যবসায় এত করুণ অবস্থা আগে দেখেন নি। দোকানের গত ৫ মাসের ভাড়া বাকি। সারা দিনে দু’তিন জন ক্রেতা আসে।

কান্দিরপাড় মসজিদ মার্কেটের আইডিয়েল লাইব্রেরির বিক্রয়কর্মী মোহসিন জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বই বিক্রি হতো। করোনার কারণে গত ছয় মাস ধরে দৈনিক গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বই বিক্রি হচ্ছে। 

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির কুমিল্লা জেলা সভাপতি আবদুল হান্নান বলেন, চরম দুঃসময় পার করছে পুস্তক বিক্রেতারা। মার্চ মাসে করোনা প্রার্দুভাব শুরুর পর দুই মাস দোকান বন্ধ ছিলো। এরপর গত ৪ মাসে বই ব্যবসায় চরম ধস নামে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কবে খুলবে তাও অনিশ্চিত।

শেয়ার করুন