× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

চাকরি-ক্যারিয়ার
২১ নিয়োগ দিচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
google_news print-icon

২১ নিয়োগ দিচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন

২১-নিয়োগ-দিচ্ছে-ঢাকা-দক্ষিণ-সিটি-করপোরেশন
আবেদনপত্রে প্রার্থীর নাম, পিতা / স্বামীর নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, জাতীয়তা, ধর্ম, জন্মতারিখ, বয়স, নিজ জেলার নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (যদি থাকে) উল্লেখ করতে হবে।

শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। আগ্রহী প্রার্থীকে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম সহকারী প্রকৌশলী (পুর)

পদের সংখ্যা ৪টি। চাকরির গ্রেড ৯। বেতন স্কেল ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরকৌশলে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএতে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে।

২. পদের নাম সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)

পদের সংখ্যা ২টি। চাকরির গ্রেড ৯। বেতন স্কেল ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরকৌশলে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএতে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে।

৩. পদের নাম উপসহকারী প্রকৌশলী (পুর)

পদের সংখ্যা ১২টি। চাকরির গ্রেড ১০। বেতন স্কেল ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।

প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত কারিগরি ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান থেকে পুর প্রকৌশলে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী হতে হবে।

৪. পদের নাম উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)

পদের সংখ্যা ২টি। চাকরির গ্রেড ১০। বেতন স্কেল ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।

প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত কারিগরি ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান থেকে যান্ত্রিক, পাওয়ার বা অটোমোবাইল প্রকৌশলে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী হতে হবে।

৫. পদের নাম উপসহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ)

পদের সংখ্যা ১টি। চাকরির গ্রেড ১০। বেতন স্কেল ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।

প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত কারিগরি ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান থেকে বিদ্যুৎ প্রকৌশলে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী হতে হবে।

২০২১ সালের ১ জুন প্রার্থীর বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছর হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা / শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার টিএ-ডিএ দেয়া হবে না।

আবেদনপত্রে প্রার্থীর নাম, পিতা / স্বামীর নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, জাতীয়তা, ধর্ম, জন্মতারিখ, বয়স, নিজ জেলার নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (যদি থাকে) উল্লেখ করতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষার সময় সকল সনদপত্রের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে এবং অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনপত্রের একটি প্রিন্ট কপিসহ সকল সনদপত্রের সত্যায়িত একসেট ফটোকপি দাখিল করতে হবে ।

চাকরির আবেদন ফরমে উল্লিখিত স্থায়ী ঠিকানা, নিজ জেলা ও জাতীয়তার সমর্থনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান / পৌরসভার মেয়র / সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার / কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত (নিজ জেলা উল্লেখ করতে হবে) নাগরিকত্বের সনদপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (ভোটার আইডি কার্ড) বা জন্মনিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।

প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা / শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা হলে মুক্তিযোদ্ধা সনদ (মন্ত্রণালয়ের সনদ, বামুস সনদ), মুক্তিবার্তা / গেজেট নম্বর ও তারিখ এবং মুক্তিযোদ্ধা / শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যার পুত্র-কন্যা হিসেবে চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে উপরোক্ত কাগজপত্রসহ প্রার্থীর সাথে মুক্তিযোদ্ধা / শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্কের প্রমাণক হিসেবে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান / পৌরসভার মেয়র / সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার / কাউন্সিলন কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যয়নপত্র প্রার্থী এবং তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রদর্শন করতে হবে।

আবেদনপত্র পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১ ও ২ নং পদের জন্য ১০০০ টাকা এবং ৩ থেকে ৫ নং পদের জন্য ৭০০ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের জন্য এখানে এবং বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে নিয়োগ
জনবল নিচ্ছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
আবারও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি চাইলেন রাবির সদ্য নিয়োগপ্রাপ্তরা
৫৭৫ নিয়োগ দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

চাকরি-ক্যারিয়ার
BGB deployment in Dhaka Chittagong Rajshahi and Bogra
কোটা সংস্কার আন্দোলন

ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন

ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন ফাইল ছবি।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার দাবিতে দেশজুড়ে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বগুড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে যুবক নিহত
ঢাবি ক্যাম্পাসে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২
রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নিহত
শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর

মন্তব্য

চাকরি-ক্যারিয়ার
Youth killed in clash in front of Dhaka College

ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে যুবক নিহত

ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে যুবক নিহত ফাইল ছবি।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঢাকা কলেজের সামনে থেকে এক ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে এখানে জরুরি বিভাগে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকেল সোয়া ৫টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীতে ঢাকা কলেজের সামনে থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটেছে।

ঢাকা কলেজের সামনের সড়কে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় কলেজের গেটের সামনে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা কলেজের গেটের সামনে ২৫ থেকে ২৬ বছর বয়সী একজন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ভ্যানগাড়িতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান শরীফ ও আকাশ মাহমুদ নামের দুই ব্যক্তি।

শরীফ ও আকাশ জানান, তারা মোটরসাইকেলে করে ঢাকা কলেজের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় তারা রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতোলে নিয়ে যান।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঢাকা কলেজের সামনে থেকে এক ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে এখানে জরুরি বিভাগে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকেল সোয়া ৫টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‘নিহতের সারা শরীর রক্তাক্ত ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
ঢাবি ক্যাম্পাসে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২
রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নিহত
শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

মন্তব্য

চাকরি-ক্যারিয়ার
Stop and go chase in DU campus

ঢাবি ক্যাম্পাসে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

ঢাবি ক্যাম্পাসে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করছেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ক্যাম্পাসে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ। অপরদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে। এই অবস্থানের মধ্যে দুপক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যামাপাসে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে।

ক্যাম্পাসে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ। অপরদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে। এই অবস্থানের মধ্যে দুপক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ দুপক্ষই তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাসে জমায়েত হয়েছেন।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন। আর আন্দোলনকারীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আছেন।

শহিদ মিনারে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা গতকাল পর্যন্ত কোনো লাঠিসোটা হাতে নেইনি। কিন্তু আমাদের বোনদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা আত্মরক্ষার জন্য আজ লাঠিসোটা হাতে নিয়েছি। যত কিছুই হয়ে যাক আমরা শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ ছাড়ব না।’

এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওয়াদা নেন। এবং বলেন, ‘গতকাল আমাদের বোনদের ওপর যখন হামলা করা হয়েছে তখন আমরা অনেক ভাই পালিয়ে গিয়েছি। আজও কি আমরা পালিয়ে যাবো?’

জবাবে সমবেত শিক্ষার্থীদের সবাই সমস্বরে বলে ওঠেন- ‘না না।’

নাহিদ বলেন, ‘আমাদের বোনেরা হলে হলে অবস্থান নিয়ে আছেন। আমরা যদি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করতে পারি তাহলে আমাদের বোনেরা হল থেকে সবাই চলে আসবেন।’

এদিকে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদ সমাবেশ করছে ছাত্রলীগ। সেখানে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

তিনি বলেন, ‘এতদিন পর্যন্ত আমরা আন্দোলনকারীদের কোনো বাধা দেইনি। কিন্তু এখন এই আন্দোলন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নেই। এটি বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সরকার পতনের আন্দোলন হয়ে গেছে। আমরা এগুলো বরদাষত করব না।’

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হল থেকে বের হয়ে শহীদ মিনারের দিকে যাওয়ার পথে ভিসি চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি বাস ভাংচুর করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব বাসে করে ছাত্রলীগের বহিরাগত নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে এসেছেন। তাই এসব বাস ভাংচুর করা হয়েছে।

বাস ভাংচুরের শব্দ পেয়ে ভিসি চত্বরে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় দুগ্রুপের মধ্যে কিছুক্ষণ ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। কিছ সময় পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ফুলার রোড হয়ে শহিদ মিনারের দিকে চলে যান। এ সময় সেখানে ককটেল বিস্ফোরণেরও শব্দ পাওয়া গেছে।

তিনজন গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজন আহত

বিকেল ৫টা থেকে চানখাঁরপুল মোড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় জড়িয়েছেন স্থানীয় ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মী। এসময় তিনজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন কয়েকজন।

আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে। তাদের একজন আবদুল্লাহ সালেহীন অয়ন। তিনি আন্দোলনের সমন্বয়ক। আরেকজনের নাম শুভ। বাকিদের তাৎক্ষণিকভাবে বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

ছাত্রলীগ-যুবলীগের এই গ্রুপটি অবস্থান করছে শেখ বোরহান উদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের রোডে। আর শিক্ষার্থীদের আরেকটি অংশ অবস্থান করছে চানখাঁরপুল মোড়ের সামনে। এই দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চললেও রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান করছে ছাত্রলীগের আরেকটি অংশ। আর শহীদ মিনারে অবস্থান করছে আন্দোলনকারীদের বাকি অংশ।

সবশেষ খবর অনুযায়ী, শাহবাগ থেকে ছাত্রলীগের আরও একটি অংশ মিছিল নিয়ে এসে রাজু ভাস্কর্যে অবস্থানে যোগ দিচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের
রাতভর যা ঘটল জাবিতে
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের
ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত

মন্তব্য

চাকরি-ক্যারিয়ার
2 killed in Chittagong clash with quota activists

চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২

চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২ কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে নেমেছে চট্টগ্রাম নগরীর সড়কে। ছবি: নিউজবাংলা
দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, ‘দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আরও নয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। দুজনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী এবং অপরজন পথচারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আরও নয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।’

জানা গেছে, বিকেল ৩টা থেকে বন্দর নগরের মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট ও ষোলশহরসহ আশপাশের এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষ শুরু হয়। এর আগে দুপুর থেকে বিভিন্ন মোড়ে অবস্থা নেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

সবশেষ পাওয়া তথ্যমতে, ষোলশহর শিক্ষা বোর্ড এলাকায় কোটা আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে। মুরাদপুর অংশে অবস্থান নিয়েছেন কোটা আন্দোলনকারীরা। আর দুই নম্বর ও ষোলশহর এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে। কোটা আন্দোলনকারীরাও লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের
রাতভর যা ঘটল জাবিতে
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের
ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত
ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ

মন্তব্য

চাকরি-ক্যারিয়ার
Protesting students killed in clash with police in Rangpur

রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নিহত

রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নিহত বেরোবি কোটা আন্দোলন সমন্বয় কমিটির সদস্য আবু সাঈদ। ছবি: সংগৃহীত
নিহত আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা আন্দোলন সমন্বয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ছাত্র নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত আবু সাঈদ রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা আন্দোলন সমন্বয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মঙ্গলবার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যোগ দেন। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। তিনি কীভাবে মারা গেছেন তা বলতে পারছি না।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘দুপুরে বেরোবির কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শহরের লালবাগ এলাকা থেকে ক্যাম্পাসের দিকে যান। তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ে। সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থী নিহত হন।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা
বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের

মন্তব্য

চাকরি-ক্যারিয়ার
DU assistant proctor victimized by students

শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর

শিক্ষার্থীদের মারধরের শিকার ঢাবির সহকারী প্রক্টর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার বিকেলে সহকারী প্রক্টরদের ধাওয়া করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত ও বদরুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে শহিদ মিনারে এলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন। শিক্ষার্থীরা তাদেরকে উদ্দেশ করে ‘দালাল’, ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। কয়েকজন শিক্ষার্থী অধ্যাপক মুহিতকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সহকারী প্রক্টর বদরুল ইসলামকেও ধাওয়া দেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বিকেলে সহকারী প্রক্টররা শহিদ মিনারে এলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন। শিক্ষার্থীরা তাদেরকে উদ্দেশ করে ‘দালাল’, ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

এক পর্যায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদেরকে ধাওয়া করেন। এ সময় শিক্ষকরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে চাইলে আন্দোলনকারীরা তাদের দিকে বিভিন্ন বস্তু এবং কাঠের টুকরো ছুড়ে মারেন। একটু পর পেছন থেকে কয়েকজন আন্দোলনকারী এসে অধ্যাপক মুহিতকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। পরপর কয়েকটি আঘাতের পর মাটিতে পড়ে যান অধ্যাপক মুহিত।

এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন শুরু থেকেই শিক্ষকদের ওপর আক্রমণ না করার আহ্বান জানান। তারা শিক্ষকদের ওপর হামলা চালাতে উদ্যত অনেক শিক্ষার্থীকে বাধা দেন।

অধ্যাপক মুহিত যখন মাটিতে পড়ে যান তখন একজন শিক্ষার্থী তাকে রিকশায় তুলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

জানা যায়, বহিরাগত তাড়াতে শহিদ মিনার এলাকায় গিয়েছিলেন সহকারী প্রক্টরবৃন্দ। বহিরাগতদের ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যাওয়ার অনুরোধ করলে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করেন- গতকাল কই ছিলেন, যখন আমাদের বোনদের ওপর হামলা করা হয়েছে?

এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আন্দোলনকারীরা। এর আগে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাকসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের বহিরাগত নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে মাইকিংও করেন সহকারী প্রক্টরবৃন্দ।

আরও পড়ুন:
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের
ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত
ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ
চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০

মন্তব্য

চাকরি-ক্যারিয়ার
Demonstration in EB against attack on students

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ মঙ্গলবার সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ছবি: নিউজবাংলা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

দেশব্যাপী চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও ছাত্র সমাবেশ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়।

শিক্ষার্থীরা এ সময় ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘কোটার বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’; ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’; ‘আমার ভাইকে মারল কেন, প্রশাসন জবাব চাই’; ‘’রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়; ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’; ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলাম। কিন্তু গতকাল আমরা দেখতে পেয়েছি যে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের ভাইবোনদের ওপর ছাত্রলীগের পেটোয়া বাহিনী বর্বরোচিত, ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। আমরা পাকিস্তানি বাহিনীর বিপরীতে শহীদ শামসুজ্জোহা স্যারকে পেয়েছিলাম। কিন্তু এই আন্দোলনে আমরা আমাদের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, প্রাধ্যক্ষবৃন্দ কাউকেই পাইনি যা অত্যন্ত হতাশাজনক। অনতিবিলম্বে আমরা ছাত্রলীগের হামলার বিচার চাই।’

এসময় সমাবেশে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারহা তানজীম তিতিল। তিনি বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। তবে আমি মনে করি আদিবাসী, প্রতিবন্ধীর মতো কিছু কিছু জায়গায় কোটা থাকা দরকার।

‘এখানে হতে পারে যে নানা কারণে নানাজন সংশ্লিষ্ট আছে। কিন্তু আমাদের মূলত যে দাবি তা হলো বেকারত্বের সংকট ঘোচানো। ছাত্ররা এই ন্যায্য দাবিতে মাঠে রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

আরও পড়ুন:
সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা
বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের
রাতভর যা ঘটল জাবিতে
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের

মন্তব্য

p
উপরে