ঢাকা ছাড়তে গাবতলীতে ব্যক্তিগত গাড়ির সারি

ঢাকা ছাড়তে গাবতলীতে ব্যক্তিগত গাড়ির সারি

ঢাকা ছাড়তে গাবতলী চেকপোস্টে গাড়ির সারি দেখা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা

শাটডাউনের চতুর্থ দিন রোববার সাধারণত কর্মদিবস থাকে। তবে জরুরি সেবা ছাড়া অন্য সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার কথা বলেছে সরকার। তবে এদিন সড়কে যান চলাচল গত তিন দিনের তুলনায় বেশি দেখা গেছে।

শাটডাউনের চতুর্থ দিনে ঢাকার বাইরে যেতে গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে। ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাসে চড়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার জন্য বের হয়েছেন অনেকে।

করোনাভাইরাস ঠেকাতে সরকারের বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি ও যারা যৌক্তিক কারণ বলতে পারছেন, তাদেরই ঢাকা ছাড়তে দেয়া হচ্ছে। অন্যদের গাবতলীর চেকপোস্ট থেকে ফিরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। আর যাদের বের হওয়ার কারণ যৌক্তিক মনে হচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শাটডাউনের চতুর্থ দিন রোববার সাধারণত কর্মদিবস থাকে। তবে জরুরি সেবা ছাড়া অন্য সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার কথা বলেছে সরকার। তবে এদিন সড়কে যান চলাচল গত তিন দিনের তুলনায় বেশি দেখা গেছে।

গাবতলী চেকপোস্টে দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি। শাটডাউনের বিধিনিষেধ কিংবা বৃষ্টি উপেক্ষা করে যারা সড়কে বেরিয়েছেন তারা জরুরি কাজেই বের হচ্ছেন বলে দাবি করছেন। অযৌক্তিক কারণে বের হওয়া মানুষের সংখ্যা কম বলেই বলছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাজধানীর বিভিন্ন চেকপোস্ট ঘুরে একই রকম চিত্র দেখা গেছে। গাবতলীতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। প্রতিটি গাড়ি থামিয়ে সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বের হওয়ার কারণ।

মিরপুর দারুস সালাম জোনের (ট্রাফিক) সহকারী কমিশনার ইত্তেখায়রুল ইসলাম বলেন, সড়কে যান চলাচল বেড়েছে। সকাল থেকেই ব্যক্তিগত ও অফিশিয়াল কাজে ঢাকার বাইরে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

ঢাকার বাইরে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যেতে চাওয়া মানুষদের একটা বড় অংশ বিভিন্ন কারখানায় কাজ করেন।

ইত্তেখায়রুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিধিনিষেধের মধ্যেও যাদের চলাচলের অনুমতি আছে, তাদের আমরা পার করে দিচ্ছে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত কাজেও অনেকে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় যেতে চাচ্ছেন, তাদের আমরা যেতে না দিয়ে ঢাকায় ফিরিয়ে দিচ্ছি।’

যারা বের হওয়ার যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারছে না, তাদের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান ইত্তেখায়রুল ইসলাম।

ইত্তেখায়রুল বলেন, ‘সকাল থেকে বেশ কয়েকটি গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। দিন শেষে এই সংখ্যা জানাতে পারব।’

গাবতলীর পাশাপাশি মহানগরীর ভেতরে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট পরিচালনা করছে পুলিশ।

এ ছাড়া র‍্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির টহল রয়েছে।

বেশ কয়েকটি পয়েন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে পুলিশ ও র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। তৎপর রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসনও।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে গেলে সরকার গত বৃহস্পতিবার থেকে সাত দিনের শাটডাউন ঘোষণা করে। এরপর থেকে মানুষের চলাচল সীমিত করতে কঠোর হয় পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার, কোস্টগার্ড। পাশাপাশি সারা দেশেই স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর হয় সেনাবাহিনী।

শাটডাউন চলবে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মঙ্গলবার ৮০ লাখ মানুষকে টিকা

মঙ্গলবার ৮০ লাখ মানুষকে টিকা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বর টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। এই ক্যাম্পেইন দেশের ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে হবে। একদিনে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ এই টিকা ক্যাম্পেইনে কাজ করবেন। একইসঙ্গে ৮০ লাখ মানুষ টিকা পাবেন।’

আরও বেশি মানুষকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনতে ফের বড় পরিসরে টিকা ক্যাম্পেইনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ক্যাম্পেইনে একদিনে ৮০ লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হবে।

এই টিকা ক্যাম্পেইন আগামী মঙ্গলবার হবে বলে রোববার বিকেলে দেশের করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বর টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। এই ক্যাম্পেইন দেশের ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে হবে। একদিনে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ এই টিকা ক্যাম্পেইনে কাজ করবেন। একইসঙ্গে ৮০ লাখ মানুষ টিকা পাবেন।’

আরও আসছে…

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন

ফাইজারের ২৫ লাখ টিকা আসছে সোমবার

ফাইজারের ২৫ লাখ টিকা আসছে সোমবার

গত ৩১ মে দেশে পৌঁছায় ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য থেকে ন্যাশনাল এয়ারলাইনসের কার্গো বিমানে ২৫ লাখ ডোজ ফাইজারের টিকা আসছে। এই চালান সোমবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছাবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী যুক্তরাষ্ট্র উদ্ভাবিত ফাইজারের টিকার অন্তত ২৫ ডোজের একটি চালান দেশে আসছে সোমবার।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য থেকে ন্যাশনাল এয়ারলাইনসের কার্গো বিমানে ২৫ লাখ ডোজ ফাইজারের টিকা আসছে। এই চালান সোমবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছাবে।

টিকার এই চালান গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ স্বাস্থ্যখাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম দফায় ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং দ্বিতীয় দফায় ১০ লাখ ৩ হাজার ৮৬০ ডোজ ফাইজারের টিকা দেশে আসে।

অ্যাস্ট্রেজেনেকা, সিনোফার্মা, মডার্না ভ্যাকসিনসহ ক্রয়কৃত ও কোভ্যাক্স ফাসিলিটিজের আওতায় দেশে মোট টিকা এসেছে ৪ কোটি ৯৪ লাখ ২৯ হাজার ৯৪০ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে মোট ২ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৯৮ জনকে; দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭১ জনকে।

চীনের সিনোফার্মার কাছ থেকে ৬ কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে চলতি মাস থেকে প্রতি মাসে ২ কোটি ডোজ করে ভ্যাকসিন দেশে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পাশাপাশি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে আরও সাড়ে ১০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনসহ মোট ২৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ক্রয়ের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন

হাইওয়ে থানায় ২ সাংবাদিকের ওপর হামলা

হাইওয়ে থানায় ২ সাংবাদিকের ওপর হামলা

দুই সাংবাদিককে মারধরের ঘটনার ভিডিও থেকে নেয়া ছবি। ছবি: নিউজবাংলা

নিউজবাংলার কাজল সরকার বলেন, ‘একটা সংবাদ সংগ্রহের জন্য আমি শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় যাই। সেখানে আমি ও আমির হামজা ছবির কাজ করতেছিলাম। সেই সময় হঠাৎ কয়েকজন লোক এসে নিজেদের থানার লোক বলে পরিচয় দিয়ে আমাদের মারতে শুরু করে। শার্টের কলারে ধরে থানার ভিতরে নিয়ে যায়।’

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর জেলা প্রতিনিধি কাজল সরকার ও ডেইলি অবজারভার পত্রিকার প্রতিনিধি আমির হামজা।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার পাশে একটি গ্যারেজের ছবি তোলার সময় রোববার দুপুরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিকদের থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

মারধরের ঘটনার একটি ভিডিও নিউজবাংলার হাতে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ওই সাংবাদিকদের দুইজন লোক টেনে নিয়ে যাচ্ছেন, একজন লাঠি দিয়ে মারধর করছেন।

নিউজবাংলার কাজল সরকার বলেন, ‘একটা সংবাদ সংগ্রহের জন্য আমি শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় যাই। সেখানে আমি ও আমির হামজা ছবির কাজ করতেছিলাম। সেই সময় হঠাৎ কয়েকজন লোক এসে নিজেদের থানার লোক বলে পরিচয় দিয়ে আমাদের মারতে শুরু করে। শার্টের কলারে ধরে থানার ভিতরে নিয়ে যায়।

‘থানার ভিতর নিয়ে যাওয়ার পরও তারা আমাদের মারার জন্য হামলা চালায়। তখন কয়েকজন কনস্টেবল এসে আমাদের উদ্ধার করেন।’

এ বিষয়ে জানতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম মুরাদ আলিকে এই প্রতিবেদক ফোন করলে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি যেহেতু হাইওয়ে থানায় ঘটেছে। আপনি হাইওয়ে থানার এসপির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই।’

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলামকেও ফোন করা হয় মন্তব্যের জন্য। তিনি বলেন, ‘আগে বিষয়টা জানবেন তারপর মন্তব্য করবেন। গ্যারেজটি থানার না, সেটি পাবলিক গ্যারেজ। তাদের (সাংবাদিকদের) সমস্যা হয়েছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে, পুলিশের না। আমি মাত্র থানায় আসছি, আপনিও পারলে থানায় আসেন।’

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে দেড় কেজি সোনা জব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে দেড় কেজি সোনা জব্দ

বিমানবন্দর থেকে দেড় কেজি সোনা জব্দ করে শুল্ক কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউস ঢাকার প্রভেনটিভ টিম বিমানবন্দরে নজরদারি করতে থাকে। রাত ১১টার দিকে দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করলে আনোয়ার হোসেনকে শনাক্ত করা হয়। তল্লাশি করে তার কাছ থেকে দেড় কেজি সোনা জব্দ করা হয়।

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেড় কেজি সোনা জব্দ ও একজনকে আটক করেছে শুল্ক কর্মকর্তারা।

অভিযান চালিয়ে শনিবার রাত ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম মো. আনোয়ার হোসেন। তার বাড়ি মুন্সিগঞ্জে।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরাচালানের খবর পেয়ে কাস্টম হাউস ঢাকার প্রতিরোধ টিম বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় ও নজরদারি করতে থাকে। রাত ১১টার দিকে দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করে।

এ সময় আনোয়ার হোসেনকে শনাক্ত করে তল্লাশি করলে তার হাতব্যাগ ও পায়ুপথ থেকে এক হাজার ১০ গ্রাম পেস্টসদৃশ গোল্ড, ৪৬৪ গ্রাম ওজনের ৪টি সোনার বার এবং ১১০ গ্রাম সোনার গয়না জব্দ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দকৃত সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে শুল্ক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন

দীর্ঘ হচ্ছে সংশোধন, আবার সপ্তাহ শুরু পতনে

দীর্ঘ হচ্ছে সংশোধন, আবার সপ্তাহ শুরু পতনে

গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে যে সংশোধন শুরু হয়েছে, তা থামেনি আজও। একটি ব্রোকারেজ হাউজে হতাশা নিয়ে শেয়ার মূল্য দেখছেন বিনিয়োগকারী।

গত ১২ সেপ্টেম্বর সংশোধন শুরুর দিন সূচক পড়েছিল ৫৬ পয়েন্ট। ১৯ সেপ্টেম্বর পরের রোববার সূচকের পতন হয় ৩৭ পয়েন্ট। আর এক সপ্তাহ পর সূচক পড়ল ৭ পয়েন্ট। তবে লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ। গত ১২ সেপ্টেম্বরের পর সবচেয়ে বেশি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

টানা তৃতীয় রোববার পতন নিয়ে শুরু হলো পুঁজিবাজারের লেনদেন।

জুলাই থেকে টানা এক হাজার দুইশ পয়েন্টে বেশি সূচক বাড়ার পর সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সংশোধন শুরু হয়েছে, তাতে সূচকের পতন না ঘটলেও বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন ঘটছে।

দুই সপ্তাহ এভাবে চলার পর চলতি সপ্তাহ থেকে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর যে আশা করছিলেন বিনিয়োগকারীরা, তা পূরণ হলো না।

তবে আগের দুই সপ্তাহের তুলনায় সূচকের পতন হয়েছে কম। গত ১২ সেপ্টেম্বর সংশোধন শুরুর দিন সূচক পড়েছিল ৫৬ পয়েন্ট।

১৯ সেপ্টেম্বর পরের রোববার সূচকের পতন হয় ৩৭ পয়েন্ট। আর এক সপ্তাহ পর সূচক পড়ল ৭ পয়েন্ট।

আগের দুই পতনের মতোই এবারও সূচক বেড়ে গিয়ে শেষ বেলায় পড়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর সূচক এক পর্যায়ে সূচক বেড়ে গিয়েছিল ৭৮ পয়েন্ট। সেখান থেকে ১২৪ পয়েন্ট পতন হয় বেলা শেষে।

১৯ সেপ্টেম্বর লেনদেনের শুরুতে সূচক বেড়ে গিয়েছিল ২৮ পয়েন্ট। সেখান থেকে ৬৫ পয়েন্ট পতনে শেষ হয় লেনদেন।

আর টানা তৃতীয় রোববার সূচক এক পর্যায়ে বেড়ে যায় ২৯ পয়েন্ট। সেখান থেকে পতন হয় ৩৬ পয়েন্ট।

তবে সূচকের পতন হলেও লেনদেন বেড়েছে অনেকটাই। আগের কর্মদিবস বৃহস্পতিবারের ‍তুলনায় প্রায় চারশ কোটি টাকা বেড়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর সংশোধন শুরুর পর থেকে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে আজই।

তলানিতে থাকা ব্যাংক খাত আরও দর হারিয়েছে, বিমা খাতের পতন ছিল আরও বেশি। জ্বালানি এবং খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতেও গেছে বাজে দিন। প্রকৌশল খাতেও ভালো গেছে এমন নয়।

অন্যদিকে ওষুধ ও রসায়ন, বস্ত্র এবং ব্যাংক বহির্ভুত আর্থিক খাতে দেখা গেছে মিশ্র প্রবণতা। আর সবচেয়ে ভালো দিন গেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে।

সব মিলিয়ে ১১৩টি কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২৩০টির দর। আর দাম ধরে রাখতে পেরেছে ৩৩টি।

আরও আসছে…

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে পশ্চিমাদের সহানুভূতি চায় সরকার: ফখরুল

রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে পশ্চিমাদের সহানুভূতি চায় সরকার: ফখরুল

২০১৭ সালে মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আসে লাখ লাখ রোহিঙ্গা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকারপ্রধান সফল হননি অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘এমনকি রোহিঙ্গাদের যে সমস্যা, সে সমস্যারও কোনো সমাধান তিনি নিয়ে আসতে পারেননি। আমরা যেটা মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় যে প্রবলেম দাঁড়িয়েছে, রোহিঙ্গা ইস্যুকে নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বলুন বা সরকার বলুন, তারা কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেনি।’

রোহিঙ্গা সংকটকে জিইয়ে রেখে সরকার পশ্চিমা বিশ্বের সহানুভূতি আদায় করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে রোববার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নবগঠিত আংশিক কমিটির নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকারপ্রধান সফল হননি অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘এমনকি রোহিঙ্গাদের যে সমস্যা, সে সমস্যারও কোনো সমাধান তিনি নিয়ে আসতে পারেননি। আমরা যেটা মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় যে প্রবলেম দাঁড়িয়েছে, রোহিঙ্গা ইস্যুকে নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বলুন বা সরকার বলুন, তারা কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেনি।

‘এটা জিইয়ে রেখে পশ্চিমাদের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। যারা স্টেকহোল্ডার আছেন, যেমন: স্পেন, ভারত, তাদের কাছে এখন পর্যন্ত যেতে পারেনি। এই সমস্যা সমাধানের কোনো পথ তারা বের করতে পারেনি।’

২০১৭ সালে মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর চৌকিতে বিদ্রোহীদের হামলার পর রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ব্যাপক নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়। মিয়ানমার সেনা ও দোসরদের এ নির্যাতন থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আসে সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। তাদের এ আগমনে রোহিঙ্গা সংকট নতুন মাত্রা পায়।

জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রীর অর্জন নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে ফখরুল আরও বলেন, ‘অর্জন তার একটাই; আরও বেশি মিথ্যাচার কীভাবে করা যায়। আপনারা লক্ষ করবেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। দেশে মানুষের অধিকারগুলো হরণ করা হয়েছে। দেশে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে জড়িত সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।

‘প্রধানমন্ত্রী কীভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন জাতিসংঘে দেয়া তার গোটা বক্তব্যের কোথাও তিনি তা উল্লেখ করেন নাই।’

রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে পশ্চিমাদের সহানুভূতি চায় সরকার: ফখরুল
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে দলের নেতাদের সঙ্গে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মিথ্যাচার করেছেন। তার বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় যেসব লেখালেখি হয়েছে তা খণ্ডানোর জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে তিনি অনেকগুলো নেতিবাচক কথা বলেছেন। আমরা তার এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

‘পাশাপাশি আমরা আশা করি দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তারা পদত্যাগ করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনি সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন, যাতে সত্যিকার অর্থে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হতে পারে।’

বক্তব্য দেয়ার সময় ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুলসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন

প্রতি উপজেলায় ফায়ার স্টেশনের কাজ শেষ পর্যায়ে

প্রতি উপজেলায় ফায়ার স্টেশনের কাজ শেষ পর্যায়ে

ফায়ার সার্ভিস ট্রেনিং কমপ্লেক্সে ৪১তম ব্যাচের অফিসার্স ফাউন্ডেশন কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ। ছবি: নিউজবাংলা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন স্থাপনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমাদের ক্ষমতা গ্রহণের আগে দেশে ফায়ার স্টেশন ছিল মাত্র ২০৪টি। এখন সারা দেশে চালু ফায়ার স্টেশন ৪৫৬টি। চলমান প্রকল্পগুলো শেষ হলে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা হবে ৫৬৫টি এবং জনবলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১৬ হাজার।’

দেশে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বলেছেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

রাজধানীর মিরপুর ফায়ার সার্ভিস ট্রেনিং কমপ্লেক্সে ৪১তম ব্যাচের অফিসার্স ফাউন্ডেশন কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন স্থাপনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমাদের ক্ষমতা গ্রহণের আগে দেশে ফায়ার স্টেশন ছিল মাত্র ২০৪টি। এখন সারা দেশে চালু ফায়ার স্টেশন ৪৫৬টি। চলমান প্রকল্পগুলো শেষ হলে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা হবে ৫৬৫টি এবং জনবলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১৬ হাজার।

‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী এই জনবলকে ২৫ হাজারে উন্নীত করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এখন আর আগের দমকল বাহিনী নয়। আমরা ফায়ার সার্ভিসকে সকল দিক থেকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। প্রতিষ্ঠানটি এখন বহুমাতৃক সেবাকাজে নিয়োজিত।’

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরকে ঢেলে সাজানোর জন্য নানা কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, ‘সারা বিশ্বে প্রতিনিয়ত দুর্যোগ-দুর্ঘটনার চিত্র পরিবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। দুর্ঘটনাগুলো আমাদের সামনে নতুন নতুন চরিত্রে আবির্ভূত হচ্ছে; আবার নতুন নতুন দুর্ঘটনাও যোগ হচ্ছে আমাদের জীবনে। প্রকৃতিগতভাবে দুর্যোগপ্রবণ এই দেশে আপনাদের সবসময় দুর্যোগ প্রশমনের জন্য যেমন কাজ করতে হবে; তেমনি উদ্ভাবনী বিবেচনা শক্তি দিয়ে সংঘটিত দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতিও সীমিত রাখতে হবে।

‘আমি আশা করব, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রশিক্ষনলব্ধ জ্ঞানকে ধরে রাখবেন এবং নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে তা আরও শাণিত করবেন। আরেকটি বিষয় সব সময় মনে রাখতে হবে, এটি একটি ইউনিফর্মধারী সুশৃঙ্খল বিভাগ। প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনাদেরকে শৃঙ্খলার মান বজায় রাখতে হবে।’

সবসময় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ-নির্দেশ মেনে চলতে হবে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘আমি আশা করি, আগামী দিনে আপনারাই হবেন ফায়ার সার্ভিসের মূল চালিকা শক্তি। সুন্দর মন-মানসিকতা এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণ দিয়ে এই বিভাগের সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে আপনারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন বলে আমি আশা করছি।’

ফায়ার অ্যাকাডেমি নির্মাণের জন্য মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ১০০ একর জায়গা নেয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এই বাহিনীর সদস্যদের সুযোগ-সুবিধাও অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঝুঁকিভাতা প্রদান, পূর্ণাঙ্গ রেশন ইউনিট চালু, ৩ রঙের মর্যাদাপূর্ণ কমব্যাট পোশাক প্রবর্তন, রাষ্ট্রীয় পদক সংখ্যা ও সম্মানি বৃদ্ধি এবং ফায়ারফাইটার ও অফিসারসহ পাঁচটি পদের বেতন গ্রেড বৃদ্ধি করা হয়েছে। কাজের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার মাধ্যমে এই বাহিনীকে বিশ্বমানের একটি সেবা বাহিনীতে পরিণত করা হবে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, বিসিএস নন-ক্যাডারের সুপারিশ অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের যোগ দেয়া স্টেশন অফিসারসহ মোট ৪৪ জন অফিসারের প্রশিক্ষণ সমাপ্তি শেষে তাদের পদায়নের আগে এই সমাপনী কুচকাওয়াজ হয়।

দীর্ঘ ১১ মাসের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সকল দুর্যোগে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ৪৪ জন অফিসারের মধ্য থেকে শারীরিক যোগ্যতা, বুদ্ধিমত্তা, শিষ্টাচার, শৃঙ্খলা, আচার-ব্যবহার, লিখিত পরীক্ষা, ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর দক্ষতার ভিত্তিতে তিনজনকে চৌকস নির্বাচিত করা হয়। চৌকস অফিসারদের পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন।

অনুষ্ঠানে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন অধিদপ্তরের উপ সহকারী পরিচলক মো. আনোয়ারুল হক। প্যারেড অ্যাডজুটেন্ট ছিলেন ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. নাজিম উদ্দিন সরকার।

এসময় পতাকাবাহী দলের নেতৃত্ব দেন জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর মো. শামীম আহম্মেদ, প্রথম কনটিনজেন্টের নেতৃত্ব দেন প্যারেড অ্যাডজুটেন্ট এবং দ্বিতীয় কনটিনজেন্টটির নেতৃত্ব দেন স্টেশন অফিসার মো. জিল্লুর রহমান।

আরও পড়ুন:
হোটেল বন্ধে খাবার অনিশ্চিয়তায় রোগীর স্বজনরা
করোনা ঠেকাতে ফেরিতে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা  
শাটডাউন: জরিমানা ২০ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৬২১
কেউ খোঁজ রাখেনি তাদের
পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান চালাবে র‌্যাব

শেয়ার করুন