ক্ষুদ্রঋণ সংগঠক নিচ্ছে আরডিআরএস বাংলাদেশ

ক্ষুদ্রঋণ সংগঠক নিচ্ছে আরডিআরএস বাংলাদেশ

শিক্ষানবিশকাল (৬ মাস) শেষে চাকরি নিশ্চিতকরণের পর সংস্থার বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন প্রদান করা হবে। তখন অন্যান্য সুবিধাদি যেমন প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসাভাতা, মোবাইল বিল, ২টি উৎসবভাতা ইত্যাদি প্রদান করা হবে।

ক্ষুদ্রঋণ সংগঠক পদে জনবল নিচ্ছে আরডিআরএস বাংলাদেশ। আগ্রহী প্রার্থীকে ১৬ আগস্টের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

পদের নাম ক্ষুদ্রঋণ সংগঠক।

পদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। বেতন ১৮,০০০ - ২০,০০০ টাকা।

প্রার্থীকে স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর পাস হতে হবে। বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।

এই পদে অভিজ্ঞতাহীন প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে একই ধরনের কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্নদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার জানা প্রার্থীরাও অগ্রগণ্য বলে বিবেচিত হবেন।

স্নাতক পাস আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে বেতন প্রতিমাসে সর্বসাকল্যে ১৮,০০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পাস আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে বেতন প্রতিমাসে সর্বসাকল্যে ২০,০০০ টাকা।

শিক্ষানবিশকাল (৬ মাস) শেষে চাকরি নিশ্চিতকরণের পর সংস্থার বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন প্রদান করা হবে। তখন অন্যান্য সুবিধাদি যেমন প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসাভাতা, মোবাইল বিল, ২টি উৎসবভাতা ইত্যাদি প্রদান করা হবে।

প্রতিটি উৎসবভাতা ১ মাসের মূল বেতনের সমান বা সর্বসাকল্যে বেতনের ৫০ শতাংশের সমান।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীকে যেসব কাজ করতে হবে:

১. উদ্বুদ্ধকরণ ও নিবিড় ফলোআপের মাধ্যমে ১২-১৫টি দল (ভূমিহীন, প্রান্তিক চাষি, ক্ষুদ্র চাষি, আদিবাসী ও হতদরিদ্র) তত্ত্বাবধানে রাখা এবং উক্ত দলসমূহে ক্ষুদ্রঋণ ও সঞ্চয় কার্যক্রম পরিচালনা করা।

২. নীতিমালা অনুযায়ী নতুন দল গঠন বা দল পুনর্গঠন করা এবং সদস্য ভর্তি করা।

৩. বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা এবং সেই অনুযায়ী অর্জন নিশ্চিত করা।

৪. মোট সদস্য সংখ্যা, ঋণী সদস্য সংখ্যা, কার্যকরী ঋণস্থিতি ওটিআর ইত্যাদি সন্তোষজনক (কর্মী সদস্য অনুপাতে ১ঃ ৩৭৫, কর্মী ঋণী অনুপাত ১ঃ ৩৪০, ঋণী সদস্য অনুপাত ৯০ঃ ১০০) বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কর্মী প্রতি কার্যকরী ঋণস্থিতি বজায় রাখা এবং আর্থিক স্বয়ম্ভরতা সর্বদা ১০০ শতাংশের ওপরে নিশ্চিত করা।

৫. প্রতিদিনের ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয় আদায় যথাসময়ে নিশ্চিত করা এবং সর্বদা ঋণ আদায় হার ১০০ শতাংশ বজায় রাখা।

৬. প্রতিদিনের শিডিউলভুক্ত দলে যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে দলীয় সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা ও দলীয় সভা পরিচালনা করা এবং দলীয় রেকর্ডপত্র ও সদস্য পাসবই হাল নাগাদ রাখা।

৭. দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখা বা কোনোরূপ বিঘ্ন সৃষ্টি হলে তা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দলীয় সভায় দলীয় শৃঙ্খলা ও একতা এবং সঞ্চয় ও ঋণ নীতিমালাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। উন্নয়নমূলক বিবিধ বিষয়ে সদস্যদের সচেতন করা।

৮. দল থেকে প্রতিদিনের আদায়কৃত অর্থ নীতিমালা অনুযায়ী রেকর্ডভুক্ত করে যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষক (ক্ষুদ্রঋণ)-এর নিকট জমা করা।

৯. পাসবইয়ের ব্যালান্সের সাথে কালেকশন রেজিস্টার ও এমবি শিটের ব্যালান্স নিয়মিত মিলিয়ে দেখা। কোনোরূপ অমিল থাকলে তা তাৎক্ষণিক সংশোধন করা।

১০. নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ প্রস্তাবনা তৈরি করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে বিতরণ করা।

১১. আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ড নির্বাচনে সদস্যদের সহায়তা দেয়া এবং বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ফলোআপ দেয়া।

১২. সদস্য প্রোফাইলসহ দল ও সদস্যসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।

১৩. ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতায় (কোর ও বাইলেটারাল ) প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করা ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করা।

১৪. দৈনিক সঞ্চয় ও ঋণ আদায় কার্যক্রম প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা এবং রেকর্ডপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।

১৫. সংস্থার প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ ও বহিস্থ পর্যবেক্ষক ও নিরীক্ষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া এবং বিবিধ জরিপ কাজে সহযোগিতা করা।

১৬. শাখার সাপ্তাহিক মিটিংয়ে উপস্থিত থেকে কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় অংশগ্রহণ করা।

১৭. কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও দাতা সংস্থার চাহিদা মোতাবেক সাপ্তাহিক ও মাসিক রিপোর্ট যথাসময়ে জমা দেয়া।

১৮. শাখার বাৎসরিক কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট তৈরিতে কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করা।

১৯. সংস্থার প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট যেকোনো ধরনের কাজের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা এবং প্রদত্ত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা।

ক্ষুদ্রঋণ সংগঠক পদে নির্বাচিত প্রার্থীর পিতা, মাতা, অভিভাবক বা যেকোনো নিকট আত্মীয়কে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জামিনদার হিসেবে কর্মীর পক্ষে সংস্থার নিকট অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে। প্রার্থীদের বাংলাদেশের যেকোনো জেলায় কাজ করার ক্ষেত্রে আগ্রহী হতে হবে। যোগ্যতাসম্পন্ন নারী প্রার্থীদের আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। আরডিআরএস একটি ধূমপানমুক্ত কর্মপরিবেশ।

প্রার্থীকে আবেদনপত্রের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত (মোবাইল নম্বরসহ), ২ কপি রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপিসহ আগামী ১৬ আগস্ট ২০২১ তারিখের মধ্যে প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠাবার ঠিকানা:

রংপুর ও রাজশাহী ডিভিশনের বিভিন্ন জেলার আবেদনকারীদের জন্য: আরডিআরএস বাংলাদেশ, জেল রোড, রাধাবল্লভ, রংপুর।

অন্যান্য জেলার আবেদনকারীদের জন্য: আরডিআরএস বাংলাদেশ, বাড়িনং-৪৩, রোডনং-১০, সেক্টর নং-৬, উত্তরা, ঢাকা।

খামের ওপর পদের নাম স্পষ্টাক্ষরে লিখতে হবে।

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে ২১ নিয়োগ

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে ২১ নিয়োগ

প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং বান্দরবান জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ২১ অক্টোবরের মধ্যে আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে।

১. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদের সংখ্যা: ৩টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সম্মান

২. পদের নাম: ক্যাশিয়ার

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সম্মান

৩. পদের নাম: হিসাব সহকারী

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সম্মান

৪. পদের নাম: নলকূপ মেকানিক

পদের সংখ্যা: ১০টি

চাকরির গ্রেড: ১৭

বেতন স্কেল: ৯০০০-২১৮০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি

৫. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদের সংখ্যা: ৩টি

চাকরির গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি

৬. পদের নাম: চৌকিদার

পদের সংখ্যা: ৩টি

চাকরির গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি

প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং বান্দরবান জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য ৫০০ ও অন্যান্য পদের জন্য ২০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

প্রার্থীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন

সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আগ্রহী প্রার্থীকে ফিন্যান্স বিষয়ে উচ্চতর যোগ্যতার অধিকারী হতে হবে। পিএইচডি অথবা সমমানের ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগী অধ্যাপকের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ১৩ অক্টোবরের মধ্যে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক

বিভাগ: ফিন্যান্স

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির ধরন স্থায়ী

বেতন স্কেল: ৫০০০০-৭১২০০ টাকা।

অভিজ্ঞতা: ৭ বছর

আগ্রহী প্রার্থীকে ফিন্যান্স বিষয়ে উচ্চতর যোগ্যতার অধিকারী হতে হবে। পিএইচডি অথবা সমমানের ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

সার্টিফিকেট, মার্কশিট এবং অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপিসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

মোট ১১ সেট আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে ১০০০ টাকা মূল্যের পে-অর্ডার অথবা ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করতে হবে।

ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-১০০০।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন সংরক্ষকের কার্যালয়ে ২১ চাকরি

চট্টগ্রাম বন সংরক্ষকের কার্যালয়ে ২১ চাকরি

আবেদনপত্র পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি পদের জন্য ৫৬ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

চট্টগ্রাম বন সংরক্ষকের কার্যালয়ে শূন্য পদে জনবল নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ অক্টোবরের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট

পদের সংখ্যা: ৪টি

চাকরির গ্রেড: ১৭

বেতন স্কেল: ৯০০০-২১৮০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস

২. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদের সংখ্যা: ১৭টি

চাকরির গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাস

২০২০ সালের ২৫ মার্চ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

চাকরিরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনপত্র পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি পদের জন্য ৫৬ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় নিচ্ছে ৩০ কর্মকর্তা-কর্মচারী

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় নিচ্ছে ৩০ কর্মকর্তা-কর্মচারী

নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, জন্মতারিখ ও মোবাইল ফোন নম্বর উল্লেখসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ২ জুনের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: ড্রাফটসম্যান

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ৫ বছর

২. পদের নাম: ইনস্ট্রুমেন্ট টেকনিশিয়ান

পদের সংখ্যা: ৩টি

বেতন: ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ২ বছর

৩. পদের নাম: পিএ

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার

৪. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ৩ বছর

৫. পদের নাম: লাইব্রেরি সহকারী কাম ডকুমেন্টেশন সহকারী

পদের সংখ্যা: ২টি

বেতন: ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

৬. পদের নাম: ল্যাব ইনস্ট্রাকটর কাম স্টোরকিপার

পদের সংখ্যা: ৩টি

বেতন: ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ২/৫ বছর

৭. পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ৩ বছর

৮. পদের নাম: ড্রাইভার (ভারী লাইসেন্স)

পদের সংখ্যা: ২টি

বেতন: ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ৫ বছর

৯. পদের নাম: এলডিএ কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা: ২টি

বেতন: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার

১০. পদের নাম: হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার

১১. পদের নাম: সহকারী ক্যাশিয়ার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার

১২. পদের নাম: ড্রাইভার (হালকা লাইসেন্স)

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ৫ বছর

১৩. পদের নাম: ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৯০০০-২১৮০০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ১ বছর

১৪. পদের নাম: শপ অ্যাটেনডেন্ট

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৯০০০-২১৮০০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ১ বছর

১৫. পদের নাম: লাইব্রেরি অ্যাটেনডেন্ট

পদের সংখ্যা: ৩টি

বেতন: ৮৫০০-২০৫৭০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ১ বছর

১৬. পদের নাম: অফিস অ্যাটেনডেন্ট

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৮৫০০-২০৫৭০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: ১ বছর

১৭. পদের নাম: এমএলএসএস

পদের সংখ্যা: ৩টি

বেতন: ৮২৫০-২০০১০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞ হতে হবে

১৮. পদের নাম: গার্ড

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৮২৫০-২০০১০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

অভিজ্ঞতা: রাইফেল চালনা জানলে ভালো

১৯. পদের নাম: ভেহিক্যাল হেলপার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন: ৮২৫০-২০০১০ টাকা।

চাকরির ধরন: স্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

১ থেকে ১৬ নং পদের প্রার্থীদের শিক্ষাজীবনে তৃতীয় বিভাগ / শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, জন্মতারিখ ও মোবাইল ফোন নম্বর উল্লেখসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে ভোটার আইডি কার্ড / জন্মনিবন্ধন সনদ, ২ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবিসহ সব কাগজপত্র সত্যায়িত করে যুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্র বাংলায় এবং কম্পিউটারে মুদ্রিত হতে হবে।

১ থেকে ১৪ নম্বর পদের জন্য ৩০০ টাকা ও ১৫ থেকে ১৯ নম্বর পদের জন্য ১৫০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট / পে-অর্ডার দিতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন

১৪ নিয়োগ দিচ্ছে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১৪ নিয়োগ দিচ্ছে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ

২ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, পূর্ণ বায়োডাটা এবং ৫০০ টাকার পে-অর্ডারসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

শিক্ষক ও কর্মকর্তা পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। আগ্রহী প্রার্থীকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: প্রভাষক

বিষয়: প্রাণিবিজ্ঞান

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা

২. পদের নাম: প্রভাষক

বিষয়: রসায়ন

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা

৩. পদের নাম: সহকারী শিক্ষক

বিষয়: পদার্থবিজ্ঞান

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা

৪. পদের নাম: সহকারী শিক্ষক

বিষয়: সাধারণ

পদের সংখ্যা: ৫টি

বেতন স্কেল: ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা

৫. পদের নাম: হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা

বিভাগ: ইংরেজি ভার্সন

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা

৬. পদের নাম: মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ১১৩০০-২৭,৩০০ টাকা

৭. পদের নাম: সহকারী টেকনিক্যাল ম্যানেজার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: আলোচনা সাপেক্ষে

৮. পদের নাম: হিসাব সহকারী

পদের সংখ্যা: ২টি

বেতন স্কেল: ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা

৯. পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা

২০২১ সালের ২ অক্টোবর প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর হতে পারবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

২ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, পূর্ণ বায়োডাটা এবং ৫০০ টাকার পে-অর্ডারসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

ঠিকানা: অধ্যক্ষ, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সৈয়দপুর।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন

দোভাষী নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

দোভাষী নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

প্রার্থীকে ফরাসি থেকে ইংরেজি, ইংরেজি থেকে ফরাসি, বাংলা থেকে ফরাসি ও ফরাসি থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ জানতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকতে হবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কাজ করার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক দোভাষী (ফরাসি ভাষা) চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সেনাবাহিনী। আগ্রহী প্রার্থীকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র প্রেরণ করতে হবে।

পদের নাম: দোভাষী

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: ২৫৩২ ডলার

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

চাকরির মেয়াদ: ১ বছর

প্রার্থীকে ফরাসি ভাষায় কমপক্ষে ডিপ্লোমা (এ-২) কোর্স পাসসহ কমপক্ষে স্নাতক অথবা সমমানের যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।

প্রার্থীকে ফরাসি থেকে ইংরেজি, ইংরেজি থেকে ফরাসি, বাংলা থেকে ফরাসি ও ফরাসি থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ জানতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকতে হবে।

২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর প্রার্থীর বয়স ২৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

৩ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, জাতীয়তা সনদপত্রের কপি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদপত্রের কপিসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে ৫০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: সেনাসদর, জিএস শাখা (ওভারসিজ অপারেশনস পরিদপ্তর), ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন

দেশি কোম্পানিতে জুনিয়র মেরিন অফিসার, ক্যাডেটদের কষ্টগাথা

দেশি কোম্পানিতে জুনিয়র মেরিন অফিসার, ক্যাডেটদের কষ্টগাথা

ব্যবসায় শিক্ষার মূলনীতি থেকে আমরা জানি ‘জোগান বাড়লে চাহিদা কমে আর জোগান কমলে চাহিদা বাড়ে।’ দুর্ভাগ্যক্রমে গত সাত-আট বছরে মেরিন ক্যাডেটদের জোগান চাহিদার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে মার্কেটে ক্যাডেটদের চাহিদা কমে গেছে, কমেছে মূল্যায়নও।

প্রায় প্রতিটি পেশাতেই ন্যূনতম বেতন স্কেল নির্দিষ্ট করা আছে। এমনকি লোকাল বাসেও দেখা যায় ‘সর্বনিম্ন ভাড়া’র উল্লেখ দেখা যায়। রিকশায় করে এক মিনিটের হাঁটা দূরত্বে গেলেও ১০ টাকার নিচে দেয়া যায় না। অন্যভাবে বলা যায়, রিকশার সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে সবার ধারণা করা ‘রয়েল প্রফেশন’ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার/অফিসারদের কোনো সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো নেই!

