জামিন জালিয়াতি: জজ কোর্টের আইনজীবী রিমান্ডে

জামিন জালিয়াতি: জজ কোর্টের আইনজীবী রিমান্ডে

বগুড়ায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে করা মামলায় যুবলীগের সহসভাপতি (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) ও কাউন্সিলর মো. আমিনুল ইসলামসহ ৩০ আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এ আদেশের পর হাইকোর্ট থেকে আমিনুল ইসলামসহ ৩০ জনের জামিন নেয়ার একটি জাল আদেশনামা (জামিন আদেশ) তৈরি করা হয়।

বগুড়ায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় ভুয়া আগাম জামিনের জালিয়াতির মাধ্যমে আদেশ তৈরিতে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী রাজু আহমেদ রাজীবকে ছয় দিনের হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া এ আদেশ দেন।

এর আগে শাহবাগ থানার পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করে।

এরপর মামলার তদন্ত স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এ আদেশ দিয়েছেন।

বুধবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা আইনজীবী রাজুকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

জানা যায়, বগুড়ায় মোটরমালিক গ্রুপে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের মামলায় ভুয়া আগাম জামিন আদেশ তৈরির ঘটনায় সিআইডির তদন্তে চারজনের নাম উঠে আসে।

তারা হলেন, ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী রাজু আহমেদ রাজীব, বগুড়া আদালতের আইনজীবী তানজীম আলম ইসলাম, ঢাকা জজ কোর্টের কম্পিউটার অপারেটর মাসুদ রানা ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবীর সহকারী মো. সোহাগ। পরে কারাগারে থাকা সোহাগ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৯ জুন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত দুই আইনজীবী ও কম্পিউটার অপারেটর মাসুদ রানাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। আসামিদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের জাল আদেশ দাখিল করে বগুড়ার আদালত থেকে জামিন নেয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় হাইকোর্ট গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে যুবলীগের সহসভাপতি (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) ও কাউন্সিলর মো. আমিনুল ইসলামসহ ৩০ আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। ওই আদেশ বাস্তবায়ন করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়াতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়। এর মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের ছোট ভাই মশিউল আলম ১০ ফেব্রুয়ারি বগুড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় যুবলীগের সহসভাপতি মো. আমিনুল ইসলামসহ ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় হাইকোর্ট থেকে আমিনুল ইসলামসহ ৩০ জনের জামিন নেয়ার একটি জাল আদেশনামা (জামিন আদেশ) তৈরি করা হয়।

জাল আদেশনামায় দেখানো হয়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে আসামিদের ছয় সপ্তাহের জামিন দেয়া হয়েছে। এই জামিন শেষে তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়। পরে এই ভুয়া আদেশের তথ্য সংশ্লিষ্ট আদালতের নজরে আসে।

এ সময় রাজুর পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বদনাম কাউয়াদের কারণে: তাপস

বদনাম কাউয়াদের কারণে: তাপস

রোববার গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিট সম্মেলনে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মী দল ও সরকারের কোনো বদনাম করে না। কোনো সুনাম ধ্বংস করে না। সুনাম ধ্বংস করে কাউয়ার দল। এই কাউয়ার দল থেকে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। এই গুটিকয়েক কাউয়ারা আমাদের দলের বদনাম করে। তারা দলের সকল অর্জনকে, শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ম্নান করে দেয়। আমরা কাউয়া চাই না, আমরা চাই ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের যথার্থ মূল্যায়ণ।’

সুযোগসন্ধানীদেরকে ‘কাউয়া’ উল্লেখ করে তাদেরকে আওয়ামী লীগের দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। বলেছেন, এই ‘কাউয়াদের’ কারণে দলের বদনাম হচ্ছে।

রোববার গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিট সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগে ‘কাউয়া’ শব্দটি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মুখে উচ্চারিত হয় ২০১৭ সালে। সে বছর সিলেট আওয়ামী লীগের এক প্রতিনিধি সম্মেলনে ‘দলে কাউয়া ঢুকেছে’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। দলের অনুপ্রবেশকারীদেরও একই নামে অবহিত করা হয়।

শেখ তাপস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মী দল ও সরকারের কোনো বদনাম করে না। কোনো সুনাম ধ্বংস করে না্। সুনাম ধ্বংস করে কাউয়ার দল। এই কাউয়ার দল থেকে আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

‘এই গুটিকয়েক কাউয়ারা আমাদের দলের বদনাম করে। তারা দলের সকল অর্জনকে, শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ম্নান করে দেয়। আমরা কাউয়া চাই না, আমরা চাই ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের যথার্থ মূল্যায়ন।’

জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ নিপীড়িত, অত্যাচারিত, অধিকার বঞ্চিত, জনগণের জন্য কাজ করে চলেছে উল্লেখ করে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র বলেন, ‘আমাদের রয়েছে দীর্ঘ পথ পরিক্রমা, ত্যাগী, পরীক্ষিতে নেতা-কর্মী, বীরমুক্তিযোদ্ধারা। তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। তাদের যোগ্য জায়গায় অধিষ্ঠিত করতে হবে। তাহলে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হবে।’

ইউনিট সম্মেলনে পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগে এক এলাকার ভোটার অন্য এলাকায় দিয়ে আর নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানান তাপস। বলেন, ‘তৃণমূলে যে কারও নেতৃত্বের মেধা, কার্যক্রম তার এলাকাতেই তাকে দেখাতে হবে এবং অবস্থান নিতে হবে।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহম্মেদ মান্নাফী, হুমায়ুন কবির।

শেয়ার করুন

করোনায় ঢাবি অধ্যাপক মাহমুদ হাসানের মৃত্যু

করোনায় ঢাবি অধ্যাপক মাহমুদ হাসানের মৃত্যু

অধ্যাপক মাহমুদ হাসান। ছবি: সংগৃহীত

মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্যারের করোনা পজিটিভ ছিল। প্রায় সাত দিন ধরে উনি হাসাপাতালে ভর্তি ছিলেন। শেষের দিকে তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। আজ সাড়ে ১২টায় তিনি মারা যান।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।

রাজধানীর একটি হাসপাতালে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যু হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘স্যারের করোনা পজিটিভ ছিল। প্রায় সাত দিন ধরে উনি হাসাপাতালে ভর্তি ছিলেন। শেষের দিকে তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। আজ সাড়ে ১২টায় তিনি মারা যান।’

আসরের নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে মাহমুদ হাসানের নামাজে জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীতে নিয়ে যাওয়া হবে।

অবিবাহিত ছিলেন মাহমুদ হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের মনিরুজ্জামান ভবনের একটি বাসায় থাকতেন তিনি।

শেয়ার করুন

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শাহবাগে কফিন মিছিল

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শাহবাগে কফিন মিছিল

পুলিশের বাধার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রতীকী কফিন মিছিলটিকে শাহবাগ এলাকা থেকে সরে যেতে হয়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীরা ‘ভাই কবরে খুনি কেন বাহিরে’, ‘৯ দফার সংগ্রাম চলবে চলবে’, ‘আইন করে হাফ পাস দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় বিচার, সারা দেশে বাস ভাড়া অর্ধেক করা এবং নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় প্রতীকী মরদেহের কফিন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা।

প্রতীকী কফিন নিয়ে রোববার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা । সেখানে তাদের অবস্থান না নিতে পুলিশ অনুরোধ করলে কফিন নিয়ে তারা মিছিল শুরু করেন। পরে শাহবাগ মোড় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির এলাকায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন।

শিক্ষার্থীরা ‘ভাই কবরে খুনি কেন বাহিরে’, ‘৯ দফার সংগ্রাম চলবে চলবে’, ‘আইন করে হাফ পাস দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের মিছিলটি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ। শাহবাগ থানার ওসি শেখ মো কামরুজ্জামান বলেন, ‘যান চলাচল ব্যাহত হয় এরকম কোনো কাজ আমরা তাদের করতে দেব না। প্রয়োজনে যান চলাচল ব্যাহত না হয় এমন কোনো স্থানে দাঁড়িয়ে তারা তাদের প্রোগ্রাম সম্পন্ন করবে। মিছিল নিয়ে তারা রাস্তায় হাঁটলেও যান চলাচল ব্যাহত হবে। তাই আমরা তাদের এটিও করতে দেব না।’

সড়কে অনিয়মের প্রতিবাদে ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শনিবার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ‘লাল কার্ড’ দেখিয়েছে আন্দোলনকারীরা। সেখান থেকে প্রতীকী কফিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কফিন ছাড়া শুধু ব্যানার নিয়ে শাহবাগ গণগ্রন্থাগারের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে। শাহবাগে অবস্থান নেয়া পুলিশ সদস্যরা জাতীয় জাদুঘরের সামনে আটকাতে গেলে আন্দোলনকারীদের অন্য একটি অংশ কফিন নিয়ে শাহবাগের ফুলের দোকানের পাশ থেকে এসে শাহবাগ মোড়ের মাঝখানে অবস্থান নেয়।

এরপর রমনা জোনের এডিসি হারুন অর রশীদ শিক্ষার্থীদের অবস্থান না নিতে অনুরোধ করলে তারা মিছিল শুরু করে। আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় এসে তাদের কর্মসূচি শেষ করেন।

এসময় আন্দোলনকারীদের শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ইনজামুল হক রামিম তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমাদের আজকের এই কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করছি। তারপরও আমরা আজকে রেলপথ এবং নৌপথ মন্ত্রণালয়ে আমাদের স্মারক পৌঁছে দেব। সড়ক ব্যবস্থাপনায় আলোর পথ দেখানোর জন্য আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচী এবং প্রতিবাদী গানের আসরের আয়োজন করা হবে।

‘আমাদের আন্দোলন নিয়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বিতর্কমূলক বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। আমরা এটির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

শেয়ার করুন

কালো ব্যাজ নিয়ে সোমবার রামপুরায় থাকবে শিক্ষার্থীরা

কালো ব্যাজ নিয়ে সোমবার রামপুরায় থাকবে শিক্ষার্থীরা

সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রোববার ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাইন উদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাঁধব।’

সড়কে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রোববার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

এ কর্মসূচি শেষে সোমবার একই জায়গায় দুপুর ১২টায় নাইম আর মাইন উদ্দিনের মতো সড়কে প্রাণ হারানো লোকজনের জন্য শোক প্রকাশ ও কালো ব্যাজ ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। বেলা ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

ব্যঙ্গচিত্রে নানা স্লোগানের মধ্যে আছে, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গণপরিবহনে হাফ পাস চাই’, ‘জাতির ভবিষ্যৎ মরলে কে গড়বে সোনার বাংলা’।

আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া খিলগাঁও সরকারি মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা আমাদের যে ১১ দফা দাবি আছে, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কারও বিপক্ষে না। আমরা সবার হয়ে এই আন্দোলন করছি। অথচ আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু লোক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‘এসব অপপ্রচার করে আমাদের থামিয়ে দেয়া যাবে না। আমরা আমাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি আর যাব।’

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাইন উদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাঁধব।’

এর আগে শনিবার সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখায় ১১ দফা দাবিতে রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর ওই দিন দুপুর ১২টার পর পরই অবস্থান নেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদের ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানায়।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছি।

‘আমরা দেখাতে চাই বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্রসমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজ আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

শেয়ার করুন

ডিআরইউ’র মিঠু-হাসিব-নাদিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন

ডিআরইউ’র মিঠু-হাসিব-নাদিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ডিআরইউর এই নেতাকে অভিনন্দন জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘এই দলের সবাইকে একটি সফল মেয়াদের জন্য শুভকামনা। আপনাদের সঙ্গে কাজ করার আশা রইল।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নব নির্বাচিত সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিয়া শারমিনকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেইসঙ্গে তাদের সঙ্গে কাজ করারও ইচ্ছে পোষণ করেছে ঢাকায় দেশটির দূতাবাস।

দূতাবাসের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ডিআরইউর এই নেতাকে অভিনন্দন জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ায় নজরুল ইসলাম মিঠু, নুরুল ইসলাম হাসিব (ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটিং লিডারশিপ প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারী) এবং নাদিয়া শারমিনকে (২০১৫ ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ওমেন অফ কারেজ) অভিনন্দন।

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘নবনির্বাচিত এই দলের সবাইকে একটি সফল মেয়াদের জন্য শুভকামনা। আপনাদের সঙ্গে কাজ করার আশা রইল।’

৩০ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি পদে ৪৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিঠু। সাধারণ সম্পাদক পদে ৫০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন হাসিব। আর সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নাদিয়া পান ৯৭৩ ভোট।

শেয়ার করুন

লাল কার্ডের পর এবার শিক্ষার্থীদের ব্যঙ্গচিত্র

লাল কার্ডের পর এবার শিক্ষার্থীদের ব্যঙ্গচিত্র

সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রোববার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

রাজধানীর রামপুরা ব্রিজে অবস্থান নিয়ে সড়কে অব্যবস্থাপনায় জড়িতদের শনিবার লাল কার্ড দেখিয়েছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এর এক দিন পর একই জায়গায় অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করেছে তারা।

নিরাপদ সড়ক সংশ্লিষ্ট ১১ দফা দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে রামপুরায় এলাকায় অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় তারা। ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

ব্যঙ্গচিত্রে নানা স্লোগান লেখা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গণপরিবহনে হাফ পাস চাই’, ‘জাতির ভবিষ্যৎ মরলে কে গড়বে সোনার বাংলা’।

ওই সময় আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া খিলগাঁও সরকারি মডেল কলেজের সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা আমাদের যে ১১ দফা দাবি আছে, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কারও বিপক্ষে না। আমরা সবার হয়ে এই আন্দোলন করছি। অথচ আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু লোক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‘এসব অপপ্রচার করে আমাদের থামিয়ে দেয়া যাবে না। আমরা আমাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি আর যাব।’

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাঈনউদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাচ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাধা হবে।’

এর আগে শনিবার সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখায় গণপরিবহনে হাফ পাস চালু, নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর ওই দিন দুপুর ১২টার পরপরই অবস্থান নেয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘সড়কে দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদের ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানায়।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছি। আমরা দেখাতে চাই, বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্রসমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজ আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

শেয়ার করুন

স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক সন্দেহে গৃহকর্মীকে খুন: পিবিআই

স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক সন্দেহে গৃহকর্মীকে খুন: পিবিআই

গৃহকর্মীকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার গৃহকর্তা ও তার স্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

মরদেহটি প্রথমে অজ্ঞাতনামা হিসেবেই উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পিবিআই জানতে পারে, গৃহকর্মী ওই নারী খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাজধানীর দিয়াবাড়ির ঝাউবন থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানতে পেরেছে, ওই নারী খুন হয়েছেন। তিনি ছিলেন গৃহকর্মী।

গৃহকর্তার সঙ্গে ‘সম্পর্কে’ জড়িয়েছেন এমন সন্দেহে তার স্ত্রী ওই গৃহকর্মীকে খুন করেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। এ ঘটনায় গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় আগারগাঁওয়ে পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো উত্তরের অফিসে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন মামলার তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন সন্দেহে নিয়মিত গৃহকর্মী পারভীনকে নির্যাতন করতেন গৃহকর্ত্রী। গত ১ নভেম্বর ঝগড়াঝাঁটির একপর্যায়ে পারভীনকে গৃহকর্ত্রী লাঠি দিয়ে বেদম পেটান। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যু হয় পারভীনের। তিনি এক সন্তানের জননী, বাড়ি দিনাজপুরে।

পরে গৃহকর্তা ও তার স্ত্রী পরামর্শ করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে তাদের ড্রাইভারের সহায়তায় প্রাইভেট কারে করে তুরাগ দিয়াবাড়ী এলাকায় ঝাউবনে ফেলে আসা হয় মরদেহটি।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, মরদেহটি প্রথমে অজ্ঞাতনামা হিসেবেই উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের নাম-ঠিকানা ও মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনসহ আসামিদের গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, মরদেহ শনাক্তের পর পিবিআইয়ের তদন্ত দল তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে। তার গ্রামের বাড়িতে স্বামী মোমিনুলসহ অন্য আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তখন জানা যায় ভিকটিম পারভীন এক-দেড় বছর আগে অভাবের তাড়নায় স্বামী-সন্তানসহ ঢাকা শহরে চলে আসেন। গৃহকর্মীর কাজ করতেন।

তিনি বলেন, ‘তদন্তে আরও জানা যায় ওই গৃহকর্মীর স্বামী ঢাকায় রিকশা চালাতেন। ঐ বাসায় কাজ নেয়ার পর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারতেন না তিনি। একদিন তার স্ত্রী ফোনে জানান, তাকে গৃহকর্ত্রী মারধর করে আটকে রেখেছেন। এ সংবাদ পেয়ে স্বামী গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তিনি একদিন ঐ বাসায় গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আসেন, কিন্তু এরপর আর কোনো দিন দেখা করতে পারেননি। পরে গত অক্টোবরে তিনি তার গ্রামের বাড়ি চলে যান।’

জিজ্ঞাসাবাদে ওই গৃহকর্মীর স্বামী পিবিআইকে জানান, ঐ বাসায় তার স্ত্রী ৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। কাজ নেয়ার পর থেকে গৃহকর্তা প্রতি মাসে তাকে মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে এক হাজার টাকা করে পাঠাতেন। বাকি টাকা জমা থাকত, কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে দিতেন না।

হত্যার শিকার নারীর স্বামী মোমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে তুরাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। এই মামলায় দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ গোপন করার কাজে সহায়তা করায় ড্রাইভার রমজান আলীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন