জানাজায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে

জানাজায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে

প্রতীকি ছবি

নিহতের বড় ভাই আকতার হোসেন বলেন, ‘তাকে বলেছিলাম তুই হোন্ডা নিয়ে বের হইস না। আমার ভাই বাবুবাজার এলাকায় কাগজের ব্যবসা করত। কী থেকে কী হয়ে গেল। গেল জানাজা পড়তে ফিরে এল লাশ হয়ে।’

রাজধানীর কেরানীগঞ্জে বন্ধুর বাবার জানাজা শেষে বাসায় ফেরার পথে পিকআপের ধাক্কায় লাশ হয়ে ফিরলেন আতিক হাসান নামের এক তরুণ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরেক তরুণ আহাদ।

কেরানীগঞ্জ সৈয়দপুর এলাকায় বুধবার বেলা ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আহত হলে দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক বিকাল ৫টায় ২১ বছর বসয়ী আতিককে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরের বড় ভাই আকতার হোসেন বলেন, ‘গতকাল তার এক বন্ধুর বাবা মারা যায়। খবর পেয়ে আমার ভাইসহ ওরা ৭ জন মানিকগঞ্জ যায়। আজ সকালে জানাজা হয়। পরে তারা দুপুরে মানিকগঞ্জ থেকে বাবুবাজার বাসায় ফিরছিল। তার বন্ধুরাই ওদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যায়।’

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘তাকে বলেছিলাম তুই হোন্ডা নিয়ে বের হইস না। আমার ভাই বাবুবাজার এলাকায় কাগজের ব্যবসা করত। কী থেকে কী হয়ে গেল। গেল জানাজা পড়তে ফিরে এল লাশ হয়ে।’

নিহত আতিকের বাসা কোতোয়ালি থানার বাবুবাজার এলাকার ১ নং শাহাজাদী মিয়া লেনে। বাবার নাম বদুর উদ্দিন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কেরানীগঞ্জ থানায় জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে লালকার্ড দেখিয়েছেন নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে আন্দোলনে নামা শিক্ষার্থীরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘সড়কে দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুস আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজকে আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখিয়েছেন গণপরিবহনে হাফ পাস চালু ও নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরার ব্রিজের ওপর শনিবার দুপুর ১২টার পর পরই অবস্থান নেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘সড়কে দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুস আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজকে আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতি বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানান।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভুমিকা পালন করতে যাচ্ছি। আমরা দেখাতে চাই, বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্র সমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজকে আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

আন্দোলনকারী সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌসকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে তাকে ছাত্রী নয় বলে দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সোহাগী একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী।

সোহাগী ইস্যুতে কথা বলেছেন খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার দাবি, রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পেছনে একটি রাজনৈতিক দলের ইন্ধন আছে।

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে শনিবার সকালে সড়ক নিরাপত্তা ও গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সড়ক নিরাপত্তামূলক রোড শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের বলেন, ‘রাজনৈতিক দল থেকে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেয়া হয়। সেটার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। এর ভিডিও ফুটেজ আছে। এটা একটা রাজনৈতিক দলের মহানগরের মহিলা নেত্রী রামপুরায় রাস্তায় নেমে ছাত্রছাত্রীদের উসকানি দিচ্ছেন, স্কুলের ড্রেস পরে।

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড
সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌসের আইডি কার্ড। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন সোহাগী। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক সৌভাগ্য আমরা এতদিন ধরে আন্দোলন করছি, এই আন্দোলনকে বিব্রত করার জন্য তিনি মুখ খুলেছেন। তার যে এখানে নজর এসেছে, এ কারণে আমরা ধন্য।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে যে চর্চা চলছে, তার পুরোটা ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেন সোহাগী।

তিনি বলেন, ‘আমি নাকি ছাত্রী না, আমি নাকি ৩০ বছরের একটি মহিলা। আমি নাকি স্কুল ড্রেস পরে শিক্ষার্থীদের উসকানি দিচ্ছি। প্রথমে বলতে চাই, আমাদের ছাত্ররা রোবট না। তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব চিন্তা ভাবনা আছে। দ্বিতীয়ত, আমি ৩০ বছরের মহিলা নই। আমার কাছে আইডি কার্ড আছে। আমি যে একজন ছাত্রী তার সকল প্রমাণ আমি এখানে হাজির করেছি।’

নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও পরিস্কার করেন আন্দোলনকারী এই শিক্ষার্থী। বলেন, ‘আমি বুক ফুলিয়ে বলছি, আমি ২০১৭ সাল থেকে আমি সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট করি। আমি ঢাকা মহানগরের দপ্তর সম্পাদক। প্রশ্ন এখানে না, আমি একজন এদেশের নাগরিক। আমার সংগঠন করবার অধিকার রয়েছে।

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড
ছাত্র অন্দোলনের মুখপাত্র হয়ে উঠেছেন সোহাগী। ছবি: নিউজবাংলা

‘প্রশ্ন হচ্ছে এটা যে, আমি কোনো রাজনৈতিক ইস্যু এখানে টেনে এনেছি কি না। আমি শুরু থেকেই এই আন্দোলনে যুক্ত। আমার কোনো স্লোগান, আমার কোনো বক্তব্যে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু আনিনি, সেটা সবাই জানে।’

এসময় সোগাহী নিজের পরিচয়পত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আমি আমার আইডি কার্ড আপনাদের সামনে শো করছি। আমি খিলগাঁও মডেল কলেজ থেকে এইসএসসি পরিক্ষার্থী।’

দুপুর ১টা ১০মিনিটে অবস্থান তুলে নেয় আন্দোলনকারীরা।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মুন্সীগঞ্জে আগুন: দুই সন্তানের পর চলে গেলেন বাবাও

মুন্সীগঞ্জে আগুন: দুই সন্তানের পর চলে গেলেন বাবাও

মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে একটি ভবনে লাগা আগুনে দগ্ধ কাওসারের মৃত্যু হয় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। ছবি: নিউজবাংলা

আগুনে ৩০ বছর বয়সী কাওসারের শরীরের ৫৪ শতাংশ, তার স্ত্রী ২৮ বছর বয়সী শান্তা বেগমের ৪৮ শতাংশ, তাদের ৬ বছরের ছেলে ইয়াসিনের ৪৪ শতাংশ এবং ৩ বছরের মেয়ে নুহা আক্তারের দেহের ৩২ শতাংশ পুড়ে যায়।

মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে একটি ভবনে লাগা আগুনে দগ্ধ মো. কাওসারের (৩০) মৃত্যু হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ নিয়ে আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিনজন।

কাওসারের শ্যালক মাসুদ মিয়া জানান, গত বৃহস্পতিবার মুক্তারপুরের বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভোরের দিকে আগুন লাগে। এ ঘটনায় তার বোন, ভগ্নিপতি ও দুই ভাগ্নে-ভাগ্নি দগ্ধ হয়।

তিনি জানান, আগুনে ৩০ বছর বয়সী কাওসারের শরীরের ৫৪ শতাংশ, তার স্ত্রী ২৮ বছর বয়সী শান্তা বেগমের ৪৮ শতাংশ, তাদের ৬ বছরের ছেলে ইয়াসিনের ৪৪ শতাংশ এবং ৩ বছরের মেয়ে নুহা আক্তারের দেহের ৩২ শতাংশ পুড়ে যায়।

‘আজ সকালে আমার বোনজামাইও মারা গেলেন। পুরা সংসারটা শেষ হয়ে গেল। শুধু আমার বোন বাঁইচা আছে। তার অবস্থাও মুমূর্ষু’, বলেন কাওসার।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন আইয়ুব হোসেন বলেন, আজ সকালে কাওসারের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তিনজন প্রাণ হারালেন। কাওসারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ইনস্টিটিউটের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালে থাকা শান্তা বেগমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

রামপুরার শিক্ষার্থীদের পেছনে রাজনৈতিক উসকানি: কাদের

রামপুরার শিক্ষার্থীদের পেছনে রাজনৈতিক উসকানি: কাদের

মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সড়ক নিরাপত্তামূলক রোড শোতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তারপরও এই আন্দোলনটা একটি বিশেষ এলাকায় সীমাবদ্ধ রয়েছে। এটা রামপুরা এলাকাতেই শুধু হচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীরা যখন আন্দোলন শেষে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করছে তখনই রাজনৈতিক উসকানি দিচ্ছে একটি মহল।’

নিরাপদ সড়কসহ বিভিন্ন দাবিতে কিছুদিন ধরে রাজধানীর রামপুরায় আন্দোলন করতে থাকা শিক্ষার্থীদের পেছনে একটি রাজনৈতিক দলের ইন্ধন আছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে শনিবার সকালে সড়ক নিরাপত্তা ও গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সড়ক নিরাপত্তামূলক রোড শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের বলেন, ‘রাজনৈতিক দল থেকে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেয়া হয়। সেটার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। এর ভিডিও ফুটেজ আছে। এটা একটা রাজনৈতিক দলের মহানগরের মহিলা নেত্রী রামপুরায় রাস্তায় নেমে ছাত্র-ছাত্রীদের উসকানি দিচ্ছেন, স্কুলের ড্রেস পরে।

‘তারপরও এই আন্দোলনটা একটি বিশেষ এলাকায় সীমাবদ্ধ রয়েছে। এটা রামপুরা এলাকাতেই শুধু হচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীরা যখন আন্দোলন শেষে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করছে তখনই রাজনৈতিক উসকানি দিচ্ছে একটি মহল।’

বাসভাড়া অর্ধেক করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাঝে ২৯ নভেম্বর রাতে রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের বাসের ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষা দেয়া এক ছাত্রের প্রাণ যায়।

এর আগে ২৪ নভেম্বর রাজধানীর গুলিস্তানে সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন নটর ডেম কলেজের এক ছাত্র।

এসব ঘটনার পর নানা দাবিতে প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পেছনে যারা জড়িত, তাদের বিচারের পাশাপাশি অন্যতম দাবি ছিল বাসভাড়া অর্ধেক করা।

এমন অবস্থায় ৩০ নভেম্বর ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়েছেন তারা। পরের দিন থেকেই ঢাকা শহরে ছাত্রদের জন্য কার্যকর করা হয় হাফ পাস।

হাফ পাসের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে মালিক সমিতি। এর মধ্যে রয়েছে হাফ পাস কার্যকর হবে শুধু রাজধানীতে, হাফ ভাড়া দেয়ার সময় অবশ্যই ছবিসংবলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড দেখাতে হবে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এবং সরকারি ছুটির দিনগুলোয় কোনো হাফ পাস থাকবে না।

তবে রাস্তা ছাড়ছেন না রামপুরার শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিনই দুপুর ১২টা থেকে দু-তিন ঘণ্টার জন্য নিয়ম করে রামপুরার ব্রিজে অবস্থান নেন তারা। এতে বাড্ডা-এয়ারপোর্ট রোডে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

রাস্তা ছেড়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার পরামর্শ দিলেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘প্যান্ডামিকের কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। অনেক ক্ষতি হয়েছে তাদের। তারা এখন পড়াশোনায় মনোনিবেশ করুক- এটাই আমাদের চাওয়া।’

শিক্ষার্থীদের গণপরিবহনে হাফপাস ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে দেখা গেছে অনেক সরকারি দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ির কাগজপত্র নেই। বিষয়টি সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর নজরে আনা হলে, তিনি সমস্যার কথা স্বীকার করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এগুলো আছে, সমস্যা আছে। সমস্যা যে নেই, তা না। এগুলো নজরে আসছে, এগুলো সমাধানে পদক্ষেপও নেয়া হচ্ছে।’

আন্দোলনের উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে কীভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানতে চাওয়া হয় মন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘আইনগত ব্যবস্থা যেভাবে নেয়া হয় সেভাবে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিষয়টি তো আমার হাতে নেই। তদন্ত করে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

এবার রাজধানীতে ট্রাকের ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত

এবার রাজধানীতে ট্রাকের ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত

ট্রাকের ধাক্কায় নিহত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান লিমন। ছবি: ফেসবুক

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘বিমানবন্দর পুলিশ কাওলা এলাকায় ট্রাকের চাপায় পিষ্ট এক মোটরসাইকেল আরোহীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।’

রাজধানীতে সম্প্রতি গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজ ও রামপুরার একরামুন্নেসা স্কুলের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। চলমান আন্দোলনের মধ্যেই শুক্রবার রাজধানীর বিমানবন্দরের কাওলা এলাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

মাহাদী হাসান লিমন নামের ওই শিক্ষার্থী শুক্রবার রাজধানীর ঝিগাতলা থেকে উত্তরায় বাসায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি গ্রিন ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিহতের খালু মোহাম্মদ ইমাম হাসান জানান, বিমানবন্দরের কাওলা পদ্মা অয়েল কোম্পানির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিমানবন্দর থানার পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। রাত ২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

মাহাদীর পকেটে থাকা মোবাইল দিয়ে কল করলে তার খালু ইমাম হাসান ঢাকা মেডিক্যালে যান। গিয়ে মাহাদীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান বলে জানান।

তিনি বলেন, ‘মাহাদী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ছিল, তার বাড়ি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার দমদমা পশ্চিম গ্রামে। তার বাবার নাম মোজাম্মেল হক। দুই ভাই, এক বোনের মধ্যে সে বড় ছিল। উত্তরার কামারপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকত সে।’

২১ বছর বয়সী মাহাদী পড়াশোনার পাশাপাশি জুনিয়র লেভেলে ক্রিকেট খেলতেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘বিমানবন্দর পুলিশ কাওলা এলাকায় ট্রাকের চাপায় পিষ্ট এক মোটরসাইকেল আরোহীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।’

বিমানবন্দর থানার পুলিশের বরাত দিয়ে বাচ্চু মিয়া জানান, এ ঘটনায় চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

রামপুরায় শিক্ষার্থীদের অবস্থান, লাঞ্ছনার অভিযোগে উত্তেজনা

রামপুরায় শিক্ষার্থীদের অবস্থান, লাঞ্ছনার অভিযোগে উত্তেজনা

১১ দফা দাবিতে শুক্রবারও রামপুরা ব্রিজের পশ্চিম পাশে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

খিলগাঁও মডেল কলেজের ছাত্রী সোহাগী সামিয়া বলেন, ‍“যত দিন আমাদের দাবি না মানা হবে, তত দিন আমরা রাস্তায় নামব। সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ‘লাল কার্ড’ দেখাতে চাই। আমরা আগামীকাল ফুটপাতে দাঁড়িয়ে লাল কার্ড ও ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করব।”

১১ দফা দাবিতে গত কয়েক দিনের মতো শুক্রবারও রামপুরা সড়কে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা।

বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রামপুরা ব্রিজের পশ্চিম পাশে অবস্থান নেয় তারা।

শিক্ষার্থীদের এ কর্মসূচিতে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেনি। কোনো ধরনের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেনি, তবে এক শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য তাদের বাগবিতণ্ডা হয়।

পরে আরও কিছুক্ষণ অবস্থান নিয়ে তারা রামপুরা এলাকা ছেড়ে দেয়।

অবস্থান কর্মসূচিতে থাকা শিক্ষার্থীরা ‘পুলিশ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না’, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘আমরা আছি থাকব, যুগে যুগে লড়ব’, ‘একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’, ‘আমার ভাই কবরে, প্রশাসন কী করে’, ‘ছাত্র হত্যার আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এ ধরনের স্লোগান দিতে থাকে।

বাগবিতণ্ডা কেন

কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা নিয়ে বাংলা কলেজের ছাত্র তানভীর হোসেন ফাহিম বলেন, ‌‍“আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিলাম। হঠাৎ শুনলাম আমাদের কয়েকজন ছাত্র বাস আটকাচ্ছে। পরবর্তী সময়ে আমরা সেখানে গিয়েছি তাদের থামানোর জন্য। তখন পুলিশের একজন সিভিলে ছিলেন। তিনি বলেন, ‌‘তোমার আইডি কার্ড দেখাও।’ আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে উঠেছি এবার। পড়ি মিরপুর বাংলা কলেজে। সেকেন্ড ইয়ারের আইডি কার্ড পাইনি। তাই আমার ভর্তির কাগজ নিয়ে আসছি।

“তাকে ভর্তির কাগজ দেখালে তিনি কাগজটি দলামোচড় করে ফেলে দেন। পরে বলেন, ‌‘তোকে লাত্থি মেরে ফেলে দেব।’ পুলিশকে জানালে, তারা বলে, ‘সে আমাদের লোক না।’ তা হলে পুলিশ থাকতে সে কীভাবে আমাদের সঙ্গে এমন ব্যবহার করল।”

খিলগাঁও মডেল কলেজের ছাত্রী সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘পুলিশ বলছে আন্দোলনে বহিরাগতদের প্রবেশের কথা। আমাদের আন্দোলনে যদি বহিরাগত ঢুকে যায়, সেটা তারা দেখবে। তারা আমাদের প্রটোকল দেবে। আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই করতে চেয়েছি। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন পুলিশ বাহিনী নস্যাৎ করার জন্য সুকৌশলে কিছু ঘটনা ঘটাচ্ছে।

‘আমাদের ছাত্রদের গায়ে তারা কেন হাত তুলবে? আমাদের এক ছাত্র প্রবেশপত্র দেখাইছে। সেটা তারা ছুড়ে ফেলে দিছে। ছাত্রদের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটালে ছাত্ররা কি মাথা নত করে চলে যাবে?’

ওই ছাত্রী বলেন, ‘গতকালও শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করার সময় পুলিশ বাধা দিয়েছে। আমরা তো বলেছি, আমরা এমনভাবে আন্দোলন করব, যাতে কারও যাতায়াতে সমস্যা না হয়। আমরা জনগণের জন্য জীবনের স্বার্থ ত্যাগ করে নামছি।’

‍“যত দিন আমাদের দাবি না মানা হবে, তত দিন আমরা রাস্তায় নামব। সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ‘লাল কার্ড’ দেখাতে চাই। আমরা আগামীকাল ফুটপাতে দাঁড়িয়ে লাল কার্ড ও ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করব।”

ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রমজান বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ এবং গায়ে হাত তুলিনি। কে বা কারা করেছে সেটি বলতে পারব না।’

বাস ভাড়া অর্ধেক করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাঝে গত সোমবার রাতে রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের বাসের ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষা দেয়া এক ছাত্রের প্রাণ যায়।

এর আগে ২৪ নভেম্বর রাজধানীর গুলিস্তানে সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন নটর ডেম কলেজের এক ছাত্র।

এ ঘটনার পর নানা দাবিতে প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পেছনে যারা জড়িত, তাদের বিচারের পাশাপাশি অন্যতম দাবি ছিল বাস ভাড়া অর্ধেক করা।

এমন অবস্থায় গত মঙ্গলবার ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়েছেন তারা।

বুধবার থেকেই ঢাকা শহরে ছাত্রদের জন্য কার্যকর করা হয় হাফ পাস।

হাফ পাসের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে মালিক সমিতি। এর মধ্যে রয়েছে হাফ পাস কার্যকর হবে শুধু রাজধানীতে, হাফ ভাড়া দেয়ার সময় অবশ্যই ছবিসংবলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড দেখাতে হবে।

সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এবং সরকারি ছুটির দিনগুলোয় কোনো হাফ পাস থাকবে না।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

বসুন্ধরা আবাসিকে গাড়ির ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত

বসুন্ধরা আবাসিকে গাড়ির ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত

জীবন মিয়া জানান, বিকেল ৪টার দিকে কর্মস্থল থেকে বাইসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন হায়াতুল। পথে বসুন্ধরা আবাসিকের এম ব্লকের সামনে গেলে একটি প্রাইভেট কার তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্রাইভেট কারের ধাক্কায় মো. হায়াতুল নামে এক সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত গাড়িটিকে আটক করা যায়নি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বসুন্ধরা আবাসিকের এম ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

২৮ বছর বয়সী হায়াতুল ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি রাজধানীর কুড়িলের মির্জাপুর এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

হায়াতুল পেশায় প্রাইভেট কারচালক ছিলেন বলে জানিয়েছে তার ভায়রা জীবন মিয়া।

তিনি জানান, বিকেল ৪টার দিকে কর্মস্থল থেকে বাইসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন হায়াতুল। পথে বসুন্ধরা আবাসিকের এম ব্লকের সামনে গেলে একটি প্রাইভেট কার তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

জীবন মিয়া জানান, হায়াতুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। পরে চিকিৎসক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনরা জানিয়েছেন, দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন হায়াতুল।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে কিশোর আহত

রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে কিশোর আহত

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি

আহত কিশোরের নাম শাকিল মিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে আহত তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার জন্য রক্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ’কিশোর গ্যাংয়ের’ দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে এক কিশোর আহত হয়েছে। ওই কিশোর এখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনায় আহত কিশোরের নাম শাকিল মিয়া। সন্ধ্যার দিকে আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার জন্য রক্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শাকিলের বন্ধু মোহাম্মদ শিমুল বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমরা তিন-চার বন্ধু যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজসংলগ্ন বরফ গলি এলাকা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। একপর্যায়ে ওই এলাকার কিছু বখাটে ছেলে শাকিলকে ডেকে চড়থাপ্পড় মারে।’

তিনি বলেন, ’তখন আমরা দুই-তিনজন এর প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। পরে বিজয় নামে একজনসহ কয়েকজন আমাদের মারধর করতে থাকে। বিজয় শাকিলের পশ্চাৎদেশে ছুরিকাঘাত করে। এতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় শাকিলকে হাসপাতালে আনা হয়।’

ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, যাত্রাবাড়ী এলাকায় ছুরিকাঘাতে আহত এক কিশোরকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ছেলেটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের চারজন কিশোরকে আমরা ঢাকা মেডিক্যাল থেকে আটক করেছি। যাত্রাবাড়ী থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না মিলনের
বাইক চালক আর ভাড়া গাড়ির রমরমা
খালিয়াজুরীর হাওর থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার
নদীতে ভাসছিল কার লাশ?
সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন