র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত উদ্ধার, আটক ৪

র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত উদ্ধার, আটক ৪

গাজীপুর থেকে অপহরণ হওয়া এক ব্যক্তিকে উদ্ধারসহ ৪ অপহরণকারীকে আটক করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

উদ্ধার হওয়া আলমগীর সরকার জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানান, গত ৩০ জুন রাত ১০টায় শ্রীপুর দুকলা থেকে বাইপাইল যাওয়ার সময় আমান উল্যাহ ও আইনুল হক আমাকে জুট দেখানোর কথা বলে প্রাইভেট কারে করে আমান উল্যাহর বাড়িতে নিয়ে গোপন স্থানে আটক রেখে শারিরীকভাবে নির্যাতন করেন। এ সময় তারা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে অপহরণকারীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

গাজীপুর থেকে অপহরণ হওয়া ব্যবসায়ী আলমগীর সরকারকে উদ্ধারসহ ৪ অপহরণকারীকে আটক করেছে র‌্যাব।

অপহরণকারীরা হলেন আমান উল্যাহ, আইনুল হক, আসাদ উল্যাহ ও মুসলিম উদ্দিন।

শনিবার আনুমানিক রাত সাড়ে ৯টায় গাজীপুরের শ্রীপুর বেলতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলমগীর সরকারকে উদ্ধারসহ অপহরণকারীদের আটক করে র‍্যাব-১।

র‍্যাব-১ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর এ এস এম মাঈদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ৩০ জুন আনুমানিক রাত ১০টার সময় গাজীপুরের শ্রীপুর দুকলা এলাকা থেকে বাইপেল যাওয়ার পথে আলমগীর সরকারকে অপহরণ করা হয়। এর পর ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন।

অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে ভিকটিমের পরিবারকে অপহরণের বিষয়টি জানায় এবং মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে অপহরণকারীরা ভিকটিমকে মেরে ভিডিও কলে ছবি দেখাবে বলে হুমকি দেয়। ভিকটিমের পরিবার ৩ জুলাই র‌্যাব-১ এর কাছে অপহরণ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করেন এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়।

মেজর এ এস এম মাঈদুল বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩ জুলাই র‌্যাব-১ এর আভিযানিক দল জানতে পারে যে, অপহৃত আলমগীর সরকারসহ অপহরণকারীরা শ্রীপুর বেলতলী এলাকায় অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অপহরণকারীদের আটক করে র‍্যাব এবং ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া আলমগীর সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে একজন জুট ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, ‘গত ৩০ জুন আনুমানিক রাত ১০টায় গাজীপুর শ্রীপুর দুকলা থেকে বাইপাইল যাওয়ার সময় আমান উল্যাহ ও আইনুল হক আমাকে জুট দেখানোর কথা বলে প্রাইভেট কারে করে আমান উল্যাহর বাড়িতে নিয়ে গোপন স্থানে আটক রেখে শারিরীকভাবে নির্যাতন করেন। এ সময় তারা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে অপহরণকারীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক চারজন অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিমানবন্দরে তিন কেজি সোনা জব্দ

বিমানবন্দরে তিন কেজি সোনা জব্দ

বিমানবন্দরে জব্দ করা সোনার বার। ছবি: নিউজবাংলা

সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে সৌদি থেকে আসা মোহাম্মদ রিপন নামে এক যাত্রীর জ্যাকেটে ছিল ২৫টি সোনার বার।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদিফেরত এক যাত্রীর কাছ থেকে দুই কোটি টাকা মূল্যের সোনার বার উদ্ধার করেছে কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিম।

বুধবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে সৌদি থেকে আসা মোহাম্মদ রিপন নামে এক যাত্রীর কাছ থেকে ২৫টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এগুলোর ওজন ২ কেজি ৯০০ গ্রাম।

অবৈধভাবে সোনা নিয়ে আসার অভিযোগে রিপনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেনটিভ) সানোয়ারুল কবীর।

সৌদি আরব ফেরত এ যাত্রীর হাতে থাকা হুডি জ্যাকেটের ভেতরে ছিল সোনার বার। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনা আনার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রিপনকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

‘ডাক্তার’ পদবি চান হোমিও চিকিৎসকরা

‘ডাক্তার’ পদবি চান হোমিও চিকিৎসকরা

হোমিও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে চান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে এমন দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ছাত্র অধিকার সংগঠন।

সংগঠনটির সভাপতি আরমান হোসেন বলেন, ‘সম্প্রতি আদালত হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের নামের পূর্বে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা বেআইনি ঘোষণা করেছে। আদালত স্বপ্রনোদিত হয়ে উক্ত আদেশটি দিয়েছে, যা হোমিওপ্যাথিক আইনের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ৪ বছর ৬ মাস কলেজে লেখাপড়া করে সরকারি সকল ফি পরিশোধ করে সরকার কর্তৃক রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত হয়ে কেন ডাক্তার লিখতে পারবেনা? পেশাগত জীবনে আমরা আমাদের যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে চাই।’

তিনি দাবি করেন, হোমিওপ্যাথিক বিষয়ে আলাদা আইন আছে। দ্য বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ এবং মাদকদ্রব্য আইন ২০১৮-এর আওতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের নামের আগে ডাক্তার পদবী ব্যবহার অইনগতভাবে বৈধ।

আরমান হোসেন আরও করেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা আইনণতভাবে নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করেন।

কিন্তু আদালতের কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে আদালত এ রায় দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, এই রায়ের ব্যাপারে যথাযথ আইনী পদক্ষেপের মাধ্যমে মহামান্য আদালতের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিলের মাধ্যমে অধিকার ফিরবে।’

মানববন্ধনে নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

শেয়ার করুন

এস-ফ্যাক্টরে ‘কোটি টাকা হাতিয়ে নিল’ সুইসড্রাম

এস-ফ্যাক্টরে ‘কোটি টাকা হাতিয়ে নিল’ সুইসড্রাম

বাজারে ছাড়া প্রতারক চক্রের এস-ফ্যাক্টর ওষুধ

প্রতারক চক্রটির মূল হোতা কাজী আল-আমিন দামি ব্রান্ডের গাড়ি নিয়ে কোম্পানির নতুন সদস্যদের কাছে কখনও প্রবাসী, কখনও বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন।

কোম্পানির নাম সুইসডার্ম। বাজারে আছে তাদের এক মহৌষধ ‘এস-ফ্যাক্টর’। দাবি, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও হার্টের অসুখসহ এমন কোনো রোগ নেই যার নিরাময় এই ওষুধটি করতে পারে না। সম্প্রতি এই ওষুধকে তারা করোনা প্রতিরোধী হিসেবেও প্রচার করে আসছিল।

চাকচিক্যময় প্রচারের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ের (এমএলএম) মাধ্যমে এই ওষুধ বিক্রি করা হতো গ্রাহকদের কাছে। যারা কিনতেন, কোম্পানির সদস্য করা হতো তাদের।

কোম্পানির নতুন সদস্য সংগ্রহের মাধ্যমে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে টাকা হাতিয়ে নিতো সুইসডার্ম। সর্বনিম্ন ৪ হাজার ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ লাখ ১৭ হাজার টাকায় তাদের সদস্য হওয়া যেত। টাকার বিনিময়ে সদস্যদের দেয়া হতো মহৌষধ নাম দেয়া এই এস-ফ্যাক্টর।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে কোম্পানিটির প্রায় ৫০ হাজার সদস্য রয়েছে। তাদের কাছ থেকেই ২০-২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এমএলএম পদ্মতিতে এই ভূয়া পণ্য বিক্রির ফাঁদ পেতেছিলেন মুন্সিগঞ্জের কাজী আল-আমিন। তার এই প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত আছেন আরও বেশ কিছু মানুষ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। প্রতারণার অভিযোগে আল-আমিনসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার কৌশল জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাও হয়েছে।

এস-ফ্যাক্টরে ‘কোটি টাকা হাতিয়ে নিল’ সুইসড্রাম
প্রতারণার অভিযোগ গ্রেপ্তার হওয়া ১৭ জন

র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওরা বিভিন্ন ওষুধের কথা বলতো। যেগুলোর মিথ্যে এবং অবাস্তব গুণের কথা বলে সামর্থ্যবানদের কাছে বিক্রি করে সদস্যপদ দিত। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও বিস্তারিত তথ্য নেয়ার চেষ্টা চলছে।’

যেভাবে সদস্য সংগ্রহ

র‌্যাবের ভাষ্যমতে, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রতারণাকেই পেশা হিসেবে নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করেছিল। বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের কর্মী ও সদস্য আছে; যারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বেকার তরুণ-তরুণীদের স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখাত।

প্লাটিনাম, গোল্ড, সিলভার ও সাধারণ হিসেবে সদস্যদের অর্ন্তভুক্ত করা হতো। কথাবার্তায় পটু, আর্থিকভাবে মোটামুটি স্বচ্ছলরাই ছিল তাদের লক্ষ্য। কেউ সদস্য হয়ে গেলে তিনিও নতুন সদস্য সংগ্রহের মিশনে নেমে যেতেন।

যেহেতু টাকা দিয়ে সদস্য হতে হয়, সেহেতু নতুন সদস্য যত বেড়েছে কোম্পানিটি ততই ফুলে ফেঁপে ওঠেছে। এভাবেই প্রায় ৫০ হাজার সদস্য সংগ্রহের মাধ্যমে ২০-২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।

যত কৌশল

গ্রেপ্তার কাজী আল-আমিন দামি ব্রান্ডের গাড়ি নিয়ে কোম্পানির নতুন সদস্যদের কাছে কখনও প্রবাসী, কখনও বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন। গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে মনোনয়ন দেয়া হতো। যার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়া হতো।

শিকারদের প্রলুব্ধ করে এবং তথ্যাদি সংগ্রহ করে নানা কৌশলে প্রতারক চক্রের অফিস কার্যালয়ে নিয়ে আসা হতো। এদেরকে গ্রাহক প্রতি বা নির্দিষ্ট সংখ্যক গ্রাহক সংগ্রহের টার্গেট দিয়ে বিপুল অর্থ প্রদানের লোভ দেখানো হতো।

চক্রটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অভিজাত ও আকর্ষণীয় রেস্তোরাঁয় ভিকটিমদেরকে নিয়ে এসে সভা-সেমিনার, লাঞ্চ ও ডিনার পার্টির আয়োজন করত।

সেখানে সুইসডার্ম অ্যাপস-এ একাউন্ট খোলার আহ্বান জানানো হতো।

ঘন ঘন অফিস পরিবর্তন করা ছিল তাদের আরেকটি কৌশল। প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট কোন সাইনবোর্ড বা ঠিকানাও ব্যবহার করত না তারা।

নতুন সদস্যদের ৫টি ক্যাটাগরির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হতো। ১ ও ২ ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ৪,২০০ ও ৬,২০০ টাকায় ১ প্যাকেট ওষুধ এবং ৩ ও ৪ ক্যাটাগরিতে ২৬,২০০ ও ৫৮,০০০ হাজার টাকায় ৬ থেকে ১৪ প্যাকেট এবং ৫ নম্বর ক্যাটাগরিতে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকায় ২৮ প্যাকেট এস-ফ্যাক্টর দেয়া হতো।

আরও যেসব অভিযোগ

র‌্যাব বলছে, কোম্পানিটির সব কার্যক্রমই প্রতারণামূলক। পণ্যগুলো বাজারজাত করতে বিএসটিআই এবং ঔষধ প্রশাসনের কাছ থেকে তারা কোনো অনুমতি নেয়নি। পণ্য আমদানি সংক্রান্ত কোম্পানির সঙ্গে তাদের বৈধ কাগজপত্র নেই। ।

এস-ফ্যাক্টর ছাড়াও সৌন্দর্যবর্ধনকারী কয়েকটি প্রসাধনীও তারা উচ্চমূল্যে বিক্রি করত। এগুলো শরীর ও ত্বকে ব্যবহার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলেও জানিয়েছে র‌্যাব।

শেয়ার করুন

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিক সম্মেলন স্থগিত

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিক সম্মেলন স্থগিত

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসা পর্যন্ত তাদের ঘোষিত ২৩ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি স্থগিতে সম্মত হন। বৈঠকে হাছান মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছেন। সরকারও দ্রুত এ সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদের অনুরোধে বৃহস্পতিবার সারা দেশে সমাবেশ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সাংবাদিক নেতারা।

বুধবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের আহ্বানে ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলবের ইস্যুতে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন সাংবাদিক নেতারা।

বৈঠকে হাছান মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছেন। সরকারও দ্রুত এ সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট রয়েছে।

তিনি এ বিষয়ে সহযোগিতার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে কর্মসূচি স্থগিত রাখার জন্য সাংবাদিক নেতাদের অনুরোধ করেন।

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিক সম্মেলন স্থগিত
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

মন্ত্রীর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসা পর্যন্ত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় সাংবাদিকদের কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা করেন।

এর আগে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়। গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতেই এটা করা হয়েছে অভিযোগ করে কর্মসূচিতে বলা হয়, এর সন্তোষজনক সমাধান না হলে আন্দোলন চলবে।

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠায় মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

চিঠিতে এ মঙ্গলবারের মধ্যে নির্দিষ্ট ফরমে সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাবের সব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি, ট্রানজেকশন প্রোফাইল, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত লেনদেনের বিবরণী।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ছাড়া অন্য সাংবাদিক নেতারা হলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) (বিএনপি সমর্থিত) সভাপতি আব্দুল কাদের গণি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম।

ব্যাংক হিসাব তলব: সাংবাদিক সম্মেলন স্থগিত
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) (বিএনপি সমর্থিত) সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকনের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

অন্য যাদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে, তারা হলেন: বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনগুলোর নির্বাচিত শীর্ষ ১১ নেতার ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ গণমাধ্যমে কথা বলেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় হাছান মাহমুদের সঙ্গে সচিবালয়ে সাংবাদিক নেতাদের বৈঠক হয়। বৈঠকে সাংবাদিক নেতারা তাদের নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব করার ক্ষেত্রে সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক পরিচয় একীভূত করার ঘটনাকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব তলবের খবরে সারা দেশের সাংবাদিকদের মনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

সচিবালয়ে এ সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

শেয়ার করুন

গণপিটুনিতে হত্যার মামলায় দুই শিশুর বিচার শুরু

গণপিটুনিতে হত্যার মামলায় দুই শিশুর বিচার শুরু

গৃহবধূ তাসলিমা বেগম রেনু। ফাইল ছবি

উত্তর বাড্ডায় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে আহত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের সন্তানের ভর্তির ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে মর্মান্তিক এ ঘটনার শিকার হন রেনু।

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গৃহবধূ তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় দুই শিশুর বিচার শুরু হয়েছে।

ঢাকার সপ্তম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার বুধবার বিচার শুরুর আদেশ দেন। পৃথক আদালতে চলছে এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১৩ আসামির বিচার।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ নিউজবাংলাকে জানান, অভিযোগ গঠনের পর মামলাটিতে দুই শিশুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য নিতে ৮ নভেম্বর দিন ঠিক করেন বিচারক।

উত্তর বাড্ডায় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে আহত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের সন্তানের ভর্তির ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে মর্মান্তিক এ ঘটনার শিকার হন তাসলিমা বেগম রেনু।

এ ঘটনায় ওই দিন বাড্ডা থানায় ৪০০-৫০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন রেনুর ভাগনে নাসির উদ্দিন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আব্দুল হক ২০২০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন ইব্রাহিম ওরফে হৃদয় মোল্লা, রিয়া বেগম ময়না, আবুল কালাম আজাদ, কামাল হোসেন, মো. শাহিন, বাচ্চু মিয়া, মো. বাপ্পি, মুরাদ মিয়া, সোহেল রানা, আসাদুল ইসলাম, বেল্লাল মোল্লা, মো. রাজু, মহিন উদ্দিন, জাফর হোসেন পাটোয়ারী ও ওয়াসিম আহমেদ।

তাদের মধ্যে জাফর ও ওয়াসিম অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার শিশু আদালতে করার সিদ্ধান্ত হয়।

এর আগে ১ এপ্রিল প্রাপ্তবয়স্ক ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়েছে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফাতেমা ইমরুজ ক্ষনিকার আদালতে। তাদের মধ্যে তিনজন কারাগারে এবং বাকি ১০ জন জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

সর্বশেষ মামলায় দুই শিশু আসামি জাফর ও ওয়াসিমের বিরুদ্ধে বুধবার অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।

আসামিদের মধ্যে ওয়াসিম, হৃদয় ও রিয়া বেগম আদালতে দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শেয়ার করুন

উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ

উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ

‘আউটকাম বেইজড এডুকেশন বাস্তবায়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা। ছবি: নিউজবাংলা

ড. আবু তাহের বলেন, ‘প্রয়োজনের নিরিখে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হলে উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আসবে। পাঠ্যক্রম যেন জীবনমুখী হয়, দক্ষ স্নাতক তৈরি ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা উপযোগী হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে উচ্চশিক্ষা স্তরে পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

ইউজিসির স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স (এসপিকিউএ) বিভাগ আয়োজিত ‘আউটকাম বেইজড এডুকেশন বাস্তবায়ন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুধবার সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ পরামর্শ দেন।

ড. আবু তাহের বলেন, ‘প্রয়োজনের নিরিখে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হলে উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আসবে। পাঠ্যক্রম যেন জীবনমুখী হয়, দক্ষ স্নাতক তৈরি ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা উপযোগী হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

এসপিকিউএ বিভাগের উপ-পরিচালক বিষ্ণু মল্লিকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিভাগের পরিচালক ড. ফখরুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে এসপিকিউএ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক জেসমিন পারভীনসহ কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ড. আবু তাহের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আউটকাম বেইজড এডুকেশন অনুসরণ করে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে উচ্চশিক্ষা স্তরে পাঠ্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এর মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃজন হবে এবং শিক্ষায় বৈচিত্র্য আসবে।’

কর্মশালায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ৩০ জন শিক্ষক অংশ নেন। রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মোজাহার আলী।

শেয়ার করুন

রাজধানীতে নিজ ঘরে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ

রাজধানীতে নিজ ঘরে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ

রামপুরায় তরুণীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামী হৃদয় পলাতক। ছবি: সংগৃহীত

রামপুরা থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াকুব আলী বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন জানান ছয় মাস আগে স্বামী-স্ত্রী মিলে ওই রুম ভাড়া নেয়। ওই বাসা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে থানায় খবর দেয়। দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’

রাজধানীর রামপুরার জামতলা এলাকার একটি বাসা থেকে এক তরুণীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তরুণীর নাম লামিয়া আক্তার। বয়স ১৯ বছর। গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার খোরকোলা গ্রামে।

বুধবার মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রামপুরা থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াকুব আলী বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে রামপুরার জামতলা এলাকার পানির পাম্পের পাশে ১৩৮/৪/৫/এ বাসার চার তলায় একটি রুম থেকে গলিত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।’

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন জানান ছয় মাস আগে স্বামী-স্ত্রী মিলে ওই রুম ভাড়া নেয়। ওই বাসা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে থানায় খবর দেয়। দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’

তরুণীর স্বামী হৃদয় ফকির পলাতক। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন