গ্রামীণফোনের ১৫৯ জনকে ছাঁটাই

গ্রামীণফোনের ১৫৯ জনকে ছাঁটাই

২০ জুন সন্ধ্যায় দেড় শতাধিক কর্মীকে একসঙ্গে ছাঁটাই নোটিশ পাঠায় গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (জিপিইইউ) অনলাইনে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে। প্রতিবাদ থেকে বলা হয়, তাদের বেআইনিভাবে ছাঁটাই করা হয়েছে। অবিলম্বে তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানায়।

একসঙ্গে ১৫৯ কর্মীকে ছাঁটাই করেছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। স্বেচ্ছায় অবসর পরিকল্পনা বা ভলান্টারি রিটায়ার্ডমেন্ট স্কিম (ভিআরএস) না নেয়ায় তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কর্মীরা।

২০ জুন সন্ধ্যায় ওই কর্মীদের একসঙ্গে ছাঁটাই নোটিশ পাঠায় গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (জিপিইইউ) অনলাইনে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে।

প্রতিবাদ থেকে বলা হয়, তাদের বেআইনিভাবে ছাঁটাই করা হয়েছে। অবিলম্বে তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানায়।

ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের ভিআরএস নিতে এক বছর আগে সময় দেয় গ্রামীণফোন। কিন্তু কর্মীরা এক বছরেও এই স্কিম গ্রহণ করেননি। সুবিধাটি নেয়ার মেয়াদ শেষ হয় ১৭ জুন।

গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (জিপিইইউ) সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. শফিকুর রহমান মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্বেচ্ছায় অবসর পরিকল্পনা নেয়ার কথা বলা হয়েছিল। অনেকেই সেটা নেননি। এখন যা করা হচ্ছে সেটা তো মেনে নেয়া যায় না।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় আবারও ছাঁটাই করেছে গ্রামীণফোন। এটা বেআইনি এমনকি আদালতের লঙ্ঘন।

‘এক বছরের বেশি সময় ধরে এসব কর্মীকে কোনো কাজ করতে দেয়া হয়নি। তাদের কাজ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে করানো হয়েছে।

‘কেন কর্তৃপক্ষ বসিয়ে রেখে এক বছর ধরে এসব কর্মীকে বেতন দিল। তার বদলে একই কাজ করানো হচ্ছে তৃতীয় পক্ষের কর্মী দিয়ে। এরই মধ্যে তৃতীয় পক্ষের কর্মীরা গ্রাহকের তথ্য বেহাত করেছেন। সে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাহলে এর দায় কে নেবে?’

বিষয়টি নিয়ে গ্রামীণফোনের হেড অফ এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন মুহাম্মদ হাসান বলেন, ‘নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এমপ্লয়ি এবং ব্যবসায়িক পার্টনারদের নিরাপদ রাখতে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাইডলাইন বিবেচনায় নিয়ে এরই মধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছি। সার্বিক পরিস্থিতি আমলে নিয়ে এমপ্লয়িদের নিরাপত্তা বিবেচনায় আমরা একটি পরিকল্পনা করেছি। এর আওতায় আমাদের ৭ কোটি ৬৫ লাখ গ্রাহকের চলমান সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে।

‘আমরা মনে করি এমন একটি সময়ে গ্রাহকের পাশে থাকা বেশি জরুরি। আমাদের এমপ্লয়ি যারা সরাসরি গ্রাহকসেবার সঙ্গে জড়িত নন, তাদেরকে বাসা থেকে অফিস করার জন্য উৎসাহিত করছি। একই সাথে যারা সরাসরি গ্রাহকসেবা দেবেন তাদের জন্য যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করছি।

‘ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি যেন সরাসরি যোগাযোগ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা যায়। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী নির্দেশনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

গ্রামীণফোন সূত্র জানায়, ছাঁটাই ১৫৯ জনের মধ্যে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩০ জন আকর্ষণীয় ভিআরএস নেয়ার জন্য আবেদন করেছেন। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

এবারে ভিআরএসে ছিল

চাকরির বয়স বিবেচনায় সর্বোচ্চ ১০০টি বেসিক।

গ্রামীণফোনে কর্মরত অবস্থায় একজন কর্মী যে স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা পেতেন, অবসরে যাওয়ার পরে পরবর্তী ২ বছর একই সুবিধা পাবেন। এই স্বাস্থ্যবিমার মধ্যে অবসরে যাওয়া কর্মীরা, তাদের স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও মা, বাবা ওপিডি ও আইপিডি সুবিধা পাবেন।

জীবন বিমার আওতায় আগামী দুই বছরে মৃত্যুজনিত কারণে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর পরিবারকে ২৪ মাসের গ্রস বেতনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান।

ওপিডির আওতায় অবসরে যাওয়া কর্মী, স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও মা, বাবা দুই বছর (যতবার হাসপাতালে ভর্তি হবেন) ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিমাসুবিধা পাবেন।

এ ছাড়া ভিআরএস নেয়া কর্মীদের বাজার চাহিদা মোতাবেক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ কলেজ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে

অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ কলেজ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে

মারধরে আহত রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হক। ছবি: নিউজবাংলা

গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তার কক্ষ থেকে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। আহত শিক্ষক দাবি করেছেন, কয়েকজন শিক্ষক তাকে মারপিট করেছেন।’

রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে অন্য শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

পুলিশ জানিয়েছে, মারধরের পর অধ্যক্ষকে অফিস কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে তারা গিয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেকে তার চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হলে শুক্রবার তিনি মামলা করতে পারেন।

কলেজ থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে সমাজকর্ম বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল হান্নানসহ কয়েকজন শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা অধ্যক্ষের কক্ষের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন।

পরে ৫-৬ জন শিক্ষক অধ্যক্ষ উমরুল হককে মারধর করে বাইরে থেকে কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হক মারধরের অভিযোগ করলেও কারণ বলেননি। তবে এ ঘটনার বিচার দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল হান্নানের মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তার কক্ষ থেকে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। আহত শিক্ষক দাবি করেছেন, কয়েকজন শিক্ষক তাকে মারপিট করেছেন।’

ওসি আরও বলেন, ‘এখনও এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তিনি আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি থাকায় লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। শুক্রবার তিনি অভিযোগ করতে পারেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

২০১৮ সালের আগস্ট মাসে গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে মারধরের ঘটনা ঘটে। কয়েকজন শিক্ষক তাকে মারপিট করেন। সম্প্রতি পিবিআই ওই ঘটনার তদন্ত শেষে ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হকও রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক হামলা: বেগমগঞ্জ থানার ওসি বদলি

সাম্প্রদায়িক হামলা: বেগমগঞ্জ থানার ওসি বদলি

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সিকদার। ছবি: নিউজবাংলা

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম বদলির তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বেগমগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ কামরুজ্জামান শিকদারকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশে বদলি করা হয়েছে। তার স্থানে মীর জাহেদুল হক রনিকে বেগমগঞ্জ থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলার পর বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সিকদারকে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিয়ে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ আদেশ দেয়া হয়। বেগমগঞ্জের একাধিক পূজা মণ্ডপ, মন্দির এবং বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার পর তাকে বদলির দাবি জানিয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।

এই দাবি ওঠার পর কামরুজ্জামান সিকদারকে বদলির অনুমতি চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। বর্তমানে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কারণে বেগমগঞ্জ থানা নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বদলির তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বেগমগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ কামরুজ্জামান শিকদারকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশে বদলি করা হয়েছে। তার স্থানে মীর জাহেদুল হক রনিকে বেগমগঞ্জ থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

কুমিল্লা, চাঁদপুরের পর দেশে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল নোয়াখালীতে। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এবং শুক্রবার দুপুরে একই উপজেলার চৌমুহনী পৌর এলাকায় ১১টি পূজামণ্ডপে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

হামলায় প্রাণ হারান প্রান্ত চন্দ্র দাশ নামে এক যুবক, আতঙ্কে হৃদরোগে যতন সাহা নামে আরেকজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে যতনের পরিবারের অভিযোগ, তিনিও হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। ওই সময় লুটপাট করা হয় মন্দিরের আসবাব, স্বর্ণালংকার, ভাঙচুর করা হয় প্রতিমা।

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন

শিক্ষিকাকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, কারাগারে ২

শিক্ষিকাকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, কারাগারে ২

পুলিশ জানায়, সোমবার এক শিক্ষিকা হেঁটে নিজ কর্মস্থলে যাওয়ার পথে দুজন পথরোধ করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে বুধবার রাতে এলাকাবাসী ওই দুজনকে আটক করে বোচাগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে এক শিক্ষিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে দিনাজপুরের আমলি আদালতে (বোচাগঞ্জ) নেয় পুলিশ। আসামিরা ওই শিক্ষিকাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যান বলে সন্ধ্যায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বোচাগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, শিক্ষিকার করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেয়া হয়। সেখানে আসামিরা শিক্ষিকাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ধর্ষণের কথা তারা স্বীকার করেননি, মেডিক্যাল রিপোর্ট এলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন উপজেলার সুলতানপুর আবাসনের মামুনুর রশিদ ও সেনিহারী গ্রামের সুজন আলী। তাদের বয়স ২৫-২৬ বছর।

পুলিশ জানায়, সোমবার এক শিক্ষিকা হেঁটে নিজ কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ওই দুজন পথরোধ করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে বুধবার রাতে এলাকাবাসী ওই দুজনকে আটক করে বোচাগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ওই শিক্ষিকা বুধবার রাতে দুজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, ওই মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুপুরে আদালতে নেয়া হয়। সন্ধ্যায় তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহবুবুর রহমান সরকার জানান, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে বিকেলে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীকে মারধর, তিন আনসার সদস্য বরখাস্ত

শিক্ষার্থীকে মারধর, তিন আনসার সদস্য বরখাস্ত

মারধরের শিকার জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ঐশ্বর্য সরকার। ছবি: নিউজবাংলা

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, ‘ঐশ্বর্য তীব্র মাথাব্যথা নিয়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। টিকিট সংগ্রহের লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আনসার সদস্য মাসুদ ও শরীফ ছুটে আসেন এবং তারাও তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে লাঠি দিয়ে মারধর করেন তারা।’

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় তিন সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টারের সামনে দুপুর ১২টার দিকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীর নাম ঐশ্বর্য সরকার। তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

বরখাস্ত হওয়া তিন আনসার সদস্য হলেন মো. মাসুদ, মো. শরীফ ও মো. শফিকুল। তারা ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ছিলেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এর আগে দুপুর ২টার দিকে মাসুদ ও শরীফকে মেডিক্যাল কলেজ থেকে সরিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে তাদের ময়মনসিংহের আনসার ক্যাম্পে পাঠানো হয়।

এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন।

মারধরের শিকার শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য সরকারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘ঐশ্বর্য তীব্র মাথাব্যথা নিয়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। টিকিট সংগ্রহের লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আনসার সদস্য মাসুদ ও শরীফ ছুটে আসেন এবং তারাও তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে লাঠি দিয়ে মারধর করেন তারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি জানতে পেরে দ্রুত ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করি এবং ঘটনাটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানাই। ঐশ্বর্য তার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আসাদুজ্জামান নিউটনকে জানালে তিনি হাসপাতালে আসেন। তাকে আমরা হাসপাতালের উপপরিচালকের কাছে নিয়ে যাই।’

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুপুর দুইটার দিকে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শিক্ষার্থীকে মারধরের সত্যতা পাওয়া যায়। তখনই দুই আনসার সদস্যকে ময়মনসিংহের আনসার ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপমহাপরিচালক নূরে আলম সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আনসার সদস্য মাসুদ ও শরীফের সঙ্গে শফিকুলকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কারণ ঘটনার সময় শফিকুল ওই দুই আনসার সদস্যকে না ফিরিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাদেরকে আনসার ক্যাম্প থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির প্রধান সহকারী জেলা কমান্ডেন্ট সোহাগ পারভেজ। অন্য সদস্যরা হলেন জেলা সার্কেল অ্যাডজুটেন্ট ওসমান গণি ও উপজেলা আনসার কমান্ডার রমজান মিয়া। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তারা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন।’

প্রতিবেদন পেলে ওই তিন আনসার সদস্যকে চাকরিচ্যুতসহ কালোতালিকাভুক্ত করা হবে বলেও জানান নূরে আলম।

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন

চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি

চাঁদপুরে সহিংসতা: আদালতে জামায়াত নেতার স্বীকারোক্তি

তৌহিদী জনতার ব্যানারে মিছিল নিয়ে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন মণ্ডপে হামলা চালানো হয়। ফাইল ছবি

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, ‘ঘটনা সময়ের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে যাচাই-বাছাই করে এবং গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও অনেক অভিযুক্তের নাম পাওয়া গেছে। আমাদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মন্দিরে হামলা ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামের নেতা ও হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন আব্বাসী।

চাঁদপুর বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক কামাল উদ্দিনের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে জবানবন্দি দেন তিনি। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মিলন মাহমুদ।

এর আগে বুধবার রাতে কামালকে হাজীগঞ্জ থেকে আটকের পর পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এসপি মিলন মাহমুদ নিউজবাংলাকে জানান, হাজীগঞ্জে পূজা মণ্ডপে ভাঙচুর ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ দুটি মামলা করেছে। বাকি আটটি মামলা করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ কর্তৃপক্ষ। এসব মামলায় এজারনামীয় ৭ জনসহ আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় পাঁচ হাজার জনকে।

ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এসপি আরও জানান, ঘটনার সময় বিভিন্ন স্থানে থাকা ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, ‘ঘটনা সময়ের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে যাচাই-বাছাই করে এবং গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও অনেক অভিযুক্তের নাম পাওয়া গেছে। আমাদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

গত ১৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লার ঘটনায় তৌহিদী জনতার ব্যানারে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার একটি মিছিল বের করা হয়। সেই মিছিল থেকে মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশের সঙ্গে মিছিলকারীদের সংঘর্ষ হয়।

ওই সময় হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়া (ত্রিনয়নী), দি বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ মন্দির, পৌর মহাশ্মশান, জমিদার বাড়িসহ কয়েকটি পূজা মণ্ডপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালালে পাঁচজন নিহত হন।

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন

যুবলীগের চিঠি সংকলন ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ প্রকাশ

যুবলীগের চিঠি সংকলন ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ প্রকাশ

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের প্রচ্ছদ।

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ চিঠি সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও নির্বাহী সম্পাদক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গ্রন্থটির মুখবন্ধ লিখেছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম ও প্রচ্ছদ করেছেন ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।

বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশে লেখা প্রতীকী চিঠি নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সম্পাদনায় রচিত গ্রন্থটির নাম রাখা হয়েছে ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’।

১৭ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই অংশ ছিল এই চিঠি লেখা কর্মসূচি। সারাদেশ থেকে আসা শতাধিক চিঠি থেকে বাছাইকৃত চিঠি নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে গ্রন্থটি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ অক্টোবর আইইবি মিলনায়তনে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আশ্রয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপি, সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি, বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান এমপি, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ চিঠি সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও নির্বাহী সম্পাদক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গ্রন্থটির মুখবন্ধ লিখেছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম ও প্রচ্ছদ করেছেন ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।

সম্পাদনা সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম মিল্টন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মোস্তাফিজ, উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ নবীরুজ্জামান বাবু এবং উপ প্রচার সম্পাদক আদিত্য নন্দী।

গ্রন্থটির সম্পাদক শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে প্রজন্মের ভাবনা, আবেগ, ভালোবাসা প্রকাশিত হোক- এমন ইতিবাচক উদ্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রতীকী চিঠি লেখা কর্মসূচি। সারাদেশ থেকে প্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুকে লেখা চিঠিগুলো থেকে বাছাইকৃত চিঠি নিয়ে প্রকাশিত হলো চিঠি সংকলন গ্রন্থ ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’।’

প্রিয় বঙ্গবন্ধু গ্রন্থটি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও শাহাবাগের পাঠক সমাবেশে পাওয়া যাবেও বলে জানান তিনি। এর শুভেচ্ছা মূল্য ধরা হয়েছে ৩২০ টাকা।

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন

বসতবাড়িতে গোখরার ৮ বাচ্চা, বনে অবমুক্ত 

বসতবাড়িতে গোখরার ৮ বাচ্চা, বনে অবমুক্ত 

উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের সরকার হাট এলাকার এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে বুধবার রাতে সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানান বন কর্মকর্তা মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর একটি বসতবাড়ি থেকে উদ্ধার গোখরা সাপের ৮টি বাচ্চাকে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ।

উপজেলার পশ্চিমে পাহাড়ি বনে বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে বাচ্চাগুলোকে অবমুক্ত করা হয়।

উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের সরকার হাট এলাকার এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে বুধবার রাতে সাপের বাচ্চাগুলোকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান বন কর্মকর্তা মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বুধবার রাতে হাটহাজারীর সরকার হাটের বালুরটাল নামক এলাকার একটি বাসা থেকে গোখরা সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাটহাজারী পৌরসভার পশ্চিমে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনে বাচ্চাগুলো অবমুক্ত করা হয়।’

আরও পড়ুন:
গ্রামীণফোনের আয় কমেছে
যেভাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকের তথ্য প্রতারকের হাতে

শেয়ার করুন