অগ্রণী ব্যাংকের নির্মাণাধীন ভবনে এডিস লার্ভা, লাখ টাকা জরিমানা

অগ্রণী ব্যাংকের নির্মাণাধীন ভবনে এডিস লার্ভা, লাখ টাকা জরিমানা

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা ১১ নং ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা ও আরামবাগ এলাকায় ৫০টি ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় আরামবাগের ৭২ নং হোল্ডিংয়ের অগ্রণী ব্যাংকের নির্মাণাধীন ভবনকে এক লাখ ও আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালতসমূহের অভিযানে অগ্রণী ব্যাংকসহ ২১ ভবনকে সর্বমোট ২১ মামলায় ৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের সেই ভবন নির্মাতাদের জরিমানা করা হয় এক লাখ টাকা।

রোববার করপোরেশনের ২-৫, ৯ ও ১০ নম্বর অঞ্চলের নিষ্পত্তি কর্মকর্তা ও সম্পত্তি বিভাগের দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নগরীর বনশ্রী, আগামসি লেন, সেগুনবাগিচা, আরামবাগ, বকশীবাজার, বিবিরবাগিচা, ছনটেক, দক্ষিণ দনিয়া এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তারা ২২০টি ভবন ও নির্মাণাধীন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

অঞ্চল-২-এর আনিক সুয়ে মেন জোর তত্ত্বাবধানে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা ও ইরফান উদ্দিন আহমেদ অঞ্চল-২-এর আরামবাগ, সেগুনবাগিচা ও বনশ্রী এলাকায় অভিযান চালান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা ১১ নং ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা ও আরামবাগ এলাকায় ৫০টি ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় আরামবাগের ৭২ নং হোল্ডিংয়ের অগ্রণী ব্যাংকের নির্মাণাধীন ভবনকে এক লাখ ও আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ বনশ্রী, দক্ষিণ বনশ্রী, ফরাজি হাসপাতালের পেছনে ‘এ ব্লক’ থেকে ‘ই ব্লক’ পর্যন্ত এলাকায় ৪৫টি ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় ৩টি ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় এবং একটি ভবনে পানি জমা থাকতে দেখায় চার মামলায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল-৩-এর নিষ্পত্তি কর্মকর্তা বাবর আলী মীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বকশীবাজার এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানকালে তিনি ১৫টি স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং উমেষ দত্ত রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল-৪-এর নিষ্পত্তি কর্মকর্তা হায়দর আলী ৩৩ নং ওয়ার্ডের আগামসি লেনের ৪৪ নং হতে ৬৩ নং হোল্ডিংয়ের ২১টি বাড়ি ও নির্মাণধীন ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় ৫২/এ নম্বর ও ৫৭ হোল্ডিং নম্বরের ভবন ও ভবনের রিজার্ভ ট্যাংকে মশার লার্ভা পাওয়ায় মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অঞ্চল-৫-এর নিষ্পত্তি কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন সরকার ৪৮ নং ওয়ার্ডের বিবিরবাগিচা এলাকায় ১০টি বাড়ি ও নির্মাণধীন ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় দুটি ভবনে লার্ভা পাওয়ায় দুই মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অঞ্চল-৯-এর নিষ্পত্তি কর্মকর্তা খায়রুল হাসান ছনটেক, ইশা খাঁ ও শেখদি এলাকায় ৩০টি নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় পাঁচটি নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় পাঁচ মামলায় ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অঞ্চল-১০-এর নিষ্পত্তি কর্মকর্তা মামুন মিয়া দক্ষিণ দনিয়া এলাকায় ৪৯টি স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং ১৪১৭ নং হোল্ডিংয়ের শাপলা কুঁড়ি স্কুলসহ পাঁচটি ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

১৪টি বাড়ির মালিককে ছাদে জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য নির্দেশও দেয়া হয় এ সময়।

আরও পড়ুন:
উত্তর ঢাকায় ৩২ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা
লকডাউনে দাদার কুলখানি করে গুনলেন জরিমানা
মোটরসাইকেলে চিকিৎসক স্টিকার সাঁটিয়ে বাইরে, জরিমানা
‘নাপা’ ট্যাবলেট তিন গুণ দামে বিক্রি, জরিমানা
ময়মনসিংহে জুমার আগেই জরিমানা প্রায় দেড় লাখ

শেয়ার করুন

মন্তব্য