× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

রাজধানী
লকডাউনে যেভাবে অফিসে এলেন মাশুক হোসেন
google_news print-icon

লকডাউনে যেভাবে অফিসে এলেন মাশুক হোসেন

লকডাউনে-যেভাবে-অফিসে-এলেন-মাশুক-হোসেন
‘অফিস বন্ধ না করেই বাস বন্ধ করে দিলে যে অবস্থা হয় তাই দেখেছি। অনেক মানুষ তাদের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। এদের মধ্যে অধিকাংশই আমার মতো অফিসগামী। আর আমার মনে হয়, অনেকই জানত, ৩১ তারিখের পরে শাটডাউন আসছে। তাই অনেকেই আমার মতো ভোগান্তিতে পরেছে।’

মাশুক হোসেন। থাকেন রাজধানীর জিগাতলায়। একটি বেসরকারি কোম্পানির সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। অফিস গুলশান-বাডা লিংকরোডে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সীমিত লকডাউন বলে যে বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে, তাতে অফিসগামীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে বলেছে সরকার। কিন্তু মাশুকের অফিস তা করেনি।

৭ থেকে ৮ কিলোমিটার দূরত্ব পারি দিয়ে কীভাবে তিনি অফিসে এলেন, সেই গল্প বলেছেন নিউজবাংলাকে।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী চলেনি বাস, অটোরিকশা। চলেছে কেবল রিকশা আর প্রাইভেট কার।

মাশুক বললেন, ‘আজকের দিনটা খুবই ভয়াবহ ছিল। আমি আসলে আশাই করিনি যে বের হয়ে এই দৃশ্যটা আমি দেখব। বের হয়েই দেখলাম কোনো বাস নেই। যে যার মতো করে রিকশায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে রিকশাওয়ালারাও ভাড়া বেশি চাচ্ছেন।’

লকডাউনে যেভাবে অফিসে এলেন মাশুক হোসেন
লকডাউনে রাস্তায় রিকশার আধিক্য থাকলেও ভাড়া ছিল অনেক বেশি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

জিগাতলা থেকে এক রিকশায় অফিসে আসতে পারেননি তিনি। বলেন, ‘বাসা থেকে বের হয়েই দেখি রিকশা পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক কষ্টে একটা রিকশা পেলাম যা ৩০ টাকার জায়গায় ৪০ টাকা নিয়েছে সিটি কলেজ যেতে।

‘সিটি কলেজ পর্যন্ত আসার পর আমি বাসের জন্য অপেক্ষা করলাম। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর যখন কোনোভাবেই বাস পেলাম না তখন আমি একটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ-পাঠাওয়ে কল করলাম। কিন্তু ভাড়া ডবল। আমি সাধারণত অফিস পর্যন্ত আসি ১৫০ টাকা। কিন্তু আজকে আমার কাছে ৩০০ টাকা ভাড়া চেয়েছে।

‘আমার পক্ষে ৩০০ টাকা দিয়ে অফিসে আসা সাধ্যের বাইরে। তো এর পর আমার একটু খারাপ লাগতে শুরু করল যে অফিসে কীভাবে যাব। কিন্তু আজকে অফিসে একটা মিটিং ছিল, যেভাবেই হোক মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতেই হবে।’

পরে অনেকক্ষণ চেষ্টা করার পর সিটি কলেজ থেকে ৭০ টাকা ভাড়ায় একটি রিকশা ঠিক করে আসেন বসুন্ধরা সিটির সামনে পর্যন্ত। কিন্তু রিকশা কারওয়ান বাজার পার হতে দেয়নি পুলিশ।

এর পর হেঁটে সেখান থেকে আসেন এসে অপ্রত্যাশিতভাবে পেয়ে যান ওয়াটারবাস।

বলেন, ‘ভাগ্য ভালোই বলতে পারেন যে, বোট চলাচল করছিল। আমি বোটে করে গুদারাঘাট পর্যন্ত আসি। এর পর সেখান থেকে হেঁটে অফিসে আসি।’

সব মিলিয়ে তার খরচ হয় ১৪০ টাকা। অন্যদিন লাগে ৮০ টাকা।

লকডাউনে যেভাবে অফিসে এলেন মাশুক হোসেন
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

মাশুক তার এই ভোগান্তির জন্য দায়ী করেছেন সরকারের অপরিকল্পিত নির্দেশনাকে। বলেন, ‘অফিস বন্ধ না করেই বাস বন্ধ করে দিলে যে অবস্থা হয় তাই দেখেছি। অনেক মানুষ তাদের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। এদের মধ্যে অধিকাংশই আমার মতো অফিসগামী। আর আমার মনে হয়, অনেকই জানত, ৩১ তারিখের পরে শাটডাউন আসছে। তাই অনেকেই আমার মতো ভোগান্তিতে পরেছে।’

সরকার করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে সোমবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধে যাওয়ার কথা বলেছিল, যা এবার পরিচিতি পায় শাটডাউন হিসেবে। এবার সরকার সেনাবাহিনীও নামাচ্ছে, যার কারণে কড়াকড়ি বেশি হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

তবে শনিবার জানানো হয়, কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হবে ১ জুলাই থেকে। আর সোমবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সীমিত পরিসরে লকডাউন থাকবে।

মাশুক বলেন, ‘অনেককে রিকশা ভাড়া বেশি হওয়ায় হেঁটেই অফিসমুখী হতে দেখেছি। তবে আমার মতো অনেকের উদ্দেশ্যই ছিল যেভাবেই হোক অফিসে যেতে হবে। আমার দেখা সবাই ওইভাবেই চেষ্টা করেছে।’

তিনি বলেন, ‘অফিস বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ২/৩ ঘণ্টা আগেই বাসা থেকে বের হতে হবে। যাদের অফিস দূরে হেঁটে কিংবা রিকশায় আসতে হবে। আর অবশ্যই বেশি টাকা ভাড়া দিয়ে আসতে হবে। এর বাইরে তো কোনো পথ আমি দেখতে পাচ্ছি না।’

মাশুকের সঙ্গে কথা হচ্ছিল সন্ধ্যায়। তখন তিনি বাসায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দেখা হয় মধ্য লিংক রোডেই।

বলেন, ‘এখন আমি কীভাবে বাসায় যাব সেটাই বুঝতে পারছি না। তবে যেভাবে আসছি সেভাবেই যাওয়ার চেষ্টা করব।’

আরও পড়ুন:
লকডাউন নিয়ে সরকারের মধ্যে অস্থিরতা: ইনু
চট্টগ্রামে রিকশা এখন সোনার হরিণ
গরিবের জন্য ২৩ কোটি টাকা
লকডাউন শাটডাউন নয়, এবার স্ট্রিক্ট ভিউ
শাটডাউনের ঘোষণায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চাপ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজধানী
Storm and rain forecast at 60 kmph in 11 regions

১১ অঞ্চলে ৬০ কি.মি. বেগে ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস

১১ অঞ্চলে ৬০ কি.মি. বেগে ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস
আবহাওয়া অফিস জানায়, বুধবার রাত ১টার মধ্যে ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এই পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, বুধবার রাত ১টার মধ্যে ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর (পুনঃ) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে সব বিভাগে
তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে দেশজুড়ে
দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা
জলাবদ্ধতা: যানজট নিয়ে বার্তা ডিএমপির
টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় রাজধানীতে ভোগান্তি

মন্তব্য

রাজধানী
Govt committed to bring those involved in violence to justice Minister of State for Information

সহিংসতায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সহিংসতায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: সংগৃহীত
মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে প্রত্যেকটি ঘটনায় কারা জড়িত ছিল সেটি বের করে আনবে। সরকার সহিংসতার অপরাধে জড়িত প্রত্যেককে শাস্তির আওতায় আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

কোটা আন্দোলনকে ঘিরে যারা সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জড়িত ছিল তাদের প্রত্যেককে শাস্তির আওতায় আনতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। সূত্র: বাসস

বুধবার রাজধানীর রামপুরায় রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্র ও সদর দপ্তর ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় দুর্বৃত্তদের সাম্প্রতিক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়-ক্ষতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তন্ময় দাস ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে প্রত্যেকটি ঘটনায় কারা জড়িত ছিল সেটি বের করে আনবে। সরকার সহিংসতার অপরাধে জড়িত প্রত্যেককে শাস্তির আওতায় আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহু সরকারি স্থাপনায় দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে। ছাত্রদের আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে এসব হামলা চালিয়েছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির কাজ শুরু হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।

তিনি বলেন, বিটিভির অভ্যন্তর পরিদর্শন করে মনে হয়েছে এটি একটি যুদ্ধ ক্ষেত্র। সহিংসতার সময় বিটিভির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভয়ার্ত কন্ঠে ফোন করে তাদের জীবন রক্ষার জন্য অধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছেন। তাদের জীবন ভয়ানক ঝুঁকির মধ্যে ছিলো।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আক্রমণের ধরণ দেখেছেন। তারা ভবনে প্রবেশ করে অগ্নিসংযোগ করেছে। আমরা পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি, কিন্তু তাদের গুলি করার নির্দেশনা ছিলনা। কারণ সরকার অধিক সংঘর্ষ, হতাহত ও প্রাণহাণি হোক সেটা চায়নি। এমনকি আমাদের সহকর্মীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও অমরা চরম ধৈর্য দেখিয়েছি।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকটি হতাহত ও প্রাণহাণির ঘটনা দূর্ভাগ্যজনক ও অপ্রত্যাশিত। এর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে যাচ্ছিলাম। আমরা বারবার বলেছি রাজপথে ছাত্রদের যে দাবি, একই কারণে সরকার আদালতে লড়াই করছে। আমরা ছাত্রদের ধৈর্য ধরতে বলেছিলাম এবং একটি ভালো ফলাফল আশা করছিলাম এবং তাদের আশাহত না হতে বলেছিলাম। চূড়ান্তভাবে সর্বোাচ্চ আদালতের রায়ে সেটিই আপনারা দেখেছেন।

প্রতিমন্ত্রী এর আগে বাংলাদেশ টেলিভিশনে সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।

আরও পড়ুন:
জনদুর্ভোগ তৈরি থেকে বিরত থাকুন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
এমওইউ’র সবটা না পড়েই বিএনপি অপপ্রচার করছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে আওয়ামী লীগে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান আরাফাতের
টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সরকারের অঙ্গীকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
গণমাধ্যমকে দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে দাঁড়াতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

রাজধানী
Diplomats are stunned by the devastation Foreign Minister

ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
ড. হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে আমাদের মিশনের সামনে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেটি আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একইভাবে আমাদের বিভিন্ন মিশনের সামনে যে বিক্ষোভ হয়েছে, সেখানে বিএনপি-জামায়াত চক্র পাকিস্তান কমিউনিটির সহায়তা নিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।’

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, “তারা এ ধরনের তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা জানাতে ‘শেইম’, ‘শেইম’ উচ্চারণ করে বলেছেন- এটি তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।”

বুধবার বিকেলে বিদেশি মিশনপ্রধান ও কূটনীতিকদের নিয়ে সম্প্রতি দুষ্কৃতকারীদের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডবলীলায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া রাজধানীর চারটি স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একথা জানান। সূত্র: ইউএনবি

ড. হাছান বলেন, ‘আজকে আমরা ডিপ্লোম্যাটিক মিশনগুলোর বাংলাদেশে কর্মরত কূটনীতিকদের ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান- সেতু ভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশন ও বিটিভি ভবনের মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা ছিল তাদের আরও কয়েক জায়গায় নিয়ে যাওয়া, বিশেষ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ডেটা সেন্টার। কিন্তু রাস্তায় প্রচুর যানজট ও বৃষ্টির কারণে অনেক বেশি সময় লেগেছে। তবে তারা মিরপুরের মেট্রোরেলের ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছেন। সেখানে কীভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনকি ফুটওভার ব্রিজও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতু ভবনে যেভাবে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, সেখানে ১২ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়েছে; সাততলা পর্যন্ত তারা উঠে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিটিভি হচ্ছে টেলিভিশনের আঁতুর ঘর। আজকে যারা টেলিভিশন চ্যানেলগুলো চালান, তাদের অনেকের হাতেখড়ি হয়েছে বিটিভিতে। এই অঞ্চলের এবং বাংলা ভাষার প্রথম টিভি চ্যানেল বিটিভি। ১৯৬৪ সালে এটি স্থাপিত হয়। ভারতে তখনও টেলিভিশন চ্যানেল হয়নি। সেখানে যেভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ, সারি সারি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে!’

তিনি বলেন, ‘মেট্রোরেলের পাশের গাড়িগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো রাষ্ট্রের ওপর হামলা। এগুলো জনগণের সম্পত্তি। তাদের হামলা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তাণ্ডবকেও হার মানিয়েছে।

‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কিন্তু আমাদের টেলিভিশন চ্যানেল জ্বালিয়ে দেয়নি, কিন্তু এরা জ্বালিয়ে দিয়েছে। হানাদার বাহিনী যেভাবে মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়েছে, এরাও একই কায়দায় মানুষের সম্পত্তি, রাষ্ট্রের সম্পত্তি পুড়িয়েছে।’

ড. হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে আমাদের মিশনের সামনে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। সেখানে পাকিস্তানিরা যোগ দিয়েছিল। বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেটি আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একইভাবে আমাদের বিভিন্ন মিশনের সামনে যে বিক্ষোভ হয়েছে, সেখানে বিএনপি-জামায়াত চক্র পাকিস্তান কমিউনিটির সহায়তা নিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। সেই সহায়তা নিয়ে এসব জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এবং গুজব ছড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে কূটনীতিকরা যাওয়ার পর অনেকেই বলেছেন- দিস ইজ শেইম, শেইম। অনেকেই আমার কাছে তাদের অনুভূতি শেয়ার করেছেন, সবাই বলেছেন- ইটস ইওর ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার, উই আর উইথ ইউ।’

কূটনৈতিক অঙ্গনে এ সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকাও উঠে আসে মন্ত্রীর বক্তব্যে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশি মিশনগুলোর কাছে নোট পাঠিয়েছিলাম যে, এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটি নিয়ে যেন বিদেশি দূতাবাস বা কূটনীতিকরা গণমাধ্যমে কোনো বিবৃতি না পাঠায়। তারা সেটি মেনে চলেছে। আজকে তারা গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি। সেজন্য গণমাধ্যমকে সেখানে ডাকিনি।’

গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ দিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘অতীতে এ ধরনের কিছু ঘটলেই আমাদের কুটনীতিকদের উদ্বুদ্ধ করা হতো কথা বলার জন্য। এবার আপনারা (গণমাধ্যম) সেটি করেননি, সেজন্য আপনাদেরও ধন্যবাদ জানাই।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত আর বাংলাদেশি শ্রমশক্তি না নেওয়ার কথাটি সম্পূর্ণ গুজব। আজকেও ইউএই রাষ্ট্রদূত এটি নিশ্চিত করেছেন।’

প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার ছাড়াও থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, ফিলিস্তিনসহ রাশিয়া, চীন, জাপান, তুরস্ক, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, ব্রুনাই, মিশর, আলজেরিয়া ও আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারবৃন্দ, ইউএনডিএসএস, আইইউটি, আইএফডিসির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের ৪৯ জন কূটনীতিক এ পরিদর্শনে অংশ নেন।

