নারী পাচারকারী আক্তারকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

নারী পাচারকারী আক্তারকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

মামলার নথি থেকে জানা যায়, আসামি একজন আদম ব্যবসায়ী। তিনি একটি আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের সঙ্গে যোগসাজশে দেশের বাইরে বাংলাদেশ থেকে কর্মইচ্ছুক নারীদেরকে লোভনীয় চাকুরির প্রস্তাব দিয়ে দেশের বাইরে পাচার করার প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করতেন। সেখানে গিয়ে নারীরা চাকুরির বদলে ধর্ষণের শিকার হতেন। এতে অনেকের জীবনও বিপন্ন হতো।

আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের অন্যতম সদস্য মো. আক্তার হোসেনকে তিনদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রামপুরা থানায় করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় আক্তারকে রোববার ঢাকার মুখ্যমহানগর আদালতে (সিএমএম) হাজির করা হলে হাকিম মোহাম্মদ জসিম এ আদেশ দেন।

আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পেতে আবেদন করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) সাইফুল ইসলাম।

আসামি পক্ষে দুই আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন। রাষ্ট্র পক্ষে জামিনের বিরোধিতা এবং রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন রামপুরা থানার নারী ও শিশু আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. মগবুলুর রহমান।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামির ৫৯ বছর বয়স বিবেচনা নিয়ে ও আইনজীবীদের অনুরোধে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের এ আদেশ দেন বিচারক।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, আসামি একজন আদম ব্যবসায়ী। তিনি একটি আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের সঙ্গে যোগসাজশে দেশের বাইরে বাংলাদেশ থেকে কর্মইচ্ছুক নারীদেরকে লোভনীয় চাকুরির প্রস্তাব দিয়ে দেশের বাইরে পাচার করার প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করতেন। সেখানে গিয়ে নারীরা চাকুরির বদলে ধর্ষণের শিকার হতেন। এতে অনেকের জীবনও বিপন্ন হতো।

সম্প্রতি দুই নারী সদস্য মরিশাসে পাচার হওয়ার পর ধর্ষণের শিকার হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের তদন্ত দল মাঠে নেমে আক্তার হোসেনকে শনিবার নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:
নৃত্যশিল্পী ইভানের নারী পাচার মামলার প্রতিবেদন ১৫ জুলাই

শেয়ার করুন

মন্তব্য