সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

চাকরির গ্রেড ৪। বেতন স্কেল ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা। চাকরির ধরন স্থায়ী।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগী অধ্যাপক পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ডাকে ১১ সেট দরখাস্ত পাঠাতে হবে।

পদের নাম সহযোগী অধ্যাপক।

বিভাগ আর্কিটেকচার। পদের সংখ্যা ১টি।

চাকরির গ্রেড ৪। বেতন স্কেল ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা। চাকরির ধরন স্থায়ী।

প্রার্থীকে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনপত্রের সঙ্গে ৭০০ টাকা মূল্যের ব্যাংক ড্রাফট অথবা পে-অর্ডার সংযুক্ত করতে হবে।

১১ সেট দরখাস্তের মধ্যে ৯ সেট বাংলায় ও ২ সেট ইংরেজিতে লেখা হতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর প্রকাশনাসমূহের হার্ড কপি ও সফট কপি দিতে হবে। সফট কপি [email protected] ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার কপি কেন্দ্রীয় ডেসপাচ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

অভ্যন্তরীণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান প্রযোজ্য হবে।

পাঠানোর ঠিকানা রেজিস্ট্রার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দোভাষী নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

দোভাষী নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

প্রার্থীকে ফরাসি থেকে ইংরেজি, ইংরেজি থেকে ফরাসি, বাংলা থেকে ফরাসি ও ফরাসি থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ জানতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকতে হবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কাজ করার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক দোভাষী (ফরাসি ভাষা) চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সেনাবাহিনী। আগ্রহী প্রার্থীকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র প্রেরণ করতে হবে।

পদের নাম: দোভাষী

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: ২৫৩২ ডলার

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

চাকরির মেয়াদ: ১ বছর

প্রার্থীকে ফরাসি ভাষায় কমপক্ষে ডিপ্লোমা (এ-২) কোর্স পাসসহ কমপক্ষে স্নাতক অথবা সমমানের যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।

প্রার্থীকে ফরাসি থেকে ইংরেজি, ইংরেজি থেকে ফরাসি, বাংলা থেকে ফরাসি ও ফরাসি থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ জানতে হবে। এ ছাড়া কম্পিউটার বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকতে হবে।

২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর প্রার্থীর বয়স ২৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

৩ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, জাতীয়তা সনদপত্রের কপি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদপত্রের কপিসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে ৫০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: সেনাসদর, জিএস শাখা (ওভারসিজ অপারেশনস পরিদপ্তর), ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন

দেশি কোম্পানিতে জুনিয়র মেরিন অফিসার, ক্যাডেটদের কষ্টগাথা

দেশি কোম্পানিতে জুনিয়র মেরিন অফিসার, ক্যাডেটদের কষ্টগাথা

ব্যবসায় শিক্ষার মূলনীতি থেকে আমরা জানি ‘জোগান বাড়লে চাহিদা কমে আর জোগান কমলে চাহিদা বাড়ে।’ দুর্ভাগ্যক্রমে গত সাত-আট বছরে মেরিন ক্যাডেটদের জোগান চাহিদার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে মার্কেটে ক্যাডেটদের চাহিদা কমে গেছে, কমেছে মূল্যায়নও।

প্রায় প্রতিটি পেশাতেই ন্যূনতম বেতন স্কেল নির্দিষ্ট করা আছে। এমনকি লোকাল বাসেও দেখা যায় ‘সর্বনিম্ন ভাড়া’র উল্লেখ দেখা যায়। রিকশায় করে এক মিনিটের হাঁটা দূরত্বে গেলেও ১০ টাকার নিচে দেয়া যায় না। অন্যভাবে বলা যায়, রিকশার সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে সবার ধারণা করা ‘রয়েল প্রফেশন’ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার/অফিসারদের কোনো সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো নেই!

প্রতিবার জাহাজে যোগ দেয়ার আগে অনেকটা মাছের বাজারের মতো দরাদরি করে, হার-জিতের লড়াই শেষে একটি সমঝোতায় আসতে হয় ।

ব্যবসায় শিক্ষার মূলনীতি থেকে আমরা জানি ‘জোগান বাড়লে চাহিদা কমে আর জোগান কমলে চাহিদা বাড়ে’। দুর্ভাগ্যক্রমে গত সাত-আট বছরে মেরিন ক্যাডেটদের জোগান চাহিদার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে মার্কেটে ক্যাডেটদের চাহিদা কমে গেছে, কমেছে মূল্যায়নও।

২০১৩ সালে যেখানে আমি ২০০ ডলার পেয়েছি ক্যাডেট হিসেবে, এর কয়েক বছর পরেই তা ১০০ থেকে ৫০, এমনকি শূন্যতে নেমে আসার রেকর্ডও আছে। স্কুল-কলেজে সেরা ফলাফল করে, নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে একটা ছেলে-মেয়ে মেরিন ক্যাডেট হিসেবে চান্স পান। এরপর কঠোর নিয়মানুবর্তিতায় দুই বছরের ট্রেনিং শেষে তারা সমুদ্রে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হন। অথচ এমন কোয়ালিফাইড একজনের মাসের পর মাস গাধার মতো খাটুনির মূল্য মাত্র ‘বেঁচে থাকার খাবারটুকু’!

এই ১০০ থেকে ৫০ ডলার বা বিনামূল্যে পরিশ্রম করা ক্যাডেটদের নির্দিষ্ট সময়ের সি-সার্ভিস শেষে অফিসার হওয়ার পরীক্ষা দিতে হয়। বিভিন্ন কোর্স, পড়াশোনা, রিটেন, ভাইবা শেষ করে অফিসার হওয়ার সার্টিফিকেট পেতে বছরখানেক সময় লাগে, যে সময়টাতে তাদের উপার্জনের কোনো উপায় থাকে না। কোর্স, পরীক্ষার ফি, এক বছর দেশে থাকা-খাওয়ার খরচ ধরে ন্যূনতম আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার একটা ধাক্কা সমস্ত সি-টাইম শেষ করা ক্যাডেটদের সামলাতে হয়। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, ৯৫% ক্যাডেট তাদের ক্যাডেটশিপে পাওয়া টাকা দিয়ে জুনিয়র অফিসার হওয়ার পরীক্ষা কমপ্লিট করতে পারেন না।

আর যারা নিরুপায় হয়ে বিনা বেতনের ‘কাবিখা’ প্রকল্পের গিনিপিগ হয়েছিলেন তাদের কথা চিন্তাই করতে পারি না। নিজেকে তাদের অবস্থায় ভাবতেই মাথা গুলিয়ে যায়। একটানা ১২ মাস মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করার বিনিময়ে তাদের একটা পয়সাও জোটেনি!

চাকরি পেয়ে প্রথম মাসের টাকা নিয়ে আমাদের কতজনের কত স্বপ্ন থাকে, ইচ্ছা থাকে। অথচ তাদের এমন কোনো স্বপ্ন দেখার, ইচ্ছা পোষণ করার ক্ষমতাই কেড়ে নেয়া হয়। কতটা অসহায় হলে দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের একজন ক্যাডেট এমন চুক্তিতে রাজি হতে পারেন তা অবশ্যই ভাবার বিষয়!

আগে যা বলছিলাম, ভাগ্যবান পাঁচ ভাগ বাদে প্রত্যেক ক্যাডেটকে জুনিয়র অফিসার হওয়ার পরীক্ষা দেয়ার সময় ঋণের বোঝায় জর্জরিত হতে হয়। এরা ঋণ করেন যাদের কাছ থেকে তারা আবার আরেক কপাল-পোড়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সি-টাইম শেষ করা এসব ক্যাডেটদের ঋণদাতা হন জাহাজের জুনিয়র অফিসাররা (থার্ড/ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার বা থার্ড/সেকেন্ড অফিসার)!

জুনিয়র অফিসারদের ‘কপাল-পোড়া’ বলার কারণ, বর্তমানে বেশিরভাগ দেশি কোম্পানির জাহাজে তাদের র‌্যাংকের বেতন অনেক ক্ষেত্রে রেটিংদের চেয়েও কম! ক্যাডেটের জোগান বেশি থাকায় জুনিয়র অফিসার র‍্যাংকেও জোগান বেড়ে গেছে। ফলে জুনিয়র অফিসারদের মূল্য কমে এখন রেটিংদেরও নীচে।

জোগান-চাহিদার সুযোগটা ব্যবসায়ীরা খুব ভালোভাবেই নিচ্ছেন। ২০১১-১২ সালে যেখানে জুনিয়র অফিসারদের বেতন ছিল ৩০০০ ডলারের উপরে, সেখানে ২০১৩-১৪ সালের পর এক ধাক্কায় জুনিয়র অফিসার র‍্যাংকের বেতন কমে তিন ডিজিটে নেমে এসেছে।

বর্তমান অবস্থা এমন যে, অনেক ক্যাডেট, জুনিয়র অফিসার আফসোস করেন, কেন এত পড়াশোনা করে, ২-৩ বছর সময় নষ্ট (!) করে ক্যাডেট হলেন! মাত্র ছয় মাসের ট্রেনিং নিয়ে রেটিং কেন হননি! কেননা জাহাজে যোগ দিয়ে তারা দেখেন, ছয় মাস ট্রেনিং করা একটা ছেলে প্রথম কন্ট্রাক্টে ওএস/ফায়ারম্যান হিসেবে ৪০০ ডলারের বেশি বেতন পান, অথচ ক্যাডেটদের বেতন ১৫০-২৫০ ডলার।

ফ্রেশ কিংবা এক্সপেরিয়েন্সড থার্ড অফিসার/ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন এবি, অয়েলার (জাহাজের রেটিং) থেকেও কম। এটা অবশ্যই বাংলাদেশি মেরিনারদের জন্য, মেরিন কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি ব্যাপার যার কোনো সমাধান গত আট বছরেও হয়নি।

ছোট্ট এ জীবনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি এ দেশে জোর গলায় আন্দোলন না করলে, রাস্তায় না নামলে কোনো যৌক্তিক দাবিও পূরণ হয় না। যেহেতু আমরা ‘ভাসমান’ একটি ছোট্ট কমিউনিটি এবং আমরা শান্তিপ্রিয় ‘রয়েল মেরিনার’, তাই রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা আমাদের দ্বারা হয়ে ওঠে না। তাছাড়া, অন্যান্য কমিউনিটির মতো এসব ক্ষেত্রে আমাদের শক্তিশালী একতাও নেই যে, আমরা কর্মবিরতিতে যাব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত।

কেউ একজন কম বেতনে যাবে না বললে আরেকজন লুফে নেবে সে প্রস্তাব! এমনকি ২০-৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দিতেও অনেকে কার্পণ্য করবেন না। আর আমাদের যারা ঠকাচ্ছেন তারা এ ব্যাপারগুলো ভালোভাবেই জানেন।

আমাদের পেশাটি যেহেতু ‘আন্তর্জাতিক’, তাই বেতনও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হওয়া উচিত। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আর বিবেচনা অনুযায়ী, ক্যাডেটদের ন্যূনতম বেতন ৫০০ ডলার, আর জুনিয়র অফিসারদের শুরুর বেতন নূন্যতম ৩০০০ ডলার হওয়া উচিত। জাহাজের প্রকারভেদে অফিসারদের বেতন এর চেয়ে কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

মেরিনারদের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আমাদের সিনিয়রদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এ লেখা। এখানে বেশির ভাগ দেশি কোম্পানির জাহাজে চাকরি করা ক্যাডেট এবং জুনিয়র অফিসারদের দুরাবস্থা তুলে ধরেছি, এর একটি সুন্দর সমাধানই সমস্ত বাংলাদেশি মেরিনারদের কাম্য।

লেখক: এক্স-ক্যাডেট, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (৪৭তম ব্যাচ)

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন

বাঘা পৌরসভায় ১০ নিয়োগ

বাঘা পৌরসভায় ১০ নিয়োগ

১ থেকে ৭ নম্বর পদের জন্য ৫০০ টাকা এবং ৮ থেকে ১০ নম্বর পদের জন্য ৩০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট আবেদনপত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

রাজশাহী জেলার বাঘা পৌরসভার শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে।

১. পদের নাম: সার্ভেয়ার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: সার্ভেয়ারশিপ

২. পদের নাম: হিসাব সহকারী

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

৩. পদের নাম: নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

৪. পদের নাম: টিকাদানকারী (মহিলা)

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯০০০-২১৮০০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি

৫. পদের নাম: রোড রোলার চালক

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

৬. পদের নাম: বিদ্যুৎ লাইনম্যান

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯০০০-২১৮০০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

৭. পদের নাম: পাম্পচালক

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

৮. পদের নাম: বিদ্যুৎ হেলপার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৮৮০০-২১৩১০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

৯. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

১০. পদের নাম: মালি

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা

বয়স: ১৮-৩০ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং ৩ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবিসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। সব কাগজপত্র প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে।

প্রার্থীকে সাদা কাগজে আবেদনপত্র লিখতে হবে।

১ থেকে ৭ নম্বর পদের জন্য ৫০০ টাকা এবং ৮ থেকে ১০ নম্বর পদের জন্য ৩০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট আবেদনপত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

খামের উপরে পদের নাম উল্লেখ করতে হবে।

অন্যান্য শর্তাবলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন

মার্কেটিং অফিসার নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা

মার্কেটিং অফিসার নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা

রেডিমিক্স কংক্রিট বিক্রির কাজে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

সেনা কল্যাণ সংস্থা শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডাকে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে।

পদের নাম মার্কেটিং অফিসার / জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট মার্কেটিং অফিসার

পদের সংখ্যা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রার্থীর বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

বেতন নির্ধারণ করা হবে এসকেএস পলিসি অনুসারে অথবা আলোচনা সাপেক্ষে।

প্রার্থীকে এমবিএস / এমবিএ / বিবিএ / বিএসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে।

রেডিমিক্স কংক্রিট বিক্রির কাজে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, ২ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবিসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

ঠিকানা: মানব সম্পদ বিভাগ, এসকেএস টাওয়ার, লেভেল-১০, ৭ ভিআইপি রোড, মহাখালী, ঢাকা-১২০৬।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন

শিক্ষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আগ্রহী প্রার্থীকে রেজিস্ট্রারের অফিস থেকে নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে।

শূন্য পদে শিক্ষক নেয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আগ্রহী প্রার্থীকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক

বিভাগ: কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল

পদের সংখ্যা: ১টি।

চাকরির ধরন: স্থায়ী।

বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।

অভিজ্ঞতা: ৩ বছর

গবেষণা প্রবন্ধ: ৩টি

প্রার্থীকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম শ্রেণি অথবা সিজিপিএ ৪.০০ স্কেলে ৩.৫০ এবং এসএসসি, এইচএসসি পর্যায়ে প্রথম বিভাগ অথবা জিপিএ ৫.০০ স্কেলে ৪.২৫ থাকতে হবে।

পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থী অগ্রাধিকার পাবেন।

পদের নাম: প্রভাষক

বিভাগ: কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল

পদের সংখ্যা: ২টি।

চাকরির ধরন: স্থায়ী।

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

প্রার্থীকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম শ্রেণি অথবা সিজিপিএ ৪.০০ স্কেলে ৩.৫০ এবং এসএসসি, এইচএসসি পর্যায়ে প্রথম বিভাগ অথবা জিপিএ ৫.০০ স্কেলে ৪.২৫ থাকতে হবে।

আগ্রহী প্রার্থীকে রেজিস্ট্রারের অফিস থেকে নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে ৭৫০ টাকার পে-অর্ডার / ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করতে হবে।

মোট ৮ সেট আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-১০০০।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন

৩৯ নিয়োগ দিচ্ছে বন অধিদপ্তর

৩৯ নিয়োগ দিচ্ছে বন অধিদপ্তর

আবেদনপত্র পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি পদের জন্য ৫৬ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বন অধিদপ্তর। আগ্রহী প্রার্থীকে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ অক্টোবরের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট

পদের সংখ্যা: ৬টি

চাকরির গ্রেড: ১৭

বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

২. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদের সংখ্যা: ৩৩টি

চাকরির গ্রেড: ২০

বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি / সমমান

২০২০ সালের ২৫ মার্চ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রার্থীকে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। ফরম পূরণের জন্য এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনপত্র পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি পদের জন্য ৫৬ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্তাবলি জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন

প্রথম শ্রেণির পদে ৪ নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা

প্রথম শ্রেণির পদে ৪ নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা

চাকরির ধরন চুক্তিভিত্তিক। চুক্তির মেয়াদ ১ বছর। উভয় পক্ষের সম্মতিতে মেয়াদ বাড়তে পারে।

শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়েছে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ) । আগ্রহী প্রার্থীকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (কারিগরি)

ট্রেড: ইলেকট্রিক্যাল, মেটালার্জিক্যাল ও মেকানিক্যাল

পদের সংখ্যা: প্রতি ট্রেডে ১ জন করে মোট ৩ জন

চাকরির গ্রেড: ৭

বেতন স্কেল: ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রকৌশলে স্নাতক / স্নাতকোত্তর

অভিজ্ঞতা: ৫ বছর

২. পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (কারিগরি)

ট্রেড: ইলেকট্রিক্যাল

পদের সংখ্যা: ১

চাকরির গ্রেড: ৯

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যালে স্নাতক

অভিজ্ঞতা: ৩ বছর

চাকরির ধরন চুক্তিভিত্তিক। চুক্তির মেয়াদ ১ বছর। উভয় পক্ষের সম্মতিতে মেয়াদ বাড়তে পারে।

প্রার্থীর বয়স হতে হবে ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর। অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য।

নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: কমান্ড্যান্ট, বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা, গাজীপুর সেনানিবাস, গাজীপুর-১৭০৩।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারী নিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
উপব্যবস্থাপক নিচ্ছে সেনা কল্যাণ সংস্থা
ছয় ক্যাপ্টেন নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
১৫ পদে ৪৭ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিএসআইআর
সহযোগী অধ্যাপক নিচ্ছে কুয়েট

শেয়ার করুন