সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেলের বাসার গেটে সন্তান কোলে পুত্রবধূ

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেলের বাসার গেটে সন্তান কোলে পুত্রবধূ

শনিবার বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাসান আরিফের ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডের ২৩ নম্বর বাসার সামনে ১২ দিন বয়সী অসুস্থ কন্যাকে নিয়ে অপেক্ষা করেন নিলা। এরপরও কেউ গেটের তালা না খুললে ফিরে যেতে বাধ্য হন তিনি।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফের পুত্রবধূ নিলা আরিফ শিশুসন্তান কোলে নিয়ে তিন ঘণ্টা গেটে অপেক্ষা করেও বাসায় ঢুকতে পারেননি। একনজর দেখতেও পাননি তার প্রথম সন্তানের মুখ, যে শিশুকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন নিলা।

শনিবার বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাসান আরিফের ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডের ২৩ নম্বর বাসার সামনে ১২ দিন বয়সী অসুস্থ কন্যাকে নিয়ে অপেক্ষা করেন নিলা। এরপরও কেউ গেটের তালা না খুললে ফিরে যেতে বাধ্য হন তিনি।

নিউজবাংলার কাছে অভিযোগ করে নিলা বলেন, ‘আমার দুই বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে তারা (হাসান আরিফের পরিবার) আটকে রেখেছে। তাকে দেখার জন্যই সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেউ বাসায় ঢুকতে দেননি। পরে বাসার নিরাপত্তা প্রহরীর মাধ্যমে ইন্টারকমে ১৫ থেকে ২০ বার ফোন করা হয়েছে। তাতেও তাদের মন গলেনি।

‘তারা আমার বড় মেয়েকে দেখতে দেননি। আমি বারান্দাতে অনেকক্ষণ তাকিয়েছিলাম একনজর দেখার জন্য। সে ব্যবস্থাও করেননি তারা। দারোয়ান দিয়ে মুখের ওপর না করে দিয়েছেন। পরে ক্যামেরা দেখে একটি ছেলেকে পাঠিয়ে বলেছেন মেয়েকে দেখতে চাইলে কোর্টে যেতে।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমে বাসার গেটে তালা মেরে রেখেছিলেন। গেটের ভেতরেই ঢুকতে দিচ্ছিলেন না। পরে লোকজন ও ক্যামেরা দেখে ইন্টারকম পর্যন্ত গিয়েছিলাম। তারপরও তারা দেখা দেননি। কন্যাকেও দেখাননি।’

নিলা অভিযোগ করে বলেন, ‘তারা সবাই বাসায়ই আছেন। অথচ পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না।’

গত বুধবার রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় স্বামী মোয়াজ আরিফ, শ্বশুর হাসান আরিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন নিলা আরিফ।

মামলায় তিনি বলেছেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী মোয়াজ আরিফ, শ্বশুর হাসান আরিফ, শাশুড়ি পারভীন আরিফ ও ননদ উম্মে হানি তার ওপর নির্যাতন করতেন। মিথ্যা মামলা দিয়ে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জেল খাটিয়েছেন। তার দুই বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে আটকে রেখে নির্যাতন করেছেন। নবজাতক দ্বিতীয় কন্যাসন্তান নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না।

মামলায় তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে আমার পেটে লাথি মেরে তিন মাসের একটা বাচ্চা মেরে ফেলেছেন, যা আমাকে ডিঅ্যান্ডসি করতে হয়েছে। আমাকে নির্যাতন করে চুল কেটে দিয়েছেন। আমার গাড়িসহ সবকিছু আটকে রেখেছেন। আমার সিম, মোবাইল ফোন ও ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছেন। আমাকে ও আমার দ্বিতীয় কন্যাসন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।’

এ বিষয়ে জানতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে খুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি। মোয়াজ আরিফের মোবাইলে ফোন করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এর আগে বিকেল ৫টার দিকে নিলা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডের ২৩ নম্বরে আমার শ্বশুরবাড়ি। বেলা ৩টা থেকে সেখানে অবস্থান করছি, কিন্তু গেটে তালা। ভেতরে ঢুকতে পারছি না। আপনেরা সাংবাদিক, আমার জন্য কিছু করেন।’

মামলার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াছিন আলী শনিবার বিকেলে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তদন্ত চলছে। প্রধান আসামি মোয়াজ আরিফের বাসায় অভিযান চালিয়েছি। তাকে পাওয়া যায়নি।’

মোয়াজ আরিফের যে মামলায় জেল খাটেন অন্তঃসত্ত্বা নিলা

গত ২৮ এপ্রিল নিলার বিরুদ্ধে নিউমার্কেট থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন মোয়াজ আরিফ। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা নিলা এক মাস চার দিন জেল খাটেন। কারাগারেই নিলার দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। গত ৭ জুন তিনি জামিনে মুক্তি পান।