এসময় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলন চলছে বিএনপি-জামায়াতের প্রেসক্রিপশনে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজাকারের পক্ষে স্লোগানে নেতৃত্বদানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কোটা আন্দোলনে রাজনীতি ঢুকেছে তা স্পষ্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে ইউরোপের চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা

মন্তব্য

রাজধানী
Bangladesh ranks 97th in the Strong Passport Index

শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ ৯৭তম

শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ ৯৭তম
হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত সূচকে দেখা গেছে, সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট। সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা এখন বিশ্বের ১৯৫টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অনএরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও স্পেন।

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। এবারের তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে আছে ফিলিস্তিন।

লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত সূচকে এমন তথ্য জানা গেছে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ওয়েবসাইটে সূচকটি প্রকাশ করা হয়েছে।

সূচকে দেখা গেছে, সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট। সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা এখন বিশ্বের ১৯৫টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অনএরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও স্পেন।

আর বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা ৪০টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অনএরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপের স্থান ৫২তম, এ পাসপোর্টধারীরা ৯৪ দেশে ভিসা ছাড়া বা অনএরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। তালিকায় ভারতের স্থান ৮২তম, ভারতের পাসপোর্টধারীরা ৫৮ দেশে ভিসা ছাড়া বা অনএরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন।

ভুটানের স্থান ৮৭তম, এ পাসপোর্টধারীরা ৫২ দেশে ভিসা ছাড়া বা অনএরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন এবং শ্রীলঙ্কার স্থান ৯৩তম, এ পাসপোর্টধারীরা ৪৪ দেশে ভিসা ছাড়া বা অনএরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। ৪০টির কম দেশে ভিসা বা অনএরাইভাল ভিসায় প্রবেশাধিকার রয়েছে এমন দেশের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, নেপাল ও আফগানিস্তান।

মন্তব্য

রাজধানী
Govt wants to mislead nation by not giving information on casualties Fakhrul

হতাহতের তথ্য না দিয়ে সরকার জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়: ফখরুল

হতাহতের তথ্য না দিয়ে সরকার জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়: ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হতাহতের বিষয়টি এড়িয়ে শুধু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। এ পর্যন্ত বিরোধী দলের প্রায় ২০০০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে সারাদেশে অন্তত দুই হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘কতজন নিহত ও আহত হয়েছে, সরকার সেই তথ্য না দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়।’

‘সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হতাহতের বিষয়টি এড়িয়ে শুধু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করছে এবং বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।’

বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমনটা উল্লেখ করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি করেন। সূত্র: ইউএনবি

ফখরুল বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে এখন পর্যন্ত আমাদের প্রায় দুই হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়ায় গ্রেপ্তার ও হতাহতের সঠিক তথ্য এই মুহূর্তে আমাদের কাছে নেই।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি এবং সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রাখায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।

‘নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযানের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তালাবদ্ধ করে রাখায় তারা এখনও তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করতে পারছেন না। আপনারা দেখেছেন কীভাবে আমাদের অফিসে অভিযান চালানো হয়েছে এবং সবকিছু তছনছ করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার ও আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হতাহতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কতজন নিহত ও আহত হয়েছে, সরকার সেই তথ্য না দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়।

‘সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হতাহতের বিষয়টি এড়িয়ে শুধু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করছে এবং বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।’

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকার আন্দোলনের বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দিতে চায় এবং হতাহতের ঘটনা বাদ দিয়ে কেবল সরকারি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাই সামনে আনতে চায়। কারণ তারা এর দায় বিএনপির ওপর চাপাতে চায়।

নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে বিএনপিকে জড়িয়ে সরকারের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা আন্দোলনকে সমর্থন করেছি। তার মানে এই নয় যে আমরা নাশকতাকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছি। তারা (সরকার) সহিংসতায় উসকানি দিয়েছে এবং সমস্যাটিকে টেনে এনেছে।’

তিনি দাবি করেন, দলের ৪০ বছরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ইতিহাসে বিএনপি কখনও রাষ্ট্রের ওপর হামলা চালায়নি।

আরও পড়ুন:
সরকারের জেদের কারণে আন্দোলন সহিংস রূপ নিয়েছে: ফখরুল
এখন সবার উচিত আন্দোলন করা: ফখরুল
কোটাবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ইন্ধন নয়, সমর্থন আছে: ফখরুল
কোটা ও পেনশন স্কিম বাতিলের আন্দোলনে বিএনপির সমর্থন
রেল করিডোর ও এমওইউ নিয়ে মিথ্যাচার করছে সরকার: ফখরুল

মন্তব্য

রাজধানী
Prime Minister calls for production of Perodua brand cars in Bangladesh

পেরোডুয়া ব্র্যান্ডের গাড়ি বাংলাদেশে উৎপাদনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পেরোডুয়া ব্র্যান্ডের গাড়ি বাংলাদেশে উৎপাদনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বুধবার তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম। ছবি: বাসস
মালয়েশিয়ার পেরোডুয়া ব্র্যান্ডের গাড়ি পিএইচপি মোটরস বাংলাদেশে অ্যাসেম্বল করার কথা উল্লেখ করেন দেশটির হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম। এই ব্র্যান্ডের গাড়ির বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কথাও তুলে ধরেন হাইকমিশনার। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শুধু অ্যাসেম্বল না করে গাড়িটি পুরোপুরি বাংলাদেশে উৎপাদন করার কথা বলেন।

মালয়েশিয়াকে তাদের বিখ্যাত অটোমোবাইল ব্র্যান্ড পেরোডুয়ার গাড়ি সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশে উৎপাদনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে এলে এই আহ্বান জানান সরকার প্রধান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, মালয়েশিয়ার পেরোডুয়া ব্র্যান্ডের গাড়ি পিএইচপি মোটরস বাংলাদেশে অ্যাসেম্বল করার কথা উল্লেখ করেন দেশটির হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম। এই ব্র্যান্ডের গাড়ির বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কথাও তুলে ধরেন হাইকমিশনার। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শুধু অ্যাসেম্বল না করে গাড়িটি পুরোপুরি বাংলাদেশে উৎপাদন করার কথা বলেন।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময় থেকে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।

কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি সামলাতে আপনার সক্ষমতা বিষয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী। আপনি পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দিচ্ছেন এবং এটি একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। হাজনাহ মো. হাশিমকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, তার (রাষ্ট্রদূত) দৃষ্টিতে পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণে আছে।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার বলেন, দেশটির উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে ৫ বিলিয়ন ডলারের মতো বিনিয়োগ আছে। এই বিনিয়োগ মূলত দুটি টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি রবি এবং ইডটকো বাংলাদেশের। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে মালয়েশিয়ার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী আছে উল্লেখ করেন হাজনাজ হাশিম।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য সুবিধার উল্লেখ করে দেশটির হাইকমিশনার বলেন, ‘তাদের স্বাস্থ্য সেবার মান সিঙ্গাপুরের মতো। তবে খরচ সিঙ্গাপুরের চেয়ে কম। সুতরাং বাংলাদেশীরা মালেশিয়ায় চিকিৎসা সেবা নিতে পারে।

সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র লাশ পড়েছে বলার পরই লাশ পড়ল: প্রধানমন্ত্রী
আমার বিশ্বাস ছাত্রসমাজ উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাবে
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযোদ্ধাদের অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

মন্তব্য

রাজধানী
Dead bodies fell only after the United States said they had found bodies Prime Minister

যুক্তরাষ্ট্র লাশ পড়েছে বলার পরই লাশ পড়ল: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র লাশ পড়েছে বলার পরই লাশ পড়ল: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সম্পাদক ও হেড অফ নিউজ এবং সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ছবি: বাসস
কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে অনেক বড় ষড়যন্ত্র ছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা যে একটা বিরাট চক্রান্ত সেটা বোঝাই যাচ্ছিল। এবার আমরা আগে থেকেই খবর পেয়েছি যে লোক ঢুকবে। গোয়েন্দা দিয়ে সব হোটেল, কোথায় থাকতে পারে সেগুলো নজরদারিতে আনা হয়েছে। কিন্তু ওরা চলে এসেছে ঢাকার ঠিক বাইরের পেরিফেরিতে।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্মক তাণ্ডবলীলার পেছনে জামায়াত-বিএনপির পাশাপাশি একটি প্রভাবশালী দেশ জড়িত থাকার ইঙ্গিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এডিটরস গিল্ডসের উদ্যোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও হেড অফ নিউজ এবং সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন ইঙ্গিত দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটা জিনিস খেয়াল করবেন- তখনও কিন্তু লাশ পড়েনি। কিন্তু স্টেট ডিপার্টমেন্টের (যুক্তরাষ্ট্রের) বক্তব্যে এসে গেল যে লাশ পড়েছে। লাশের খবর তাদের কে দিল? তাহলে লাশ ফেলার নির্দেশটা কে দিয়েছে? এটাও খবর নেয়া দরকার। এবং তারপরে কিন্তু লাশ পড়তে শুরু করল।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানতাম যে ইলেকশন করতে দেবে না। তারপরও আমরা ইলেকশন করে ফেললাম। ইলেকশন করার পর বলা হলো ইলেকশন গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটাও গ্রহণযোগ্য আমরা করতে পেরেছি। সরকার গঠন করতে পেরেছি। আমার একটা ধারণা ছিল এই ধরনের একটা আঘাত আবার আসবে।’

কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে অনেক বড় ষড়যন্ত্র ছিল উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘এটা যে একটা বিরাট চক্রান্ত সেটা বোঝাই যাচ্ছিল। ... এই যে লোক চলে আসা, এবার আমরা কিন্তু আগে থেকে খবর পেয়েছি লোক ঢুকবে। গোয়েন্দা দিয়ে সব হোটেল, কোথায় থাকতে পারে সেগুলো কিন্তু নজরদারিতে আনা হয়েছে। কিন্তু ওরা সেখানে ছিল না; এরা চলে এসেছে ঢাকার ঠিক বাইরের পেরিফেরিতে (সংলগ্ন এলাকায়)।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারাদেশ থেকে শিবির-জামায়াত ঢাকায় এসেছে। সাথে ছাত্রদলের ক্যাডাররাও সক্রিয় ছিল। যতগুলো ঘটনা ঘটেছে প্রতিটিতে এরা (বিএনপি) সক্রিয় ছিল।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) এই ভাবে কেন সুযোগটা সৃষ্টি করে দিল সেই জবাবটাও জাতির কাছে তাদেরকে দিতে হবে। আমরা তো বার বার তাদের সঙ্গে বসলাম। প্রজ্ঞাপন, সেটাও করা হলো। তাদের কোন দাবি তো পূরণ করা ছাড়া রাখিনি।

‘যে দাবি তারা করেছিল কোটা সংস্কারে, যতটুকু চেয়েছিল তার থেকে অনেক বেশি দিয়েছি। যখন তাদের দাবি মেনে নেয়া হলো, তারপরও তারা এই জঙ্গিদের সুযোগ করে দিল কেন? কোটা আন্দোলনকারীদের কিন্তু জাতির কাছে একদিন এই জবাব দিতে হবে। কেন মানুষের এত বড় সর্বনাশ করার সুযোগ করে দিল।’

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিষয়ে সরকারের সহানুভূতিশীল মনোভাবের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সব সময় তাদের সঙ্গে সহানুভূতি দেখিয়েছি। তাদেরকে সব সময় নিরাপদ রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যা ঘটনা ঘটেছে এটা কখনও ক্ষমা করা যায় না।’

