প্রাইভেটকারে স্থবির ঢাকার মহাসড়ক

প্রাইভেটকারে স্থবির ঢাকার মহাসড়ক

ছবিটি সাত রাস্তা থেকে তুলেছেন সাইফুল ইসলাম

বিশেষ করে মহাখালী, রাতরাস্তা ও বনানী এলাকায় যানজট বেশি। এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ। পথচারীরা বলছেন, ১৪ দিন পর শাটডাউন শিথিলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সবাই বাসা থেকে বের হয়েছে।

শাটডাউন শিথিলের প্রথম দিনই চিরচেনা রূপে ঢাকার মহাসড়কগুলো। প্রতিটি সড়কেই বাস বা অন্যান্য যানবাহনের তুলনায় প্রাইভেটকার বেশি। এতে তীব্র যানজটে স্থগির হয়ে পড়েছে প্রতিটি সড়ক।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিমানবন্দর সড়ক, বনানী, মহাখালী, মহাখালী বাস টামির্টনাল, তেজগাঁও সাতরাস্তা, ধানমন্ডি, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

বিশেষ করে মহাখালী, সাতরাস্তা ও বনানী এলাকায় যানজট বেশি। এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ। পথচারীরা বলছেন, ১৪ দিন পর শাটডাউন শিথিলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সবাই বাসা থেকে বের হয়েছে।

বৃহস্পতিবার অনেকের ঈদের আগে শেষ অফিস। ফরে তাদের তাদের তাড়াটা বেশি। অফিস শেষ করেই বাড়ির পথ ধরার পরিকল্পনা তাদের।

তবে দূরপাল্লার বাসগুলোতে তেমন চাপ দেখা যায়নি। মহাখালী ও গাবতলীর বাস টার্মিনালে দেখা যায় খুব বেশি যাত্রী নেই। লম্বা বিরতি দিয়ে দিয়ে ছাড়া হচ্ছে বাস। মানা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধিও। একই চিত্র লঞ্চ ঘাটেও।

মহাখালীর বাস টার্মিনালে হেলালউদ্দিন নামে এক যাত্রী বলেন, ‘মনে করছিলাম, বাস স্টেশনে এসে টিকিট পাবো না। এসে দেখি, ফাঁকা। টিকিট পেতে কোনো সমস্যা হয়নি। তবে ভাড়াটা একটু বেশি।’

গাবতলী বাট টার্মিনালে পিরোজপুরের যাত্রী সাইফউদ্দিন বলেন, ‘যাত্রী খুব বেশি নেই। বাস ছাড়ছে দেরি করে। যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করা লাগছে।’

আরও পড়ুন:
চলছে গাড়ি, খুলছে মার্কেট
শিথিল নয়, শাটডাউন ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ
দুই দফা টিকিট বিক্রি শুরু করতে না পেরে নতুন সময়
যে কারণে শিথিল হলো শাটডাউন
শিথিল শাটডাউনে কী শর্ত জানা যাবে মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

মন্তব্য