আন্তঃনগরে স্বাস্থ্যবিধি, লোকাল ট্রেনে ‘না’

আন্তঃনগরে স্বাস্থ্যবিধি, লোকাল ট্রেনে ‘না’

আন্তঃনগর ট্রেনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হলেও লোকাল ট্রেনে বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-জামালপুর ট্রেনে প্রচুর ভিড় হয়েছে। এই ট্রেনে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। মানা হচ্ছিল না কোনও স্বাস্থ্যবিধি। পাশাপাশি সিটে বসে, দাঁড়িয়ে, দরজার মুখে ঝুলে যাত্রীদের বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা

নোয়াখালী আন্তঃনগরের যাত্রী রামিজ উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সবাইকে স্টেশনে ঢুকতে দিয়েছে। দুই সিটে একজন বসেছি। আন্তঃনগর ট্রেনে ঝামেলা না হলেও লোকাল ট্রেনে বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-জামালপুরের ট্রেনে প্রচুর ভিড় হয়েছে। এই ট্রেনে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। মানা হচ্ছিল না কোনও স্বাস্থ্যবিধি। পাশাপাশি সিটে বসে, দাঁড়িয়ে, দরজায় ঝুলে যাত্রীদের বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।

রাত পোহালেই ঈদুল আজহা। ঈদ উদযাপনে রাজধানীবাসীর বাড়ি ফেরার শেষ সময় মঙ্গলবার। গত ঈদগুলোর মতো এবার বাড়ি ফেরার শেষ সময়ে ট্রেনে নেই তেমন ভিড়। উঠেনি কেউ ট্রেনের ছাদে। বেশিরভাগ মানুষকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন।

লকডাউন শিথিল হওয়া পর গত বুধবার সকাল থেকে শুধু অনলাইন ও অ্যাপের মাধ্যমে ঈদ যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে রেলওয়ে। ফলে যাত্রীদের কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেনার কোন সুযোগ নাই।

মঙ্গলবার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্টেশনের প্রবেশ মুখে টিকিট ও মুখে মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। মানুষজনের ভিড় এড়াতে মাইকিং করছে রেল কর্তৃপক্ষ। অনলাইনে টিকিট কেনার সুবিধার কারণে এবার যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কম হয়েছে। যারা টিকিট কিনেছেন কেবল তারাই স্টেশনে এসে নির্ধারিত ট্রেনে যাত্রা করতে পারছেন। বেশিরভাগ ট্রেনে এক সিট ফাঁকা রেখে রেখে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় নোয়াখালী আন্তঃনগর ট্রেন নির্ধারিত সময় দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে ছেড়ে যায়। যাত্রীদের দেখা গেছে দুই সিটে একজন করে বসতে।

নোয়াখালীর যাত্রী রামিজ উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সবাইকে স্টেশনে ঢুকতে দিয়েছে। দুই সিটে একজন বসেছি। তবে অনলাইনে টিকিট কাটতে একটু ঝামেলা হয়েছে। অল্প সময়ে সবাই টিকিট কাটতে হুমড়ি খেয়ে পড়ার কারণে রেলওয়ের সাইটে ঢুকতে ঝামেলা হয়েছিল।

আন্তঃনগর ট্রেনে ঝামেলা না হলেও লোকাল ট্রেনে বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-জামালপুরের ট্রেনে প্রচুর ভিড় হয়েছে।

আন্তঃনগরে স্বাস্থ্যবিধি, লোকাল ট্রেনে ‘না’

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের সময় হাতে টিকিট ও মুখে মাস্ক ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ছবি: নিউজবাংলা

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার নিউজবাংলাকে বলেন, লকডাউন শিথিল হওয়ার পর থেকে আজকে পর্যন্ত সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা ট্রেন চালাতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রত্যেকটা ট্রেনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ দূরত্বে যাত্রীদের বসিয়ে তাদের বাড়ি পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি। প্রত্যেকটা ট্রেন আমাদের শিডিউল অনুযায়ী ছেড়েছে।

আগামী লকডাউনের আগে ট্রেন চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদে বাড়ি ফিরতে আজকেই শেষ ট্রেন চলবে। ঈদের দিন ট্রেন বন্ধ থাকবে। আগামী লকডাউনের আগে শুধু ২২ জুলাই ট্রেন চলবে।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ৭ নম্বর প্লাটফরমে গিয়ে দেখা যায়, বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে জামালপুর কমিউটার ট্রেনটি ছেড়ে যায়। এই ট্রেনে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। মানা হচ্ছিল না কোনও স্বাস্থ্যবিধি। পাশাপাশি সিটে বসে, দাঁড়িয়ে, দরজায় ঝুলে যাত্রীদের বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।

রাজধানীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী জামালপুরের যাত্রী রেজাউল আলম বলেন, ‘সারা বছর ঢাকায় থাকি। দুই ঈদে বাড়ি যাই। বাবা-মা পথ চেয়ে থাকেন কখন বাড়ি ফিরব।’

ট্রেনের ভিড় ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষ তো ঈদ করতে বাড়ি যাবেই। সরকারের উচিৎ ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো। ট্রেন কম যাত্রী বেশি। ভিড় তো হবেই। তবে অন্য বছরের তুলনায় এবারের নিয়ম-শৃঙ্খলা ভালো।

জামালপুরের কমিউটার ট্রেনের অনিয়ম ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয় স্বীকার করে স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার বলেন, ‘কমলাপুর থেকে সিটে লোক ভরে গিয়েছে সঠিক। তেজগাঁও যাওয়ার পর শুনলাম এই ট্রেনের ছাদও ভরে গেছে মানুষে। এতো মানুষের কারণে তাদের ছাদ নামাতে ব্যর্থ হয়েছি আমরা। এত লোক উঠছে যে কোথায় জায়গা নেই। আমরা বাঙালি। ঈদের আবেগে মানুষতো যাবেই। কত মানুষকে ফিরিয়ে দিছি। টিকিট দিতে পারি নাই। আর কমলাপুর ছাড়লে তো আমার দায়িত্বের আওতায় আর পড়ে না।’

স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার জানান, লকডাউন শিথিল হওয়ায় ৩৮টি আন্তঃনগর, ১৯টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন চলছে। স্বাভাবিক সময়ে ১০২টি আন্তঃনগর ট্রেন, ২৬০টি লোকাল, কমিউটার ট্রেন ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করে।

আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আইনজীবীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন পরীমনি

আইনজীবীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন পরীমনি

বনানী থানা থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে আদালতে পৌঁছান পরীমনি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

আদালতের কাঠগড়ায় এক পরিচিত আইনজীবীকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেত্রী। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে বিচারক তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। 

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনিকে আদালতে নেয়া হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সে। বনানী থানা থেকে রাত ৮টার দিকে রওনা দিয়ে ২৭ মিনিট পর ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছায়।

আদালতের কাঠগড়ায় এক পরিচিত আইনজীবীকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেত্রী। রাত ৮টা ৩৩ মিনিটে এজলাসে আসন গ্রহণ করেন বিচারক মো. মামুনুর রশিদ।

আদালত কক্ষে ওকালতনামায় পরীমনির সই নেয়া নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীরা বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান।

বিবাদ থামলে নীলাঞ্জনা রেফাত সুরভীর দেয়া ওকালতনামায় সই করেন পরীমনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে বিচারক তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

এই অভিনেত্রীর পক্ষে শুনানি করন নীলাঞ্জনা রেফাত সুরভীসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী। তারা রিমান্ড বাতিল এবং জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

পরীমনির পাশাপাশি বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলায় আদালতে তোলা হয় পরিচালক-প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজকে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বনানী থানায় পরীমনি, রাজ ও আরও দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দুটি করে র‌্যাব।

এর আগে র‌্যাব কার্যালয়ে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানোর পর বনানী থানায় নিয়ে আসে বাহিনীটি।

র‌্যাব জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দতালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন

পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রীকে আটকের পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় বাহিনীটি।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন

দুদক কর্মকর্তার বদলি স্থগিত চাওয়া রিটকারীকে হাইকোর্টে তলব

দুদক কর্মকর্তার বদলি স্থগিত চাওয়া রিটকারীকে হাইকোর্টে তলব

চট্টগ্রামের দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনের বদলির আদেশ স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন মানবাধিকারকর্মী শহিদুল ইসলাম লিটন। এ বিষয়ে হাইকোর্ট আদেশ না দিলেও ভুল সংবাদ প্রকাশ হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের বদলির আদেশ স্থগিত চাওয়া রিটকারীকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

রিটকারী মানবাধিকারকর্মী শহিদুল ইসলাম লিটনকে আগামী ২৬ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে আদালতে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।

হাইকোর্ট একই সঙ্গে এ বিষয়ে ভুয়া সার্টিফায়েড কপি সরবরাহ করা এবং তার ভিত্তিতে ভুল সংবাদ পরিবেশন করার পেছনে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিটাকারীর আইনজীবী মাহাদী হাসানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আশানূর রহমান।

আইনজীবী আশানূর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত রিটকারী ব্যক্তিকে ২৬ আগস্ট আদালতে হাজির হতে বলেছে। একই সঙ্গে দুদককে বিষয়টি তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে।’

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের বদলির আদেশ স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস নামে একটি সংগঠনের কক্সবাজার জেলার সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন।

হাইকোর্ট দুই সপ্তাহের জন্য এ বদলির আদেশ স্থগিত করেছে মর্মে গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। অথচ হাইকোর্ট এমন কোনো আদেশই দেয়নি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাজহারুল হক স্বাক্ষরিত হাইকোর্টের একটি আদেশের অনুলিপির বরাত দিয়ে সংবাদ ছাপে দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকা।

ভুল সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাকিব হাসান। পরে আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুদকের আইনজীবীকে নির্দেশ দেয়। দুদক আইনজীবী খোঁজ নিয়ে দেখেন রিটকারী ব্যক্তি সংবাদমাধ্যমকে একটি ভুয়া আইনজীবী সনদ দিয়েছেন। সেই ভুয়া সনদের ভিত্তিতে পত্রিকাগুলো ভুল সংবাদ পরিবেশ করেছে। এ কারণে দৈনিক পূর্বকোণ দুঃখ প্রকাশ করে সংশোধনীও ছেপেছে।

আদালত বিষয়টি নিয়ে আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছিল। দুদক আইনজীবী বিষয়টি নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আদালত রিটকারীকে তলবসহ নির্দেশনা দেয়।

আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন

‘মডেলদের’ দিয়ে অনৈতিক পার্টি করতেন মিশু

প্রবাসীদের জন্য দুবাই-আমেরিকায় প্লেজার ট্রিপ

‘মডেলদের’ দিয়ে অনৈতিক পার্টি করতেন মিশু

মঙ্গলবার রাতে আটক হন মিশু ও জিসান। ফাইল ছবি

প্রতিটি পার্টিতে ১৫-২০ জন অংশগ্রহণ করে। এছাড়া বিদেশেও প্লেজার ট্রিপের আয়োজন করা হয়। একইভাবে বড়লোক প্রবাসীদের জন্যেও দুবাই, ইউরোপ ও আমেরিকায় এ ধরনের পার্টি আয়োজন করা হয়। তারা ক্লাইন্টদের গোপন ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করত বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়।

রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকা বিশেষ করে গুলশান, বারিধারা, বনানীতে পার্টি বা ডিজে পার্টির নামে নিয়মিত বসানো হতো মাদকের আসর। এসব পার্টিতে অংশ নিতেন পিয়াসা-মৌদের মতো অর্ধশত ‘মডেল’। এরা পার্টিতে অংশ নেয়া অভিজাত শ্রেণির লোকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছবি ও ভিডিও তুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসব মডেলের নাম-পরিচয় জেনেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

এই ‘মডেল’ ও টিভি কর্মীদেরকে টাকার বিনিময়ে ব্যবহার করতো শরফুল হাসান বা মিশু হাসান। দেশের বাইরে দুবাই বা ইউরোপ-আমেরিকার প্রবাসীদের জন্য এরা বিদেশে গিয়ে পার্টির ব্যবস্থা করত।

রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে অস্ত্র ও মাদকসহ মিশু ও তার এক সহযোগী জিসানকে আটকের পর এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

বুধবার বিকেল পৌনে ৬টায় সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর গুলশান, বারিধারা, বনানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পার্টির নামে মাদক সেবনসহ নানাবিধ অনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানা যায়। র‌্যাব এ বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১ এর অভিযানে মঙ্গলবার রাতে বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মিশু ও জিসানকে আটক করা হয়।

এ সময় জব্দ করা হয় ১টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬ রাউন্ড গোলাবারুদ, ইয়াবা ১৩ হাজার ৩০০ পিস, একটি বিলাসবহুল ফেরারি মডেলের গাড়ি, শিশার সরঞ্জামাদি, ২টি ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই ও এটিএম কার্ড, পাসপোর্ট এবং ভারতীয় জালমুদ্রা ৪৯ হাজার ৫০০ রুপি।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, আটকরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। এই চক্রের সদস্য প্রায় ১০-১২ জন। তারা রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকা বিশেষ করে গুলশান, বারিধারা, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় পার্টি বা ডিজে পার্টির নামে মাদক সেবনসহ নানাবিধ অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যবস্থা করে থাকে। পার্টিতে তারা অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করে। অংশগ্রহণকারীরা সাধারণত উচ্চবিত্ত পরিবারের সদস্য।

প্রতিটি পার্টিতে ১৫-২০ জন অংশগ্রহণ করে। এছাড়া বিদেশেও প্লেজার ট্রিপের আয়োজন করা হয়। একইভাবে বিত্তবান প্রবাসীদের জন্যেও দুবাই, ইউরোপ ও আমেরিকায় এ ধরনের পার্টি আয়োজন করা হয়। তারা ক্লায়েন্টদের গোপন ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করত বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়।

পার্টি আয়োজনের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের চাহিদা/পছন্দে গুরুত্ব দেয়া হতো। এই অবৈধ আয় থেকে অর্থ নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যবসায় (গাড়ির ব্যবসা, আমদানি ও গরুর ফার্ম) বিনিয়োগ করেছে মিশু ও জিসান। এই ব্যবসায় তাদের গ্রুপের সদস্যদের অবৈধ আয়েরও বিনিয়োগ রয়েছে।

র‍্যাব জানায়, আটক মিশু বাংলাদেশে নামিদামি ব্রান্ডের বিলাসবহুল গাড়ির ব্যবসা করেন। তিনি বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে অনিয়ম ও ছলচাতুরির আশ্রয় নিতেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তিনি নিজেও দামি ব্রান্ডের গাড়ি ব্যবহার করত। তার ব্যক্তিগত ২টি রেঞ্চ রোভার, অ্যাকুয়া, ভক্স ওয়াগন ও ফেরারিসহ ৫টি গাড়ি রয়েছে। সে অত্যন্ত সুকৌশলে গাড়ির ট্যাক্স জালিয়াতি করেছে বলে প্রমাণ মিলেছে।

খন্দকার আল মঈন বলেন, আটক জিসানের এলাকায় একটি গরুর ফার্ম রয়েছে। মিশু ইতিপূর্বে বিভিন্ন মামলায় তিনবার গ্রেপ্তার হয়েছিল। তার নামে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তার সঙ্গে বেশ কয়েকজন চিহ্নিত অপরাধীদের যোগাযোগ রয়েছে।

‘উচ্চবিত্ত শ্রেণির লোকদের টার্গেট করে আসর বসানো হতো। এই চক্রের ক্লাইয়েন্টের তালিকায় পিয়াসা-মৌসহ দেশি-বিদেশি ৫০ ক্লায়েন্টের নাম পেয়েছি। যাদেরকে বিদেশেও প্লেজার ট্রিপের আয়োজন করে পাঠানো হতো। একইভাবে উচ্চবিত্তের প্রবাসীদের জন্যেও দুবাই, ইউরোপ ও আমেরিকায় এ ধরনের পার্টি আয়োজন করে পিয়াসা-মৌদের মতো কথিত মডেলদের পাঠানো হতো।’

আটকদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে, মাদক আইনে, ভারতীয় জালমুদ্রার রাখা ও অননুমোদিত গাড়ি আমদানি ও ব্যবহারে বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ আলাদা আলাদা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন

যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়

যেসব পাওয়া গেল পরী-রাজের বাসায়

চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের সঙ্গে চিত্রনায়িকা পরীমনি।

পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি চিভাস রিগাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, এক বোতল গ্ল্যানফিডিচ। তার বাসা থেকে আরও জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট এলএসডি। এর ছাড়া জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি এবং চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের বাসায় পাওয়া পণ্যের জব্দতালিকা করেছে র‍্যাব। এই তালিকায় বিপুল পরিমাণ মদের পাশাপাশি রাখা হয়েছে নিষিদ্ধঘোষিত মাদকদ্রব্য আইস ও এলএসডির নাম।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি চিভাস রিগাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, এক বোতল গ্ল্যানফিডিচ।

তার বাসা থেকে আরও জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও একটি স্লট এলএসডি। এর ছাড়া জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকেও বিপুল মদ জব্দ করার কথা জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সীমা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন সেট এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বনানীতে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। এ সময় অবৈধ মাদকদ্রব্য আইস ও এলএসডি এবং বিপুল মদ জব্দ করা হয়। রাত সোয়া ৯টার দিকে এই অভিনেত্রীকে র‍্যাব কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরীমনির বাসায় অভিযান শেষ না হতেই বনানী ৭ নম্বর সড়কে আরেকটি বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখা। ওই বাসা থেকে ইয়াবা, মদ এবং যৌনাচারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। রাজকেও আটক দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় র‍্যাব কার্যালয়ে।

সেখানেই পরীমনি ও রাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানিয়েছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে ব্রিফিং শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন

জরিমানা সোয়া ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৩৮৫

জরিমানা সোয়া ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৩৮৫

সরকার ঘোষিত শাটডাউন চলবে আগামী ১১ আগস্ট পর্যন্ত। ছবি: সাইফুর ইসলাম

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিধিনিষেধ না মানায় ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে ১২৬ জনকে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক ৫৩৮টি গাড়িকে জরিমানা করেছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা।

ঈদের পরে শাটডাউনের ১৪তম দিন বৃহস্পতিবার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর সড়কে ৫৩৮টি গাড়িকে জরিমানা করা হয়েছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা।

এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১২৬ জনকে জরিমানা করা হয় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৫০ টাকা। এ সময় ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিধিনিষেধ না মানায় ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে ১২৬ জনকে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক ৫৩৮টি গাড়িকে জরিমানা করেছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা।

বর্তমানে দেশে ঈদুল আজহা-পরবর্তী ১৪ দিনের শাটডাউন চলছে, যা শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট)। তবে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় সংক্রমণ রুখতে চলমান ‘শাটডাউন’ আরও পাঁচ দিন বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন দিয়েছে সরকার।

আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির বাসা থেকে জব্দ করা মদের বোতল। ছবি: নিউজবাংলা

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এমনকি ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন। তার বাসায় একটি মিনি বারও রয়েছে। তিনি বাসায় নিয়মিত মদের পার্টি করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ পরীমনির বাসায় এসব মাদক সাপ্লাই (সরবরাহ) করতেন।’

পরীমনির বাসায় তার একটি মদের লাইসেন্সের কপি পেয়েছে র‍্যাব। তবে সেটি আইনসিদ্ধ ছিল না বলে জানিয়েছেন এলিট বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে র‍্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে গতানুগতিক নিয়ম অনুযায়ী পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়। যা একটি লাইসেন্সে কাভার করে না। পাশাপাশি তার বাসায় লাইসেন্সের একটি কপি পেয়েছি, তবে তা আইনসিদ্ধ নয় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল।’

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এমনকি ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন। তার বাসায় একটি মিনি বারও রয়েছে। তিনি বাসায় নিয়মিত মদের পার্টি করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ পরীমনির বাসায় এসব মাদক সাপ্লাই (সরবরাহ) করতেন।’

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...
পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
আরও পড়ুন:
ঈদে যাত্রী নিতে তৈরি ট্রেন
শিথিল শাটডাউনে ট্রেনে থাকছে না ছুটির দিন
ট্রেনে গরু পরিবহন ৩ দিন

শেয়ার করুন