দেশবাসীকে সব ধরনের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু-কন্যা বলেন, ‘যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ, পোশাক তৈরি করা হলো কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট; ফলস (ভুয়া) আইডি কার্ড, পেছনে ব্যাগের মধ্যে কী আছে? পাথর আর অস্ত্র ধারালো। মসজিদে অস্ত্র নিয়ে ইমামকে মাইকিং করতে বাধ্য করা, এই যে জঙ্গিবাদের একটা বীভৎস চেহারা সবার সামনে চলে এলো এটার বিরুদ্ধে জাতিকে, সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশবাসীকে অনুরোধ করব, যারা এ ধরনের দেশের সর্বনাশটা করল, যারা আজকে গণমানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য, তাদের আয় বৃদ্ধি, তাদের চলাচলের সুবিধার জন্য, তাদের জীবন-মান উন্নত করবার জন্য যতগুলো স্থাপনা তৈরি করেছি সবগুলোতেই তারা আঘাত করেছে, সবগুলো তারা ভেঙে দিয়েছে। এসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে ক্ষতিটা কার? নিশ্চয়ই জনগণের। এখানে তো জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনগণকেই সোচ্চার হতে হবে।

বিগত বছরগুলো গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকা এবং স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জঙ্গিবাদ দমন করে দীর্ঘ সময় একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। সেই জায়গাটায় আজকে চরম একটা আঘাত দিল।’

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কারফিউ দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি তো চাইনি আমাদের গণতান্ত্রিক ধারায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটুক, আমাদের কারফিউ দিতে হোক। ... একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটা আমাদের কাম্য ছিল না। কিন্তু আজকে না দিয়ে কোনো উপায় ছিল না। না দিলে আরও যে কত লাশ পড়ত তার হিসাব নেই।’

গণমাধ্যমগুলোকে সঠিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘এটা ঠিক, অনেকে গুজবে কান দেয়। কান নিয়ে গেছে চিলে, ওটার পিছে ছোটে, কানে হাত দিয়ে দেখল না কান আছে কি না। মিথ্যাচারের হাত দেখে মানুষকে রক্ষা করুন, মানুষ যাতে সঠিত তথ্য জানতে পারে সেভাবে সংবাদগুলো পরিবেশন করুন।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। এর সুফল মানুষ পেল, কুফলও মানুষ পেল। আপনাদের কাছে যা তথ্য আছে আপনারা তা ব্যাপকভাবে প্রচার করে জনমত সৃষ্টি করুন।’

মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান। স্বাগত বক্তব্য দেন এডিটরস গিল্ডস-এর প্রেসিডেন্ট মোজাম্মেল হক বাবু।

এরপর একের পর এক বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক আবেদ খান, বাংলাদে সম্পাদক নঈম নিজাম, ডিবিসি টেলিভিশনের এডিটর ইন চিফ মঞ্জুরুল ইসলাম, ভোরের কাগজ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা জার্নালের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, নাগরিক টেলিভিশনের হেড অফ নিউজ ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দীপ আজাদ, আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক মাইনুল আলম, বাংলাদেশ জার্নাল সম্পাদক শাজাহান সর্দার, ডিবিসি টেলিভিশনের নিউজ এডিটর জায়েদুল আহসান পিন্টু, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের হেড অফ নিউজ আশিষ সৈকত, একাত্তর টিভির হেড অফ নিউজ শাকিল আহমেদ, অ্যানার্জি অ্যান্ড পাওয়ার সম্পাদক মোল্লা আমজাদ, আরটিভর হেড অফ নিউজ মামুনুর রহমান খান প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
আমার বিশ্বাস ছাত্রসমাজ উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাবে
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযোদ্ধাদের অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ
নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে তাদের লজ্জা হয় না: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে