সুপ্রিম কোর্টে মাস্ক বিতরণ নারী আইনজীবীদের

সুপ্রিম কোর্টে মাস্ক বিতরণ নারী আইনজীবীদের

‘মাস্ক পরুন, সুরক্ষিত থাকুন, অন্যকে সুরক্ষিত রাখুন’ স্লোগানে এসব সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য জেসমিন সুলতানা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জান্নাতুল ফেরদৌসি রুপাসহ শতাধিক আইনজীবী।

করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন নারী আইনজীবীরা।

বুধবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমর্থিত নারী আইনজীবীরা এ আয়োজন করেন।

‘মাস্ক পরুন, সুরক্ষিত থাকুন, অন্যকে সুরক্ষিত রাখুন’ স্লোগানে এসব সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য জেসমিন সুলতানা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জান্নাতুল ফেরদৌসি রুপাসহ শতাধিক আইনজীবী।

পরে তারা সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন।

আয়োজক আইনজীবীরা বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ রোধে আমাদের আইনজীবীদের মধ্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে।’

তারা বলেন, ‘আমরা একটি ভিন্ন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী এই পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

তারা আরও বলেন, ‘করোনার সময়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুসহ অনেক সিনিয়র আইনজীবীকে হারিয়েছি। তাদের হারিয়ে আমরা ব্যথিত।’

এ আয়োজনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের অংশ নেয়ার কথা থাকলেও তিনি ব্যস্ততার কারণে আসতে পারেননি বলে জানান নারী আইনজীবীরা।

পরে দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের তৃতীয় তলায় এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ক্ষমতায় যেতে দিগ্বিদিকশূন্য বিএনপি’

‘ক্ষমতায় যেতে দিগ্বিদিকশূন্য বিএনপি’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নিজেরাই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএনপি ক্ষমতাপাগল, তারা এখন দিগ্বিদিকশূন্য। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।’

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা বিএনপি ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকায় নিজ বাসভবনে শনিবার সকালে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ের গ্যারান্টি দিলে নির্বাচন কমিশন তাদের ভাষায় নিরপেক্ষ আর তাদের পক্ষে রায় দিলেই বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিএনপি নেতাদের অপরাধ ও দুর্নীতির বিচার না করলে দুদক ভালো।

‘বিএনপি নিজেরাই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএনপি ক্ষমতাপাগল, তারা এখন দিগ্বিদিকশূন্য। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট।’

বিএনপির সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতায় ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়, তারাই দেশকে অকার্যকর এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য। বিএনপিই বরং একের পর এক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত এবং বিশ্বসভায় সম্ভাবনাময় দেশ বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ পালন উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে কারা তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিল দেশবাসী তা জানে। কারা হামলা ও এর পৃষ্ঠপোষক এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারা জড়িত তা ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট হয়েছে।

‘বিএনপি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক। তারা যতই অস্বীকার করুক সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তোষণ নীতি থেকে বের হতে পারবে না। ২০১৩-১৪ সালে আগুন-সন্ত্রাস চালিয়ে এর দায় আওয়ামী লীগের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছে বিএনপি। নিজেদের অপকর্ম ও ব্যর্থতা আড়াল করতে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো বিএনপির পুরোনো অভ্যাস।’

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন

ভার্চুয়াল আদালতে ৪০ দিনে হাজার শিশুর জামিন

ভার্চুয়াল আদালতে ৪০ দিনে হাজার শিশুর জামিন

ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে ৪০ দিনে জামিনে মুক্ত হয়েছে এক হাজার ১৭ শিশু। ফাইল ছবি

ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে ৪০ কার্যদিবসে সারাদেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৫টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ৬৩ হাজার ৭৫ জনকে জামিন দিয়েছেন। 

করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে দেশে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে ৪০ কার্যদিবসে ভার্চুয়াল আদালত থেকে ১ হাজার ১৭ শিশুকে জামিন দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্টের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান শনিবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিউজবাংলাকে সাইফুর রহমান বলেন, ‘কঠোর বিধিনিষেধের সময় বিগত ৪০ কার্যদিবসে দেশের বিভিন্ন আদালত থেকে ভার্চুয়ালি শুনানি করে ১ হাজার ১৭ শিশুকে জামিন দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে থেকে তাদের মুক্তিও দেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে ৪০ কার্যদিবসে সারাদেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনাল ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৫টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ৬৩ হাজার ৭৫ জনকে জামিন দিয়েছেন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে দেশের সকল আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে জরুরি বিষয় নিষ্পত্তির জন্য সীমিত পরিসরে কিছু কোর্ট খোলা রাখা হয়। যেখানে ভার্চুয়ালি শুনানি হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে কোর্ট সংখ্যা বাড়ানো হয়।

করোনার কারণে গত বছরের ২৬ মার্চ প্রথমে আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তার এক মাস পর ২৬ এপ্রিল ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর উদ্যোগ নেন প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রী।

পরে ওই বছরের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

এর দুই দিন পর ৯ মে ভার্চুয়াল কোর্ট সম্পর্কিত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। সে বছরের ১০ মে ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা প্রসঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ফুল কোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান বিচরপতির সভাপতিত্বে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা অংশ নেন।

ফুলকোর্ট সভায় ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ এর আওতায় উচ্চ আদালত এবং নিম্ন আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্র্যাকটিস ডাইরেকশন অনুমোদিত হয়। পরে বিজ্ঞপ্তিত জারি করে ভার্চুয়াল কোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়।

২০২০ সালের শেষের দিকে করোনা সংক্রমণ কমে আসলে ফের নিয়মিত আদালত শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে আবারও আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে গত ১২ এপ্রিল থেকে ভার্চুয়াল আদালতে বিচার কাজ শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন

‘বকশিশ আর টিপস আমাদের মজুরি’

‘বকশিশ আর টিপস আমাদের মজুরি’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে করোনাকালে পর্যটন খাতের বিপর্যয় তুলে ধরে শনিবার আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন।

‘বকশিশ আর টিপস দিয়ে নির্ধারণ করা হয় আমাদের মজুরি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক। মনে হয়, এ যেন বকশিশনির্ভর শিল্প।’

আক্ষেপ নিয়ে কথাগুলো বলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক রাশেদুর রহমান।

করোনাকালে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত খাত হিসেবে উঠে এসেছে পর্যটন। দেশব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে বন্ধ করে দেয়া হয় পর্যটন স্পটগুলো।

এমন অবস্থায় নিজেদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে করোনাকালে পর্যটন খাতের বিপর্যয় তুলে ধরে শনিবার আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন।

প্রস্তাবিত বাজেটে পর্যটন খাতের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থকে অপ্রতুল মনে করে তা বাড়ানোর দাবিও জানানো হয়।

রাশেদুর রহমান বলেন, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, এয়ারলাইনস, পর্যটক পরিবহন, ক্রুজিং, ট্যুর গাইড, বিচ হর্স রাইডার, বিচ ফটোগ্রাফার সার্ফিং অ্যাসিস্টেন্ট, বিচ রাইডার, ঝিনুকের কারুপণ্য বিক্রেতাসহ পর্যটন খাতের সাথে যুক্ত ১২টি উপখাতের ১১৯ ধরনের কাজের কর্মী ও ছোট-বড় ব্যবসায়ীর জীবন-জীবিকা।

‘বকশিশ আর টিপস আমাদের মজুরি’
পর্যটনকে আলাদা মন্ত্রণালয় করার দাবি জানিয়েছে খাতসংশ্লিষ্টরা। ছবি: নিউজবাংলা

পর্যটনশিল্পের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে পর্যটনের একটি উপখাত পর্যটন পরিবহনের অংশ বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নামে বরাদ্দের ৮০ শতাংশের বেশি খরচ করা হয় বিমান রক্ষণাবেক্ষণে।

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে মোট ৩ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঘোষিত সাধারণ ছুটি আর বিধিনিষেধের ফলে ২০২০ সালে বাংলাদেশের পর্যটন খাত প্রায় ৫ মাস সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল, বাকি ৫ মাস চলেছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

সংগঠনটির নেতারা বলছেন, পর্যটন খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই সময়ে বরাদ্দকৃত বাজেটের ২ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু সে অর্থ বিমান আর পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ ছাড়া বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়নে কোথায় ব্যয় হয়েছে তা পর্যটনসংশ্লিষ্টদের কাছে দৃশ্যমান নয়।

পর্যটনশিল্প-সংশ্লিষ্ট কোনো খাতের বিনিয়োগকারী, কিংবা শ্রমিক-কর্মচারী কেউ এক টাকাও সহায়তা পাননি বলে জানান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন।

তিনি বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৪ হাজার ৩২ কোটি টাকা। অর্থাৎ বাজেট বরাদ্দে পর্যটন খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মরত প্রায় ৪০ লাখ দক্ষ শ্রমিক-কর্মচারী যারা প্রায় বছরব্যাপী কর্মহীন হয়ে, বেতন ছাড়া বাধ্যতামূলক ছুটিতে থেকে উপার্জনহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

লিপন বলেন, ‘১৯৯৯ সালে পর্যটনকে আবশ্যকীয় শিল্প বলে উল্লেখ করা হলেও করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত প্রায় সোয়া ১ লাখ কোটি টাকার প্যাকেজে পর্যটন খাতের স্থান হয়নি। বিমান মন্ত্রণালয় বিমানের ঘাটতি পূরণে বাজেট থেকে বরাদ্দ নিতে যে পরিমাণ ব্যস্ত থাকে, সে তুলনায় পর্যটনের বাকি খাতগুলো থাকে উপেক্ষিত।’

সংগঠনের পক্ষ থেকে দেয়া সাতটি দাবি হলো-

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে পর্যটনের জন্য স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠন করা।

পর্যটন খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের শ্রম অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান শ্রম আইনের শিল্প তালিকায় উপঘাতসহ পর্যটনশিল্পকে যুক্ত করা এবং পর্যটন খাতে শ্রম আইনের বাস্তবায়ন করা।

পর্যটনকেন্দ্রিক জেলাসমূহে শ্রম আদালত, শ্রম পরিচালক ও শ্রম পরিদর্শকের দপ্তর চালু করা। মজুরি কাঠামো এবং বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে মজুরি পুনর্নির্ধারণের পদ্ধতি সুনির্দিষ্ট করা।

পর্যটন খাতে নিয়োগের ক্ষেত্রে হোটেল-রেস্তোরাঁ আইন ২০১৪-এর বাস্তবায়ন এবং বিদেশি বা স্বজনপ্রীতি নয়, পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন বাংলাদেশিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রধিকার দেয়া।

করোনায় চরমভাবে বিপর্যস্ত পর্যটন খাতের পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা এবং পর্যটন শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তা দিতে বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ দেয়া।

করোনার টিকা প্রদানে সরাসরি পণ্য এবং সেবা উৎপাদনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেয়া।

যেকোনো দুর্যোগে পর্যটনশিল্প ও শ্রমিকদের সুরক্ষা এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের অবসরকালীন নিরাপত্তায় ভবিষ্য তহবিল গঠন করা। রাষ্ট্রের সকল অবকাঠামো নির্মাণ পরিকল্পনা ও নকশা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় পর্যটন বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা।

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন

জবির বেঁচে যাওয়া অর্থে শিক্ষাবৃত্তি দেয়ার দাবি

জবির বেঁচে যাওয়া অর্থে শিক্ষাবৃত্তি দেয়ার দাবি

পরিবহন খাতে প্রতি মাসে ভাড়ায় চালিত বিআরটিসির বাস এবং নিজস্ব বাসের তেল, গ্যাস বাবদ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয়। তবে করোনা মহামারির কারণে দেড় বছর ধরে এই ব্যয় সংকোচন হয়েছে। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন খাত নয়, এমন অনেক সেবা বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ বিল থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় সংকোচন হয়েছে। এসব খাতে বেঁচে যাওয়া অর্থ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয়ের দাবি উঠেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের পরিবহনসহ নানা খাতে বেঁচে যাওয়া অর্থে শিক্ষাবৃত্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রসংগঠনের নেতাসহ অনেকেই।

পরিবহন খাতে প্রতি মাসে ভাড়ায় চালিত বিআরটিসির বাস এবং নিজস্ব বাসের তেল, গ্যাস বাবদ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয়।

তবে করোনা মহামারির কারণে দেড় বছর ধরে এই ব্যয় সংকোচন হয়েছে। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন খাত নয়, এমন অনেক সেবা বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ বিল থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় সংকোচন হয়েছে। এসব খাতে বেঁচে যাওয়া অর্থ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয়ের দাবি উঠেছে।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর সংক্রমণ রোধে ১৮ মার্চ থেকে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ রয়েছে। চলছে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজকর্ম। তবে জুলাইয়ে বিভিন্ন বর্ষের আটকে থাকা পরীক্ষা সশরীরে হতে পারে। আগামী ১৩ জুন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জগন্নাথের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী মেসে কিংবা ভাড়া বাসায় থাকেন। করোনাকালে অনেক শিক্ষার্থীই আর্থিক সংকটে পড়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা শুরু হলে নতুন করে ঢাকায় এসে মেস ভাড়া নেয়া, পরীক্ষা ফি, সেশন ফি দেয়াসহ নানা ধরনের খরচের মুখে পড়বেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৫-এর ২৭(৫) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সরকার বা অন্যান্য বৈধ উৎস হইতে প্রাপ্ত অনুদান বা আয় হইতে প্রয়োজনের নিরিখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি বা ক্ষেত্রমতে উপবৃত্তি প্রদান করিতে পারিবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ছাত্রনেতারা জানান, বিভিন্ন খাতের বেঁচে যাওয়া অর্থ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের কাজে ব্যবহার করলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।

রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামির হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতের বেঁচে যাওয়া অর্থ শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও গবেষণা খাতে ব্যয় করা যেতে পারে। করোনার সময়ে শিক্ষার্থীরা গ্রামে চলে যাওয়ায় টিউশনি হারিয়েছে, আর্থিক সংকটে আছে। এখন যতজন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়, বৃত্তির সংখ্যাটা তার থেকে যদি আরও বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (জবিশিস) সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আবদুল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ফি মওকুফের জন্য বলা হবে।’

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে ইউজিসি থেকে অনুমোদন নিয়ে এক খাতের অর্থ অন্য খাতে ব্যয় করতে পারে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ রায় বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সংগঠন যৌথভাবে করোনার শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সম্পূরক বৃত্তির ব্যবস্থা করতে দাবি জানিয়েছিলাম। যা-ই হোক, এখন যেহেতু ক্যাম্পাস খুলবে শিক্ষার্থীরা ঢাকায় আসবে মেস নেবে, আরও খরচ আছে। বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন খাতের বেঁচে যাওয়া অর্থ সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করতে পারে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্র অধিকার পরিষদের আবু বকর বলেন, ‘প্রশাসন চাইলেই বিভিন্ন খাতে খরচ না হওয়া অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা করতে পারে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো ইমদাদুল হক বলেন, ‘এসব ফান্ড করতে একা কোনো সিদ্ধান্ত তো নেয়া যায় না, সিন্ডিকেট মিটিং কিংবা কাউন্সিল মিটিংয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আর আমি যোগদান করলাম তো বেশি দিন হয়নি। ফান্ডে কত টাকা আছে তাও জানি না।’

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন

এলএসডি উদ্ধার: সেই তিন ছাত্র শ্রীঘরে

এলএসডি উদ্ধার: সেই তিন ছাত্র শ্রীঘরে

তিন ছাত্র হলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব (রূপল) ও আসহাব ওয়াদুদ (তুর্য) এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির আদিন আশরাফ।

রাজধানীর একটি বাসা থেকে এলএসডি মাদক জব্দের মামলায় গ্রেপ্তার বেসরকারি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম নিভানা খায়ের জেসী তাদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

তিন ছাত্র হলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব (রূপল) ও আসহাব ওয়াদুদ (তুর্য) এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির আদিন আশরাফ।

ধানমন্ডি থানায় করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সালাহউদ্দিন কাদের।

সাদমান সাকিব ও আদিন আশরাফের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করেন ধানমন্ডি থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই সাইফুর রহমান।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন এসআই সাইফুর রহমান। গত ৩০ মে আসামিদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিল আদালত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে নেমে এলএসডির সন্ধান পায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

২৬ মে রাতে রাজধানীর একটি বাসা থেকে এলএসডি নামক (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) মাদক জব্দ করে ঢাকা মহানগর ডিবির রমনা বিভাগ।

এলএসডি বিক্রির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এ তিন ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। এ সময় এই তিনজনের কাছ থেকে ২০০টি এলএসডি জব্দ করা হয়। প্রতিটি এলএসডি তারা তিন হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করতেন।

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন

পথের ধারে লাল ফুল

পথের ধারে লাল ফুল

যান্ত্রিকতার নগরে উন্নয়নের হিড়িকের মধ্যেও চোখের প্রশান্তি দিচ্ছে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। বিমানবন্দর সড়কের সড়কদ্বীপে দেখা মিলল নৌকায় বানানো ফুলের বাগান। বৃষ্টির গন্ধ গায়ে মেখে ফুটে আছে লাল ফুল।

গ্রীষ্মের গরম শেষে প্রকৃতির নিয়মে আসছে বর্ষার দিন। ইট-কাঠ-পাথরের ঢাকায় স্বস্তি ফেরাতে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করছে সরকার।

পথের ধারে লাল ফুল

রাজধানী জুড়ে চলছে উন্নয়ন কাজ। জীবিকার তাগিদে দারুণ ব্যস্ত জনপদ, মানুষের ছোটাছুটি।

পথের ধারে লাল ফুল

যান্ত্রিক নগরে উন্নয়নের হিড়িকের মধ্যেও চোখের প্রশান্তি দিচ্ছে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ।

পথের ধারে লাল ফুল

বিমানবন্দর সড়কের সড়কদ্বীপে দেখা মিলল নৌকায় বানানো ফুলের বাগান।

পথের ধারে লাল ফুল

নৌকা আকৃতির কাঠামোর মধ্যে মাটি ফেলে সেখানে রোপন করা হয়েছে ফুলের চারা। বৃষ্টির গন্ধ গায়ে মেখে ফুটে আছে লাল রঙা ফুল।

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন

টিকার আবেদন করেননি জবির ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী

টিকার আবেদন করেননি জবির ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কবে টিকা দেওয়া হবে সেটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। যেসব শিক্ষার্থীর এনআইডি নেই তাদের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে কথা বলে জানাব।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রায় ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনা টিকার জন্য আবেদন করেননি। রেজিষ্ট্রেশনের শেষ সময় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোট ৯৪৫৪ জন আবেদন করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নেটওয়ার্ক এন্ড আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য শুক্রবার নিউজবাংলার প্রতিবেদককে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন বিভিন্ন অনুষদ, ইনস্টিটিউট, এম. ফিল. ও পিএইচডি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বমোট ১৪৫৬৫ জন। তাদের মধ্যে আবেদন করেছেন প্রায় ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত এ আবেদনের সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আবেদনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে আইটি দপ্তরের পরিচালক বলেন, ‘এখনকার মতো রেজিস্ট্রেশনের সময় শেষ। তবে আমাদের কিছু শিক্ষার্থী বাকি আছে। রবিবার দেখা যাক কী সিদ্ধান্ত হয়। আর যারা এনআইডির জন্য আবেদন করতে পারেনি তাদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কবে টিকা দেওয়া হবে সেটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। যেসব শিক্ষার্থীর এনআইডি নেই তাদের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে জানাব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী এবং এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনতে গত ৩ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করার সময় শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার।

আরও পড়ুন:
মাস্ক না পরলেই করোনা পরীক্ষা
মাস্ক পরাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার চিন্তা
মাস্ক না পরলে ‘স্ট্রং অ্যাকশন’
আইআইটির নতুন মাস্ক, সংস্পর্শে এলেই মরবে করোনা
ঘরে বাইরে মাস্ক পরুন: ডিসি শাহিদা সুলতানা

শেয়ার করুন