শাটডাউনে লুকোচুরির কাঁচাবাজার

শাটডাউনে লুকোচুরির কাঁচাবাজার

রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

কাঁচাবাজার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার কথা বলা হলেও রাজধানীর অনেক বাজারেই সন্ধ্যার পরও বেচাকেনা চলেছে। মুদি দোকানগুলোর কোনো কোনোটা শাটার অর্ধেক নামিয়ে রেখেছে।   

মেরুল বাড্ডার কাঁচাবাজার। সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা। প্রধান সড়ক থেকে এক যুবক দৌড়ে এসে চিৎকার করে জানাল ‘রাস্তার ওপারে গাড়ি থামতাছে। সবাই সাবধান!’

এক দোকানি কী গাড়ি, জিজ্ঞেস করতেই যুবক বলল, ‘আর্মির গাড়ি। সাবধান থাকেন’ বলেই আবারও দৌড়ে রাস্তায় চলে যায় যুবক।

নাম প্রকাশ না করা দোকানি বলেন, ‘পুলিশ হইলে সামলানো যায়, কিন্তু আর্মি হইলে খবর আছে। তাই ও রাস্তায় দাঁড়ায় আছে, কিছু হইলে আমগো খবর দেয়।’

একটু পরে আগের যুবক আবার এসে বলে, ‘আর্মির গাড়ি চইলা গেছে, একটু স্লো হইছিল, কিন্তু থামে নাই।’

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ, যা পরিচিতি পেয়েছে ‘শাটডাউন’ নামে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হবে না। যন্ত্রচালিত কোনো যানবাহন চলবে না, চলতে পারবে না প্রাইভেট কার। তবে রিকশা চালু থাকবে। দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে খোলা থাকবে কাঁচাবাজার।

সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ঢাকায় যেসব কাঁচাবাজার আছে, সেগুলোকে রাস্তার পাশে নিয়ে আসা হবে; যাতে মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করতে পারেন। তবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাজার খোলা রাখা যাবে।

কড়া বিধিনিষেধের প্রথম দিন রাজধানীর অনেক বাজারেই এসব নির্দেশনা উপেক্ষিত হতে দেখা গেছে। এমনকি বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যার পরও খোলা ছিল কাঁচাবাজার।

সন্ধ্যার আগে মেরুল বাড্ডা এলাকার কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় সব দোকানই খোলা। মুরগির দোকান, সবজির দোকান, এমনকি মুদি দোকানও খোলা ছিল সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এখনো দোকান খোলা কেন এমন জিজ্ঞাসায় মুরগি বিক্রেতা আনোয়ার কোনো উত্তর দেননি। তবে ক্রেতা আশরাফ জানান, ‘জরুরি প্রয়োজনে মুরগি কিনতে হয়েছে। ভাইকে অনুরোধ করে খোলা রেখেছি।’

বাজারে চারটি মুরগির দোকানের সবই তখন খোলা ছিল।

মুদি দোকানগুলো কোনোটা দুই শাটার খোলা, কোনোটা এক শাটার খোলা, আবার কোনোটা এক শাটার বন্ধ রেখে অন্যটির অর্ধেক নামিয়ে রাখা।

জানতে চাইলে মুদি দোকানি নাসির উদ্দিন জানান, ‘লকডাউনের কারণে বেচাকেনা কম, বিকেলের পর কিছু কাস্টমার আসায় বন্ধ করতে দেরি হচ্ছে। তবে এক শাটার বন্ধ রাখছি, এখনই দোকান বন্ধ করে দেব।’

নাম বলতে অনিচ্ছুক অপর মুদি দোকানি বলেন, ‘বিকেলের পর লকডাউনের কড়াকড়ি কমে। আমি দোকান না খুললে অন্যরা খুলবে। তাই এখনও খোলা রাখছি। তবে পুলিশ বা কেউ আসলেই যেন খোলা না দেখে তাই শাটার কিছুটা নামায় রাখছি।’

এক সবজিবিক্রেতা বলেন, ‘সবজির দোকান খোলা আর বন্ধ কী? দোকানে না থাকলে বন্ধ, থাকলে খোলা।’

একই অবস্থা মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট জামে মসজিদের সামনের মাঠের অস্থায়ী বাজারে। সন্ধ্যা পৌনে ৭টাতেও বেচাকেনা চলে সেখানে। সবজিবিক্রেতা হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে দিনে বেচাকেনা কম ছিল। মাল রয়ে গেছে, তাই একটু দেরি হইছে। তবে এখনই বন্ধ করছি। দারোয়ান কয়েকবার বলে গেছে।’

মধ্য বাড্ডা বাজারেও সন্ধ্যার পর বেচাকেনা চলতে দেখা গেছে। সড়ক থেকে গলিতে প্রবেশ করলেই দেখা গেছে সবজি ও ফলের দোকানসহ প্রায় সব দোকান খোলা। তবে বাজারের ভেতরের দোকান খোলা ছিল কম।

সবজিবিক্রেতার কাছে কয়েকটি সবজির দাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনটা নিবেন নেন, দামাদামি কইরেন না। ঝামেলার মধ্যে আছি। দেখেন না দোকানের সামনে দাঁড়ায়া আছি। পুলিশ আইলে দৌড় দিতে হয়।’

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে জব্দ মাইক্রোবাস।

এসআই আল ইমরান বলেন, ‘মাইক্রোবাস চালক সাইকেল আরোহী মনির হোসেনকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে লোকজনের অনুরোধে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে আসেন তিনি। সেখানে চিকিৎসক মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন। এই সুযোগে সটকে পড়েন চালক।’

হাতিরঝিল এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয় মনির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে। তার সঙ্গে আসা তিশান নামে এক ব্যক্তি জানান, লেকের মাই টিভি ভবন এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে ছিলেন মনির।

পরে জানা যায়, যে মাইক্রোবাসে করে মনিরকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল তারই ধাক্কায় আহত হয়েছিলেন তিনি।

ততক্ষণে মাইক্রোবাসটি অ্যাম্বুলেন্স পার্কি লটে ফেলে সটকে পড়েছেন মনিরকে হাসপাতালে আনা চালক ও অন্যরা।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পৌনে ২টার দিকে হাসপাতালে আনা হয় তাকে। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মনিরকে হাসপাতালে নিয়ে আসাদের একজন পথচারী তিশান বলেন, ‘আমরা দুপুরে বাসায় যাচ্ছিলাম। পরে দেখি রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় লোকটা পড়ে আছে। তখন আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তার (মনির) কাছে দুটি মোবাইল ও একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। সেখানে লেখা, তার বাড়ী চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার লকমোতা গ্রামে। পিতার নাম হাজিল উদ্দিন। নিহতের মোবাইল থেকে তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। তার ফুফাতো বোনের জামাই রিপন পাটোয়ারী দুঃসংবাদ পেয়ে ঢামেকে এসে বোনজামাইয়ের লাশ শনাক্ত করেন।

‘তিনি জানিয়েছেন,নিহত ব্যক্তি গাড়ির চালক ছিলেন।’

তবে তিশানের এই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মনিরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মাইক্রোবাসটির চালক পালিয়ে যাওয়ার পর।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢামেক থেকে মাইক্রোবাসটি জব্দ করেন হাতিরঝিল থানার পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) আল ইমরান।

তিনি বলেন, ‘মাইক্রোবাস চালক সাইকেল আরোহী মনির হোসেনকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে লোকজনের অনুরোধে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে আসেন তিনি। সেখানে চিকিৎসক মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন। এই সুযোগে সটকে পড়েন চালক।’

এসআই আল ইমরান বলেন, ‘এ বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন

রাজারবাগ পিরের সম্পদ তদন্তের আদেশ স্থগিত করেনি চেম্বার

রাজারবাগ পিরের সম্পদ তদন্তের আদেশ স্থগিত করেনি চেম্বার

পিরের মুরিদদের কোনো জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটি তদন্ত করতে বলা হয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে। পাশাপাশি রিটকারীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো হয়রানিমূলক কি না, সেটিও তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রাজারবাগ দরবার শরিফের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দেয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেনি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের চেম্বার আদালত এ বিষয়ে নো অর্ডার দেয়। ফলে এ-সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকল বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

রোববার রাজারবাগ দরবারের পিরের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দেয় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

একই সঙ্গে পিরের মুরিদদের কোনো জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটি তদন্ত করতে বলা হয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে। পাশাপাশি রিটকারীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো হয়রানিমূলক কি না, সেটিও তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এসব তদন্তের প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আবেদন করেন পির।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম কে রহমান। অপর দিকে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির।

গায়েবি মামলা দিয়ে অযথা মানুষকে হয়রানির অভিযোগে রাজারবাগ দরবার শরিফের পির দিল্লুর রহমান ও তার মুরিদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা চেয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন আট ভুক্তভোগী।

এর আগে অন্যের জায়গা-জমি দখলের জন্য রাজারবাগ দরবার শরিফের পিরের কাণ্ড নিয়ে বিস্ময় জানিয়েছিল হাইকোর্ট।

মুরিদদের দিয়ে নিরীহ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪৯টি মামলা দেয়ার ঘটনায় সিআইডির তদন্ত রিপোর্ট দেখে আদালত এ বিস্ময় জানায়।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন

৩ ফার্মেসিকে জরিমানা ৪ লাখ

৩ ফার্মেসিকে জরিমানা ৪ লাখ

গুলশানে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন ফার্মেসিকে অর্থদণ্ড দেয়। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব-৪-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, ফার্মেসিগুলো অনুমোদনহীন ও আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করছিল। সে জন্য ফার্মেসিগুলোর ম্যানেজারদের অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

অনুমোদনহীন ও আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ রাখায় রাজধানীর গুলশানের তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গুলশান-২ এলাকায় বৃহস্পতিবার র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালায়।

র‍্যাব-৪-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, ফার্মেসিগুলো অনুমোদনহীন ও আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করছিল। সে জন্য ফার্মেসিগুলোর ম্যানেজারদের অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

অভিযানের সময় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলা অভিযানে জান্নাত ফার্মার ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন রিজবুকে ২ লাখ, ইউনাইটেড ফার্মা ব্রাঞ্চ-১-এর ম্যানেজার শাহাদাত আলমকে দেড় লাখ ও ইউনাইটেড ফার্মা ব্রাঞ্চ-২-এর ম্যানেজার আব্দুল হামিদকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিন ফার্মেসি থেকে জব্দ করা ওষুধ ধ্বংস করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন

তিন বিভাগের ৮৬ নেতাকে নিয়ে বৈঠকে বিএনপি

তিন বিভাগের ৮৬ নেতাকে নিয়ে বৈঠকে বিএনপি

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ধাপে ধাপে চলছে বৈঠক।

ধারাবাহিক মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার থেকে বিভিন্ন বিভাগের নেতাদের সঙ্গে ভাগে ভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী বিভাগের নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেছে বিএনপির হাইকমান্ড।

বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়েছে বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন নসু, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, চেয়ারপারসনের একান্ত সহকারী এবিএম আব্দুস সাত্তার, নির্বাহী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম মোল্লা, নাজিম উদ্দীন আলম, হাফিজ ইব্রাহিম, আবুল হোসেন, মেসবাহউদ্দিন ফরহাদ, আব্দুস সোবহান, গাজী নুরুজ্জামান বাবুল, আলমগীর হোসেন, হাসন মামুন, রফিক ইসলাম মাহতাব, হায়দার আলী লেলিন, দুলাল হোসেন, গোলাম নবী আলমগীর, নাসের রহমতুল্লাহ, এলিজা জামান, কামরুল ইসলাম সজল, ডাক্তার শহীদ হাসান, আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া, মাসুদ অরুণ, শহিদুল ইসলাম, রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, শহীদুজ্জামান বল্টু, আব্দুল ওয়াহাব, শাহানা রহমান রানী, টিএস আইয়ুব, আবুল হোসেন আজাদ, মতিউর রহমান ফরাজি, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, শেখ মজিবুর রহমান, অহিদুজ্জামান দীপু, সাহাবুজ্জামান মোর্তজা, শফিকুল আলম, মনা, মনিরুজ্জামান মনি, কাজী আলাউদ্দিন, ডাক্তার শহীদুল আলম, মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, খান রবিউল ইসলাম রবি, সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাবরা নাজমুল মুন্নী, ফরিদা ইয়াসমিন, রাগিব রউফ চৌধুরী, আবু সাঈদ, আয়েশা সিদ্দিকা মনি, নার্গিস ইসলাম, এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, ইফতেখার আলী, হাফিজুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, মাহবুবুর রহমান হারিছ, লাভলী রহমান, আলী আজগর হেনা, শামসুল আলম প্রামাণিক, এ কে এম মতিউর রহমান মন্টু, এম আকবর আলী, এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, সিরাজুল ইসলাম সরদার, আব্দুল মতিন, আবু বকর সিদ্দিক, জয়নাল আবেদীন চান, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, সীনকী ইমাম খান, জহুরুল ইসলাম বাবু এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, সাইদুর রহমান বাচ্চু, ফয়সাল আলীম, রমেশ দত্ত, দেবাশীষ মধু রায়, আনোয়ার হোসেন বু্লু, রোমানা মাহমুদ, শামসুল হকসহ মোট ৮৬ সদস্য উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন

মুগদায় জব্দ ৪০ হাজার ইয়াবা

মুগদায় জব্দ ৪০ হাজার ইয়াবা

বৃহস্পতিবার মুগদা থেকে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ পরিদর্শক আশীষ কুমার দেব বলেন, ‘কিছু মাদক ব্যবসায়ী উত্তর মাণ্ডা এলাকায় ইয়াবা কেনাবেচা করছে এমন খবর পায় পুলিশ। এ তথ্যের ভিত্তিতে থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কামাল, রহিমা ও রাজিবকে আটক করা হয়।’

রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে মুগদা উত্তর মাণ্ডা এলাকা থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন মো. কামাল, মোছা. রহিমা কামাল ও মো. রাজিব।

মুগদা থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আশীষ কুমার দেব বলেন, ‘কিছু মাদক ব্যবসায়ী উত্তর মাণ্ডা এলাকায় ইয়াবা কেনাবেচা করছে এমন খবর পায় পুলিশ। এ তথ্যের ভিত্তিতে থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কামাল, রহিমা ও রাজিবকে আটক করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘এসময় তাদের কাছ থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারসহ মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।’

মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আ. আহাদ বলেন, ‘এ বিষয়ে মুগদা থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন

এক বছরের জামিন পেলেন মডেল মৌ

এক বছরের জামিন পেলেন মডেল মৌ

পুলিশ হেফাজতে মডেল মৌ। ফাইল ছবি

গত ১ আগস্ট রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার মামলায় বিপুল পরিমাণ মদ, ইয়াবা, সিসাসহ মডেল মৌকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মাদক মামলায় মডেল মরিয়ম আক্তার মৌকে এক বছরের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারক মোস্তফা জামান ইসলাম ও কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার তাকে জামিন দেন।

জামিনের বিষয়টি বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘একটি মামলায় মডেল মৌকে এক বছরের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত।’

জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ন।

গত ১ আগস্ট রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার মামলায় বিপুল পরিমাণ মদ, ইয়াবা, সিসাসহ মডেল মৌকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় গত ১৩ আগস্ট মৌকে তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করা হলে বুধবার তার জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন

বাড়ির ফলস সিলিংয়ে ২ কেজি আইস

বাড়ির ফলস সিলিংয়ে ২ কেজি আইস

টেকনাফ উপজেলার মিঠাপানিছড়ার একটি বাড়ি থেকে জব্দ ২ কেজি আইস। ছবি: বিজিবি

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়িতে আইস লুকানো আছে বলে জানতে পারে বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন। টেকনাফ উপজেলার মিঠাপানিছড়া গ্রামের একটি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তা ফলস সিলিংয়ের ওপর পাওয়া যায়।

টেকনাফ উপজেলার মিঠাপানিছড়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ওই বাড়ির ফলস সিলিংয়ে এই মাদক লুকানো ছিল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান এ তথ্য জানান। বিজিবির দাবি, তাদের হাতে ধরা পড়া এখন পর্যন্ত এটাই আইসের সবচেয়ে বড় চালান।

ফয়সল হাসান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়িতে আইস লুকানো আছে বলে জানতে পারে বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন। টেকনাফ উপজেলার মিঠাপানিছড়া গ্রামের একটি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

অভিযানের সময় সন্দেহভাজন একজন বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরবর্তী সময়ে বিজিবি টহল দল কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে চারদিক থেকে ঘেরাও করে মুজিব নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করে।

তার দেয়া তথ্যে ওই বাড়ির ফলস সিলিংয়ের ওপরে অভিনব পদ্ধতিতে লুকানো অবস্থায় ২ কেজি আইস উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

‘সবচেয়ে বড় চালান’ জব্দ করেছে মাদক অধিদপ্তর

রাজধানীতে ৫৬০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ বা আইস উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। দাবি করা হচ্ছে, এ পর্যন্ত ঢাকায় তাদের হাতে উদ্ধার হওয়া এটি আইসের সবচেয়ে বড় চালান।

আইসের পাশাপাশি ইয়াবাও উদ্ধার হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (উত্তর) সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান।

তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বলা হয়েছে, এই মাদকের রুট এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রেস কনফারেন্সে জানানো হবে।

ক্রিস্টাল মেথ বা আইস খুবই ভয়াবহ প্রকৃতির মাদক। এটি মানবদেহে অনেক বেশি পরিমাণ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। সাম্প্রতিক দেশে এই মাদকের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের প্রথম দিনেই আয়হীন
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ হবে মসজিদে
ক্যামেরায় শাটডাউনের প্রথম দিন
‘লকডাউন মানে হইলো প্যাট ডাউন’
হার্ডড্রাইভ কিনতে বের হয়ে গুনলেন জরিমানা

শেয়ার করুন