ফোন করলেই এডিস নিধনে আসবে ডিএসসিসি

ফোন করলেই এডিস নিধনে আসবে ডিএসসিসি

ফাইল ছবি

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের জানান, সোমবার দুপুর ২টার আগে এডিস মশার উৎসস্থল নিয়ে প্রাপ্ত ২৪টি তথ্যের সবগুলো সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করা হয়েছে। বাকি ১০টি তথ্য দুপুর ২টার পর আসায় সেগুলোতে মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত এবং ধ্বংস করার লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ফোন করলেই মশা নিধনে হাজির হবে ডিএসসিসির প্রতিনিধি দল।

এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করা এবং উৎস নিধন করার লক্ষ্যে সোমবার এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ কক্ষে এডিস মশার মোট ৩৪টি উৎসের তথ্য এসেছে।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এই কক্ষে ফোন দিয়ে কোনো নাগরিক এডিস মশার লার্ভা আছে এমন তথ্য দিলেই আমরা আমাদের জনবল সেখানে পাঠাচ্ছি।’

আবু নাসের জানান, সোমবার দুপুর ২টার আগে প্রাপ্ত ২৪টি তথ্যের সবগুলো সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করা হয়েছে। বাকি ১০টি তথ্য দুপুর ২টার পর আসায় সেগুলোতে মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘যে ২৪টা স্পটে আমরা গিয়েছে সবখানেই কিন্তু এডিস মশার লার্ভা ছিল। এটি একটি ইতিবাচক দিক যে নাগরিকেরা আমাদের সঠিক তথ্য দিয়েছে।’

নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মোবাইল নম্বর: ০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২৯৫৫৬০১৪।

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

যুবলীগের চিঠি সংকলন ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ প্রকাশ

যুবলীগের চিঠি সংকলন ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ প্রকাশ

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের প্রচ্ছদ।

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ চিঠি সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও নির্বাহী সম্পাদক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গ্রন্থটির মুখবন্ধ লিখেছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম ও প্রচ্ছদ করেছেন ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।

বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশে লেখা প্রতীকী চিঠি নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সম্পাদনায় রচিত গ্রন্থটির নাম রাখা হয়েছে ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’।

১৭ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। তারই অংশ ছিল এই চিঠি লেখা কর্মসূচি। সারাদেশ থেকে আসা শতাধিক চিঠি থেকে বাছাইকৃত চিঠি নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে গ্রন্থটি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ অক্টোবর আইইবি মিলনায়তনে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আশ্রয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপি, সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি, বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান এমপি, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ চিঠি সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও নির্বাহী সম্পাদক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গ্রন্থটির মুখবন্ধ লিখেছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম ও প্রচ্ছদ করেছেন ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।

সম্পাদনা সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম মিল্টন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মোস্তাফিজ, উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ নবীরুজ্জামান বাবু এবং উপ প্রচার সম্পাদক আদিত্য নন্দী।

গ্রন্থটির সম্পাদক শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে প্রজন্মের ভাবনা, আবেগ, ভালোবাসা প্রকাশিত হোক- এমন ইতিবাচক উদ্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রতীকী চিঠি লেখা কর্মসূচি। সারাদেশ থেকে প্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুকে লেখা চিঠিগুলো থেকে বাছাইকৃত চিঠি নিয়ে প্রকাশিত হলো চিঠি সংকলন গ্রন্থ ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’।’

প্রিয় বঙ্গবন্ধু গ্রন্থটি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও শাহাবাগের পাঠক সমাবেশে পাওয়া যাবেও বলে জানান তিনি। এর শুভেচ্ছা মূল্য ধরা হয়েছে ৩২০ টাকা।

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু রোগী ২২ হাজার ছাড়াল

ডেঙ্গু রোগী ২২ হাজার ছাড়াল

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এক শিশু। ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩৯ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭০ জন। এই নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ৮৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে বৃহস্পতিবার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩৯ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩১ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ০৭ জন। এর মধ্যে শুরুর ছয় মাস ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২৭০ জন। এ বছরের জুলাইয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। ওই মাসে রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ২৮৬ জন। এই মাসে মারা যায় ১২ জন।

আগস্টে ডেঙ্গু রোগী ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ জন। এই মাসে মারা যায় ৩৪ জন। সেপ্টেম্বরে রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৪১ জন।

এই মাসে মৃত্যু হয় ২৩ জনের। চলতি মাসে ৩ হাজার ৮১০ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ১৫ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২২ হাজার ৭ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২১ হাজার ১৩১ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯২ জন। এদের মধ্যে ঢাকার ৪৬টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬২৪ ডেঙ্গু রোগী। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন

রংপুরে হামলার প্রতিবাদে জেলে সমিতির মানববন্ধন

রংপুরে হামলার প্রতিবাদে জেলে সমিতির মানববন্ধন

রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনের ঘটনায় এক নারীর আহাজারি। ছবি: সংগৃহীত

সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সিকদার বলেন, ‘জেলে সম্প্রদায় বরাবরই নির্যাতিত, নিপীড়িত। সাম্প্রদায়িকতা, মিথ্যা মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয় জেলেদের। রংপুরের হামলা এসব অনাচারের ধারাবাহিকতা।’

রংপুরের পীরগঞ্জে জেলেপাড়ায় সহিংসতার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকায় মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বৃহস্পতিবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি মানববন্ধন করে।

মানববন্ধনে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সিকদার বলেন, ‘মৎস্যজীবী জেলে সম্প্রদায় বরাবরই নির্যাতিত, নিপীড়িত। সাম্প্রদায়িকতা, মিথ্যা মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয় জেলেদের। রংপুরের হামলা এসব অনাচারের ধারাবাহিকতা।

‘পীরগঞ্জসহ সারাদেশে জেলেদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন বন্ধে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে পুনবার্সনের ব্যবস্থা করতে হবে। আইনের আওতায় আনতে হবে অপরাধীদের।’

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলে সমিতির সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ চন্দ্ৰ বৰ্মণসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন

সাংবাদিক কাজলের ৩ মামলার চার্জ শুনানি পেছাল

সাংবাদিক কাজলের ৩ মামলার চার্জ শুনানি পেছাল

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল। ফাইল ছবি

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের তিন মামলায় পুলিশ চার্জশিট দিয়েছে। ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে বৃহস্পতিবার এসব মামলার চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইকবাল হোসেন পরবর্তী তারিখ ঠিক করেন ৮ নভেম্বর।

ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পৃথক তিন মামলায় চার্জ শুনানির তারিখ পিছিয়ে ৮ নভেম্বর ঠিক করেছে আদালত।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে বৃহস্পতিবার চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইকবাল হোসেন চার্জ শুনানির পরবর্তী তারিখ ঠিক করেন ৮ নভেম্বর।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায় করা মামলা তিনটির চার্জ শুনানির জন্য জামিনে থাকা আসামি কাজল আদালতে উপস্থিত হন। তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেন।

কাজলের আইনজীবী জাহেদুর রহমান এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

যুব মহিলা লীগ নেত্রী পাপিয়াকে জড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি করায় গত বছরের ৯ মার্চ রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় কাজলসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন মাগুরা-১ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ সাইফুজ্জামান শেখর। এরপর ১০ ও ১১ মার্চ হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরও দুটি মামলা হয়।

প্রথম মামলার পরই ১০ মার্চ সন্ধ্যায় রাজধানীর হাতিরপুলের ‘পক্ষকাল’ অফিস থেকে বের হওয়ার পর পত্রিকাটির সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজল নিখোঁজ হন। এ বিষয়ে পরদিন চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার স্ত্রী জুলিয়া ফেরদৌসি নয়ন। পরে ছেলে মনোরম পলক ১৮ মার্চ রাতে চকবাজার থানায় মামলা করেন কাজলকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ এনে।

ঢাকা থেকে নিখোঁজের ৫৩ দিন পর ২ মে রাতে যশোরের বেনাপোলের ভারতীয় সীমান্ত সাদিপুর থেকে অনুপ্রবেশের দায়ে শফিকুল ইসলাম কাজলকে আটক করে বিজিবি। পরদিন বিজিবির করা মামলায় আদালতে সাংবাদিক কাজলের জামিন মঞ্জুর হয়। পরে কোতোয়ালি মডেল থানায় ৫৪ ধারায় একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

প্রায় সাড়ে আট মাস কারাভোগের পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর জামিনে মুক্তি পান কাজল। তার বিরুদ্ধে করা তিন মামলায় পুলিশ আদালতে চার্জশিট দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিক নিহত

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিক নিহত

শ্রমিক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমরা ডেমরা মহিলা মাদ্রাসার পেছনে একটি দশতলা ভবনে কাজ করছিলাম। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় তলায় রংয়ের কাজ চলছিল। সেখানে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন জাকির।’

রাজধানীর ডেমরায় একটি বহুতল ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন জাকির হোসেন নামের এক শ্রমিক। ৩৫ বছর বয়সী জাকির রংমিস্ত্রি হিসেবে সেখানে কাজ করছিলেন।

ডেমরা সাইন বোর্ড এলাকার মহিলা মাদ্রাসার পিছনে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত শ্রমিক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমরা ডেমরা মহিলা মাদ্রাসার পেছনে একটি দশতলা ভবনে কাজ করছিলাম। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় তলায় রংয়ের কাজ চলছিল। সেখানে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন জাকির।’

সহকর্মীরা জানান, অচেতন অবস্থায় জাকিরকে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাকিরের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী। ঢাকায় ডেমরা এলাকার একটি মেসে থাকতেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর হবে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন

মামলা দেয়ায় বাইক পোড়ালেন আরও এক চালক

মামলা দেয়ায় বাইক পোড়ালেন আরও এক চালক

নিজের বাইকে আগুন লাগানোর পর। ছবি: নিউজবাংলা

ওই চালকের নাম ইলিয়াস মিয়া। তিনি পাঠাও বাইকচালক। পলাশী থেকে ব্যানবেইসের দিকে যাওয়ার সময় সার্জেন্ট সিগন্যাল দিয়ে তাকে থামান।

ট্রাফিক সার্জেন্ট ডেট ফেল-এর মামলা দেয়ায় নিজের মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছেন আরও এক ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ১০ মিনিটে রাজধানীর পলাশী মোড়ের কাছাকাছি এলাকায় ব্যানবেইসের আগে একটি সেলুনের দোকানের পাশে ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী তাজমহল নামে এক রিকশাওয়ালা বলেন, ‘আমি যাত্রী নিয়ে পলাশী থেকে ব্যানবেইসের দিকে যাচ্ছি। এরপর দেখি একজন সার্জেন্ট বাইকওয়ালার কাছ থেকে কিছু কাগজ নিয়ে পলাশীর দিকে আসছিলেন। সার্জেন্ট পেছন ফিরে একটু আগাতেই বাইকওয়ালা তার বাইকে আগুন ধরিয়ে দেন। এরপর আমি চলে যাই। আর কিছু জানি না।’

ঘটনাস্থলের পাশে সেলুনের মালিক বলেন, ‘আমি কাজে ছিলাম, তাই পুরো ঘটনা দেখিনি। তবে আগুন লাগার পর পলাশীর দিক থেকে কয়েকজন ট্রাফিক সদস্য আর একজন সার্জেন্ট দৌড়ে আসেন। তারা আমার কাছে থাকা পানি দিয়ে আগুন নেভাতে চাইলে বাইকওয়ালা পানি দিতে নিষেধ করেন। এরপর আর কেউ পানি দেননি। পরে বাইকটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।’

ঘটনার বিষয়টি ভিডিও করে ফেসবুকে প্রথম প্রকাশ করেন রনি তালুকদার। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমি সম্পূর্ণ ঘটনা দেখিনি। ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ি থেকে ভিডিওটা করি। দেখি, বাজাজ ডিসকভার মডেলের একটি বাইক পুড়ছে, ট্রাফিক পুলিশও ভিডিও করছে। তবে আমি ড্রাইভারকে খোঁজার চেষ্টা করলেও তাকে দেখিনি।’

বর্তমানে বাইকচালক লালবাগ থানায় আছেন জানিয়ে লালবাগ থানার পরিদর্শক (ওসি) বলেন, ‘ঘটনাটা শুনেছি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’

তিনি জানান, ওই চালকের নাম ইলিয়াস মিয়া। তিনি পাঠাও বাইকচালক। পলাশী থেকে ব্যানবেইসের দিকে যাওয়ার সময় সার্জেন্ট সিগন্যাল দিয়ে তাকে থামান। কিন্তু তার কাগজের ডেট ফেল থাকায় সার্জেন্ট একটি মামলা দেন। এরপর তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

ওসি বলেন, ‘মোটরসাইকেলের কাগজ প্রতিবছর রিনিউ করতে হয়। তার কাগজ রিনিউ করা ছিল না। সার্জেন্ট ফোরকান মামলাটা দিয়েছিলেন।’

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন

জামিন পেলেন কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জর দাস

জামিন পেলেন কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জর দাস

সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস। ফাইল ছবি

শুনানিতে চিত্তরঞ্জন দাসের পক্ষে আইনজীবী শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আসামি একজন জনপ্রতিনিধি যাকে সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত একজন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি। যে কোনো শর্তে তাকে জামিন দেয়া হোক, আসামি এই মামলার ট্রায়াল ফেস করবে। তিনি আইনী ব্যত্যয় করবেন না, পলাতক হবেন না।’ বাদীপক্ষের আইনজীবী মিনু রাণী রায় জামিনের বিরোধিতা করেন।

সাত দিন কারাভোগের পর শ্লীলতাহানির মামলায় জামিন পেলেন সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস।

২১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

গত ১৪ অক্টোবর বাদীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগে চিত্তরঞ্জন দাসকে জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার চিত্তরঞ্জন দাসের পক্ষে আইনজীবী শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া জামিন আবেদন করেন।

শুনানিতে তিনি বলেন, ‘আসামি একজন জনপ্রতিনিধি যাকে সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত একজন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি। যে কোনো শর্তে তাকে জামিন দেয়া হোক, আসামি এই মামলার ট্রায়াল ফেস করবে। তিনি আইনী ব্যত্যয় করবেন না, পলাতক হবেন না।’

বাদীপক্ষের আইনজীবী মিনু রাণী রায় জামিনের বিরোধিতা করেন।

আইনজীবী মিনু রাণী রায় বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে। এরআগে জামিন পাওয়ার পর লোকজনের মাধ্যমে বাদীকে পুনরায় ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির হুমকি দেন। এ অবস্থায় তার জামিনের বিরোধিতা করছি।’

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৫শ টাকা মুচলেকায় পুলিশ প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কাউন্সিলরের অন্তবর্তীকালিন জামিন আদেশ দেয়।

গত ১১ সেপ্টেম্বর শ্লীলতাহানির একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ওই নারী সবুজবাগ থানায় চিত্তরঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলায় করেন। এজাহারে তিনি নিজেকে গণমাধ্যমকর্মী বলে উল্লেখ করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সবুজবাগ কালীবাড়ি রাস্তা সংলগ্ন একটি দোকান ওই নারীর শ্বশুরের। তার পাশের চা দোকানদার নিজের দোকান সংস্কার করতে চাইলে কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস গরীব চা দোকানদারের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন।

চাঁদার ব্যাপারে সত্যতা যাচাই করার জন্য ওই নারী রাত পৌনে ৮টার দিকে চিত্তরঞ্জন দাসকে মোবাইলে ফোন দেন। চিত্তরঞ্জন দাস তাকে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার রাজারবাগ কালীবাড়ি কার্যালয়ে যেতে বলেন।

রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই নারী স্বামীসহ সেখানে যান। চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্তরঞ্জন দাস দুই চারটি কথা বলে তাকে পাশের কক্ষে বসতে বলেন। এর একটু পর চিত্তরঞ্জন দাস ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন এবং ওই নারীকে বসা থেকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য বলেন। ওই নারী উঠে দাঁড়ালে চিত্তরঞ্জন দাস তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। নানা রকম অঙ্গভঙ্গি করে তাকে কুপ্রস্তাব দেন।

এ সময় মান-সম্মানের ভয়ে ওই নারী কোনো চিৎকার করেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকা দক্ষিণে এডিস বিরোধী অভিযানে তিন মামলা

শেয়ার করুন