আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সাততলা বস্তির কেউই অভুক্ত থাকবে না: আতিক

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সাততলা বস্তির কেউই অভুক্ত থাকবে না: আতিক

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, সাততলা বস্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারের জন্য নগদ ৫ হাজার করে টাকা, তিন বেলা খাবার, ঢেউটিন এবং প্রায় ২ হাজার টাকার শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মহাখালীর সাততলা বস্তির কেউই অভুক্ত থাকবে না, তাদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সাততলা বস্তি এলাকা সোমবার দুপুরে পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মহাখালীর ওই বস্তিতে সোমবার ভোররাতে আগুন লাগে। স্থানীয়রা বলছেন, এতে এক হাজারের বেশি ঘর পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস বলছে, পুরো বস্তিতে কাঠ ও টিনশেডের প্রায় দুই হাজার ঘর রয়েছে, যার অর্ধেকই পুড়ে গেছে।

পরিদর্শনকালে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, সাততলা বস্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারের জন্য নগদ ৫ হাজার করে টাকা, তিন বেলা খাবার, ঢেউটিন এবং প্রায় ২ হাজার টাকার শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বস্তিবাসীরা আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই তাদের উচ্ছেদ নয়, পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে।’

এর আগে সকালে উত্তরা-৪ নম্বর সেক্টরে ডিএনসিসি পরিচালিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মেয়র।

এ সময় তিনি বলেন, সবাই মিলে সবার ঢাকাকে সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

এ সময় তিনি যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশকে দূষিত না করে, নির্ধারিত স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে মেয়রের সঙ্গে অন্যদের মধ্যে ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘ম্যাজিক’ দেখিয়েছেন মেয়ররা: মন্ত্রী

জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘ম্যাজিক’ দেখিয়েছেন মেয়ররা: মন্ত্রী

বৃষ্টির পর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জমে থাকা পানির মধ্যে চলছে গাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে দুই সিটি করপোরেশন যে কাজ করেছে, এর চেয়ে বেশি কাজ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।’

খাল এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে দুই সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর হওয়ায় রাজধানীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। এই উন্নতিকে ‘ম্যাজিক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এর সুফল নগরবাসী পেতে শুরু করেছে। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে দুই সিটি করপোরেশন যে কাজ করেছে, এর চেয়ে বেশি কাজ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় সড়ক প্রশস্ত করা কর্মসূচি ঘুরে দেখে তিনি এ কথা বলেন।

গত ১ জুন ২৪ ঘণ্টায় ৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতে রাজধানীর বেশিরভাগ রাস্তাঘাট হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। নগর বিশেষজ্ঞরা অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাওয়াকে এ জন্যে দায়ী করেন।

বৃহস্পতিবারের কর্মসূচিতে মন্ত্রী বলেন, অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণের মধ্য দিয়ে শহরকে বিপর্যস্ত করার অধিকার কারও নেই।

মন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীসহ দেশের বড় বড় নগরে অবৈধভাবে জায়গা দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের ফলে অপরিকল্পিতভাবে শহর গড়ে উঠছে। এটা চলতে দেয়া যাবে না। পর্যাপ্ত রাস্তা, খোলা জায়গা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিজস্ব সেপটিক ট্যাংকসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা নিশ্চিত না করে আর কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করতে দেয়া হবে না।’

রাস্তা প্রশস্ত করা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, মসজিদের ইমাম, নারী-পুরুষসহ সব শ্রেণির মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে এ কাজ সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দেশে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে না পারলে যে কোনো কাজে সফলতা পাওয়া সম্ভব না। জনগণকে সম্পৃক্ত করায় প্রত্যাশিত ফল আসছে।’

যোগাযোগের জন্য, মানুষের চলাফেরার জন্য যদি পর্যাপ্ত রাস্তা না থাকে, তাহলে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। মানুষের শান্তি ও উন্নয়নে মসজিদ-মাদ্রাসা, কবরস্থান এবং ধর্মীয় অবকাঠামো অন্যত্র সরিয়ে নেয়া যাবে না-এই ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘রাজধানীতে সুউচ্চ ভবন নির্মাণ হবে, কোনো সমস্যা নেই। আমি এর বিপক্ষে নই। কিন্তু আগে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে। খেলার মাঠ, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা ও লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করতে না পারলে সুউচ্চ ভবনের অনুমোদন দেয়া হবে না।’

খালগুলো দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করে দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সবুজায়ন করে সুন্দর নগরী গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘হাতিরঝিলের চেয়ে আরও বেশি সুন্দর করে খালগুলোকে বিনির্মাণ করা হবে। পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়নের সুফল পাওয়া যাবে না বরং কুফল বয়ে আসবে। সুন্দর জীবন-জীবিকার জন্য পারিপার্শ্বিক সবকিছু আমলে নিয়ে উন্নয়ন করতে হবে।’

ভলেন্টিয়ার বা স্বেচ্ছাসেবাকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে এবং এটি ‘ফাইনাল স্টেজে’ আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে সমস্ত মানুষকে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে। আর সবাই মিলে কাজ করলে যে কোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা সহজ।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন

সড়কে কিশোরের রক্তাক্ত দেহ

সড়কে কিশোরের রক্তাক্ত দেহ

মৃত ইয়াসির মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা

উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামছুল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, 'গাড়িচাপায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছি। প্রত্যক্ষদর্শী না থাকায় কী গাড়ি তা বোঝা যাচ্ছে না। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে গাড়ি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে রাস্তা থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত কিশোরের নাম ইয়াসির মাহমুদ। ১৪ বছরের ইয়াসির উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে পড়ত।

ইয়াসিরের পরিবার বলছে, রাস্তা পার হওয়ার সময় গাড়িচাপায় তার মৃত্যু হয়েছে।

কিশোরের বাবা মাহমুদ হোসাইন খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১১ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কে আমরা থাকি। এর কিছু দূরে ১৬ নম্বর সড়কে আমার দোকান। রাতে দোকান বন্ধ করে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তখন জানতাম আমার ছেলে দোকানে আসার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছে।

‘কিছুক্ষণ পর খবর পাই ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে। অন্যদের সহায়তায় ছেলেকে উদ্ধার করে শিন শিন হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

‘আমাদের ধারণা রাস্তা পার হওয়ার সময় তাকে কোনো গাড়ি জোরে ধাক্কা দেয়। পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পায় সে।’ বলেন মাহমুদ হোসাইন।

উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামছুল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, 'গাড়িচাপায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছি। প্রত্যক্ষদর্শী না থাকায় কী গাড়ি তা বোঝা যাচ্ছে না। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে গাড়ি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

সড়কে কিশোরের রক্তাক্ত দেহ

এর আগে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জানিয়েছিলেন, ‘ঘটনার সময় রাস্তা ফাঁকা ছিল। কোনো প্রত্যক্ষদর্শীকে পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হতে পারে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।’

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন

ভুয়া বিজ্ঞানী সাইফুলসহ ৬ জন রিমান্ডে

ভুয়া বিজ্ঞানী সাইফুলসহ ৬ জন রিমান্ডে

ঢাকার সিএমএম কোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

র‌্যাবের একটি দল টাঙ্গাইল ও রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকায় ‘রাজা-বাদশা’ গ্রুপের নতুন কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানের বিজ্ঞানীর ভুয়া পরিচয়ে নিজের উদ্ভাবিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-প্রতিকার, বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট-প্রজেক্ট, করোনা প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রজেক্ট বাস্তবায়নের নামে কোটি কোটি টাকা ও জমি আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বিজ্ঞানী সাইফুল ওরফে সায়েন্টিস্ট সাইফুলসহ ছয়জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

এ ছাড়া ১০ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১৭ জুন বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডল এই রিমান্ড ও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রিমান্ডে পাঠানো অপর পাঁচ আসামি হলেন মো. ইমরান রাজা, মো. রোমান বাদশা, মো. আনিসুজ্জামান সিদ্দিকী, মো. নাজমুল হক ও মো. তারেক আজিজ।

এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম ও রোমানের দুই দিন করে এবং আনিসুজ্জামান, নাজমুল ও তারেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

এ ছাড়া অস্ত্র আইনের আরেকটি মামলায় সাইফুল ইসলামের আরও তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। গ্রেপ্তারের সময় সাইফুলের দখল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন বকুলি ইয়াসমিন, কাকলী আক্তার, বেল্লাল হোসেন, আব্দুল মান্নান, শিমুল মিয়া, নুরনবী, আবুল হাশেম, আলী হোসেন, শওকত আলী ও রোকনুজ্জামান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ১৬ আসামিকে আদালতে হাজির করেন।

মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল ও রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকায় ‘রাজা-বাদশা’ গ্রুপের নতুন কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন

এসএসসির সনদ বিতরণ শুরু ২০ জুন

এসএসসির সনদ বিতরণ শুরু ২০ জুন

নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ২০ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ৭ জুলাই পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ৪ নং ভবনের ষষ্ঠতলা থেকে সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

২০২০ শিক্ষাবর্ষের এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের মূল সনদ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

আগামী ২০ জুন থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (সনদ) মো. হেলাল উদ্দিনের সই করা একটি নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ২০ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ৭ জুলাই পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ৪ নং ভবনের ষষ্ঠতলা থেকে সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

এ ক্ষেত্রে ঢাকা বোর্ডের অধীনে উল্লিখিত দিনে নির্ধারিত জেলার সনদ প্রদান করা হবে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ২০ জুন, ফরিদপুর ২১ জুন, মুন্সিগঞ্জ ২২ জুন, রাজবাড়ী ২৩ জুন, গোপালগঞ্জ ২৪ জুন, নরসিংদী ২৭ জুন, মানিকগঞ্জ ২৯ জুন, শরীয়তপুর ২৯ জুন, মাদারীপুর ৩০ জুন, গাজীপুর ১ জুলাই, ঢাকা জেলা ৪ জুলাই, ঢাকা মহানগর ৪ জুলাই, টাঙ্গাইল ৬ জুলাই এবং কিশোরগঞ্জ ৭ জুলাই।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল সনদপত্র গ্রহণ করার জন্য কতজন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে, তার বিরবণসহ প্রধান শিক্ষক অথবা দায়িত্বশীল প্রতিনিধিকে প্রাধিকারপত্র দিয়ে তিনটি নমুনা স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ সনদপত্র গ্রহণ করতে হবে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক নিজের পাঠানো প্রতিনিধির বেলায় অর্থাৎ উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তের কপিসহ মূল সনদপত্র গ্রহণের জন্য আবেদনের ওপর উভয় স্তরের কমিটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর আনতে হবে। অন্যথায় সনদপত্র দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন

শাহজালালে সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিক্ষোভ

শাহজালালে সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সামনে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের বিক্ষোভ। তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরেও বিক্ষোভ করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। ছবি: নিউজবাংলা

গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তার সঙ্গে এক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর বুধবার প্রাইম ক্লিয়ারিং হাউস নামে এক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। এর জেরে বিক্ষোভ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। সেটার সূত্র ধরেই এখানে শাহজালালে সিএন্ডএফ এজেন্টরা প্রতিবাদ করছে।

চট্টগ্রামে কাস্টমস হাউসে শুল্ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাক বিতণ্ডার জেরে দেশের প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য আনা নেয়ার কাজ তিন ঘণ্টা বন্ধ রেখেছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টি থেকে বিমানবন্দর এলাকায় ঢাকা কাস্টমস হাউজে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। কর্মদিবসের শেষ বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের বিক্ষোভের কারণে সব ধরনের পণ্য আনা নেয়া বন্ধ হয়ে যায় দেশের প্রধান বিমানবন্দর শাহজালালে।

তবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন)।

চট্টগ্রামে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা মূলত ছয় দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেন। দাবিগুলো হলো প্রাইম ক্লিয়ারিং হাউসের লাইসেন্সের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, স্পিড মানির নামে আদায় করা অবৈধ লেনদেন বন্ধ, লাইসেন্সিং বিধিমালার ১৭(২) ধারা বাতিল, সব কাস্টমস হাউসে অভিন্ন শুল্কায়ন ব্যবস্থা কার্যকর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সব সিদ্ধান্ত কার্যকর, শুল্ক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়া পলাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তার সঙ্গে এক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর বুধবার প্রাইম ক্লিয়ারিং হাউস নামে এক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। এর জেরে বিক্ষোভ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। সেটার সূত্র ধরেই এখানে শাহজালালে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা প্রতিবাদ করছেন।’

‘তাদের সঙ্গে কাস্টমস কর্মকর্তারা কথা বলছেন। আশা করছি খুব জলদি সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। তবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয় এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন

পাতাল রেলের নির্মাণ আগামী মার্চে

পাতাল রেলের নির্মাণ আগামী মার্চে

ঢাকায় প্রাথমিকভাবে চার রুটে ১২০ কিলোমিটার পাতাল রেলের কাজ করা হবে। ছবি: সংগৃহীত

‘রেললাইনে দুটি অংশ থাকবে। প্রথম অংশটি পুরোপুরি পাতালপথে। আর বাকিটা উড়ালপথ। ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশ নির্মাণ করা হবে। যার দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। আর কমলাপুর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত হবে উড়ালপথ। যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার।’

দেশের প্রথম পাতাল রেলপথ নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে আগামী বছরের মার্চে। রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশন থেকে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত হবে পাতাল মেট্রোরেল পথটি। দৈর্ঘ্য হবে ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার।

বৃহস্পতিবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক।

তিনি বলেন, ‘পাতাল রেল প্রকল্পের সব পরীক্ষা শেষ হয়েছে। বিস্তারিত ডিজাইনের কাজও ৭২ শতাংশ শেষ হয়েছে। মোট ১২টি প্যাকেজে পুরো কাজটি সম্পন্ন হবে।’

প্রথম প্যাকেজের টেন্ডারের দরপত্র চাওয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘রেললাইনে দুটি অংশ থাকবে। প্রথম অংশটি পুরোপুরি পাতালপথে। আর বাকিটা উড়ালপথ।

‘ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশ নির্মাণ করা হবে। যার দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। আর কমলাপুর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত হবে উড়ালপথ। যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার।’

এম এ এন ছিদ্দিক জানান, ১২টি প্যাকেজের আওতায় এমআরটি-১ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকায় প্রথম এ পাতাল রেলপথের নির্মাণকাজ করা হবে। প্রথম প্যাকেজে ডিপোর ভূমি উন্নয়ন ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দরপত্রপ্রক্রিয়া শেষ হবে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘ছয় মাসের মধ্যে রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জে ডিপো নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।’

তিনি জানান, প্রকল্পের জন্য ২৫টি ট্রেন কেনা হবে। প্রতিটি ট্রেনে আটটি করে কোচ থাকবে। একেকটি ট্রেনে ৩ হাজার ৮৮ যাত্রী পরিবহন করা যাবে। পুরো রেলপথ দিয়ে প্রতিদিন আট লাখ যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে। রেলপথ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকা ও তার আশপাশে ছয়টি মেট্রোরেল লাইন নির্মাণের প্রকল্প নিয়েছে। এর মধ্যে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার উড়ালপথে মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যা লাইন-৬ নামে পরিচিত।

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন

দুষ্ট লোকমুক্ত ঢাকা চান মেয়র আতিক

দুষ্ট লোকমুক্ত ঢাকা চান মেয়র আতিক

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাফরুলের ইব্রাহীমপুরে অ্যাডভেন্টিস্ট ইন্টারন্যাশনাল মিশন স্কুলে স্থানীয়দের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রাস্তা প্রশস্তকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ চাওয়ার কথা জানান।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকাকে দখল, দূষণ ও দুষ্ট লোকের কবল থেকে মুক্ত করে সবার বাসযোগ্য একটি আধুনিক নগরীতে রূপান্তরিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাফরুলের ইব্রাহীমপুরে অ্যাডভেন্টিস্ট ইন্টারন্যাশনাল মিশন স্কুলে স্থানীয়দের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রাস্তা প্রশস্তকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সভাপতির বক্তৃতায় ডিএনসিসির মেয়র বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর অঞ্চলের ১৩, ১৪ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। এসব ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট এতটাই অপ্রশস্ত যে, বিপদের সময়ে জরুরি অ্যাম্বুলেন্সও প্রবেশ করতে পারত না। এমনকি এই এলাকার বাড়িঘর থেকে মৃতদেহ বাইরে বের করাটাও খুবই কঠিন ছিল।

তিনি বলেন, প্রশস্ত রাস্তার গুরুত্ব অনুধাবন করেই অত্র এলাকার সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে ভলান্টিয়ার হিসেবে এগিয়ে আসায় এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এলাকার অপ্রশস্ত রাস্তাগুলো প্রশস্ত করা সম্ভব হয়েছে।

ডিএনসিসির মেয়র বলেন, এই এলাকার বাড়ির মালিকরা তথা ভলান্টিয়াররা স্বেচ্ছায় মোট ২৭টি রাস্তায় বা রাস্তার অংশসমূহে প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা প্রশস্ত করেছেন। এ কাজ করতে গিয়ে অনেককে নিজেদের মূল্যবান স্থাপনার আংশিক ভাঙতে হয়েছে, মূল্যবান জমিও ছাড়তে হয়েছে।

দুষ্ট লোকমুক্ত ঢাকা চান মেয়র আতিক

সাধারণ জনগণের অসাধারণ ক্ষমতাবলে স্বেচ্ছায় ১৩, ১৪ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তার প্রশস্ত করার কাজ করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই কাজে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন তথা বাংলাদেশ সরকারের কোটি কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। এসব রাস্তা প্রশস্ত করতে গেলে জমি অধিগ্রহণ করতে হতো, অনেক টাকাও খরচ করতে হতো।

জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এমন মহৎ উদ্যোগের জন্য বাড়ির মালিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, শুধু ডিএনসিসির ৪ নম্বর অঞ্চলই নয়, অন্য সব অঞ্চলের জন্য, এমনকি ঢাকাসহ সারা দেশের জন্যই এটি একটি রোল মডেল, একটি অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মাটি ও মানুষ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মন্ত্রী তাজুল এ সময় করোনা মহামারির মধ্যেও জনগণের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করার জন্য ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলামকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

দুষ্ট লোকমুক্ত ঢাকা চান মেয়র আতিক

তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতে ২০২০ সালে ঢাকা মহানগরীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৩ গুণ হওয়ার কথা থাকলেও ডিএনসিসির সুযোগ্য মেয়রের নেতৃত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় তা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

তিনি কোভিড-১৯ পরিস্থিতির মধ্যেও জনকল্যাণকর কাজ অব্যাহত রাখায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানান।

সভা শেষে ডিএনসিসির মেয়র স্থানীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে সাধারণ জনগণের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় প্রশস্ত করা বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে দেখেন।

আরও পড়ুন:
জালিয়াতির মুখে স্বস্তিকা, পুলিশে অভিযোগ
করোনায় বেকার, আগুনে সর্বস্বান্ত
ফ্ল্যাটের চেয়ে ভাড়া ‘বেশি’ বস্তিতে

শেয়ার করুন