বার্জার পেইন্টসকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

বার্জার পেইন্টসকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

ডিএনসিসি এলাকায় এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে মঙ্গলবারের এই অভিযানে ২২টি মামলায় সর্বমোট ৬ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বার্জার পেইন্টসকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবারের এই অভিযানে ২২টি মামলায় সর্বমোট ৬ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এর মধ্যে ডিএনসিসির এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন পরিচালিত অভিযানে চারটি মামলায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

একই অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত ফেরদৌস পরিচালিত অভিযানে দুটি মামলায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এস এম শফিউল আজম পরিচালিত অভিযানে সাতটি মামলায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং চার নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজ পরিচালিত অভিযানে তিনটি মামলায় এক হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ছয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি মামলায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

এ ছাড়া ডিএনসিসির সমগ্র এলাকার জন্য নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত অভিযানে বার্জার পেইন্টসকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এসব অভিযানে পাঁচটি মামলায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এভাবে মোট ২২টি মামলায় আদায়কৃত জরিমানার পরিমাণ ৬ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টাকা।

অভিযান চলাকালে মাইকিং করে জনসচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলামের আহ্বান ‘তিন দিনে এক দিন, জমা পানি ফেলে দিন’ মানার পাশাপাশি ও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মদের ‘কারবারেও’ নাসির

মদের ‘কারবারেও’ নাসির

পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির ইউ আহমেদকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

নাসির মাহমুদকে গ্রেপ্তারের পর ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ জানান, ‘আমরা যাদের গ্রেপ্তার করেছি, তাদের কাজই মদের ব্যবসা করা। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন নাসির। তিনি এই কাজই করেন। তিনি বিভিন্ন ছোট ছোট মেয়েকে রক্ষিতা রাখেন। আমরা এখনও তদন্ত করছি।’

চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী পরীমনিকে হত্যা ও ধর্ষণচেষ্টার মামলায় আটক নাসির ইউ মাহমুদ মদের ব্যবসা করেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ। তা ছাড়া যৌনকাজে ব্যবহারের জন্য তিনি ভাড়া করা মেয়েদের সঙ্গে রাখতেন বলেও অভিযোগ করেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

পরীমনির ঘটনায় সোমবার দুপুরে নাসির ইউ মাহমুদসহ পাঁচজনকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ।

গ্রেপ্তারের পর সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হারুন-অর-রশিদ।

তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের গ্রেপ্তার করেছি, তাদের কাজই মদের ব্যবসা করা। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন নাসির। তিনি এই কাজই করেন। তিনি বিভিন্ন ছোট ছোট মেয়েকে রক্ষিতা রাখেন। আমরা এখনও তদন্ত করছি।’

যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ আরও বলেন, ‘আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করব। প্রয়োজন হলে তাদের রিমান্ডে আনব। যেহেতু আমরা মাদক পেয়েছি, সেই কারণে আমরা মাদকের একটি মামলা করব ডিএমপি থেকে।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু সাভারে একটি স্বাভাবিক মামলা হয়েছে, আমরা সাভার থানা পুলিশকে জানাব।’

হারুন-অর-রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা শনিবার রাত থেকেই খোঁজখবর রাখছিলাম। যেহেতু মামলা হয়নি তাই গ্রেপ্তার করতে পারিনি। এখন মামলা হয়েছে, আমরা তাকে আজ ৩টার সময় উত্তরার বাসা থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছি। তবে এই বাসায় অমি থাকে। নাসির এই বাসায় এসে পালিয়ে ছিলেন। সাথে তিনজন রক্ষিতাকে নিয়ে এসেছিলেন। তার আগের অভিযোগের আমরা তদন্ত করছি।’

মদের ‘কারবারেও’ নাসির
নাসির ইউ মাহমুদ

হারুন বলেন, ‘পরীমনি স্বনামধন্য নায়িকা। তিনি সেখানে যেতেই পারেন। তার মানে তো এই না যে তাকে হ্যারাস করবে। আবার আসলেই সেখানে কী ঘটেছে সেটিও দেখতে হবে।’

শনিবার পরীমনি যে অভিযোগ করেছিলেন, সেটি থানায় আমলে নেয়া হয়নি– এই বিষয়ে কী করবেন জানতে চাইলে হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমরা পরীমনির সাথে কথা বলব। আমরা প্রতিটি অভিযোগকে খতিয়ে দেখছি। আমরা তো এদের সাভার থানার মামলা থেকেই গ্রেপ্তার করেছি। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

নাসির ইউ মাহমুদ বা নাসির উদ্দিন মাহমুদ জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। তিনি কুঞ্জ ডেভেলপার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান। ছিলেন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান। গ্রেপ্তার অপর চারজনের নাম জানা যায়নি।

পরীমনি রোববার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনার কয়েক ঘণ্টা পর বিষয়টির বিস্তারিত নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে আসেন।

পরীমনি জানান, ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরা বোট ক্লাবে। নাসির উদ্দিন নামে একজন তাকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে এই ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিলেন।

মদের ‘কারবারেও’ নাসির
নাসির ও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন নায়িকা পরীমনি

যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘যারা এভাবে রাতের বেলা বিভিন্ন ক্লাবে গিয়ে উঠতি বয়সী মেয়েদের ব্যবহার করে, অসামাজিক কার্যকলাপ চালায়, তাদের বিরুদ্ধে এখন থেকে আমাদের অভিযান চলবে। ঢাকা শহরের গুলশান, বনানী স্থানে রাত ৮টা-৯টার দিকে উঠতি বয়সী মেয়ে ক্লাবে গিয়ে ডিজে পার্টির নামে অনাচার করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

বোট ক্লাবে অভিযান চালানো হয়েছে কি না জানতে চাওয়া হলে হারুন বলেন, ‘যেহেতু মামলা হয়েছে সাভার থানায়, আমরা একটা রিকুইজিশন পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছি। এখন যেহেতু একটা মামলা আমাদের এখানে আছে, মাদকের মামলা, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বোট ক্লাবে যাব। আরও কোনো আসামি যুক্ত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখব।’

এই ঘটনায় এত তাড়াতাড়ি গ্রেপ্তার হলেও সাম্প্রতিক অপর একটি ঘটনায় সায়েম সোবহান আনভির কেন গ্রেপ্তার হননি, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যখন আমাদেরকে রিকুইজিশন দেবে, আমরা তখন তাৎক্ষণিক অ্যাকশন নিচ্ছি। আনভিরের মামলা যদি গুলশান থানা পুলিশ আমাদের রিকুইজিশন দেয়, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেব।’

পরীমনি কীভাবে সেখানে গিয়েছিলেন, সেটি জানতে পেরেছেন কিনা প্রশ্ন করা হলে হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমরা যেহেতু গ্রেপ্তার করেছি, আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করব। আমরা পরীমনিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করব। তখন আমরা জানাব।’

আসামিকে সাভার থানায় পরে হস্তান্তর করা হবে জানিয়ে হারুন বলেন, ‘আমরা যেহেতু মাদক পেয়েছি, সেহেতু এখানে একটি মামলা হবে। এরপর সাভার থানা পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন

ঢাকা মেডিক্যালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত

ঢাকা মেডিক্যালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত শনাক্ত

রোগীটি করোনাভাইরাসেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মাথাব্যথা, সাইনোসাইটিস এবং ডানচোখে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসক শাহরিয়ার আহমেদ সৌরভের অধীনে চিকিৎসা চলছে তার। চোখে যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ছড়িয়েছে এটা রিমুভ করার সুযোগ নেই।

খুলনা থেকে ডানচোখে সমস্যা নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন চিকিৎসা করাতে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রোগীটি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীটি দুই দিন আগেই শনাক্ত হয় বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. ফরহাদ হাছান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে একজন পুরুষ শনাক্ত করা হয়েছে। গত সপ্তাহে খুলনা চিকিৎসা নিতে হাসপতালে ভর্তি হন। এর আগে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন।’

এই রোগীর চিকিৎসা চলছে জানিয়ে ফরহাদ হাছান বলেন, ‘আমি তাকে ফাঙ্গাস ইনফেকশন সন্দেহ করি এবং নাক কান গলা বিভাগের সহযোগিতা নিয়ে সাইনাস অপারেশন করি। তারপর ওখানকার স্যাম্পল নিয়ে ফাঙ্গাস টেস্ট করতে দিই। রোগীর হিস্টোপ্যাথলজি, মাইক্রোস্কপি আর কালচার তিনটাতেই মিউকর মাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়। বর্তমানে রোগীর এম্ফোটেরিসিন-বি দিয়ে চিকিৎসা চলছে। মাইক্রোবায়োলজিক্যাল পরীক্ষাগুলো করেন বারডেম হাসপাতালের প্রফেসর লাভলি বাড়ৈ।

তিনি জানান, রোগীটির মাথাব্যথা, সাইনোসাইটিস এবং ডানচোখে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। চিকিৎসক শাহরিয়ার আহমেদ সৌরভের অধীনে চিকিৎসা চলছে। চোখে যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ছড়িয়েছে এটা রিমুভ করার সুযোগ নেই।

চোখ ফেলে দেয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জাবাবে ফরহাদ হাছান বলেন, ‘আমরা চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, ওনি সুস্থ হয়ে যাবেন।’

আর আগে গত ২৫ মে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপসর্গ নিয়ে দেশে একজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছিল বারডেম জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘোষণার তিনদিন আগে ওই রোগীর মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত ব্ল্যাকফাঙ্গাস শনাক্ত হয়েছে তিনজনের শরীরে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে নতুন আতঙ্কের নাম এখন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। মহামারিতে নাজেহাল ভারতে ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে এই ছত্রাকের সংক্রমণ। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশেও রোগটি শনাক্তের খবর আসছে।

গত এক-দেড় মাসে ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্তদের প্রায় সবাই করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠার কিছুদিনের মধ্যে ছত্রাকটিতে আক্রান্ত হন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন

বোট ক্লাব বলল, বারে সিসি ক্যামেরা ছিল না

বোট ক্লাব বলল, বারে সিসি ক্যামেরা ছিল না

সাভারের বিরুলিয়ায় বোট ক্লাবের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত

 ঢাকা বোট ক্লাবের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বারে ছোটখাটো দুয়েকটা ইন্সিডেন্স হয়। অনেক সম্মানিত সদস্য হয়তো স্বাভাবিকের চেয়ে এক পেগ বেশি ড্রিঙ্ক করে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকেন না। তখন তাদের আমাদের লোকজন সম্মানের সাথে গাড়িতে তুলে দেন। অথবা বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেন। ওই দিনের ঘটনাকে বারের লোকজন হয়তো এ রকম একটা ঘটনা মনে করেছিলেন।’

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনাস্থল ঢাকা বোট ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরীমনি ওই দিন ক্লাবে এসেছিলেন, এটি তারা নিশ্চিত হয়েছেন। তবে সেখানে অপরাধমূলক কিছু ঘটেছে কি না এটা তারা ঘটনার সময় বুঝতে পারেননি।

ক্লাবের পক্ষ থেকে এটির এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য (অ্যাডমিন) বখতিয়ার আহমেদ খান সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যিনি অভিযুক্ত, তিনি এই ক্লাবের একজন সদস্য। আমাদের ক্লাবে প্রায় ২ হাজার সদস্য রয়েছেন।

‘পরীমনি এই ক্লাবের সদস্য না। তিনি কোনো সদস্যের সঙ্গে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন। ওই দিন পরীমনি এসেছিলেন, এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে ঠিক কী ঘটেছে তা বলতে পারছি না। এখানে একটা লাইসেন্সড বার রয়েছে। সদস্যদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার জন্য বারের ভিতরে কোনো সিসি ক্যামেরা রাখা হয়নি।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সব সদস্য বারে প্রবেশ করতে পারেন না। সাধারণত যাদের ড্রিঙ্কিং লাইসেন্স রয়েছে, তারা প্রবেশ করেন। হয়তো দু-একজন অতিথিও সেখানে প্রবেশ করেন।

‘বারে ছোটখাটো দুয়েকটা ইন্সিডেন্স হয়। অনেক সম্মানিত সদস্য হয়তো স্বাভাবিকের চেয়ে এক পেগ বেশি ড্রিঙ্ক করে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকেন না। তখন তাদের আমাদের লোকজন সম্মানের সাথে গাড়িতে তুলে দেন। অথবা বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেন। ওই দিনের ঘটনাকে বারের লোকজন হয়তো এ রকম একটা ঘটনা মনে করেছিলেন।

‘তবে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ দেখে আমরা বুঝতে পারলাম, এটা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা ছিল না। তবে তা ক্লাবের নির্দিষ্ট সময়ের পর বা রাত ১১টার পর ঘটেছে।

এই ঘটনা নিয়ে আমাদের ক্লাবের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তদন্ত করছে, তাই এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।’

বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, এই ঘটনা ক্লাবের ভাবমূর্তির সাথে যায় না।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন

আরমানের জেল খাটার দায় সাত পুলিশের

আরমানের জেল খাটার দায় সাত পুলিশের

মো. আরমান। ফাইল ছবি

ভুল পরিচয়ে মিরপুরের পল্লবী থেকে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর পাঁচ বছর জেল খাটতে হয় তাকে। পিবিআই তদন্ত করে দায়ী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ রকম ভুল এড়াতে চার দফা সুপারিশ করেছে।

পাঁচ বছর আগে রাজধানীর পল্লবী থেকে নিরাপরাধ মো. আরমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় পল্লবী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ সাত পুলিশ সদস্যকে দায়ী করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এই তদন্ত প্রতিবেদনে চার দফা সুপারিশ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদন সোমবার হাইকোর্টে দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনে পল্লবী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম, আরেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. দাদন ফকির, মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (বর্তমানে পরিদর্শক) সিরাজুল ইসলাম খান, আরমানকে গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনাকারী টিম প্রধান এসআই (বর্তমানে পরিদর্শক) মো. রাসেল, এএসআই (বর্তমানে এসআই) হযরত আলী, ডিউটি অফিসার এসআই (বর্তমানে পরিদর্শক) মনিয়ারা আক্তার এবং এএসআই (বর্তমানে অবসরে) খান ইমদাদুল হককে দায়ী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আরমান যেন আরেক জাহালম

এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রতিবেদনে চার দফা সুপারিশ করা হয়েছে। প্রথম দফায় বলা হয়েছে, আসামির নামের সঙ্গে তার পিতা-মাতার নাম সঠিকভাবে লিখতে হবে। দ্বিতীয় সুপারিশে আসামিকে গ্রেপ্তারের পর তার ছবি ধারণ করার কথা বলা হয়েছে।

তৃতীয় সুপারিশে বলা হয়েছে, আসামির সঠিক নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য অনুসন্ধান স্লিপের (ই/এস) সঙ্গে আসামির ছবি সংযুক্ত করতে হবে। বর্তমানে প্রচলিত অনুসন্ধান স্লিপের পরিবর্তে তদন্ত কমিটির প্রস্তাবিত ফরম ব্যবহার করতে হবে। এ জন্য ওই ফরম ছাপিয়ে সব থানায় সরবরাহ করতে হবে।

চার নম্বর সুপারিশে আসামির জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট (যদি থাকে), ড্রাইভিং লাইসেন্স (যদি থাকে) এবং জন্মনিবন্ধন সংযুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

আরমানকে বেআইনিভাবে আটকের ঘটনায় দায় নিরূপণে পিবিআইকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে পিবিআইয়ের উপ-মহাপরিদর্শককে (ডিআইজি) গত বছর ৩১ ডিসেম্বর নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সেই নির্দেশের আলোকে পিবিআই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে। কমিটির প্রতিবেদন সোমবার হাইকোর্টে দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি হাতে পেয়েছেন বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব।

‘কারাগারে আরেক জাহালম’ শিরোনামে ২০১৯ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে প্রথমে ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন একটি রিট আবেদন করে।

কিন্তু সেই আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেয় আদালত। পরবর্তীতে এ নিয়ে আরমানের মা বানু পৃথক একটি রিট আবেদন করেন। এই রিট আবেদনে শুনানি নিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দীন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেয়। রায়ে আরমানকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ারও নির্দেশ দেয় আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ৩০ আগস্ট রাতে পল্লবীর ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের ৮ নম্বর লেনের ৭ নম্বর ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে ৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ শাহাবুদ্দিন এবং তার দুই সহযোগী সোহেল মোল্লা ও মামুন ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

এরপর তাদের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে পুলিশ। এ মামলায় দুই বছর কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান শাহাবুদ্দিন।

আরও পড়ুন: অবশেষে মুক্তি পেলেন আরমান

মামলায় বিচার শেষে ২০১২ সালের ১ অক্টোবর রায় দেয় ঢাকার একটি আদালত। রায়ে শাহাবুদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ের দিন শাহাবুদ্দিন পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

এ মামলায় ২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি পুলিশ বেনারসি কারিগর মো. আরমানকে গ্রেপ্তার করে। সেই থেকে কারাবন্দি ছিলেন তিনি। গত ডিসেম্বরে হাইকোর্ট তাকে মুক্তির নির্দেশ দেয়।

মামলার মূল আসামি শাহাবুদ্দিনের পিতার নাম ইয়াসিন ওরফে মহিউদ্দিন। আর আরমানের পিতার নামও ইয়াসিন। উভয় ইয়াসিনই ছিলেন মৃত।

পিতার নামের এমন মিলের কারণে শাহাবুদ্দিন বিহারি হিসেবে মো. আরমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন

সাংবাদিক পরিচয়ে মাদক কারবার, গ্রেপ্তার ৩

সাংবাদিক পরিচয়ে মাদক কারবার, গ্রেপ্তার ৩

পুলিশ বলছে, তারা সাংবাদিক পরিচয়ে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা এবং মাদক কারবারে ব্যবহৃত একটি বেসরকারি টিভির লোগো সম্বলিত টয়োটা এক্স করোলা প্রাইভেটকার ও একটি ভিডিও ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়।

রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া, মহিদুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেন।

পুলিশ বলছে, তারা সাংবাদিক পরিচয়ে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন। রোববারের অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা এবং মাদক কারবারে ব্যবহৃত একটি বেসরকারি টিভির লোগো সম্বলিত টয়োটা এক্স করোলা প্রাইভেটকার ও একটি ভিডিও ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডিবির মিরপুরের জোনাল টিম দারুস সালাম কোর্টবাড়ী এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় একটি বেসরকারি টিভির লোগো সম্বলিত প্রাইভেটকারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গাড়িটি তল্লাশি করে ১২ কেজি গাঁজা ও টিভিটির লোগো সম্বলিত ভিডিও ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়।

এডিসি ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ওই টিভির সাংবাদিক পরিচয়ে লোগো সম্বলিত প্রাইভেটকার ও ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধোঁকা দিয়ে মাদক কারবার চালিয়ে আসার কথা স্বীকার করেছেন। তারা কেউই সাংবাদিক নন। শুধু মাদকের কারবারের জন্য ওই টিভির নাম সম্বলিত গাড়ি ও প্রাইভেট কার ব্যবহার করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন

ডেমরা-মাতুয়াইলে জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার, খনন শুরু

ডেমরা-মাতুয়াইলে জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার, খনন শুরু

অভিযান প্রসঙ্গে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সব মিলিয়ে জলপ্রবাহের সেই জায়গায় তিন দিনে প্রায় ৫০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দখলমুক্তির পর সোমবার বিকেল থেকে সেখানে খননকাজ শুরু হয়েছে।’

রাজধানী ঢাকার ডেমরা ও মাতুয়াইল এলাকার জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার করে খননকাজ শুরু করা হয়েছে।

সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘ সময় দখলে থাকা ঢাকা মহানগরীর নিম্নাঞ্চলের জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার, ৫২নং ওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) জন্য নির্ধারিত জায়গা দখলমুক্ত করা এবং এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেছে করপোরেশনের তিন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ, করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান এবং করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো পরিচালনা করেন।

ডিএসসিসির নিম্নাঞ্চল, বিশেষত ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর ডেমরা ও মাতুয়াইল এলাকার জলপ্রবাহের জায়গাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দীর্ঘ সময় সেসব জায়গা দুর্বৃত্তদের দখলে ছিল।

ফলে জলাবদ্ধতার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করতে থাকে। এমতাবস্থায় সেই এলাকাগুলোতে দুর্বৃত্তদের দখলে থাকা জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধারে সোমবার তৃতীয় দিন চূড়ান্ত অভিযান পরিচালনা করেছে ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ডেমরা-মাতুয়াইলে জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার, খনন শুরু

করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ এরফান উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন আদালত সোমবার সেখানে অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে জলপ্রবাহের জায়গায় তৈরি করা ব্যবসায়িক স্থাপনা, দোকান, থাকার ঘর, কাঠ ও বাঁশের ব্যবসাসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উদ্ধারকৃত জায়গায় সোমবার বিকেল থেকে খননকাজও শুরু করা হয়।

করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন আদালত সোমবার নগরীর ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত এসটিএসের জায়গায় অবৈধ দখলে থাকা স্থাপনাসমূহ অপসারণ করছে। দ্বিতীয় দিনের মতো এই অভিযান চালানো হয়। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চলবে।

ডেমরা-মাতুয়াইলে জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার, খনন শুরু

করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপার নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত সোমবার এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের ৩ নম্বর বাগানবাড়ি এলাকায় ‘মদিনা’ নামের একটি কয়েল কারখানায় অভিযান চালায়। অভিযানে মশার লার্ভা পাওয়ায় একটি মামলা করার পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান প্রসঙ্গে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ঢাকার নিম্নাঞ্চলে জলপ্রবাহের যে জায়গাগুলো ছিল, দীর্ঘ সময় ধরে সেসব জায়গা নানা কায়দায় দুর্বৃত্তরা দখল করে নেয়। কালের পরিক্রমায় দুর্বৃত্তরা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বাঁশের দোকান, কাঠের দোকান, বসতবাড়ি, অস্থায়ী দোকান ইত্যাদির মাধ্যমে জলপ্রবাহের সেই জায়গাগুলো দখল করেছে।

ডেমরা-মাতুয়াইলে জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার, খনন শুরু

‘চলাচলের জায়গা সৃষ্টির নামে জলপ্রবাহের অধিকাংশ জায়গায় দখলদাররা কাঠের দোকান দিয়ে এমনভাবে দখল করে নিয়েছে যে, সেখানে পানিপ্রবাহের ন্যূনতম সুযোগটুকুও অবশিষ্ট ছিল না। সেই জায়গায় এর আগে দুই দিন অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৩০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। আজকের চূড়ান্ত পর্বের অভিযানে সেখানে প্রায় দেড় শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করে জলপ্রবাহের পুরো জায়গা দখলমুক্ত করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে জলপ্রবাহের সেই জায়গায় তিন দিনে প্রায় ৫০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দখলমুক্তির পর সোমবার বিকেল থেকে সেখানে খননকাজ শুরু হয়েছে।’

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন

সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের মধ্যে অন্যতম ঢাকা কলেজ। ছবি: সংগৃহীত

সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খন্দকার নিউজবাংলাকে বলেন, আজকের বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন নেয়া হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কৃর্তপক্ষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের স্নাতক (২০২০-২১) প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী জুলাই মাস থেকে।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামালের সঙ্গে সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খন্দকার নিউজবাংলাকে বলেন, আজকের বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন নেয়া হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কৃর্তপক্ষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেবে।

কলেজগুলো হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
দিনাজপুরে উপজেলা পর্যায়ে শুরু বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ
মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে সহজ জয় আবাহনীর
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট: মেয়র আতিক

শেয়ার করুন