গুলশানে সুইমিংপুলের পাশে নারীর মরদেহ

গুলশানে সুইমিংপুলের পাশে নারীর মরদেহ

গুলশান থানার এসআই রনি নিউজবাংলাকে জানান, গুলশান-২-এর ৬৯ নম্বর রোডের, ৯ নম্বর বাড়ির সুইমিংপুলের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, ‘ভবনটি ১২তলা। আমরা যতটুকু দেখলাম তিনি ওপর থেকে নিচে পড়েছেন। কীভাবে পড়েছেন তার তদন্ত চলছে। ইসরাত জেবিন মিতুর স্বামী নাইম আহম্মেদ একটা ডেভেলপার কোম্পানির ডিরেক্টর। মিতুও ওই কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন।’

রাজধানীর গুলশানের একটি বহুতল ভবনের সুইমিংপুলের পাশ থেকে ইসরাত জেবিন মিতু নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মিতু একটি আবাসন কোম্পানির পরিচালক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রনি নিউজবাংলাকে জানান, সোমবার বেলা পৌনে ২টার দিকে গুলশান-২-এর ৬৯ নম্বর রোডের ৯ নম্বর বাড়ির সুইমিংপুলের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

রনি বলেন, ‘ভবনটি ১২তলা। আমরা যতটুকু দেখলাম তিনি ওপর থেকে নিচে পড়েছেন। কীভাবে পড়েছেন তার তদন্ত চলছে। ইসরাত জেবিন মিতুর স্বামী নাইম আহম্মেদ একটা ডেভেলপার কোম্পানির ডিরেক্টর। মিতুও ওই কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন।’

প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি কীভাবে ঘটতে পারে বলে মনে হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে এসআই রনি বলেন, ‘এটা এখনই বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে।’

তিনি জানান, মিতুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ঘটনার সময় তার স্বামী বাসায় ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই নারীর স্বামীর নাম নাজ রাজন নাইম আহমেদ। তার বাবার নাম আব্দুল মুকিত দেওয়ান। যতদূর শুনেছি আব্দুল মুকিত হোটেল লা মেরিডিয়ানের মালিকের একজনের ভাই। তারা ৭ ভাই। তিনি তাদের একজন। তবে বড় ভাই নাকি ছোট ভাই সেটা জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৃতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। আমাদের পুলিশ সেখানে আছে। এখনও মামলা হয় নাই।’

ভবনটির সিকিউরিটি গার্ড হুমায়ুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ম্যাডামকে গতকাল সন্ধার আগে দেখেছি নিচ দিয়ে ঘুরাঘুরি করতে। তার বান্ধবীরা আসছিলেন। তাদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে ডিউটিতে এসে আগের ডিউটিতে যারা ছিলেন তাদের কাছ থেকে শুনলাম, সুইমিংপুলের পাশে ম্যাডামকে পাওয়া গেছে। এও শুনলাম, উনি নাকি উপর থেকে পড়েছেন। ম্যাডাম স্বামীর সঙ্গে ৯ তলায় থাকতেন। সুইমিংপুল বাড়ির পেছনের দিকে।’

আরও পড়ুন:
সেই দুই বোনের প্রয়াত বাবার ব্যাংক হিসাব বন্ধ

শেয়ার করুন

মন্তব্য