ডাক্তার সেজে করোনার জাল সনদ বিক্রি, ৪ জন রিমান্ডে

ডাক্তার সেজে করোনার জাল সনদ বিক্রি, ৪ জন রিমান্ডে

তেজগাঁও থানাধীন পুরাতন এয়ারপোর্ট রোডের বিজয় সরণির ‘সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার’ নামক প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে সোমবার তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পুলিশ বলছে, তারা নিজেরাই ডাক্তার সেজে কোভিড-১৯ এর জাল সনদ তৈরির পাশাপাশি বিদেশগামী যাত্রীদের কাছে তা বিক্রি করতেন।

করোনাভাইরাস পরীক্ষার জাল সনদ বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার চারজনকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

তারা হলেন- মো. ইলিয়াস, দীপক চন্দ্র বৈদ্য, জাকির হোসেন ও মো. নুরনবী।

পুলিশ বলছে, তারা নিজেরাই ডাক্তার সেজে কোভিড-১৯ এর জাল সনদ তৈরির পাশাপাশি বিদেশগামী যাত্রীদের কাছে তা বিক্রি করতেন।

সোমবার তেজগাঁও থানাধীন পুরাতন এয়ারপোর্ট রোডের বিজয় সরণির ‘সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার’ নামক প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় নায়েব সুবেদার সামসুল আলম তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় মঙ্গলবার বিকেলে চার আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার এসআই হযরত আলী মিলন তাদেরকে পাঁচ দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামিরা অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির। তারা একটি সংঘবদ্ধ জাল সনদপত্র জালিয়াতি চক্রের সক্রিয় সদস্য। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আসামিরা নিজেরাই ডাক্তার সেজে কোভিড-১৯ এর জাল সনদ তৈরিসহ বিদেশগামী যাত্রীদের কাছে তা বিক্রি করে নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করতেন।

জাল সনদকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করণের লক্ষ্যে বিভিন্ন লোকজনের কাছে এই জাল সনদপত্র বিক্রি করতেন। তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র, যার সদস্যরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন। এই ধরনের অপরাধীরা জাল সনদপত্র তৈরি করে দেশের জনগণের ব্যাপক ক্ষতি করছে।

এ অবস্থায় ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, সংঘবদ্ধ জাল সনদপত্র জালিয়াতি চক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং আসামিদের কাছে থাকা আরও জাল সনদ উদ্ধারের জন্য তাদেরকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

শুনানি শেষে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম মামুনুর রশীদ প্রত্যেকের দুই দিন করে অনুমতি দেন।

শুনানিতে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গুলশানে সুইমিংপুলের পাশে নারীর মরদেহ

গুলশানে সুইমিংপুলের পাশে নারীর মরদেহ

গুলশান থানার এসআই রনি নিউজবাংলাকে জানান, গুলশান-২-এর ৬৯ নম্বর রোডের, ৯ নম্বর বাড়ির সুইমিংপুলের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, ‘ভবনটি ১২তলা। আমরা যতটুকু দেখলাম তিনি ওপর থেকে নিচে পড়েছেন। কীভাবে পড়েছেন তার তদন্ত চলছে। ইসরাত জেবিন মিতুর স্বামী নাইম আহম্মেদ একটা ডেভেলপার কোম্পানির ডিরেক্টর। মিতুও ওই কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন।’

রাজধানীর গুলশানের একটি বহুতল ভবনের সুইমিংপুলের পাশ থেকে ইসরাত জেবিন মিতু নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মিতু একটি আবাসন কোম্পানির পরিচালক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রনি নিউজবাংলাকে জানান, সোমবার বেলা পৌনে ২টার দিকে গুলশান-২-এর ৬৯ নম্বর রোডের ৯ নম্বর বাড়ির সুইমিংপুলের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

রনি বলেন, ‘ভবনটি ১২তলা। আমরা যতটুকু দেখলাম তিনি ওপর থেকে নিচে পড়েছেন। কীভাবে পড়েছেন তার তদন্ত চলছে। ইসরাত জেবিন মিতুর স্বামী নাইম আহম্মেদ একটা ডেভেলপার কোম্পানির ডিরেক্টর। মিতুও ওই কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন।’

প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি কীভাবে ঘটতে পারে বলে মনে হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে এসআই রনি বলেন, ‘এটা এখনই বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে।’

তিনি জানান, মিতুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ঘটনার সময় তার স্বামী বাসায় ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই নারীর স্বামীর নাম নাজ রাজন নাইম আহমেদ। তার বাবার নাম আব্দুল মুকিত দেওয়ান। যতদূর শুনেছি আব্দুল মুকিত হোটেল লা মেরিডিয়ানের মালিকের একজনের ভাই। তারা ৭ ভাই। তিনি তাদের একজন। তবে বড় ভাই নাকি ছোট ভাই সেটা জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৃতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। আমাদের পুলিশ সেখানে আছে। এখনও মামলা হয় নাই।’

ভবনটির সিকিউরিটি গার্ড হুমায়ুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ম্যাডামকে গতকাল সন্ধার আগে দেখেছি নিচ দিয়ে ঘুরাঘুরি করতে। তার বান্ধবীরা আসছিলেন। তাদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে ডিউটিতে এসে আগের ডিউটিতে যারা ছিলেন তাদের কাছ থেকে শুনলাম, সুইমিংপুলের পাশে ম্যাডামকে পাওয়া গেছে। এও শুনলাম, উনি নাকি উপর থেকে পড়েছেন। ম্যাডাম স্বামীর সঙ্গে ৯ তলায় থাকতেন। সুইমিংপুল বাড়ির পেছনের দিকে।’

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন

দুই বাসের পাল্লায় পিষে গেল তরুণের মাথা

দুই বাসের পাল্লায় পিষে গেল তরুণের মাথা

পুলিশ জানিয়েছে, মেহেদী তুরাগ পরিবহনের একটি বাসে করে যাচ্ছিলেন। তিনি বাসের পেছনের দিকে জানালার পাশের এক সিটে ছিলেন। তার মাথা বাসের জানালার বাইরে ছিল। এ সময় আকাশ পরিবহনের একটি বাস তুরাগের বাসটির সঙ্গে পাল্লা দেয়। আকাশ পরিবহনের বাসটি পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মেহেদীর মাথা পিষে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

রাজধানীর মালিবাগের চৌধুরীপাড়া এলাকায় তুরাগ ও আকাশ পরিবহনের দুটি বাসের পাল্লায় মাঝে পড়ে মাথা পিষে গেছে মেহেদী হাসান নামের এক তরুণের।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই ওই তরুণের মৃত্যু হয়। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকের দুটি বাসই জব্দ করা হয়েছে।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে জানতে চাইলে হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান নিউজবাংলাকে বলেন, মেহেদী তুরাগ পরিবহনের একটি বাসে করে যাচ্ছিলেন। তিনি বাসের পেছনের দিকে জানালার পাশের এক সিটে ছিলেন। তার মাথা বাসের জানালার বাইরে ছিল। এ সময় আকাশ পরিবহনের একটি বাস তুরাগের বাসটির সঙ্গে পাল্লা দেয়। আকাশ পরিবহনের বাসটি পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মেহেদীর মাথা পিষে দেয়। ঘটনার পর থেকে বাস দুটির চালক ও তাদের সহকারীরা পলাতক রয়েছেন।

তিনি বলেন, নিহত তরুণের পরিবারের সদস্যরা থানায় এসেছেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান এসআই শাহজাহান।

২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল রাজধানীর সার্ক ফোয়ারার কাছে দুই বাসের রেষারেষিতে ডান হাত হারান মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন। এর কয়েকদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন

ঢাকা মেডিক্যালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত

ঢাকা মেডিক্যালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত

রোগীটি করোনাভাইরাসেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মাথাব্যথা, সাইনোসাইটিস এবং ডানচোখে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসক শাহরিয়ার আহমেদ সৌরভের অধীনে চিকিৎসা চলছে তার। চোখে যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ছড়িয়েছে এটা রিমুভ করার সুযোগ নেই।

খুলনা থেকে ডানচোখে সমস্যা নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন চিকিৎসা করাতে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রোগীটি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীটি দুই দিন আগেই শনাক্ত হয় বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. ফরহাদ হাছান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে একজন পুরুষ শনাক্ত করা হয়েছে। গত সপ্তাহে খুলনা চিকিৎসা নিতে হাসপতালে ভর্তি হন। এর আগে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন।’

এই রোগীর চিকিৎসা চলছে জানিয়ে ফরহাদ হাছান বলেন, ‘আমি তাকে ফাঙ্গাস ইনফেকশন সন্দেহ করি এবং নাক কান গলা বিভাগের সহযোগিতা নিয়ে সাইনাস অপারেশন করি। তারপর ওখানকার স্যাম্পল নিয়ে ফাঙ্গাস টেস্ট করতে দিই। রোগীর হিস্টোপ্যাথলজি, মাইক্রোস্কপি আর কালচার তিনটাতেই মিউকর মাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়। বর্তমানে রোগীর এম্ফোটেরিসিন-বি দিয়ে চিকিৎসা চলছে। মাইক্রোবায়োলজিক্যাল পরীক্ষাগুলো করেন বারডেম হাসপাতালের প্রফেসর লাভলি বাড়ৈ।

তিনি জানান, রোগীটির মাথাব্যথা, সাইনোসাইটিস এবং ডানচোখে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। চিকিৎসক শাহরিয়ার আহমেদ সৌরভের অধীনে চিকিৎসা চলছে। চোখে যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ছড়িয়েছে এটা রিমুভ করার সুযোগ নেই।

চোখ ফেলে দেয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জাবাবে ফরহাদ হাছান বলেন, ‘আমরা চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, ওনি সুস্থ হয়ে যাবেন।’

আর আগে গত ২৫ মে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপসর্গ নিয়ে দেশে একজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছিল বারডেম জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘোষণার তিনদিন আগে ওই রোগীর মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত ব্ল্যাকফাঙ্গাস শনাক্ত হয়েছে তিনজনের শরীরে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে নতুন আতঙ্কের নাম এখন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। মহামারিতে নাজেহাল ভারতে ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে এই ছত্রাকের সংক্রমণ। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশেও রোগটি শনাক্তের খবর আসছে।

গত এক-দেড় মাসে ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্তদের প্রায় সবাই করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠার কিছুদিনের মধ্যে ছত্রাকটিতে আক্রান্ত হন।

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন

মদের ‘কারবারেও’ নাসির

মদের ‘কারবারেও’ নাসির

পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির ইউ আহমেদকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

নাসির মাহমুদকে গ্রেপ্তারের পর ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ জানান, ‘আমরা যাদের গ্রেপ্তার করেছি, তাদের কাজই মদের ব্যবসা করা। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন নাসির। তিনি এই কাজই করেন। তিনি বিভিন্ন ছোট ছোট মেয়েকে রক্ষিতা রাখেন। আমরা এখনও তদন্ত করছি।’

চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী পরীমনিকে হত্যা ও ধর্ষণচেষ্টার মামলায় আটক নাসির ইউ মাহমুদ মদের ব্যবসা করেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ। তা ছাড়া যৌনকাজে ব্যবহারের জন্য তিনি ভাড়া করা মেয়েদের সঙ্গে রাখতেন বলেও অভিযোগ করেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

পরীমনির ঘটনায় সোমবার দুপুরে নাসির ইউ মাহমুদসহ পাঁচজনকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ।

গ্রেপ্তারের পর সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হারুন-অর-রশিদ।

তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের গ্রেপ্তার করেছি, তাদের কাজই মদের ব্যবসা করা। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন নাসির। তিনি এই কাজই করেন। তিনি বিভিন্ন ছোট ছোট মেয়েকে রক্ষিতা রাখেন। আমরা এখনও তদন্ত করছি।’

যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ আরও বলেন, ‘আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করব। প্রয়োজন হলে তাদের রিমান্ডে আনব। যেহেতু আমরা মাদক পেয়েছি, সেই কারণে আমরা মাদকের একটি মামলা করব ডিএমপি থেকে।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু সাভারে একটি স্বাভাবিক মামলা হয়েছে, আমরা সাভার থানা পুলিশকে জানাব।’

হারুন-অর-রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা শনিবার রাত থেকেই খোঁজখবর রাখছিলাম। যেহেতু মামলা হয়নি তাই গ্রেপ্তার করতে পারিনি। এখন মামলা হয়েছে, আমরা তাকে আজ ৩টার সময় উত্তরার বাসা থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছি। তবে এই বাসায় অমি থাকে। নাসির এই বাসায় এসে পালিয়ে ছিলেন। সাথে তিনজন রক্ষিতাকে নিয়ে এসেছিলেন। তার আগের অভিযোগের আমরা তদন্ত করছি।’

মদের ‘কারবারেও’ নাসির
নাসির ইউ মাহমুদ

হারুন বলেন, ‘পরীমনি স্বনামধন্য নায়িকা। তিনি সেখানে যেতেই পারেন। তার মানে তো এই না যে তাকে হ্যারাস করবে। আবার আসলেই সেখানে কী ঘটেছে সেটিও দেখতে হবে।’

শনিবার পরীমনি যে অভিযোগ করেছিলেন, সেটি থানায় আমলে নেয়া হয়নি– এই বিষয়ে কী করবেন জানতে চাইলে হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমরা পরীমনির সাথে কথা বলব। আমরা প্রতিটি অভিযোগকে খতিয়ে দেখছি। আমরা তো এদের সাভার থানার মামলা থেকেই গ্রেপ্তার করেছি। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

নাসির ইউ মাহমুদ বা নাসির উদ্দিন মাহমুদ জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। তিনি কুঞ্জ ডেভেলপার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান। ছিলেন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান। গ্রেপ্তার অপর চারজনের নাম জানা যায়নি।

পরীমনি রোববার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনার কয়েক ঘণ্টা পর বিষয়টির বিস্তারিত নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে আসেন।

পরীমনি জানান, ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরা বোট ক্লাবে। নাসির উদ্দিন নামে একজন তাকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে এই ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিলেন।

মদের ‘কারবারেও’ নাসির
নাসির ও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন নায়িকা পরীমনি

যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘যারা এভাবে রাতের বেলা বিভিন্ন ক্লাবে গিয়ে উঠতি বয়সী মেয়েদের ব্যবহার করে, অসামাজিক কার্যকলাপ চালায়, তাদের বিরুদ্ধে এখন থেকে আমাদের অভিযান চলবে। ঢাকা শহরের গুলশান, বনানী স্থানে রাত ৮টা-৯টার দিকে উঠতি বয়সী মেয়ে ক্লাবে গিয়ে ডিজে পার্টির নামে অনাচার করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

বোট ক্লাবে অভিযান চালানো হয়েছে কি না জানতে চাওয়া হলে হারুন বলেন, ‘যেহেতু মামলা হয়েছে সাভার থানায়, আমরা একটা রিকুইজিশন পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছি। এখন যেহেতু একটা মামলা আমাদের এখানে আছে, মাদকের মামলা, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বোট ক্লাবে যাব। আরও কোনো আসামি যুক্ত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখব।’

এই ঘটনায় এত তাড়াতাড়ি গ্রেপ্তার হলেও সাম্প্রতিক অপর একটি ঘটনায় সায়েম সোবহান আনভির কেন গ্রেপ্তার হননি, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যখন আমাদেরকে রিকুইজিশন দেবে, আমরা তখন তাৎক্ষণিক অ্যাকশন নিচ্ছি। আনভিরের মামলা যদি গুলশান থানা পুলিশ আমাদের রিকুইজিশন দেয়, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেব।’

পরীমনি কীভাবে সেখানে গিয়েছিলেন, সেটি জানতে পেরেছেন কিনা প্রশ্ন করা হলে হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমরা যেহেতু গ্রেপ্তার করেছি, আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করব। আমরা পরীমনিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করব। তখন আমরা জানাব।’

আসামিকে সাভার থানায় পরে হস্তান্তর করা হবে জানিয়ে হারুন বলেন, ‘আমরা যেহেতু মাদক পেয়েছি, সেহেতু এখানে একটি মামলা হবে। এরপর সাভার থানা পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন

ব্যাংকের টাকা উত্তোলনকারীদের অপহরণ; আটক ২

ব্যাংকের টাকা উত্তোলনকারীদের অপহরণ; আটক ২

অপহরণ ও ছিনতাই চক্র মোল্লা গ্যাংয়ের নয়ন মোল্লা ও শহিদুল ইসলামকে আটক করেছে র‍্যাব-১০। ছবি: নিউজবাংলা

এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব বলেন, আটককৃতরা মতিঝিল, দিলকুশা ও পল্টন এলাকাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাংক থেকে মোটা অংকের টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিদেরকে চিহ্নিত করতো। তারা ডিবি, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার ভুয়া পরিচয় দিয়ে টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিদের অপহরণ করত। এর পর তাদের টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ফাঁকা রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যেত।

রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পরিচয় দিয়ে ‘অপহরণকারী চক্রের’ দুই সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করেছে র‌্যাব।

এরা হলেন অপহরণ ও ছিনতাই চক্র মোল্লা গ্যাংয়ের নয়ন মোল্লা ও শহিদুল ইসলাম।

সোমবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে তাদের বিদেশী অস্ত্রসহ আটক করে র‌্যাব-১০।

র‍্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মতিঝিল পার্ক এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশী রিভলবার ও তিন রাউন্ড এ্যামুনেশনসহ মোল্লা গ্যাংয়ের দুই জন অবৈধ অস্ত্রধারী সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এসময় একটি সুইজ গিয়ার চাকু, এক জোড়া হাতকরা, একটি দড়ি, তিনটি মোবাইল ফোন ও দুই হাজার ৬৬০ টাকা জব্দ করা হয়।

এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব বলেন, আটককৃতরা পেশাদার ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। তারা বেশ কিছুদিন ধরে মতিঝিল, দিলকুশা ও পল্টন এলাকাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাংক থেকে মোটা অংকের টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিদেরকে চিহ্নিত করতো। তারা ডিবি, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার ভুয়া পরিচয় দিয়ে টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিদের অপহরণ করত। এর পর তাদের টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ফাঁকা রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যেত।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন

পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে আটক ১৩ ‘দালাল’

পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে আটক ১৩ ‘দালাল’

আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে আটক ‘দালাল চক্রের’ ১৩ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা।

র‍্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে দালাল চক্রের সক্রিয় ছয় সদস্যকে আটক করে ১ মাস করে কারাদণ্ড ও সাত জনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছে র‌্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।’

রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে ‘দালাল চক্রের’ সক্রিয় ১৩ সদস্যকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত র‌্যাব-২ এর উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আনিছুর রহমান ও র‌্যাব-২ এর সিপিসি-২ কোম্পানী কমান্ডার মেজর মির্জা আহমদ সাইফুর রহমান।

র‍্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে দালাল চক্রের সক্রিয় ছয় সদস্যকে আটক করে ১ মাস করে কারাদণ্ড ও সাত জনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছে র‌্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।’

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, তুহিন শেখ, মো. সোহাগ, মেহেদী হাসান হান্নান, মো. নুরুজ্জামান, মো. সেলিম, ইমদাদ হোসেন, মো. সুমন, আবুল খায়ের, জসিম উদ্দিন, সুমন কাজী, মো. দারোগালী, খোরশেদ আলী ও সোহেল রানা।

এএসপি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র অল্প সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট করে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন কৌশলে জনসাধারণের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছিল। এমনকি পাসপোর্ট ফি জমা দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া, ভুয়া সিল, সত্যয়ন, জাল ব্যাংক ভাউচার, ভুয়া চিঠিপত্র তৈরী করা, ভুয়া পাসপোর্ট দিয়ে জনসাধারণকে হয়রানি করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, অভিযান পরিচালনাকালে সে সমস্ত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান আটকদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে।

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন

বোট ক্লাব বলল, বারে সিসি ক্যামেরা ছিল না

বোট ক্লাব বলল, বারে সিসি ক্যামেরা ছিল না

সাভারের বিরুলিয়ায় বোট ক্লাবের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত

 ঢাকা বোট ক্লাবের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বারে ছোটখাটো দুয়েকটা ইন্সিডেন্স হয়। অনেক সম্মানিত সদস্য হয়তো স্বাভাবিকের চেয়ে এক পেগ বেশি ড্রিঙ্ক করে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকেন না। তখন তাদের আমাদের লোকজন সম্মানের সাথে গাড়িতে তুলে দেন। অথবা বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেন। ওই দিনের ঘটনাকে বারের লোকজন হয়তো এ রকম একটা ঘটনা মনে করেছিলেন।’

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনাস্থল ঢাকা বোট ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরীমনি ওই দিন ক্লাবে এসেছিলেন, এটি তারা নিশ্চিত হয়েছেন। তবে সেখানে অপরাধমূলক কিছু ঘটেছে কি না এটা তারা ঘটনার সময় বুঝতে পারেননি।

ক্লাবের পক্ষ থেকে এটির এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য (অ্যাডমিন) বখতিয়ার আহমেদ খান সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যিনি অভিযুক্ত, তিনি এই ক্লাবের একজন সদস্য। আমাদের ক্লাবে প্রায় ২ হাজার সদস্য রয়েছেন।

‘পরীমনি এই ক্লাবের সদস্য না। তিনি কোনো সদস্যের সঙ্গে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন। ওই দিন পরীমনি এসেছিলেন, এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে ঠিক কী ঘটেছে তা বলতে পারছি না। এখানে একটা লাইসেন্সড বার রয়েছে। সদস্যদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার জন্য বারের ভিতরে কোনো সিসি ক্যামেরা রাখা হয়নি।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সব সদস্য বারে প্রবেশ করতে পারেন না। সাধারণত যাদের ড্রিঙ্কিং লাইসেন্স রয়েছে, তারা প্রবেশ করেন। হয়তো দু-একজন অতিথিও সেখানে প্রবেশ করেন।

‘বারে ছোটখাটো দুয়েকটা ইন্সিডেন্স হয়। অনেক সম্মানিত সদস্য হয়তো স্বাভাবিকের চেয়ে এক পেগ বেশি ড্রিঙ্ক করে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকেন না। তখন তাদের আমাদের লোকজন সম্মানের সাথে গাড়িতে তুলে দেন। অথবা বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেন। ওই দিনের ঘটনাকে বারের লোকজন হয়তো এ রকম একটা ঘটনা মনে করেছিলেন।

‘তবে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ দেখে আমরা বুঝতে পারলাম, এটা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা ছিল না। তবে তা ক্লাবের নির্দিষ্ট সময়ের পর বা রাত ১১টার পর ঘটেছে।

এই ঘটনা নিয়ে আমাদের ক্লাবের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তদন্ত করছে, তাই এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।’

বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, এই ঘটনা ক্লাবের ভাবমূর্তির সাথে যায় না।

আরও পড়ুন:
রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা ‘রে’র ট্রেলার
হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের
দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি
৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধে নাটোর
গুম নেতা-কর্মীদের খুঁজে বের করবে বিএনপি

শেয়ার করুন