প্রতিবার জাহাজে যোগ দেয়ার আগে অনেকটা মাছের বাজারের মতো দরাদরি করে, হার-জিতের লড়াই শেষে একটি সমঝোতায় আসতে হয় ।

ব্যবসায় শিক্ষার মূলনীতি থেকে আমরা জানি ‘জোগান বাড়লে চাহিদা কমে আর জোগান কমলে চাহিদা বাড়ে’। দুর্ভাগ্যক্রমে গত সাত-আট বছরে মেরিন ক্যাডেটদের জোগান চাহিদার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে মার্কেটে ক্যাডেটদের চাহিদা কমে গেছে, কমেছে মূল্যায়নও।

২০১৩ সালে যেখানে আমি ২০০ ডলার পেয়েছি ক্যাডেট হিসেবে, এর কয়েক বছর পরেই তা ১০০ থেকে ৫০, এমনকি শূন্যতে নেমে আসার রেকর্ডও আছে। স্কুল-কলেজে সেরা ফলাফল করে, নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে একটা ছেলে-মেয়ে মেরিন ক্যাডেট হিসেবে চান্স পান। এরপর কঠোর নিয়মানুবর্তিতায় দুই বছরের ট্রেনিং শেষে তারা সমুদ্রে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হন। অথচ এমন কোয়ালিফাইড একজনের মাসের পর মাস গাধার মতো খাটুনির মূল্য মাত্র ‘বেঁচে থাকার খাবারটুকু’!

এই ১০০ থেকে ৫০ ডলার বা বিনামূল্যে পরিশ্রম করা ক্যাডেটদের নির্দিষ্ট সময়ের সি-সার্ভিস শেষে অফিসার হওয়ার পরীক্ষা দিতে হয়। বিভিন্ন কোর্স, পড়াশোনা, রিটেন, ভাইবা শেষ করে অফিসার হওয়ার সার্টিফিকেট পেতে বছরখানেক সময় লাগে, যে সময়টাতে তাদের উপার্জনের কোনো উপায় থাকে না। কোর্স, পরীক্ষার ফি, এক বছর দেশে থাকা-খাওয়ার খরচ ধরে ন্যূনতম আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার একটা ধাক্কা সমস্ত সি-টাইম শেষ করা ক্যাডেটদের সামলাতে হয়। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, ৯৫% ক্যাডেট তাদের ক্যাডেটশিপে পাওয়া টাকা দিয়ে জুনিয়র অফিসার হওয়ার পরীক্ষা কমপ্লিট করতে পারেন না।

আর যারা নিরুপায় হয়ে বিনা বেতনের ‘কাবিখা’ প্রকল্পের গিনিপিগ হয়েছিলেন তাদের কথা চিন্তাই করতে পারি না। নিজেকে তাদের অবস্থায় ভাবতেই মাথা গুলিয়ে যায়। একটানা ১২ মাস মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করার বিনিময়ে তাদের একটা পয়সাও জোটেনি!

চাকরি পেয়ে প্রথম মাসের টাকা নিয়ে আমাদের কতজনের কত স্বপ্ন থাকে, ইচ্ছা থাকে। অথচ তাদের এমন কোনো স্বপ্ন দেখার, ইচ্ছা পোষণ করার ক্ষমতাই কেড়ে নেয়া হয়। কতটা অসহায় হলে দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের একজন ক্যাডেট এমন চুক্তিতে রাজি হতে পারেন তা অবশ্যই ভাবার বিষয়!

আগে যা বলছিলাম, ভাগ্যবান পাঁচ ভাগ বাদে প্রত্যেক ক্যাডেটকে জুনিয়র অফিসার হওয়ার পরীক্ষা দেয়ার সময় ঋণের বোঝায় জর্জরিত হতে হয়। এরা ঋণ করেন যাদের কাছ থেকে তারা আবার আরেক কপাল-পোড়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সি-টাইম শেষ করা এসব ক্যাডেটদের ঋণদাতা হন জাহাজের জুনিয়র অফিসাররা (থার্ড/ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার বা থার্ড/সেকেন্ড অফিসার)!

জুনিয়র অফিসারদের ‘কপাল-পোড়া’ বলার কারণ, বর্তমানে বেশিরভাগ দেশি কোম্পানির জাহাজে তাদের র‌্যাংকের বেতন অনেক ক্ষেত্রে রেটিংদের চেয়েও কম! ক্যাডেটের জোগান বেশি থাকায় জুনিয়র অফিসার র‍্যাংকেও জোগান বেড়ে গেছে। ফলে জুনিয়র অফিসারদের মূল্য কমে এখন রেটিংদেরও নীচে।

জোগান-চাহিদার সুযোগটা ব্যবসায়ীরা খুব ভালোভাবেই নিচ্ছেন। ২০১১-১২ সালে যেখানে জুনিয়র অফিসারদের বেতন ছিল ৩০০০ ডলারের উপরে, সেখানে ২০১৩-১৪ সালের পর এক ধাক্কায় জুনিয়র অফিসার র‍্যাংকের বেতন কমে তিন ডিজিটে নেমে এসেছে।

বর্তমান অবস্থা এমন যে, অনেক ক্যাডেট, জুনিয়র অফিসার আফসোস করেন, কেন এত পড়াশোনা করে, ২-৩ বছর সময় নষ্ট (!) করে ক্যাডেট হলেন! মাত্র ছয় মাসের ট্রেনিং নিয়ে রেটিং কেন হননি! কেননা জাহাজে যোগ দিয়ে তারা দেখেন, ছয় মাস ট্রেনিং করা একটা ছেলে প্রথম কন্ট্রাক্টে ওএস/ফায়ারম্যান হিসেবে ৪০০ ডলারের বেশি বেতন পান, অথচ ক্যাডেটদের বেতন ১৫০-২৫০ ডলার।

ফ্রেশ কিংবা এক্সপেরিয়েন্সড থার্ড অফিসার/ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন এবি, অয়েলার (জাহাজের রেটিং) থেকেও কম। এটা অবশ্যই বাংলাদেশি মেরিনারদের জন্য, মেরিন কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি ব্যাপার যার কোনো সমাধান গত আট বছরেও হয়নি।

ছোট্ট এ জীবনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি এ দেশে জোর গলায় আন্দোলন না করলে, রাস্তায় না নামলে কোনো যৌক্তিক দাবিও পূরণ হয় না। যেহেতু আমরা ‘ভাসমান’ একটি ছোট্ট কমিউনিটি এবং আমরা শান্তিপ্রিয় ‘রয়েল মেরিনার’, তাই রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা আমাদের দ্বারা হয়ে ওঠে না। তাছাড়া, অন্যান্য কমিউনিটির মতো এসব ক্ষেত্রে আমাদের শক্তিশালী একতাও নেই যে, আমরা কর্মবিরতিতে যাব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত।

কেউ একজন কম বেতনে যাবে না বললে আরেকজন লুফে নেবে সে প্রস্তাব! এমনকি ২০-৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দিতেও অনেকে কার্পণ্য করবেন না। আর আমাদের যারা ঠকাচ্ছেন তারা এ ব্যাপারগুলো ভালোভাবেই জানেন।

আমাদের পেশাটি যেহেতু ‘আন্তর্জাতিক’, তাই বেতনও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হওয়া উচিত। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আর বিবেচনা অনুযায়ী, ক্যাডেটদের ন্যূনতম বেতন ৫০০ ডলার, আর জুনিয়র অফিসারদের শুরুর বেতন নূন্যতম ৩০০০ ডলার হওয়া উচিত। জাহাজের প্রকারভেদে অফিসারদের বেতন এর চেয়ে কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

মেরিনারদের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আমাদের সিনিয়রদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এ লেখা। এখানে বেশির ভাগ দেশি কোম্পানির জাহাজে চাকরি করা ক্যাডেট এবং জুনিয়র অফিসারদের দুরাবস্থা তুলে ধরেছি, এর একটি সুন্দর সমাধানই সমস্ত বাংলাদেশি মেরিনারদের কাম্য।

লেখক: এক্স-ক্যাডেট, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (৪৭তম ব্যাচ)

আরও পড়ুন:
সোনারগাঁও সেন্ট্রাল হাসপাতালে যোগ দিন
বিনিয়োগে পছন্দের প্রথমে বাংলাদেশকে রাখার আহ্বান
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ
ইন্টারভিউ ছাড়াই নিয়োগ হচ্ছে ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স
এসি টেকনিশিয়ান নিচ্ছে লেকশোর হোটেল

শেয়ার করুন