নিলা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি যাতে তাদের পারিবারিক নির্যাতনের বিষয়ে মুখ খুলতে না পারি, সে জন্যই তারা কৌশলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে আমার শ্বশুরের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক দিনের মধ্যেই আমাকে গ্রেপ্তার করান। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে না নিয়েই কারাগারে পাঠান।

‘এখন তারা নতুন করে হুমকি দিচ্ছেন। বলছেন, মামলার চার্জশিট দিলে নাকি আমার ১০ বছরের জেল হবে। এই হুমকি আইনজীবী ও বিভিন্ন মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে।’

নিলার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিউমার্কেট থানার এসআই মিলন মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে মোয়াজকে মারধরের তথ্য পাওয়া গেছে। মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পাওয়া গেলে আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে।’

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফের ছেলে মোয়াজ আরিফ তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গত ২৮ এপ্রিল নিউমার্কেট থানায় মামলাটি করেন।

এজাহারে তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে মাধবী আক্তার ওরফে নিলা ইসরাফিলকে বিয়ে করেন। তারপর জানতে পারেন, তিনি নিলার তৃতীয় স্বামী। বিয়ের পর নিলার বদমেজাজী চেহারা ফুটে ওঠে। প্রতিনিয়ত টাকার জন্য সে চাপ দিতে থাকে। না দিলে শারীরিক-মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে।

‘এমনকি সে আমার বৃদ্ধ পিতা-মাতাকেও অপমান-অপদস্থ করে। এমন পরিস্থিতিতে ৮১ বছরের বৃদ্ধ বাবা ও ৭০ বছর বয়সী মা ধানমন্ডির বাসায় চলে যান। এতে আমার ওপর নিলার নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। বাসার গৃহকর্মীদেরও অসংখ্যবার মেরে রক্তাক্ত করে সে। তার টাকার চাহিদা পূরণ করতে না পারলে দুই বছর দুই মাস বয়সী কন্যাকেও মেরে আহত করে।’

মোয়াজ আরিফ আরও অভিযোগ করেন, নিলা ২৮ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে বাসার গৃহকর্মীদের নির্যাতন করতে থাকলে তিনি বাধা দেন। এতে নিলা তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে একটি ছোরা নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চোখে আঘাত করেন। পরে বাসায় থাকা গৃহকর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

মধ্যরাতে হাইকোর্টের আদেশে বাবার বাড়ি ফিরেছিল দুই শিশু

গত বছরের ৩ অক্টোবর মধ্যরাতে আদালতের নির্দেশে বাসায় ফিরেছিল সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল কে এস নবীর দুই নাতি।

এ ব্যাপারে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ পরদিন জানান, ধানমন্ডিতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল কে এস নবীর রেখে যাওয়া চারতলা বাড়িতে ঢুকতে পারছিলেন না তার দুই নাতি কাজী আদিয়ান নবী ও কাজী নাহিয়ান নবী।

ভাতিজাদের বাবার বাড়িতে ঢুকতে দেননি বড় চাচা কাজী রেহান নবী। পরে ফুফু যোগাযোগ করেন থানায়। সেখানে সহযোগিতা পাননি। পরে একাত্তর টিভির এক অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। সেই অনুষ্ঠান দেখেই আদালতের আদেশ আসে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকরাম মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা রাতেই কোর্টের আদেশ পেয়ে দুই শিশুকে বাসায় পৌঁছে দিয়েছি। আদালতকেও এ বিষয়ে অবহিত করেছি। ভবিষ্যতেও আমাদের এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিমানবন্দরে তিন কেজি সোনা জব্দ

বিমানবন্দরে তিন কেজি সোনা জব্দ

বিমানবন্দরে জব্দ করা সোনার বার। ছবি: নিউজবাংলা

সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে সৌদি থেকে আসা মোহাম্মদ রিপন নামে এক যাত্রীর জ্যাকেটে ছিল ২৫টি সোনার বার।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদিফেরত এক যাত্রীর কাছ থেকে দুই কোটি টাকা মূল্যের সোনার বার উদ্ধার করেছে কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ টিম।

বুধবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে সৌদি থেকে আসা মোহাম্মদ রিপন নামে এক যাত্রীর কাছ থেকে ২৫টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এগুলোর ওজন ২ কেজি ৯০০ গ্রাম।

অবৈধভাবে সোনা নিয়ে আসার অভিযোগে রিপনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেনটিভ) সানোয়ারুল কবীর।

সৌদি আরব ফেরত এ যাত্রীর হাতে থাকা হুডি জ্যাকেটের ভেতরে ছিল সোনার বার। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনা আনার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রিপনকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত ১২ 

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত ১২ 

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত একজনের চিকিৎসা চলছে। ছবি: নিউজবাংলা

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আনোয়ার বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ পর্যটক রাজশাহী থেকে সাজেকে ঘুরতে এসেছিল বলে জেনেছি। অন্য আহত পুলিশ সদস্য সাজেক রুইলুই পাড়া ক্যাম্পে দায়িত্বরত।’

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ১২ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীও রয়েছেন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সাজেকের শিজকছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। অন্যরা আশঙ্কামুক্ত।

দুর্ঘটনার পরপরই বাঘাইহাট সেনা জোনের একটি দল আহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, গুরুতর আহত তিনজন হলেন পুলিশ সদস্য রাইসুল ইসলাম, মোছা. দুলালী ও অন্তঃসত্ত্বা নারী খাদিজা বেগম।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আনোয়ার বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ পর্যটক রাজশাহী থেকে সাজেকে ঘুরতে এসেছিল বলে জেনেছি। অন্য আহত পুলিশ সদস্য সাজেক রুইলুই পাড়া ক্যাম্পে দায়িত্বরত। তিনি গাড়িটি স্কটের দায়িত্বে ছিলেন।’

শেয়ার করুন

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

বরগুনা-২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের মিটিয়েছেন।’

সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরকে সাইড না দেয়ার অজুহাতে বরগুনা-২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে নজরুল ইসলাম নামের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের স্টেডিয়াম মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নজরুল ইসলাম পাথরঘাটা পৌর ছাত্রলীগের ৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বিএফডিসি মৎস্য পাইকার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক।

নজরুল বলেন, ‘পাথরঘাটা স্টেডিয়াম মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছিল। বিকেল চারটার দিকে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনসহ উপজেলা ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী মোটরসাইকেল যোগে মাঠে খেলা দেখতে যাচ্ছিলেন। মাঠের কাছাকাছি পৌঁছাতেই খেলোয়ারবাহী একটি মাইক্রোবাস সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরের সামনে পড়ে। মাইক্রোবাসটিতে আমিও ছিলাম।

‘এসময় মাইক্রোবাসটিকে সরে যেতে সাংসদকে বহনকারি মোটরসাইকেল থেকে হর্ন বাজানো হয়। কিন্ত সড়ক সরু হওয়ায় মাইক্রোবাসটির চালক জায়গা পাচ্ছিলেন না। এতেই বিরক্ত ও ক্ষিপ্ত হন সাংসদ। পরে কিছুটা সামনে গিয়ে জায়গা পেয়ে মোটরসাইকেল বহরকে সাইড দেয় খেলোয়ারবাহী মাইক্রোবাসের চালক। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত সাংসদ রিমন মঞ্চে বসে আমাকে ডেকে পাঠান। সাংসদের সামনে আসতেই পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মধু আমাকে এমপির পা ধরে মাফ চাইতে বলেন। সামনে এগিয়ে যেতেই এমপি রিমন মাঠভর্তি দর্শক, খেলোয়ার ও অতিথিদের সামনেই আমাকে চড়-থাপ্পর দিতে শুরু করেন।’

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত, আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের মিটিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনকে একাধিকবার কল এবং পরে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রীর করা মামলায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুর ২টার দিকে মামলাটি করেন ওই কিশোরীর মা।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চাঁদ মিয়া।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

এরপর চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর ওই গৃহবধূ ফের বাবার বাড়িতে গেলে রাতে মেয়ের ঘরে ঢুকে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন স্বামী। মেয়ে টের পেয়ে চিৎকার করলে তিনি ঘর থেকে পালিয়ে যান।

পর দিন বাবার বাড়ি থেকে ফিরে আসলে মেয়ে তাকে সব খুলে জানায়। পরে স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলাটি করেন কিশোরীর মা।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, মামলা হওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হবে।

কিশোরীর মামা জানান, তার বোনের প্রথম দুই মেয়ের জন্ম হওয়ার পর তাকে তাড়িয়ে দিয়ে পাঁচ বছর আগে আরেকটি বিয়ে করেন তার স্বামী। ওই স্ত্রীর সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে পরে তার বোনকে ফিরিয়ে নেন আসামি৷

তিনি আসামির উপযুক্ত শাস্তির দাবিও জানান।

শেয়ার করুন

করোনা টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

করোনা টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলনে ধারণ করা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে করোনা প্রতিরোধী টিকা কর্মসূচি পরিচালনার অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ টিকাকে বৈশ্বিক জনপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা দরকার। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত।’

বিশ্বে সবার জন্য করোনা প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করতে কোভিড-১৯ টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনপণ্য’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউসে বুধবার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ‘হোয়াইট হাউস কোভিড-১৯ সামিট: অ্যান্ডিং দ্য প্যানডেমিক অ্যান্ড বিল্ডিং ব্যাক বেটার হেলথ সিকিউরিটি টু প্রিপেয়ার ফর দ্য নেক্সট’ শীর্ষক শীর্ষ সম্মেলনে ধারণ করা বক্তব্যে বিশ্বনেতাদের প্রতি এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ভার্চুয়াল এ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে করোনা প্রতিরোধী টিকা কর্মসূচি পরিচালনার অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ টিকাকে বৈশ্বিক জনপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা দরকার। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে সক্ষমতা রয়েছে এমন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত।’

হোয়াইট হাউস আমন্ত্রিতদের জানিয়েছে, এ বছরের শেষের দিকে এবং ২০২২ সালের শুরুতে ফলো-আপ ইভেন্টগুলো অংশগ্রহণকারীদেরকে তাদের প্রতিশ্রুতির জন্য দায়বদ্ধ রাখার উদ্দেশে আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তার ধারণ করা বক্তব্যে বলেছেন, ‘করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়তে তিন পন্থা অবলম্বন করেছে বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘জীবন বাঁচাতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, মেডিক্যাল সরঞ্জাম, জীবন রক্ষাকারী ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

দেশের মানুষের জন্য, বিশেষ করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় সহায়তা দেয়া এবং যত দ্রুত সম্ভব অর্থনৈতিক চাকা সচল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান।

আগামী দিনগুলোকে নিরাপদ করার জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেয়ার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

প্রথমত, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এবং সামাজিক সুরক্ষা বলয় কর্মসূচির ওপর জোর দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নীতির দিকে মনোনিবেশ করা।

দ্বিতীয়ত, উদ্ভাবন, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে যাতে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হয়।

তৃতীয়ত, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং কার্বণ নিঃসরণ হার কমানোর দিকে দিকে মনোনিবেশ করা।

বক্তব্যে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপগুলোও বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ১৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ বরাদ্দ দিয়েছি। দরিদ্র, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীরাসহ ৪৪ লাখ সুবিধাভোগীদের মাঝে ১৬৬ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করা হয়েছে।’

১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি ডোজ করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়া হয়েছে বলেও সম্মেলনে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘২০২২-এর আগস্ট মাসের মধ্যে মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ লোককে টিকার আওতায় আনা হবে। আর সেটা নিশ্চিত করার জন্য প্রতি মাসে ২ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

এসময়, কোভিড-১৯ মহামারি অবসানে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার জন্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, ব্যবসায়ী এবং বেসরকারি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে জার্মান চ্যান্সলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো, আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসা এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসও বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

কক্সবাজার সেন্টমার্টিন এলাকায় এক সঙ্গে জালে ধরা পড়েছে ১৭৮টি লাল কোরাল। এসব মাছের ওজন প্রায় ৬০০ কেজি। প্রতিটি মাছের ওজন গড়ে ৩-৪ কেজি।

শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় জাল ফেললে মঙ্গলবার রাতে কোরালের ঝাঁকটি ধরা পড়ে। পরে মাছগুলো প্রতি মণ ২০ হাজার টাকা হিসাবে কিনে নেন ওই এলাকার ব্যবসায়ী হামিদ হোসেন ও ছাব্বির আহমদ।

স্থানীয়রা জানান, আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

ট্রলার মালিক আইয়ুব জানান, মাঝি সৈয়দের নেতৃত্বে জেলেরা মঙ্গলবার রাতে জাল তুলে লাল কোরালগুলো পান। প্রায় ১৫ মণ মাছগুলো বিক্রি হয়েছে তিন লাখ টাকায়।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, সেন্টমার্টিনে সম্প্রতি ভালোই মাছ পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক মাস আগেও এক জেলের বড়শিতে ৬০ কেজি ওজনের বোল মাছ ধরা পড়ে। মঙ্গলবার রাতে এক জেলের জালে ১৫ মণ লাল কোরাল ধরা পড়ার খবর পেয়েছেন।

শেয়ার করুন

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

অভিযোগ, স্ত্রী তিথিকে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

যৌতুক চেয়ে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এক উপপরিদর্শককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ বুধবার আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে বিচারক দিলরুবা আক্তার তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামি সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন রায়ের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া থানা এলাকার বান্দার গ্রামে। তিনি রাজধানীর মালিবাগ সিআইডির সাইবার জোনে রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, খুলনার বটিয়াঘাটা দেবীতলা গ্রামের তিথী বিশ্বাসের সঙ্গে ২০১৫ সালে পরিচয় হয় মিঠুনের। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে ২০১৯ সালে তারা গোপনে বিয়ে করেন। এরপর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসা থেকেছেন তারা। সম্প্রতি স্ত্রী হিসেবে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

নির্যাতনের অভিযোগে খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ মিঠুনের বিরুদ্ধে পরে মামলাটি করেন তিথি। সেই মামলায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মিঠুন।

মিঠুনের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার, বাদির পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো এবং সামাজিকভাবে পরিবারটিকে একঘরে করে রাখার অভিযোগও উঠেছে।

শেয়ার করুন