নিয়োগ দিচ্ছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

নিয়োগ দিচ্ছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষকদের ৫ সেট ও অন্যান্য পদের প্রার্থীরা ১ সেট আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মচারী নেয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ২০ জুন থেকে ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম প্রভাষক।

পদের সংখ্যা ২টি। এর মধ্যে সিএসই বিভাগে ১ এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগে ১ জন নিয়োগ পাবেন।

২. পদের নাম সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার।

পদের সংখ্যা ১টি।

৩. পদের নাম সহকারী প্রোগ্রামার।

পদের সংখ্যা ১টি।

৪. পদের নাম ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট।

পদের সংখ্যা ১টি।

প্রার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

শিক্ষকদের ৫ সেট ও অন্যান্য পদের প্রার্থীরা ১ সেট আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে পদ ভেদে ৬০০/৪০০ টাকা মূল্যের ব্যাংক ড্রাফট / পে-অর্ডার সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্ল্যাট-ডি ১, বাড়ি-৭০/১, সড়ক-৬/এ, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২০৬।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কোটা ছাড়া সরকারি নিয়োগ হচ্ছে যেভাবে

কোটা ছাড়া সরকারি নিয়োগ হচ্ছে যেভাবে

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে নিয়োগে এখন কোনো কোটা নেই। ফাইল ছবি

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দেয়ার পর দেশের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরোটাই এখন হচ্ছে মেধার ভিত্তিতে। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে এখনও বহাল আছে কোটা পদ্ধতি। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা সংরক্ষণ করাটা জরুরি। না হলে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন।

দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করে কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য সুবিধা দিতে সারা বিশ্বে সংরক্ষণ করা হয় কোটা। কিন্তু কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রথা বাতিল করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর থেকে দেশের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরোটাই হচ্ছে মেধার ভিত্তিতে। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে এখনও বহাল আছে কোটা পদ্ধতি।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর শারিরীক প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা সংরক্ষণ করাটা জরুরি। না হলে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন। সুযোগ না পেলে অনগ্রসররা আরও পিছিয়ে যাবে বলেও মনে করেন তারা।

কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়ে নানা সময় দেশে আন্দোলন দেখা গেলেও ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এ দাবির পক্ষে বাড়তে থাকে জনমত। ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ পরিষদ’-এর ব্যানারে শুরু হওয়া আন্দোলনে যোগ দিতে থাকেন বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। শিক্ষাঙ্গনে শুরু হয় অচলাবস্থা। অবরুদ্ধ সড়কে শুরু হয় তীব্র যানজট। দুর্ভোগে পড়তে হয় নগরবাসীকে।

এমন বাস্তবতায় ২০১৮ সালের ১১ এপ্রিল সংসদে দাঁড়িয়ে কোটা পদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই দিন সরকারদলীয় সাংসদ জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংস্কার সংস্কার বলে...সংস্কার করতে গেলে আরেক দল এসে বলবে আবার সংস্কার চাই। কোটা থাকলেই সংস্কার। আর কোটা না থাকলে সংস্কারের কোনো ঝামেলাই নাই। কাজেই কোটা পদ্ধতি থাকারই দরকার নাই।’

ওই বছরের ৪ অক্টোবর কোটা বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘৯ম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হইবে।

‘৯ম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হইল।’

কোটা ছাড়া সরকারি নিয়োগ হচ্ছে যেভাবে
সরকারি চাকরিতে কোটার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে দেশজুড়ে গড়ে উঠেছিল কঠোর আন্দোলন। ছবি: সংগৃহীত

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘কোটার যে বিষয়টি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করেছেন। সেভাবেই কিন্তু আমরা কোটা পদ্ধতি বাস্তবায়ন করছি। বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির চাকরি, সেটা নবম গ্রেড থেকে শুরু করে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া করে থাকি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘বিসিএস ক্যাডার হয়ে যারা ঢুকছেন তারা কিন্তু নবম গ্রেডে ঢোকেন। সেখান থেকে শুরু করে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার কোনো বিষয় নেই। এটা পুরোপুরি মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ কাজ সম্পন্ন হয়।’

তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দ্বিতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণি অর্থ্যাৎ ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে কোটা পদ্ধতি বহাল আছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

১৩ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কোটা পদ্ধতির বিন্যাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এতিম এবং প্রতিবন্ধী যারা রয়েছেন তাদের জন্য ১০ শতাংশ রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা সেখানে ৩০ শতাংশ আছে। নারী কোটা ১৫ শতাংশ। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যদি কেউ থাকেন, সেটা ৫ শতাংশ এবং আনসার ভিডিপির জন্য ১০ শতাংশ। অবশিষ্ট যা আছে ৩০ শতাংশ।’

উদাহরণ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো জেলায় যদি ২০ জন নিয়োগ হয়, একজন এতিম ও একজন প্রতিবন্ধী মিলিয়ে দুই জন। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হবে ছয় জন। তারপর নারী কোটায় তিন জন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যদি কেউ থাকে, সেখান থেকে এক জন। আনসার ভিডিপি থেকে থাকবে দুই জন এবং অন্যান্য সাধারণ যারা, যারা মেধার সঙ্গে আছেন তারা থাকবেন ছয় জন। ২০ জন এভাবেই বিভক্তি হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন বলেন, ‘সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের জন্য অবশ্যই কোটা থাকা উচিত। কারণ মূলধারার সঙ্গে তাদেরকে সম্পৃক্ত করার সুযোগ থাকতে হবে।’

তাদেরকে মূল স্রোতের সঙ্গে মেশাতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মনে করেন এই শিক্ষাবিদ।

বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি বলেন, ‘আপাতত যেটা আছে, সেটা তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণির ক্ষেত্রে আমরা রেখেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যদি সেরকম কোনো নির্দেশনা আগামীতে পাওয়া যায়, আমরা অবশ্যই সেভাবে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করব।’

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে আপিল

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে আপিল

২০ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। ওই আদেশের পর আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারীরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ১ হাজার ৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টে খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে। শুনানির জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছে চেম্বার আদালত।

শনিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও অ্যাটির্ন জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ।

এ সংক্রান্ত ২০ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। ওই আদেশের পর আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারীরা।

রিট থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি ১ হাজার ৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের পরীক্ষা শেষে ২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করা হয়।

তবে এতে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

পরে ফল না পেয়ে চাকরিপ্রার্থী ৩৪ জন রিট আবেদন করে। এরপর একে একে ২০ রিট হয়। সব রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১৪ নিয়োগ

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১৪ নিয়োগ

প্রতি পদের জন্য ১০০ টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে চালানের মূল কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

শূন্যপদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। আগ্রহী প্রার্থীদের ১৭ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা: ৩টি

চাকরির গ্রেড: ১৩

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/সমমান

২. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা: ৪টি

চাকরির গ্রেড: ১৪

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/সমমান

৩. পদের নাম: লাইব্রেরি সহকারী

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান

৪. পদের নাম: সার্টিফিকেট সহকারী

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান

৫. পদের নাম: হিসাব সহকারী

পদের সংখ্যা: ৫টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান

প্রার্থীকে জন্মসূত্রে বাংলাদেশি এবং শেরপুরের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রার্থীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রতি পদের জন্য ১০০ টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ১-০৭৪২-০০০০-২০৩১ নম্বর কোডে জমা দিয়ে চালানের মূল কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে নিজ ঠিকানাসংবলিত ১৫ টাকার ডাকটিকিট যুক্ত ৯.৫ X ৪.৫ ইঞ্চি মাপের একটি ফেরত খাম দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে ৫৪ নিয়োগ

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে ৫৪ নিয়োগ

আবেদনপত্র পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১ থেকে ৬ নং পদের জন্য ৭০০ টাকা, ৭ ও ৮ নং পদের জন্য ৫০০ টাকা, ৯ থেকে ১২ নং পদের জন্য ১০০ টাকা এবং ১৩ নং পদের জন্য ৫০ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)। আগ্রহী প্রার্থীকে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: সিস্টেম অ্যানালিস্ট

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ৫

বেতন স্কেল: ৪৩,০০০-৬৯,৮৫০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

অভিজ্ঞতা: ৫ বছর

বয়স: সর্বোচ্চ ৪০ বছর

২. পদের নাম: প্রোগ্রামার

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ৬

বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

অভিজ্ঞতা: ৪ বছর

বয়স: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর

৩. পদের নাম: সহকারী পরিচালক

পদের সংখ্যা: ২১টি

চাকরির গ্রেড: ৯

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৪. পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ৯

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৫. পদের নাম: সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ৯

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৬. পদের নাম: হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ৯

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৭. পদের নাম: সহকারী লাইব্রেরিয়ান

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১০

বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৮. পদের নাম: ব্যক্তিগত কর্মকর্তা

পদের সংখ্যা: ৪টি

চাকরির গ্রেড: ১১

বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৯. পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা: ৪টি

চাকরির গ্রেড: ১৪

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

১০. পদের নাম: ক্যাশিয়ার

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১৪

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

১১. পদের নাম: ভান্ডার রক্ষক

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

১২. পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর

পদের সংখ্যা: ২টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

১৩. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদের সংখ্যা: ১৫টি

চাকরির গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি / সমমান

বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

অনলাইনে ফরম পূরণ করতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনপত্র পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১ থেকে ৬ নং পদের জন্য ৭০০ টাকা, ৭ ও ৮ নং পদের জন্য ৫০০ টাকা, ৯ থেকে ১২ নং পদের জন্য ১০০ টাকা এবং ১৩ নং পদের জন্য ৫০ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন

১১ শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

১১ শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

মোট ৮ কপি আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। প্রতি কপি ফরমের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, ট্রান্সক্রিপ্ট / মার্কশিট, পজিশনের প্রমাণপত্র, অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট, জাতীয়তার সনদ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেটের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ৭ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

১. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক

বিভাগ: আর্কিটেকচার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

২. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক

বিভাগ: ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রোপ্রসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

৩. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক

বিভাগ: আর্কিটেকচার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

৪. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক

বিভাগ: ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রোপ্রসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

৫. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক

বিভাগ: উদ্ভিদবিজ্ঞান

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

৬. পদের নাম: প্রভাষক

বিভাগ: আর্কিটেকচার

পদের সংখ্যা: ২টি

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

৭. পদের নাম: প্রভাষক

বিভাগ: ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রোপ্রসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং

পদের সংখ্যা: ২টি

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

৮. পদের নাম: প্রভাষক

বিভাগ: উদ্ভিদবিজ্ঞান

পদের সংখ্যা: ২টি

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

আবেদন ফি: ১,২০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি দেখুন

প্রার্থীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

মোট ৮ কপি আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। প্রতি কপি ফরমের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, ট্রান্সক্রিপ্ট / মার্কশিট, পজিশনের প্রমাণপত্র, অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট, জাতীয়তার সনদ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেটের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

খামের ওপরে পদের নাম উল্লেখ করতে হবে।

ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ-৮১০০।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন

জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ

জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ

১ নং পদের জন্য ১০০ টাকা এবং ২ নং পদের জন্য ৫০ টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ১-৪৬৩২-০০০১-২০৩১ নম্বর কোডে জমা দিয়ে চালানের মূল কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ১৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

২. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদের সংখ্যা: ২টি

চাকরির গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি / সমমান

প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং জয়পুরহাট জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রার্থীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

১ নং পদের জন্য ১০০ টাকা এবং ২ নং পদের জন্য ৫০ টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ১-৪৬৩২-০০০১-২০৩১ নম্বর কোডে জমা দিয়ে চালানের মূল কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে নিজ ঠিকানাসংবলিত ১৫ টাকার ডাকটিকিট যুক্ত ১০.৫ X ৪.৫ ইঞ্চি মাপের একটি ফেরত খাম দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে এবং প্রবেশপত্রের ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন

শিক্ষক নিচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক নিচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রার্থীকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে আট সেট আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। শুধু ডাকে আবেদনপত্র পাঠানো যাবে।

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক

বিভাগ: ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ৬

চাকরির ধরন: স্থায়ী

বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর

অভিজ্ঞতা: ৩ বছর

২. পদের নাম: প্রভাষক

বিভাগ: পরিসংখ্যান

পদের সংখ্যা: ১টি

চাকরির গ্রেড: ৯

চাকরির ধরন: স্থায়ী

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর

আগ্রহী প্রার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের তিন কপি রঙিন ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যায়িত কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধনের সত্যায়িত কপি, অভিজ্ঞতা সনদের সত্যায়িত কপি, প্রকাশনা ও প্রশিক্ষণসংশ্লিষ্ট সনদের সত্যায়িত কপি এবং ব্যাংক ড্রাফট অথবা পে-অর্ডারসহ আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

প্রতি পদের জন্য ৫০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট অথবা পে-অর্ডার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে জনতা ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে করতে হবে।

এ ছাড়া নিজ ঠিকানাসংবলিত ১০ টাকার ডাকটিকিটসহ একটি ফেরত খাম দিতে হবে।

যেকোনো পদের জন্য প্রার্থীকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে আট সেট আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। শুধু ডাকে আবেদনপত্র পাঠানো যাবে।

চাকরিরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। বিভাগীয় প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান প্রার্থীদের সর্বশেষ সরকারি নীতিমালা অনুসারে কর্তৃপক্ষের সনদপত্রসহ আবেদনপত্র দিতে হবে। এ ছাড়া প্রার্থীর পিতা-মাতার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দেয়া সনদের সত্যায়িত কপি দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্র বাছাইয়ের পর শুধু যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত-মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকবে। এ জন্য কোনো ধরনের টিএ-ডিএ দেয়া হবে না।

কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই কর্তৃপক্ষ এই বিজ্ঞপ্তি বাতিল বা সংশোধন করতে পারবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজাপুর, পাবনা।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসক নিচ্ছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শিক্ষক নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান
ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিচ্ছে মানবিক সাহায্য সংস্থা
ডেপুটি ম্যানেজার নিচ্ছে অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস

শেয়ার করুন